Connect with us

ব্যাংক

যোগ্য অডিট ফার্মের তালিকা প্রকাশ করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

Published

on

লাফার্জ

ব্যাংক ও নন ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা এনবিএফআইগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন নিরীক্ষার জন্য যোগ্য ৩৯টি অডিট ফার্মের তালিকা প্রকাশ ক‌রে‌ছে‌ বাংলাদেশ ব্যাংক। আগে এই তালিকায় ৩১টি প্রতিষ্ঠান ছিল। যোগ্য তালিকায় নতুন করে জায়গা পেয়েছে ৮টি অডিট ফার্ম।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক যোগ্য অডিট ফার্মগুলোর হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈধ অডিট ফার্মগুলো হলো- এ কাশেম অ্যান্ড কোং, এ ওয়াহাব অ্যান্ড কোং, একনাবিন, আহমদ জাকের অ্যান্ড কোং, আহসান মনঞ্জুর অ্যান্ড কোং, অনিল সালাম ইদ্রিস অ্যান্ড কোং, অরুন অ্যান্ড কোম্পানি , আজিজ হালিম খায়ের চৌধুরী, বাসু ব্যানার্জি নাথ অ্যান্ড কোং, চৌধুরী ভট্টাচার্য অ্যান্ড কোং, দাস চৌধুরী দত্ত অ্যান্ড কোং, দেওয়ান নজরুল ইসলাম অ্যান্ড কোং, জি কিবরিয়া অ্যান্ড কোং, হুদা ভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোং, হক ভট্টাচার্য দাস অ্যান্ড কোং, হাওলাদার ইউনুস অ্যান্ড কোং, হোসাইন ফরহাদ অ্যান্ড কোং, ইসলাম আফতাব কামরুল অ্যান্ড কোং, ইসলাম জাহিদ অ্যান্ড কোং, কে এম আলম অ্যান্ড কোং, কাজী জহির খান অ্যান্ড কোং, খান ওয়াহাব শফিক রহমান অ্যান্ড কোং, এম জে আবেদিন অ্যান্ড কোং, এম এম রহমান অ্যান্ড কোং, এম জেড ইসলাম অ্যান্ড কোং, এমএবিএস অ্যান্ড জে পার্টনার্স, মাহমুদ সবুজ এন্ড কো., মাহফেল হক অ্যান্ড কোং, মালেক সিদ্দিকী ওয়ালী, মাসিহ মুহিত হক অ্যান্ড কোং, এমআরএইচ দে অ্যান্ড কোং, নূরুল ফারুক হাসান অ্যান্ড কোং, পিনাকী অ্যান্ড কোম্পানি, রহমান রহমান হক (কেপিএমজি), এস কে বরুয়া অ্যান্ড কোং, সফিক বসাক অ্যান্ড কোং, স্নেহাশীষ মাহমুদ অ্যান্ড কোং, সাইফুল সামসুল আলম অ্যান্ড কোং, জোহা জামান কবির রশিদ অ্যান্ড কোং।

নতুন জায়গা পাওয়া ৮ অডিট ফার্ম

এ ওয়াহাব অ্যান্ড কোং, অনিল সালাম ইদ্রিস অ্যান্ড কোং, কাজী জহির খান অ্যান্ড কোং, এমআরএইচ দে অ্যান্ড কোং, মাহমুদ সবুজ এন্ড কো., এস কে বরুয়া অ্যান্ড কোং, সফিক বসাক অ্যান্ড কোং, স্নেহাশীষ মাহমুদ অ্যান্ড কোং।

দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে যোগ্য অডিট ফার্মের নাম প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সর্বশেষ ২০২৩ সালের নভেম্বরে ৩১টি প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করা হয়েছিল। এবারও কিছু প্রতিষ্ঠান নতুন তালিকায় স্থান পেয়েছে।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

ব্যাংক

অফশোর ব্যাংকিংয়ের তহবিল ব্যবহার করতে পারবে মূল ব্যাংক

Published

on

লাফার্জ

ব্যাংকগুলোর অফশোর ইউনিট বিদেশ থেকে যে আমানত বা তহবিল আনবে, তা অবাধে ব্যবহার করতে পারবে মূল ব্যাংক। পাশাপাশি ব্যাংকের অফশোর ইউনিটের আমানত বা দায়ের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যে নগদ অর্থ জমা (সিআরআর) রাখতে হয়, সেটিও এখন আর দরকার হবে না। অফশোর ব্যাংকিংয়ের জন্য এই সুযোগ দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল বৃহস্পতিবার এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূলত টাকা ও ডলার-সংকট কাটাতে এ উদ্যোগ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। কারণ, সিআরআর রাখার বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ায় এ বাবদ জমা রাখা টাকা ফেরত পাবে ব্যাংকগুলো।

গত বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘অফশোর ব্যাংকিং আইনের ২০২৪- খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর গতকাল এই সুযোগ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশে প্রথমবারের মতো অফশোর ব্যাংকিং আইন করতে যাচ্ছে সরকার।

প্রস্তাবিত আইনানুযায়ী, অফশোর ব্যাংকিংয়ের জন্য লাইসেন্স পাওয়া ব্যাংকগুলো অনিবাসী বাংলাদেশি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় আমানত গ্রহণ করতে পারবে ও ঋণ দিতে পারবে। আর এই অফশোর ব্যাংকিং লেনদেনে যে সুদ আসবে, তার ওপর কোনো কর আরোপ করা হবে না।

সারা বিশ্বে অর্থ পাচারের জন্য অফশোর ব্যাংকিং বেশ আলোচিত। অন্য দেশগুলো যখন অফশোর ব্যাংকিং থেকে কিছুটা সরে আসছে, তখন বাংলাদেশ এদিকে জোর দিচ্ছে। ২০২১ সালের জুনে ব্যাংকগুলোর অফশোর ইউনিটের দেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ৭৩ হাজার ৩৮৭ কোটি টাকা। তখন খেলাপি ছিল মাত্র ১ হাজার ৪০ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ১ শতাংশের কিছুটা বেশি।

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে অফশোর ইউনিটগুলোর ঋণ বেড়ে দাঁড়ায় ৮৩ হাজার ৮২৬ কোটি টাকায়। আর খেলাপি ঋণ বেড়ে ১ হাজার ৭৫৫ কোটি টাকায় ওঠে, যা মোট ঋণের ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

ব্যাংকগুলোতে নারী দিবস পালনের নির্দেশ

Published

on

লাফার্জ

দেশের সব ব্যাংকে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নির্দেশনা জারি করে সব তফসিলি ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস, যথাযোগ্য মর্যাদায় দেশব্যাপী উদযাপন উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ বছর নারী দিবসের প্রতিপাদ্য ‘প্রতিবাদ নারীর সমঅধিকার, সমসুযোগ এগিয়ে নিতে হোক বিনিয়োগ’।

আলোচ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিতব্য সকল কার্যক্রমে উক্ত প্রতিপাদ্য ব্যবহার করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনাদেরকে নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

অফশোর ব্যাংকিং আইনের খসড়া অনুমোদন

Published

on

লাফার্জ

দেশে প্রথমবারের মতো অফশোর ব্যাংকিং আইন করতে যাচ্ছে সরকার। প্রস্তাবিত আইনানুযায়ী, অফশোর ব্যাংকিংয়ের জন্য লাইসেন্স পাওয়া ব্যাংকগুলো অনিবাসী বাংলাদেশি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় আমানত গ্রহণ করতে পারবে ও ঋণ দিতে পারবে। আর এই অফশোর ব্যাংকিং লেনদেনে যে সুদ আসবে, তার ওপর কোনো কর আরোপ করা হবে না।

আজ বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘অফশোর ব্যাংকিং আইন, ২০২৪’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিকভাবে আমরা লাভবান হব, সে জন্য আমরা এটি করছি।’

অফশোর ব্যাংকিং ব্যবস্থায় বৈদেশিক উৎস থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় তহবিল সৃষ্টি হয় এবং প্রচলিত ব্যাংকিং আইনকানুনের বাইরে আলাদা আইনকানুনের মাধ্যমে এ তহবিল পরিচালিত হয় ও হিসাব সংরক্ষণ করা হয়। অফশোর ব্যাংকিং হলো ব্যাংকের ভেতরে আলাদা এক ব্যাংকিং ব্যবস্থা। স্থানীয় মুদ্রার বিপরীতে নির্ধারিত বৈদেশিক মুদ্রায় অফশোর ব্যাংকিংয়ের হিসাব সংরক্ষণ করা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মার্কিন ডলার, ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিং, ইউরো, জাপানি ইয়েন এবং চায়নিজ ইউয়ান—এ পাঁচটি মুদ্রায় এই ব্যাংকিং কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে।

প্রস্তাবিত এই আইনের মাধ্যমে অনিবাসী ব্যক্তি কিংবা বাইরের কোনো প্রতিষ্ঠান যারা এখানে বিনিয়োগ করবে, তারা ‘অফশোর অ্যাকাউন্ট’ খুলতে পারবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, তার আগে অফশোর ব্যাংকিং করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংককে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে লাইসেন্স নিতে হবে। তবে যাঁরা ইতিমধ্যে এই লাইসেন্স নিয়েছেন, তাঁদের নতুন করে অনুমোদন নিতে হবে না। তাঁরা এই আইনের আওতায় অনুমোদন নিয়েছেন বলে গণ্য হবে। কিন্তু নতুন করে যাঁরা নিতে চান, তাঁদের বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে অনুমোদন নিতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, এই ব্যবস্থায় ব্যাংকগুলো অনিবাসী বাংলাদেশি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় আমানত গ্রহণ করতে পারবে এবং ঋণ দিতে পারবে। ওই আমানত স্বাভাবিক ব্যাংকিং পদ্ধতিতে ব্যবহার করতে পারবে। বিদেশে যে বাংলাদেশি (অনিবাসী) আছেন, তাঁর পক্ষে কোনো বাংলাদেশি এই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন, সহায়তাকারী হিসেবে অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে পারবেন।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান ও খুরশীদ আলম

Published

on

লাফার্জ

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মো. হাবিবুর রহমান ও নির্বাহী পরিচালক মো. খুরশীদ আলমকে ডেপুটি গভর্নর (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের এক আদেশে তাদের আলোচ্য পদে যোগদানের তারিখ থেকে আগামী তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বর্তমান পদ থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ ও অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল) স্থগিতের শর্তে মো. হাবিবুর রহমান ও মো. খুরশীদ আলমকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর পদে যোগদানের তারিখ থেকে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকে দুজন ডেপুটি গভর্নর আছেন। তাঁরা হলেন কাজী ছাইদুর রহমান ও নুরুন নাহার। মো. হাবিবুর রহমান ও মো. খুরশীদ আলমের নিয়োগের ফলে ডেপুটি গভর্নরের সংখ্যা দাঁড়াবে চার।

খুরশীদ আলম বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক-১ হিসেবে কর্মরত আছেন। খুরশীদ আলম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের স্নাতকোত্তর এবং পরে এমবিএ করেন। তিনি ১৯৮৮ সালে সহকারী পরিচালক পদে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করেন। খুরশীদ আলম ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ, ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ, কৃষি ঋণ বিভাগ, পেমেন্ট সিস্টেমস্ ডিপার্টমেন্ট, ডিপার্টমেন্ট অব কারেন্সি ম্যানেজমেন্ট, ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন, এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস্ ডিপার্টমেন্ট, সচিব বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

হাবিবুর রহমান বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) থেকে অর্থনীতিতে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

ড. হাবিবুর রহমান ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা বিভাগে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদানের আগে তিনি বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন। পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএইড) বৃত্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের ইস্ট্রার্ন ও ওয়েস্ট্রার্ন মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায়োগিক অর্থনীতিতে যথাক্রমে মাস্টার্স এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

হাবিবুর রহমান বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা বিভাগ, মানিটারি ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনিক্যাল ইউনিটে (বর্তমানে মানিটারি পলিসি বিভাগ) অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন। পরে তিনি বিশ্ব ব্যাংকের ক্যাপাসিটি বিল্ডিং প্রজেক্টের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পলিসি অ্যানালাইসিস ইউনিটে সিনিয়র রিসার্চ ইকোনমিস্ট হিসেবে নিয়োজিত হন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমিতে উপমহাব্যবস্থাপক এবং সর্বশেষ গভর্নর সচিবালয়ের পলিসি সাপোর্ট উইংয়ে মহাব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করেন।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

ব্যাংকের এমডি ও সিইও নিয়োগে বাংলাদেশ ব্যাংকের কড়া নির্দেশনা

Published

on

লাফার্জ

ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উপযুক্ত, পেশাগতভাবে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগ নিয়ে কড়া নির্দেশনা দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের  বিআরপিডির পরিচালক হারুন-অর-রশিদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নির্দেশনাটি সকল তফসিলি ব্যাংকের চেয়ারম্যান, পরিচালনা পর্ষদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোন ব্যাংকের এমডি ও সিইও নিয়োগে বা পুনঃনিয়োগের জন্য ব্যক্তির যোগ্যতা ও উপযুক্ততা বাছাই করতে হবে। এক্ষেত্রে তিনি জাল-জালিয়াতি, আর্থিক অপরাধ বা অন্য কোন অবৈধ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকতে পারবেন না। নিবন্ধন অথবা লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে এমন কোম্পানির মালিকানা এবং কর্মকর্তা হিসেবে যুক্ত থাকতে পারবেন না নিয়োগ পেতে চলা ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। একইসাথে কোন ব্যাংক-কোম্পানি বা অন্য কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী, চেয়ারম্যান বা পরিচালক থেকে অপসারিত হলে তিনি এমডি ও সিইও হতে পারবেন না। পাশাপাশি তিনি ঋণ খেলাপি, কর খেলাপি বা আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হতে পারবেন না বলে নতুন নির্দেশনায় জানানো হয়।

এদিকে এমডি ও সিইও নিয়োগে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার মাপকাঠি নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আলোচ্য পদে নিয়োগ পেতে হলে তাঁকে যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ন্যূনতম স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করতে হবে। তবে অর্থনীতি, হিসাববিজ্ঞান, ফাইন্যান্স, ব্যাংকিং, ব্যবস্থাপনা কিংবা ব্যবসায় প্রশাসন বিষয়ে উচ্চতর প্রাতিষ্ঠানিক বা পেশাগত শিক্ষাকে অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হবে নির্দেশনায় জানানো হয়। এছাড়া ডিজিটাল ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী নিয়োগের ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়কে আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হবে।

শিক্ষাজীবনের এমডি ও সিইওদের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ থাকতে পারবে না বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গ্রেডিং পদ্ধতিতে প্রকাশিত ফলাফলের ক্ষেত্রে এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার ক্ষেত্রে জিপিএ ৩.০০ এর কম এবং অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত সিজিপিএ এর ক্ষেত্রে ৪.০০ পয়েন্ট স্কেলে ২.৫০ এর কম ও ৫.০০ পয়েন্ট স্কেলে ৩.০০ এর কম হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

ব্যাংক কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যাংকিং পেশায় সক্রিয় কর্মকর্তা হিসেবে কমপক্ষে ২০ বছরের অভিজ্ঞতাসহ ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পূর্ববর্তী পদে কমপক্ষে ০২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ন্যূনতম বয়স হবে ৪৫ বছর এবং সর্বোচ্চ ৬৫। সাধারণভাবে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নিয়োগের মেয়াদ হবে ৩ বছর, তবে তিনি পুনঃনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীর বয়স যদি ৬৫ বছর অতিক্রান্ত হতে ৩ বছরের কম সময় থাকে তবে ততটুকু সময়ের জন্যও তাঁকে নিয়োগ দেয়া যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিষ্ঠানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমানো এবং অবলোপনকৃত ঋণ আদায়ের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা যুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি আমানতকারীদের স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা পালন এবং লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হবে।

তবে ব্যাংক কোম্পানিতে এমডি ও সিইও নিয়োগ বা পুনঃনিয়োগে আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
লাফার্জ
জাতীয়10 mins ago

শপথ নিলেন নতুন সাত প্রতিমন্ত্রী 

লাফার্জ
জাতীয়25 mins ago

জলবায়ু অর্থায়নে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা জরুরি: সাবের হোসেন

ঘরে বসে উপার্জন করার ৮ উপায়
অর্থনীতি45 mins ago

সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভ বাড়লো ৩৭ কোটি ডলার

লাফার্জ
শিল্প-বাণিজ্য1 hour ago

শুক্রবার রাতেই মেগা ক্যাম্পেইন নিয়ে আসছে ইভ্যালি

লাফার্জ
খেলাধুলা2 hours ago

ফাইনালে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে তামিমের বরিশাল

লাফার্জ
আন্তর্জাতিক2 hours ago

ভারতে ফের বাড়লো বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম

লাফার্জ
জাতীয়2 hours ago

ক্রীড়া খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবে চীন

লাফার্জ
প্রবাস2 hours ago

ইতালিতে স্পন্সর ভিসার অনলাইন আবেদন শুরু

লাফার্জ
জাতীয়2 hours ago

ভাসানচরে আরও ১২৫০ রোহিঙ্গাকে স্থানান্তর

লাফার্জ
জাতীয়2 hours ago

রাজধানীর বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে স্পিকারের শোক

Advertisement
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১