Connect with us

প্রবাস

আমিরাতে ৪৪ কোটি টাকার লটারি জিতলেন প্রবাসী

Published

on

লাফার্জ

যেন স্বপ্ন দেখছেন তিনি। আর সেই স্বপ্নে মুহূর্তের মধ্যে বদলে গেল তার জীবন। পেশায় স্থাপত্য নকশাকার। ভাগ্য বদলের আশায় দেশ ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছিলেন বিদেশে। কিন্তু তাতে ভাগ্যের খুব একটা বদল হয়নি। ভাগ্য বদলের আশায় প্রত্যেক বছর লটারির টিকিটি কাটেন তিনি। প্রথম টিকিট কিনেছিলেন তিন বছর আগে। এরপর আরও অনেকবার কিনেছেন, কিন্তু ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়নি তার। তবে আশা ছাড়েননি। এবার তিনি রাতারাতি লটারির প্রথম পুরস্কার জিতে পেয়ে গেলেন প্রায় ৪৫ কোটি টাকা।

একেবারে আকস্মিকভাবে কোটিপতি বনে যাওয়া এই স্থাপত্য নকশাকারের নাম রাজীব আরিক্কাত। ভারতীয় এই নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করে আসছেন।

রবিবার দুবাইয়ে আমিরাতি মিলিয়ন দিরহাম সিরিজ-২৬০ বিগ টিকিট র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ২০২৪ সালের গ্র্যান্ড পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে প্রথম পুরস্কার জিতেছেন তিনি। পুরস্কার হিসেবে আমিরাতি দেড় কোটি দিরহাম পেয়েছেন তিনি। যা বাংলাদেশি ৪৪ কোটি ৮২ লাখ ৯৯ হাজার টাকার বেশি।

আমিরাতের আল-আইনের এই বাসিন্দাকে যখন বিগ টিকিট জয়ের খবর দেওয়ার জন্য লটারি কর্তৃপক্ষের একজন প্রতিনিধি টেলিফোন করেন, তখন কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছিলেনা তিনি।

রাজীব বলেন, আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না! গ্র্যান্ড পুরস্কার জয়কে একেবারে স্বপ্নাতীত বলে অভিহিত করেছেন তিনি। ভারতীয় এই প্রবাসী গত তিন বছর ধরে বিড় টিকিট র‌্যাফেল ড্রয়ের টিকিট কিনে আসছেন।

পাঁচ ও আট বছর বয়সী দুই সন্তান এবং স্ত্রীকে নিয়ে আমিরাতের আল-আইনে বসবাস করেন রাজীব। ঘনিষ্ঠ ২০ বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সাথে যৌথভাবে ওই টিকিট কিনেছিলেন তিনি। ভারতীয় এই প্রবাসী বলেন, আমি কখনই কল্পনা করিনি যে আমি গ্র্যান্ড পুরস্কার জিতব। এটা সত্যিই এক স্বপ্ন।

পুরস্কারের অর্থ কী করবেন, এই বিষয়ে কোনও পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে রাজীব বলেন, আমি এখনও এটা নিয়ে চিন্তা করিনি। বর্তমানে ঘুড়ির মতো আকাশে উড়ছি।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

প্রবাস

ইতালিতে স্পন্সর ভিসার অনলাইন আবেদন শুরু

Published

on

লাফার্জ

ইতালিতে এ বছরের স্পন্সর ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর আওতায় আগামী ১৮, ২১ এবং ২৫ মার্চ হবে পূর্বনির্ধারিত ক্লিক ডে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার থেকে আবেদন কার্যক্রম শুরু হলেও ঢাকার ভিএফএস গ্লোবাল থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভিসা ইস্যুতে নানা জটিলতা রয়েছে বলে জানা গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞ এবং সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

এদিকে, অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরুর সঙ্গে সঙ্গে সক্রিয় হয়ে উঠেছে দালাল চক্র। সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচারণা চালিয়ে তারা হাতিয়ে নিচ্ছে বিপুল অর্থ। অন্যদিকে শ্রমিক সংকটে চরম বিপাকে রয়েছেন ইতালির কৃষি ব্যবসায়ীরা। আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা তাদের।

বিভিন্ন দেশের ভিসা জটিলতা দূর করতে ইতালি সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটির সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো।

২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত শ্রমিক সংকট দূর করতে ৪ লাখ ৫২ হাজার প্রবাসী নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইতালি সরকার। এর মধ্যে চলতি বছরই এক লাখ ৫১ হাজার শ্রমিক দেশটিতে পাড়ি জমানোর সুযোগ পাবেন বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

প্রবাস

আমিরাতে সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি ১০ শিক্ষক

Published

on

লাফার্জ

ভাষার মাস উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় আঞ্চলিক ভাষা তুলে ধরা ও বহির্বিশ্বে ভিনদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা পাঠদানকারী বাংলাদেশি শিক্ষকদের সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

রোববার রাতে শারজায় ‘মায়ের ভাষায় কথা বলি’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব।

এ আয়োজনে ১০ জন বাংলাদেশি শিক্ষককে সম্মানিত করা হয়, যারা সে দেশে সর্বনিম্ন ৫ থেকে সর্বোচ্চ ৩৬ বছর পর্যন্ত বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড ও সিবিএসই বোর্ডের অধীনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাংলা বিষয়ে পাঠদান করে আসছেন।

সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন-অধ্যাপক নুরুন নাহার হুদা, রহিমা ইসলাম, সুমনা দাস, অধ্যাপক এস এম আবু তাহের, আবু তাহের মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ, নাসরীন সুলতানা, শেখ কানিজ-এ-ফেরদৌস, রহিমা সেলিনা সিদ্দিকী, স্নিগ্ধা সরকার তিথী ও জুইঁয়েনা আক্তার।

অনুষ্ঠানে শারজাহ বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড ও সিবিএসই বোর্ডের অধীনে ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

প্রবাস

মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর

Published

on

লাফার্জ

মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধকরণের চলমান রিক্যালিব্রেশন ২.০ কর্মসূচিকে সামনে রেখে চার দিনের মধ্যে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় পাসপোর্ট বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন।

বিশেষ এ সেবার অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবং অ্যাপয়েন্টমেন্টের ভিত্তিতে পাসপোর্ট গ্রহণের তারিখ, সময় ও স্থান উল্লেখ করে সম্প্রতি হাইকমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

পাসপোর্ট ও ভিসা উইংয়ের প্রথম সচিব মিয়া মোহাম্মদ কেয়ামউদ্দিনের সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২, ৩, ২৩ ও ২৪ মার্চ হাইকমিশনের পাসপোর্ট সার্ভিস সেন্টার (৩০ জালান আমপাং ৫০২৫০ কুয়ালালামপুর) থেকে মালয়েশিয়ার স্থানীয় সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে সরাসরি পাসপোর্ট প্রদান করা হবে।

এক্ষেত্রে ২ ও ৩ মার্চ সরাসরি পাসপোর্ট পেতে ২৭ ফেব্রুয়ারি এবং ২৩ ও ২৪ মার্চ পাসপোর্ট পেতে ১৯ মার্চের মধ্যে নির্ধারিত স্থান থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য এই লিঙ্কে গিয়ে অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ করতে হবে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যতীত পাসপোর্ট বিতরণ সম্ভব হবে না বিধায় নির্ধারিত তারিখের আগেই অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। পাসপোর্ট ডেলিভারির জন্য বিদ্যমান পোস্ট অফিসের সার্ভিসটিও একইসঙ্গে চালু থাকবে।

একইসঙ্গে দুই প্রকার সার্ভিসে অ্যাপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে প্রবাসীদের অনুরোধ জানান পাসপোর্ট ও ভিসা উইংয়ের কাউন্সিলর প্রথম সচিব মিয়া মোহাম্মদ কেয়ামউদ্দিন। তিনি বলেন, হাইকমিশনারের দিকনির্দেশনায় পাসপোর্ট সেবা সহজ করার লক্ষ্যে দূতাবাস নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

প্রবাস

মালয়েশিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

Published

on

লাফার্জ

মালয়েশিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদা এবং উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দুই দিনব্যাপী মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন, সেন্টার ফর অল্টারনেটিভস বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার টেলরস ইউনিভার্সিটির স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেসের সহযোগিতায় ‘প্রযুক্তির মাধ্যমে বহুভাষিকতার প্রসার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ উদযাপন করেছে।

মালয়েশিয়ার খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান টেইলর’স বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ্র্যান্ড হলে’ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা, প্যানেল আলোচনা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং নয়টি দেশের শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের ধারণকৃত বক্তব্য প্রচার করা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ তার বক্তব্যে ‘শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ স্মরণে বিভিন্ন দেশ এবং বিভিন্ন ভাষাভাষীর জনগোষ্ঠীকে নিয়ে আয়োজিত ভিন্নমাত্রিক এই অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, মাতৃভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছে এবং স্বাধীনতার পথ দেখিয়েছে। তিনি ঐতিহাসিক মাতৃভাষা আন্দোলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকার কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার শামীম আহসান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে হাইকমিশনার শামীম আহসান তার বক্তব্যে বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এখন সারা বিশ্বে ভাষাগত বৈচিত্র্য উদযাপনের দিনে পরিণত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকাসহ শহীদদের অবদানের কথা স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানের মূল আলোচনা সভায় অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ, পরিচালক, সেন্টার ফর অল্টারনেটিভস, বাংলাদেশ এবং, মাকি কাতসুনো-হায়াশিকাওয়া, কান্ট্রি ডিরেক্টর, ইউনেস্কো আঞ্চলিক অফিস, জাকার্তার ধারণকৃত বক্তব্য প্রচারিত হয়। অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন প্রফেসর ড. অনিন্দিতা দাশগুপ্ত, বিভাগীয় প্রধান-স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস, টেলরস ইউনিভার্সিটি। এ পর্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ এবং মাকি কাতসুনো-হায়াশিকাওয়া তাদের ধারণকৃত বক্তব্যে বহুভাষিকতা রক্ষা ও প্রচারের জন্য প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং এর ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রফেসর ড. অনিন্দিতা দাশগুপ্ত তার সমাপনী বক্তব্যে, শিক্ষায় মাতৃভাষার ব্যবহার এবং ভাষা সংরক্ষণে প্রযুক্তির গুরুত্ব সম্পর্কে আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. ইয়াং হুই, এশিয়া প্যাসিফিক জার্নাল অব ফিউচার ইন এডুকেশন অ্যান্ড সোসাইটির (এপিজেএফইএস) ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ড. কালাই ভানি রাজন্দ্রাম এবং স্যার এম বিশ্বেশ্বরায়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, ব্যাঙ্গালোরের শিক্ষক গৌথম কুমার।

এসময় আলোচকরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে সব ভাষাভাষীর ঐক্যের চেতনার কথা বলেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে তারা ঐক্যের একটি শক্তিশালী ও অনুপ্রেরণামূলক বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বর্ণনা করেন। বক্তারা বহুভাষিকতার প্রসারে প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের পাশাপাশি হাই কমিশনার শামীম আহসান বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। এই প্রদর্শনীতে ’৫২ -র ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীনতা যুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের ধারাবাহিক অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে, নয়টি দেশের শিল্পীদের সমন্বয়ে একটি বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। ভারত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, নাইজেরিয়া, রাশিয়ান ফেডারেশন, সুদান, তানজানিয়া, নেপাল এবং বাংলাদেশ হাই কমিশন পরিবারের সদস্যরা এবং শিল্পীদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা দর্শকদের বিমোহিত করে। একই মঞ্চে বিভিন্ন দেশের শিল্পীদের বর্ণিল পরিবেশনা এক অনন্য সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।

এছাড়াও আজ (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরু হাইকমিশন প্রাঙ্গণে প্রভাতফেরির মাধ্যমে হাইকমিশনের অস্থায়ী শহীদ মিনারের বেদিতে হাইকমিশনার শামীম আহসানের নেতৃত্বে হাইকমিশন পরিবারের সদস্যরা পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর মালয়েশিয়ায় সফররত বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্সের সদস্যরা, স্থানীয় কমিউনিটির নেতারা এবং সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংস্থার সদস্যরা পর্যায়ক্রমে পুস্পস্তবক অর্পণ করে।

এরপর বাংলাদেশের হাইকমিশনার জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন। দিবসের মূল অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে দিবসটিকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয় এবং এ দিবস উপলক্ষ্যে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অত:পর হাইকমিশনে কর্মরত তামিল, ম্যান্ডারিন ও মালয় ভাষাভাষীর সদস্যগণ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য উল্লেখ করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে ভাষা আন্দোলন সংক্রান্ত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। আলোচনা সভায় মূল বক্তব্যে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি মহান ভাষা আন্দোলনে জাতির পিতা বন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। জাতির পিতার ‘সোনার বাংলা’ গঠনে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের একযোগে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানো এবং প্রবাসী পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা সফল করার জন্য তাদের সহযোগিতা কামনা করে।

অনুষ্ঠান শেষে সবাইকে ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবার পরিবেশন করা হয়।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

প্রবাস

শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসায় আফ্রিকান দেশগুলো

Published

on

লাফার্জ

আফ্রিকার দেশগুলোর মেরিন ক্যাডেটদের জন্য ১০টি ‘বাংলাদেশ আইএমও স্কলারশিপ’ ঘোষণার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেছে আফ্রিকান এলডিসি ভুক্ত দেশের প্রতিনিধিরা।

প্রথমবারের মতো আইএমওর সদস্যপদ প্রাপ্তি উপলক্ষ্যে বুধবার লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে আয়োজিত অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে এমন অভিব্যক্তি জানায় সংশ্লিষ্ট দেশের প্রতিনিধিরা।

জাহাজের নিরাপত্তা ও জাহাজ সৃষ্ট সমুদ্র দূষণ নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা, আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন ‘আইএমও’ এর কাউন্সিলে সদস্যপদ প্রাপ্তিতে বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়া দেশগুলোর প্রতিনিধিরা অভ্যর্থনায় যোগ দেন।

যুক্তরাজ্য নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম বলেন, সামনের দিনগুলোতে আফ্রিকান দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের কুটনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক তৈরিতে এই সদস্যপদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর একটি তালিকা। জাতিসংঘের মতে, এই দেশগুলো আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে। ২০২১ সালের হিসাবে, ৪৬টি দেশকে এলডিসি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
লাফার্জ
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার3 mins ago

চাকরির সুযোগ দিচ্ছে এসিআই মটরস

লাফার্জ
রাজধানী50 mins ago

রাজধানীর যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না শনিবার

লাফার্জ
জাতীয়1 hour ago

শপথ নিলেন নতুন সাত প্রতিমন্ত্রী 

লাফার্জ
জাতীয়2 hours ago

জলবায়ু অর্থায়নে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা জরুরি: সাবের হোসেন

ঘরে বসে উপার্জন করার ৮ উপায়
অর্থনীতি2 hours ago

সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভ বাড়লো ৩৭ কোটি ডলার

লাফার্জ
শিল্প-বাণিজ্য2 hours ago

শুক্রবার রাতেই মেগা ক্যাম্পেইন নিয়ে আসছে ইভ্যালি

লাফার্জ
খেলাধুলা3 hours ago

ফাইনালে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে তামিমের বরিশাল

লাফার্জ
আন্তর্জাতিক3 hours ago

ভারতে ফের বাড়লো বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম

লাফার্জ
জাতীয়3 hours ago

ক্রীড়া খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবে চীন

লাফার্জ
প্রবাস3 hours ago

ইতালিতে স্পন্সর ভিসার অনলাইন আবেদন শুরু

Advertisement
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১