Connect with us

ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকের জেনারেল ও ক্যাশ পদের নাম পরিবর্তন

Published

on

শেয়ারবাজার

বাংলাদেশ ব্যাংকের জেনারেল সাইড ও ক্যাশ সাইডের পদের নামে পরিবর্তন আনা হয়েছে। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

নতুন নির্দেশনার ফলে এখন থেকে কারেন্সি অফিসারের নতুন পদ নাম হবে নির্বাহী পরিচালক (কারেন্সি), মহাব্যবস্থাপক (ক্যাশ) পদের নাম হবে পরিচালক (ক্যাশ), যুগ্ম ব্যবস্থাপক (ক্যাশ) হবে যুগ্ম পরিচালক (ক্যাশ), উপ-মহাব্যবস্থাপক হবে উপপচিরালক, সহকারী ব্যবস্থাপক (ক্যাশ) সহকারী পরিচালক (ক্যাশ), সহকারী ব্যবস্থাপক পদনাম হবে সহকারী পরিচালক। এছাড়া এমএলএসএস-১ম মান হবে অফিস সহায়ক- প্রথম মান এবং এমএলএসএস-দ্বিতীয় মান পদটির এখন থেকে নতুন নাম হবে অফিস সহায়ক-দ্বিতীয মান।

কার্যালয়ের সঙ্গে দাপ্তরিক প্রয়োজনে পত্র/ই-মেইলসহ সবধরনের যোগাযোগের ক্ষেত্রে পরিবর্তিত পদনাম ব্যবহার করার কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফিন্যান্স কোম্পানি আইন, ২০২৩ এর ৪১ (২) (ঘ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি

টাকার অংক না বাড়িয়ে ‘ঋণের কিস্তি’ বাড়াতে পারবে ব্যাংক

Published

on

শেয়ারবাজার

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশেও বাড়ছে সুদহার। এতে করে ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তির টাকার পরিমাণও বাড়ছে। ফলে অনেক গ্রাহক সময়মত ঋণের কিস্তি পরিশোধে হিমশিম খাচ্ছেন। এ অবস্থায় ঋণের কিস্তির টাকার অংক না বাড়িয়ে ব্যাংকগুলো বাড়তি সুদ আদায়ের জন্য কিস্তির সংখ্যা বাড়াতে পারবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক গত ৮ এপ্রিল এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে পাঠিয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্টা বলছেন, নতুন সুদহারের কারণে মেয়াদি শিল্প ঋণ ও ব্যক্তি পর্যায়ের গৃহঋণের কিস্তির টাকার অংক বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু সেই তুলনায় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আয় বাড়ছে না। এতে করে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে গ্রাহকদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক কিস্তির টাকার পরিমাণ না বাড়িয়ে কিস্তির সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলছে, গত বছরের ১ জুলাইয়ের আগে ব্যাংকগুলো যে সুদহারে কিস্তির পরিমাণ নির্ধারণ করেছিল, সেটি অপরিবর্তিত রাখতে হবে। নতুন সুদহারের কারণে কোনো গ্রাহকের কিস্তির পরিমাণ বেড়ে গেলে অতিরিক্ত অর্থ স্থানান্তর করতে হবে সুদ বিহীন আলাদা ব্লকড হিসাবে। শিল্প ও গৃহঋণের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন সুদহারের কারণে অতিরিক্ত যে অর্থ আলাদা হিসাবে যোগ হবে, তা আগের সমপরিমাণ কিস্তিতে পরিশোধের ব্যবস্থা করতে হবে। এ জন্য বাড়তি যে সময় লাগবে, সেই সময়ের মধ্যে বাড়তি সুদ পরিশোধ করা যাবে কিস্তিতে। এ ক্ষেত্রে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ঋণ স্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে।

উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, কোনো ব্যক্তির গৃহঋণের ক্ষেত্রে গত বছরের ১ জুলাইয়ের আগে সুদাসলে মাসিক কিস্তির পরিমাণ ছিল ১০ হাজার টাকা। ওই সময় ১০ শতাংশ সুদহারে এ কিস্তি আদায় করা হতো। এখন সুদহার বেড়ে হয়েছে ১৫ শতাংশ। তাতে ওই ঋণগ্রহীতার কিস্তির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৫০০ টাকা। নতুন সুদহারের কারণে কিস্তি বাবদ বাড়তি যে ৫০০ টাকা বেড়েছে, সেটি প্রতি মাসের কিস্তির মাধ্যমে আদায় করা যাবে না। বাড়তি এই ৫০০ টাকা আলাদা একটি ব্লকড হিসাবে স্থানান্তর করে গ্রাহকের ঋণের মেয়াদ পূর্তির পর তা আদায়ের উদ্যোগ নিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ব্যাংকগুলো তাদের নিয়মিত গ্রাহকদেরই এই সুবিধা দিতে পারবে। প্রচলিত ব্যাংকিং ধারার পাশাপাশি ইসলামি শরিয়াহ ব্যাংকের গ্রাহকেরাও একই ধরনের সুবিধা পাবেন। কিন্তু আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে অশ্রেণিকৃত ঋণের ক্ষেত্রে এই সুবিধা দেওয়া যাবে না। আবার রূপান্তরিত মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রেও এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে না। পাশাপাশি ঋণ খেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বা কোনো কোম্পানিকে এই সুবিধা দেওয়া হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক বা সরকার গঠিত প্রণোদনা বা বিশেষ তহবিলের আওতায় প্রদত্ত ঋণের ক্ষেত্রেও এই সুবিধা কার্যকর হবে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের তৃতীয় মাস মার্চে ঋণের সুদহার হবে ১৩ দশমিক ১১ শতাংশ আর ভোক্তা ঋণের সুদহার পড়বে ১৪ দশমিক ১১ শতাংশ। যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ১২ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং ১৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ আর জানুয়ারিতে ছিল ১১ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং ভোক্তা ঋণের সুদহার ১২ দশমিক ৮৯ শতাংশ ছিল। এভাবে ধারাবাহিক ঋণের সুদহার বাড়ছে। এতে গ্রাহকের কিস্তির অঙ্কও বেড়ে যাচ্ছে। তাই ঋণগ্রহীতার ঋণ পরিশোধের সুবিধার্থে ঋণের কিস্তির টাকার পরিমাণ না বাড়িয়ে কিস্তির সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

একীভূত হচ্ছে না কোন শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক

Published

on

শেয়ারবাজার

দেশের দুর্বল ব্যাংকগুলোকে সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার তালিকা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এই তালিকায় কোনো ইসলামি ব্যাংকের নাম নেই। অর্থাৎ শরিয়াহভিত্তিক কোন ব্যাংক আপাতত একীভূত হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ইসলামি ধারার যেসব দুর্বল ব্যাংক রয়েছে এসব ব্যাংক মালিকরা নিজেদের উদ্যোগেই ব্যাংকগুলোর আর্থিক অবস্থান ভালো করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকে গভর্নরের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাংকের মালিকানায় থাকা পরিচালক ও চেয়ারম্যানরা বৈঠক করেন। বৈঠকে ১০টি দুর্বল ব্যাংককে বিভিন্ন সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে পদ্মা ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, বিডিবিএল, বেসিক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এবং আইসিবি ইসলামি ব্যাংক। এর মধ্যে শুধু পদ্মা ব্যাংকের একীভূতকরণ আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়েছে।

তবে আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের একীভূত হওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কারণ আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের শেয়ার ওরিয়ন গ্রুপ কিনে নেয়ার বিষয়ে কথা হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে। এর আগে আইসিবি ইসলামি ব্যাংকটির নাম ছিল দ্য ওরিয়েন্টাল ব্যাংক। সে সময় ব্যাংকটি ওরিয়ন গ্রুপের মালিকানায় ছিল। তবে দেউলিয়াপ্রায় অবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপে তা মালয়েশিয়াভিত্তিক আইসিবি ইসলামি গ্রুপ ব্যাংকটির অধিকাংশ শেয়ার কিনে নেয়। তবে নাম, মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনলেও আইসিবি ইসলামি ব্যাংক আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।

এদিকে ইসলামি ধারার কয়েকটি ব্যাংকের আর্থিক স্বাস্থ্য নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এসব ব্যাংক নিয়ে নিউজও হয়। তবে এসব ব্যাংক এখনই একীভূত হচ্ছে না বলেই জানা গেছে।

সূত্র মতে, গত মার্চ মাসে এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হতে চুক্তি করেছে পদ্মা ব্যাংক। এর মধ্য দিয়ে ব্যাংক একীভূত করার ধারা শুরু হয়। এছাড়া রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংককে (রাকাব) কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংককে (বিডিবিএল) সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হচ্ছে সরকারি মালিকানাধীন সমস্যাগ্রস্ত বেসিক ব্যাংক।

এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত সূত্র জানায়, সম্প্রতি আর্থিক খাতের নীতিনির্ধারকদের এক বৈঠকে ব্যাংক একীভূতকরণ নিয়ে আলোচনা হয়। কোন ব্যাংক কার সঙ্গে একীভূত করা যায়, তা নিয়ে সেখানে অনানুষ্ঠানিক কথাবার্তার একটি খবরের পর আলোচনা ব্যাপক মাত্রা পেয়েছে।

এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোকে একীভূত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কেউ একীভূত না হলে আগামী বছর মার্চ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে ভালো ব্যাংকের সঙ্গে দুর্বল ব্যাংককে মিলিয়ে দেয়া হবে।

গত ৪ এপ্রিল স্বেচ্ছায় একীভূত হওয়ার একটি নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বলা হয়েছে, ‘একীভূতকরণের পর যে ব্যাংক বিলীন হয়ে যাবে, সেই ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিন বছরের আগে ছাঁটাই করা যাবে না। তবে ওই ব্যাংকের বড় কর্মকর্তারা (এমডি, ডিএমডি) থাকতে পারবেন না।’

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

ইউসিবির সঙ্গে একীভূত হচ্ছে ন্যাশনাল ব্যাংক

Published

on

শেয়ারবাজার

বেসরকারি খাতের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) পিএলসির সঙ্গে একীভূত হচ্ছে ন্যাশনাল ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের উপস্থিতিতে বৈঠকে দুই ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কয়েকজন সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এর আগে একীভূতকরণ ইস্যুতে ইউসিবি এবং এনবিএল’র ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। ন্যাশনাল ব্যাংকের আর্থিক ভিত্তি দুর্বল। অপরদিকে ইউসিবির আর্থিক ভিত্তি সবল। এর আগে দেশের দুর্বল ব্যাংক ও সবল ব্যাংকের স্বেচ্ছায় একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক। কোনো ব্যাংক স্বেচ্ছায় না হলে, তাদের জোরপূর্বক একীভূত করা হবে বলে জানানো হয়। তবে যে প্রক্রিয়ায়ই একীভূত হোক না কেন, এতে আমানতকারীদের স্বার্থের কোনো হানি হবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সিদ্ধান্তে গত ১৮ মার্চ প্রথমবারের মতো একীভূত হয় পদ্মা ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যস্থতায় এরই মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বেসিক ব্যাংক বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি খাতের এক্সিমের সঙ্গে পদ্মা একীভূত হওয়ার বিষয়ে এমওইউ সই করেছে। আর গত সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক থেকে রাষ্ট্রীয় মালিকানার সোনালীর সঙ্গে বিডিবিএল এবং বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এসএম

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

মুজিবনগরে ব্যাংক বন্ধ থাকবে ১৭ এপ্রিল

Published

on

শেয়ারবাজার

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন উপলক্ষে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলায় ১৭ এপ্রিল (বুধবার) সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়ে‌ছে। এ কারণে ওই উপজেলার সব ব্যাংকের শাখা বুধবার বন্ধ থাকবে।

সোমবার (৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অব-সাইট সুপারভিশন বিভাগ থে‌কে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি ক‌রে‌ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, সরকারি ছুটি ঘোষিত হওয়ায় মুজিবনগর দিবস উদযাপন উপলক্ষে মুজিবনগর উপজেলায় ব্যাংকের সব শাখা, উপশাখা ১৭ এপ্রিল বুধবার বন্ধ থাকবে।

মুজিবনগর উপজেলায় ব্যাংক বন্ধ থাক‌লেও দেশের অন্যান্য জেলা-উপজেলায় ব্যাংকের শাখা যথারীতি চালু থাকবে।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজার

এক্সিম ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মতি

Published

on

শেয়ার

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এক্সপোর্ট ইমপোর্ট (এক্সিম) ব্যাংক অব বাংলাদেশ লিমিটেডের সমাপ্ত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ঘোষিত লভ্যাংশে সম্মতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক্সিম ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, সমাপ্ত ২০২৩ হিসাববছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি’২৩-সেপ্টেম্বর’২৩) এক্সিম ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫৮ পয়সা, আগের হিসাববছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৫৭ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৪৪ পয়সায়, আগের হিসাববছরের একই সময় শেষে যা ছিল ২২ টাকা ৩২ পয়সা।

সমাপ্ত ২০২২ হিসাববছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এক্সিম ব্যাংক। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৫৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৪৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ২ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২১ টাকা ৭২ পয়সা।

২০০৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এক্সিম ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৪৪৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৭৩৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ব্যাংকটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪৪ কোটি ৭৫ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩২ দশমিক ৪৭ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৯ দশমিক ১৪, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৭৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৭ দশমিক ৬২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
শেয়ারবাজার
জাতীয়9 hours ago

রেলে স্বস্তির ঈদযাত্রা, টিকিট কালোবাজারি হয়নি: মন্ত্রী

শেয়ারবাজার
অর্থনীতি9 hours ago

শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে বেড়েছে আমানত

শেয়ারবাজার
জাতীয়10 hours ago

ঈদের ছুটি শেষে মেট্রোরেল চালু আগামীকাল

শেয়ারবাজার
জাতীয়10 hours ago

ঢাকা ওয়াসার সেবা সহজীকরণের নির্দেশ

শেয়ারবাজার
আন্তর্জাতিক11 hours ago

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি, নিহত ৯

শেয়ারবাজার
আন্তর্জাতিক11 hours ago

কলম্বিয়ায় সাধারণ মানুষকে গোসল না করার আহ্বান

মূল্যস্ফীতি
জাতীয়12 hours ago

আসুন সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে একযোগে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী

শেয়ারবাজার
রাজনীতি12 hours ago

ফেসবুকে ভালোবাসার বার্তা দিলেন ওবায়দুল কাদের

শেয়ারবাজার
অর্থনীতি12 hours ago

ক্রেডিট কার্ডে বাংলাদেশিদের বেশি খরচ ভারত ও থাইল্যান্ডে

শেয়ারবাজার
জাতীয়12 hours ago

বান্দরবানে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০