Connect with us

লাইফস্টাইল

শীতে গোসলের যে ভুলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে

Published

on

ডিএসই

বেশিরভাগ মানুষই শীতে গরম পানিতে গোসল করেন। তবে যারা ঠান্ডা পানিতে গোসলে অভ্যস্ত তারা কিন্তু এ সময় অজান্তেই বিপদে পড়তে পারেন।

কারণ অতিরিক্ত ঠান্ডা আবহাওয়ায় যদি আপনি বরফ শীতল পানিতে গোসল করেন সেক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়তে পারে। এমনটিই জানাচ্ছে বিভিন্ন সমীক্ষা ও গবেষণা। আর এ কারণেই শীতে বাথরুমে হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা বেশি ঘটে।

ভারতের মোহালির ফোর্টিস হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. করুণ বেহালের মতে, ঘরে ও বাইরের তাপমাত্রার পার্থক্য হৃদযন্ত্রের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

ঠান্ডায় রক্তনালিগুলো সংকুচিত হয় ও রক্তচাপ বেড়ে যায়। এ কারণে অতিরিক্ত ঠান্ডা কিংবা গরম পানিতে গোসল করলে শরীরে শক লাগে। শীতে গোসলের জন্য আদর্শ উপায় হলো বেশি ঠান্ডা আবার গরম নয় এমন পানিতে গোসল করা।

অত্যধিক ঠান্ডা আবহাওয়ায় গায়ে পানি ঢালতেই শরীরে একটি ঝাঁকুনি অনুভুত হয়, একই সঙ্গে শরীরের সব লোম দাঁড়িয়ে যায় (গুজবাম্প হয়)। ঠিক ওই মুহূর্তে শরীর রক্ত সঞ্চালনকে ওভারড্রাইভে পাঠায়।

হৃদযন্ত্র গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোকে রক্ষা করতে দ্রুত রক্ত পাম্প করতে শুরু করে ও ত্বককে সংকুচিত করে। এ কারণে কাঁপুনির সৃষ্টি হয় শরীরে। যা হার্টের উপর আরও চাপ দেয়।

যদিও ফিটনেসবিদরা শরীরের বিপাক বাড়াতে ঠান্ডা ঝরনা ব্যবহারের উপকারিতা ও বিভিন্ন যুক্তি ব্যবহার করেছেন। তাদের মতে, ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে শরীরের উচ্চতর প্রতিক্রিয়া বিপাকের হারকে বাড়িয়ে তোলে, শক্তি ব্যয় করে ওঅতিরিক্ত ক্যালোরি পোড়ায়।

কিছু গবেষক এও দাবি করেছেন যে, বরফ মেশানো পানিতে গোসল করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে ও অসুস্থতার বিরুদ্ধে আরও প্রতিরোধী করে তুলতে পারে।

নেদারল্যান্ডে একটি ক্লিনিকাল ট্রায়ালে দেখা গেছে, নিয়মিত ঠান্ডা পানিতে গোসলের কারণে প্রায় ২৯ শতাংশ মানুষের অসুস্থতার ঝুঁকি কমেছে। যদিও ঠান্ডা পানিতে গোসলেরও অনেক উপকারিতা আছে, তবে শরীর বুঝে তবেই তা অনুসরণ করতে হবে।

যারা শারীরিকভাবে একেবারে সুস্থ ও স্বাস্থ্যবান শুধু তারাই এ ধরনের অভ্যাস অনুসরণ করতে পারেন। তবে আপনি যদি ফিট না হন ও হার্টের অসুখে ভুগেন তাহলে ঠান্ডা পানিতে গোসল এড়িয়ে যান।

এ বিষয়ে ডা. বেহাল জানান, হার্টের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়লে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা অ্যারিথমিয়া হতে পারে। এর থেকে বৃহত্তর কার্ডিয়াক অ্যাটাক ঘটতে পারে। এ কারণে শীতে অতিরিক্ত ঠান্ডা বা গরম পানিতে গোসল করলে রক্তচাপ হঠাৎ বেড়ে বা কমে যেতে পারে, যা হার্টের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

বেশি ঠান্ডাও না আবার গরমও নয় এমন পানিতে গোসল করুন, প্রথমে হাত-পা ভেজান তারপর একে একে শরীরের বিভিন্ন স্থানে পানি ঢালুন ও এভাবে গোসল সম্পন্ন করুন। তবে হঠাৎ করে কখনো শরীরে পানি ঢালবেন না, এতে শরীরের ভেতরে শকের সৃষ্টি হতে পারে।

শীতে রক্তচাপ বৃদ্ধির প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ধমনীর সংকোচন। কম সূর্যের সংস্পর্শে যাওয়া, শারীরিক কার্যকলাপ না করা, যার থেকে শরীরে লবণ ধারণ করে ও রক্ত জমাট বাঁধে। তাই ভিটামিন ডি গ্রহণ করুন ও শরীরচর্চা করুন নিয়মিত।

হালকা খাবার গ্রহণ করুন, পর্যাপ্ত পশমী পোশাক পরুন, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ সেবন করুন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

লাইফস্টাইল

পাইলসের লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায়

Published

on

ডিএসই

পাইলস এমন একটি সমস্যা, যা নিয়ে অনেকেই কথা বলতে লজ্জা পান। অথচ এই সমস্যার সঠিক সময়ে রেহাই না হলে পরিস্থিতি গুরুতর হয়। এমনকি অন্যান্য শারীরিক জটিলতাও দেখা দিতে পারে।

পাইলসের আরেক নাম হেমারয়েডস। তবে এই কঠিন রোগ হলে বোঝার উপায় কী, আর কী কী লক্ষণ দেখা যায়? কী করলে এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়? এ বিষয়ে জানিয়েছেন ফর্টিস হাসপাতালের গ্যাস্ট্রো সার্জেন চিকিৎসক উদীপ্ত রায়।

পাইলসের লক্ষণ কী কী?
১. এক্সটারনাল অর্থাৎ বাইরের দিকে পাইলস হলে মলদ্বার অংশে প্রদাহ হয়।
২. মলদ্বার কিছু ক্ষেত্রে ফুলে যেতে পারে। ফুলে তা বাইরের দিকে বেরিয়ে আসে।
৩. আর্দ্রভাব থাকার কারণে চুলকানিও হয়।
৪. পাইলস যেমন বাইরে হয়। তেমনই ভেতরেও হতে পারে। একে ইন্টারনাল হেমারয়েড বলে।
৫. এছাড়া পাইলস আকারে বড় হলে মলদ্বারের প্রদাহ হয়।
৬. পাইলসে ব্যথা হয়না। একমাত্র জটিলতা সৃষ্টি হলেই ব্যথা হয়।

পাইলস কেন হয়?
১. দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে থাকলে এই সমস্যা হতে পারে।
২. নিয়মিত মলত্যাগের সময় বেশি শক্তি প্রয়োগ করতে হলে পাইলসের সমস্যা ধীরে ধীরে দেখা দেয়।
৩. অনেকের ক্রনিক কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া থাকে। তাদের পাইলসের ঝুঁকি বেশি।
৪. বেশি ওজন যাদের, তাদের এই সমস্যা দেখা যায়।
৫. কম ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস অনেকের। এই অভ্যাস দীর্ঘদিন থাকলে পাইলস হতে পারে।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, পাইলসের সমস্যা পুরুষদের থেকে নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। তবে নারীদের সমস্যা প্রায়ই প্রকাশ্যে আসে না। হরমোনের ওঠানামা ও গর্ভাবস্থা পাইলসের কারণে দায়ী থাকে। হরমোনের ওঠানামায় বাওয়েল মুভমেন্ট ঠিকমতো হয় না।

কী করলে কমবে?

চিকিৎসক উদীপ্ত রায়ের কথায়, পাইলস মানেই সবসময় অস্ত্রোপচার করতে হয় না। বরং তাছাড়াও রোগটি সারিয়ে ফেলা সম্ভব। দৈনিক অভ্যাসে কিছু বদল আনলেই এই সমস্যা সামাল দেওয়া সম্ভব।

১. বেশি করে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
২. নিয়মিত পানি পান করতে হবে। এতে মলত্যাগের সময় সমস্যা কমে।
৩. পাইলসের সমস্যা কমাতে ব্যায়াম বেশ কার্যকর। তাই রোজ শরীরচর্চা করা জরুরি।
৪. ধূমপান ও মদ্যপান পাইলসের সমস্যাকে বাড়িয়ে দেয়। এই দুই অভ্যাস ত্যাগ করা জরুরি।
৫. পাইলস সারাতে রেগুলার বাওয়েল এর অভ্যাস থাকা জরুরি। অর্থাৎ নিয়মিত পেট পরিষ্কার হওয়া দরকার।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ডায়াবেটিস থেকে দূরে রাখবে এই ফল

Published

on

ডিএসই

সুস্থতার পথ সুগমে প্রতিদিন আপেল খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। আপেলে আছে বিশেষ উপকারী যৌগ যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে এবং হার্টের অসুখ থেকে দূরে রাখে। এতে থাকা ফাইবার কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে কাজ করে। আপেলে থাকা পলিফেনল নানাভাবে সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে। পলিফেনলগুলোর মধ্যে একটি হলো অ্যাপেকটিন ফ্ল্যাভোনয়েড, এটি রক্তচাপ হ্রাস করতে পারে।

যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তারা নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখুন আপেল। এছাড়া যাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রয়েছে তারাও নিয়মিত আপেল খেতে পারেন। কারণ বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, আপেল খেলে তা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় অনেকটাই। আপেলে থাকা পলিফেনল শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।

যারা নিয়মিত আপেল খান তাদের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ২৮% কমে যায়, এমনটাই প্রমাণ মিলেছে গবেষণায়। তাই আপনার সুস্থতার জন্যও আপেল খাওয়া জরুরি। কারণ ডায়াবেটিস না থাকলে যে কখনো হবে না, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। বরং বর্তমান বিশ্বে প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। তাই আগেভাগে সতর্ক থাকার জন্য খাবারের তালিকায় নজর দিন।

আপেলের পলিফেনলগুলো বিটা কোষের ক্ষতি রোধ করতে সাহায্য করে। ইনসুলিন বিটা কোষ থেকে শরীরে উৎপাদিত হয় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত করে। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই আপেল নিয়মিত খাওয়ার বিকল্প নেই। শুধু ডায়াবেটিস নয়, এটি অন্যান্য অনেক অসুখ থেকেই আপনাকে নিষ্কৃতি দেবে। এতে থাকা ফাইবার আপনার হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে দেবে অনেকটাই।

যাদের ওজন বেশি, তাদের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ভয়ও বেশি থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থুল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তের ঝুঁকি বেড়ে যায়। নিয়মিত আপেল খেলে তা আপনার স্থুলত্ব ও হৃদরোগের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলবে। কারণ আপেলের পুরোটাই ফাইবার এবং পানি। যে কারণে আপেল খেলে পেট ভরে ঠিকই কিন্তু বাড়তি ওজনের ভয় থাকে না।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

বদ হজম দূর করার ঘরোয়া উপায়

Published

on

ডিএসই

বদ হজম এমন এক সমস্যা যা দেখা দিলে কোনো খাবারই ঠিকভাবে হজম হতে চায় না। ফলস্বরূপ পেট ফাঁপা, পেটে সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট কামড়ানো, অ্যাসিডিটিসহ আরও অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। শরীর বঞ্চিত হয় প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে। এসব কারণে কমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। তাই শুরুতেই সচেতন হওয়া জরুরি। বদ হজম দেখা দিলে অবহেলা না করে তা সারানোর জন্য সচেষ্ট হোন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক বদ হজম দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়-

১. মৌরি চিবিয়ে খান
বদ হজম দূর করার কাজে অন্যতম সহায়ক একটি মসলা হলো মৌরি। এর মাধ্যমে সহজেই বদ হজম সারিয়ে তোলা যায়। একটি কৌটায় করে সব সময় বাড়িতে মৌরি রাখুন। যখনই হজমের কোনো সমস্যা দেখা দেবে, দুই চা চামচ মৌরি নিয়ে ভালো করে চিবিয়ে পানি পান করবেন। এর কিছুক্ষণ পরই দেখবেন হালকা লাগতে শুরু করেছে।

২. জিরা ও লেবুর রস
জিরা দিয়ে তৈরি করতে পারেন হজমের এক ধরনের টোটকা। সেজন্য আপনাকে যা করতে হবে তা হলো, শুকনো খোলায় জিরা ভালো করে ভেজে তার সঙ্গে বিট লবণ মাখিয়ে রাখতে হবে। আপনি চাইলে এর সঙ্গে মেশাতে পারেন লেবুর রসও। যেকোনো ভারী খাবার খাওয়ার পর এই জিরা এক চা চামচ খেলে বদ হজম বিদায় নেবে দ্রুতই।

৩. আমলকি শুকিয়ে খান
বদ হজম দূর করতে আরেকটি কার্যকরী উপাদান হলো শুকনো আমলকি। সেজন্য আপনাকে আমলকি পাতলা করে কেটে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। তার আগে কাটা আমলকিতে ভালো করে লবণ মাখিয়ে নেবেন। কয়েকদিন এভাবে শুকিয়ে নেওয়ার পর আমলকির টুকরাগুলো একটি জারে ভরে রাখুন। খাওয়ার পরে মুকসুদ্ধির মতো এটি খেতে পারেন। এতে বদ হজম কাছে ঘেঁষতে পারবে না।

৪. খালি পেটে হালকা গরম পানি পান করুন
যারা বদ হজমের সমস্যায় ভুগছেন তারা নিয়মিত সকালবেলা উঠে হালকা গরম পানি পান করবেন। সম্ভব হলে এর সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে বাড়বে মেটাবলিজম এবং পাচন ক্ষমতাও। নিয়মিত এই পানি পান করলে আপনাকে আর বদ হজমের সমস্যায় ভুগতে হবে না। কারণ এটি সহজেই এই সমস্যা দূর করে দেবে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ফ্যাটি লিভার থেকে বাঁচতে যেসব খাবার খাবেন

Published

on

ডিএসই

অস্বাস্থ্যকর এবং বিশৃঙ্ক্ষল জীবনযাপনের কারণে আমাদের লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আমরা বেশিরভাগই খাবারের কোনো নির্দিষ্ট সময় কিংবা রুটিন মেনে চলি না, শরীরচর্চার প্রসঙ্গ এলে নানা অজুহাতে এড়িয়ে যাই। ফলস্বরূপ লিভারে চর্বি জমতে থাকে। এই অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়াকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়।

ফ্যাটি লিভার দুই ধরনের হয়। অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভার, অন্যটি অ্যালকোহলমুক্ত ফ্যাটি লিভার। প্রচুর অ্যালকোহল পান করলে লিভারে চর্বি জমা হতে পারে। এটি হলো অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভারের কারণ। অ্যালকোহলমুক্ত ফ্যাটি লিভার অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, স্থূলতা বা টাইপ ২ ডায়াবেটিসের কারণে হয়। স্ট্রেস এখানে আরেকটি কারণ যা লিভারে চর্বি জমা হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনার মাধ্যমে ফ্যাটি লিভার রোধ করা সম্ভব। ভারতীয় পুষ্টিবিদ খুশবু জৈন তিব্রেওয়ালা সম্প্রতি ‘দ্য ফ্যাটি লিভার গাইড’ প্রকাশ করেছেন। এতে আছে লিভার ভালো রাখার জন্য সমস্ত তথ্য, যা ফ্যাটি লিভারকে প্রতিহত করতে সাহায্য করতে পারে। সেখান থেকে জেনে নিন ফ্যাটি লিভার থেকে বাঁচতে কোন খাবারগুলো খাবেন-

দুপুর ও রাতের খাবারে ৫০% শাক-সবজি থাকা উচিত

সকাল ও দুপুরের খাবারে ৫০% শাক-সবজি রাখার কথা বলছেন এই পুষ্টিবিদ। এতে থাকতে পারে বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি। সালাদ, তরকারি, ভাজা, স্যুপ, চাটনি, ল্যাকটো-ফার্মেন্টেড সবজি, ডাল এবং রুটিতে এসব শাক-সবজি রাখতে পারেন।

প্রতিদিন কিছু ফার্মেন্টেড ফুড

ফার্মেন্টেড ফুড বা গাঁজানো খাবার হজমের জন্য সহায়ক। এটি শরীরের পুষ্টি শোষণ করার ক্ষমতাও উন্নত করে। এ ধরনের খাবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। বার বার খাবারের ইচ্ছা কমিয়ে দেয়। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এ ধরনের একটি খাবার রাখুন।

হালকা গরম পানি ও লেবুর রস দিয়ে দিন শুরু করুন

লেবুতে এমন অ্যাসিড রয়েছে যা পাকস্থলীতে হজমের তরল নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে। লেবুতে ফ্ল্যাভোনয়েড রয়েছে যা অক্সিডেটিভ ক্ষতি কমায়। এদিকে হালকা গরম পানি পান করলে তা খাবার দ্রুত ভাঙতে সাহায্য করে। এছাড়াও হালকা গরম পানি কোষ্ঠকাঠিন্য এবং টক্সিন দূর করতে সহায়তা করে।

বেশি ফাইবার খান

ফাইবার বেশি খেলে তা অন্ত্রের মাইক্রোবায়োটা উন্নত করে যা লিভারের ক্ষতি এবং প্রদাহ কমায়। এ জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়ার ফলে লিভারের অতিরিক্ত চর্বি দ্রুত কমে আসে। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় অবশ্যই ফাইবারযুক্ত খাবার রাখবেন।

বেকড খাবার বাদ দিন

বেকড খাবার যেমন ব্রেড, বিস্কুট, কেক ইত্যাদি প্রতিদিনের খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। এ ধরনের খাবার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রার বৃদ্ধি ঘটায়, যার ফলে লিভারে চর্বি জমা হয়।

কাঁচা রসুন খান

রসুনে অ্যালিসিন নামক একটি যৌগ থাকে যা লিভারের প্রদাহ কমায়। প্রতিদিন প্রায় ১-৩ গ্রাম কাঁচা রসুন খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে ফ্যাটি লিভার থেকে রক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি আরও অনেক উপকার পাবেন।

ক্রুসিফেরাস সবজি খান

ফুলকপি, ব্রকলি, বাঁধাকপি, ব্রাসেল স্প্রাউট, বোকচয়, কলার্ড গ্রিনস, চাইনিজ বাঁধাকপির মতো ক্রুসিফেরাস সবজি রাখতে পারেন প্রতিদিনের খাবারে। এ ধরনের খাবারে সালফার যৌগ থাকে যা লিভারে ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এগুলিতে ‌‘ইন্ডোল’ নামক একটি যৌগ রয়েছে যা লিভারে প্রদাহ কমাতে পরিচিত।

২-৩ লিটার পানি পান করুন

পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। এটি হজম প্রক্রিয়া সহজ করে। সেইসঙ্গে লিভার ও কিডনির উপর থেকে বোঝা কমায়। আপনার যদি শুধু পানি খেতে ভালো না লাগে তবে এর পাশাপাশি কিছু তরলজাতীয় স্বাস্থ্যকর পানীয়ও যোগ করতে পারেন। যেমন বিভিন্ন ফলের রস, ডাবের পানি, ভেষজ চা ইত্যাদি।

ধনিয়া পাতার ব্যবহার বাড়ান

ধনিয়া পাতা হজমের রস নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে এবং টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে। ধনিয়া দীর্ঘকাল ধরে লিভারের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

বেশি করে মটরশুঁটি, সবুজ শাক, ফল এবং বাদাম খান

এ ধরনের খাবার ফাইবার সমৃদ্ধ। সেইসঙ্গে এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ এবং ভিটামিন যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এ ধরনের খাবার যোগ করুন। এতে ফ্যাটি লিভার থেকে রক্ষা পাওয়া সহজ হবে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

যাদের জন্য অতিরিক্ত রসুন খাওয়া বিপজ্জনক

Published

on

ডিএসই

রসুন খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যের জন্যও অরেক উপকারী। আয়ুর্বেদেও রসুনকে স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী বলে বিবেচিত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ উপকারী রসুন। তবে কিছু কিছু মানুষের রসুন থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকা উচিত।

এ বিষয়ে ভারতের উত্তর প্রদেশের আলীগড় আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সরোজ গৌতম জানান, রসুনের অনেক ওষুধি গুণ আছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেকারী।

শীতকালে রসুন খুবই উপকারী, তবে গরমেও এটি খেতে পারেন। তবে পরিমাণ কমাতে হবে। আর যারা উচ্চ রক্তচাপ, গ্যাস্ট্রিক ও পেটে জ্বালার সমস্যায় ভুগছেন তাদের রসুন খাওয়া উচিত নয়।

এতে করে রক্তচাপ দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে যা অনেক সময় হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া রসুন খেলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি ও পেটে জ্বালাপোড়াও বাড়তে পারে।

আবার পাতলা পায়খানা হলেও রসুন খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। এছাড়া উচ্চ কোলেস্টেরল রোগীদের জন্যও রসুনকে ক্ষতিকারক বলে মনে করা হয়। আপনি যদি এই সমস্যাগুলো থাকা সত্ত্বেও রসুন খেতে চান তাহলে পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখুন।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
ডিএসই
আন্তর্জাতিক15 mins ago

অনুমতি ছাড়া হজ করলে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি সৌদির

ডিএসই
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার44 mins ago

ঢাবির ‌‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ফের বেড়েছে
আন্তর্জাতিক1 hour ago

বিশ্ব বাজারে আরও কমলো জ্বালানি তেলের দাম

ডিএসই
জাতীয়1 hour ago

ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ডিএসই
পুঁজিবাজার2 hours ago

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর লেনদেন কমেছে ৫৫ শতাংশ

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

শিশুর সামনে ধূমপান করলে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

ডিএসই
শিল্প-বাণিজ্য4 hours ago

বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রফতানি করবে ভারত

ডিএসই
অর্থনীতি6 hours ago

দেশে ডলার সংকট নেই: সালমান এফ রহমান

ডিএসই
জাতীয়6 hours ago

ট্রাফিক লাইট সিস্টেম ভালোভাবে চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডিএসই
ধর্ম ও জীবন7 hours ago

শবে বরাতে হালুয়া-রুটির প্রচলন শুরু হয় যেভাবে

Advertisement
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯