Connect with us

শিল্প-বাণিজ্য

দেশে চা উৎপাদন বেড়েছে ৮.৩৭ শতাংশ

Published

on

রেনকন মোটরবাইক

সদ্য সমাপ্ত ২০২৩ সালের জানুয়ারি-অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে দেশে চা উৎপাদন আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেড়েছে। অনুকূল আবহাওয়া এবং সরকারের বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করেছে। ইতিবাচক এ ধারা অব্যাহত থাকলে পণ্যটির রফতানিও লক্ষণীয় মাত্রায় বাড়বে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের দেয়া তথ্যমতে, ২০২৩ সালে দেশে চা উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১০ কোটি ২০ লাখ কেজি। জানুয়ারি-অক্টোবর পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে ৮ কোটি ৩৬ লাখ কেজি। ২০২২ সালের একই সময়ে যা ছিল ৭ কোটি ৫২ লাখ কেজি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে উৎপাদন বেড়েছে ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ। নভেম্বরেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চা উৎপাদন হয়েছে। বছরের শেষ দুই মাসের হালনাগাদকৃত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

চা বোর্ড জানায়, গত বছরের প্রথমার্ধে ভারত ও কেনিয়াসহ বিশ্বের শীর্ষ চা উৎপাদক দেশগুলো ছিল নেতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে। এর মধ্যে ভারতে চা উৎপাদন ৯ শতাংশ ও কেনিয়ায় ২ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমেছে। শ্রীলংকায় জুন পর্যন্ত উৎপাদনে প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ। অনুকূল আবহাওয়া না থাকায় এসব দেশে উৎপাদন আশানুরূপ হয়নি। এসময় বাংলাদেশে উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় রফতানি আরো ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশ চা উৎপাদনে পিছিয়ে ছিল। পাঁচ বছর আগেও দেশে চা উৎপাদন হতো সাত কোটি কেজির কিছু বেশি। তবে ধারাবাহিকভাবে উৎপাদন বাড়ার কারণে দেশে চা উৎপাদনের পরিমাণ ১০ কোটি কেজির কাছাকাছি পৌঁছেছে। চায়ের জন্য উপযোগী পরিমিত বৃষ্টিপাত, চা চাষের জমি বৃদ্ধি ও উত্তরাঞ্চলে সমতলের চা উৎপাদন বাড়ার কারণে বাংলাদেশের চা উৎপাদন নতুন গতি পেয়েছে।

চা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, কয়েক বছর ধরে অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে বাংলাদেশে চা উৎপাদন বেড়েছে। বাগানগুলোয় আধুনিক সেচ ব্যবস্থা, নিয়মিত বিরতিতে চা চাষের আওতা বৃদ্ধি, উত্তরাঞ্চলের সমতলে চা উৎপাদন বাড়ানো ও একাধিক নিলাম বাজার স্থাপনের মাধ্যমে চা বিপণনে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি উৎপাদনে ইতিবাচক ধারা ফিরিয়েছে। তাছাড়া সরকারি নীতি অনুযায়ী দেশের চা খাতকে সুরক্ষা দিতে গত কয়েক বছর আমদানিতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্কারোপ, রুগ্‌ণ চা বাগানকে সচল করতে জোরালো উদ্যোগসহ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বিভিন্ন পদক্ষেপের সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ। তলানিতে থাকা রুগ্‌ণ চা বাগানগুলোকে আরো বেশি উৎপাদনমুখী করা গেলে বাংলাদেশে চাহিদার দ্বিগুণ পরিমাণ বাড়তি চা উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন তারা।

উদালিয়া চা বাগানের কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, করোনাকালেও বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় ভালো চা উৎপাদন করতে পেরেছে। আবহাওয়ার পাশাপাশি সঠিক পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশের বাগান মালিকরা সুফল পেয়েছেন। বিরূপ আবহাওয়ার কারণে ভারত ও কেনিয়াসহ বিভিন্ন দেশ পিছিয়ে পড়লেও তাদের উৎপাদন সক্ষমতা বেশি। বাংলাদেশকে উৎপাদনের এ ধারা অব্যাহত রাখতে সরকারি নীতিসহায়তার পাশাপাশি বাগানগুলোকে আরো বেশি বিনিয়োগ নিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে।

সার্বিক বিষয়ে চা বাগান মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশীয় চা সংসদের চেয়ারম্যান কারমান তানভিরুল রহমান বলেন, বাংলাদেশের চা-উদ্যোক্তারা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো উৎপাদন করছে। দেশে চায়ের স্বয়ংসম্পূর্ণতা আনা ছাড়াও রফতানি বাজার পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখছে বাড়তি উৎপাদন। বিভিন্ন প্রতিযোগী দেশের চেয়ে এ বছর উৎপাদনে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশের বাগান মালিকরা। এটা দেশের জন্য সুখবর। এ ধারা অব্যাহত থাকলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি রফতানিযোগ্য চায়ের মজুদ গড়ে উঠবে। এক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি চা খাতের নানা সংকট দূর করে একটি টেকসই উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

শিল্প-বাণিজ্য

চাল রপ্তানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক তুলছে না ভারত

Published

on

রেনকন মোটরবাইক

চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সেদ্ধ চাল রপ্তানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে ভারত। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমার পরেও এই শুল্ক হার অব্যাহত থাকবে। দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই রপ্তানি শুল্ক হার বহাল থাকবে।

ভারত সরকার গত বছরের আগস্টে সেদ্ধ চালের রপ্তানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। অভ্যন্তরীণ মজুত বাড়ানো ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্যই দেশটির সরকার ওই সিদ্ধান্ত নেয়, যা ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর করা হয়েছিল।

কিন্তু ভারতের অর্থমন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে, রপ্তানির ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ শুল্ক হার অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্যকর থাকবে।

ভারতের খুচরা মূলস্ফীতি কমে ৫ দশমিক ১০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ডিসেম্বরে ছিল চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

ভারতের কৃষিমন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২০২৩ শস্য বছরে চালের উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৫ দশমিক ৫৪ মিলিয়ন টনে, যা তার আগের বছরের ১২৯ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন টনের চেয়ে বেশি।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

ভোক্তা পর্যায়ে আমদানিকৃত পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

Published

on

রেনকন মোটরবাইক

আগামীতে ভোক্তা পর্যায়ে আমদানিকৃত পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘দ্রব্যমূল্যে অস্থিরতা: উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমদানিকারক, ব্যবসায়ী ও ভোক্তা সকলেই আমাদের। ভোক্তা পর্যায়ে আমদানিকৃত পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেয়ার জন্য ট্যারিফ কমিশন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা কাজ করছে। ইতিমধ্যে চালের বস্তায় পণ্যের বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করার জন্য পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রিজার্ভ নেই, এটা সত্য নয়। রিজার্ভ কিছুটা চাপে আছে। রিজার্ভের টাকা যদি আমরা জনগণের প্রয়োজনে খরচ করতে না পারি, তাহলে সে টাকা দিয়ে আমরা কী করব। আইএমএফের নীতি অনুযায়ী তিনমাসের পণ্য আমদানির জন্য আমাদের যথেষ্ট ডলার রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, রিজার্ভের টাকা দিয়ে ইতিমধ্যে সাড়ে ১৩ লাখ মেট্রিক টন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করা হয়েছে। রমজানে দ্রব্যমূল্যের দামে স্থিরতা থাকবে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১৩ প্রতিষ্ঠান ও ৫ ব্যক্তিকে সম্মাননা

Published

on

রেনকন মোটরবাইক

আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নি সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করায় ১৩ টি প্রতিষ্ঠান ও অগ্নিনির্বাপণ ও দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজে সাহসী ভূমিকার জন্য পাঁচ ব্যক্তিকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করে ইলেকট্রনিক্স সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইসাব)। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ‘৯ম আন্তর্জাতিক ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপো ২০২৪’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও স্মারক তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, অগ্নি নিরাপত্তা সামগ্রী ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এত অগ্নিকাণ্ডের পরও দেশের শিল্পগুলো ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে ৪৪ হাজার স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করেছি, যারা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দুর্ঘটনাস্থলে আসার আগেই আগুন নেভাতে ভূমিকা রাখতে পারবে। পূর্ব অভিজ্ঞতা নিয়ে এখনকার ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আরো বেশি সতর্ক। আমাদের সরকারের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া ও সিভিল ডিফেন্সের উন্নতি করা।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ফায়ার সেফটি নিশ্চিতে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। ভবন নির্মাণের সময় অবশ্যই বিল্ডিং কোড মানতে হবে। সরকারের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের এই বিষয়ে সচেতন হওয়ার জরুরী। এসময় মানুষের জীবনের মূল্যায়ন করার জন্য হলেও ফায়ার সেফটি নিয়ে সচেতন হতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

স্বাগত বক্তব্যে ইসাবের সভাপতি নিয়াজ আলী চিশতি বলেন, এই প্রদর্শনীতে ৩০টি দেশের শতাধিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ, ৩ দিনে ১৫ হাজারেরও বেশি দেশি-বিদেশি দর্শনার্থীর আগমণ এবং আমাদের সেমিনারগুলোতে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে অগ্নি নিরাপত্তা নিয়ে দেশের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন গুলোতে অত্যাধুনিক অগ্নি সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহারে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আয়োজনের উদ্দেশ্য সফল হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এসময় বাংলাদেশে বিনিয়োগের নানা সুযোগের কথা তুলে ধরে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এই দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন বলেন, দেশকে উন্নত করতে হলে আমাদের সকল নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবনে অগ্নি-নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে অগ্নি-নিরাপত্তা নিশ্চিতে নির্মাণ ব্যয়ের ২ শতাংশ এ খাতে খরচ করতে হবে।

সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো.জসিম উদ্দিন বলেন, উন্নত বাংলাদেশে গড়তে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে হলে অবশ্যই অগ্নি নিরাপত্তায় গুরুত্ব দিতে হবে। এইচএসবিসির ঘোষণা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ৯ম ভোক্তা বাজারে পরিণত হবে। অন্যান্য খাতের মতো ফায়ার সেফটি খাতেও অনেক বড় ভোক্তা রয়েছে আমাদের। কাজেই এখন সময় এসেছে দেশেই ফায়ার সেফটি পণ্য উৎপাদন করার। শুধু বিদেশি পণ্যের উপর নির্ভরশীল না হয়ে দেশেই ফায়ার সেফটি পণ্য উৎপাদনের জন্য এ খাতের সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

এফবিসিসিআই’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক এগিয়েছে। অগ্নি নিরাপত্তা পণ্যের ক্ষেত্রে শুধু বিদেশী পণ্যের উপর নির্ভরশীল না হয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে দেশেই পণ্য উৎপাদন করতে হবে।

ইসাবের সেক্রেটারি জেনারেল জাকির উদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের ওপর গুরুত্ব অনেক। কারণ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা এককভাবে করা যাবে না।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ইসাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম শাহজাহান সাজু, প্রচার সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসাবের সহ-সভাপতি মোঃ মতিন খান, মোহাম্মদ ফয়সাল মাহমুদ, ইঞ্জি. মোঃ মনজুর আলম, এম মাহমুদুর রশিদ, যুগ্ম মহাসচিব মো. মাহমুদ-ই-খোদা, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ইঞ্জি মোঃ মাহাবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মোঃ নূর-নবী, পরিচালক মো. ওয়াহিদ উদ্দিন, ইঞ্জি. মো. আল-ইমরান হোসেন, মেজর মোহাম্মদ আশিক কামাল, মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

ইসাব সেফটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন যারা

আবাসিক, শিল্প, বাণিজ্যিক ভবনে বিল্ডিং কোড মেনে চলা ও অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের জন্য ‘ইসাব সেফটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে মোট ১৩টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে আবাসিক ভবন ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে র‌্যানকন আর্টিস্টি রেসিডেন্সেস, দ্বিতীয় হয়েছে শেলটেক রুবিনুর, এবং তৃতীয় হয়েছে কনকর্ড শাপলা। বাণিজ্যিক ভবন ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছে যথাক্রমে শান্তা ফোরাম, কনকর্ড এমকে হেরিটেজ এবং বিজিএমইএ। শিল্প ভবন (তৈরি পোশাক) ক্যাটাগরির ৩টি পর্যায়েই যৌথভাবে ৬টি প্রতিষ্ঠান বিজয়ী হয়েছে। এরমধ্যে যৌথভাবে প্রথম হয়েছে গ্ল্যামার ড্রেসেস লিমিটেড এবং ডিজাইনটেক্স নিটওয়্যার লিমিটেড, যৌথভাবে দ্বিতীয় হয়েছে তাসনিয়া ফ্রেব্রিক্স লিমিটেড ও এসকিউ বিরিচিনা লিমিটেড এবং যৌথভাবে তৃতীয় হয়েছে স্টারলিং ডেনিমস লিমিটেড, সিল্কেন সুইং লিমিটেড। এছাড়াও শিল্প ভবনের অন্যান্য ক্যাটাগরিতে সম্মাননা পেয়েছে বিএম কন্টেইনার ডিপোট লিমিটেড।

অগ্নি-নির্বাপন ও উদ্ধারকাজে সম্মাননা পেলেন যারা

এদিকে অগ্নি-নির্বাপন ও উদ্ধারকাজে সাহসী ভূমিকার জন্য ফায়ার সার্ভিসের ৫ ব্যক্তিকে বিশেষ সম্মাননা দিয়েছে ইসাব। অগ্নি-নির্বাপন ও উদ্ধারকাজে সাহসী ভূমিকার জন্য সম্মাননা পেয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের উপ-সহকারী পরিচালক মো. ফয়সালুর রহমান, মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম, সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. নাজিম উদ্দিন সরকার, ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. জহিরুল ইসলাম এবং ফায়ার ফাইটার আলহাজ মিয়া।

উল্লেখ্য, গত ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনীর কো-পার্টনার হিসেবে রয়েছে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, অ্যাসোসিয়েট পার্টনার হিসেবে রয়েছে এফইবিওএবি, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই প্রদর্শনীতে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছে এফবিসিসিআই।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

রপ্তানি ১০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

Published

on

রেনকন মোটরবাইক

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত থাকলে শিগগিরই দেশের রপ্তানি ১০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ‘২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা-২০২৪’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সমাপনী অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

তিনি বলেন, বিদেশে যদি একটি শপিং মল থাকে তাহলে সেখানে যেমন বাংলাদেশের পোশাক পণ্য থাকতে পারে তেমনিভাবে চামড়াজাত পণ্যসহ আমাদের তৈরি ফার্মাউসিটিক্যাল পণ্যও থাকতে পারে। বর্তমানে আমাদের দেশে সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থা অনেক পরিণত। পোশাকের পাশাপাশি অন্য পণ্যগুলোকেও তুলে আনতে পারলে রফতানির ক্ষেত্রে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান এ. এইচ. এম আহসান বলেন, মাসব্যাপী এ মেলায় লাখো দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখরিত ছিল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথি ও বাণিজ্য মেলায় অংশ নেয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর ১ জানুয়ারি থেকে বাণিজ্যমেলা শুরু হলেও এবার নির্বাচনের কারণে পিছিয়ে যায় মেলা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইপিবি যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করে। ২০২২ সাল থেকে পূর্বাচলে স্থায়ী কেন্দ্রে বাণিজ্যমেলা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। আজ পর্দা নেমেছে মাসব্যাপী ২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ)।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

রিটার্ন দাখিলের সময় আরও দুই মাস বাড়াতে এফবিসিসিআইর চিঠি

Published

on

রেনকন মোটরবাইক

কোম্পানির রিটার্ন দাখিলের সময় আরও দুই মাস বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দিয়েছেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. মাহবুবুল আলম।

কোম্পানির ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানিয়ে চিঠিতে তিনি বলেন, সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে অবদান রেখে চলেছে দেশের ব্যবসায়ীরা। কর ব্যবস্থাকে টেকসই, আধুনিক ও জনবান্ধব করতে অতি সম্প্রতি নতুন আয়কর আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রণীত আয়কর আইন সম্পর্কে ব্যবসায়ীদের মধ্যে পরিপূর্ণ ধারণা এখনও তৈরি হয়নি। এছাড়া বৈশ্বিক প্রতিকূল পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি, ডলার সংকট ও আসন্ন রমজান উপলক্ষে ব্যবসায়ীরা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের আমদানি-রফতানি নিয়ে ব্যস্ত থাকায় অডিট কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ ও দলিলপত্রাদি প্রস্তুত করতে বিলম্ব হচ্ছে। তাছাড়া অডিট ফার্ম কর্তৃক ডিভিসি কোড (ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশন কোড) প্রাপ্তিতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হওয়ায় কোম্পানিগুলোর অডিট রিপোর্ট পেতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হচ্ছে।

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, এফবিসিসিআই-এর সদস্য বিভিন্ন সংগঠন থেকে অনুরোধ জানানোর প্রেক্ষিতে কোম্পানির রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে আরও অন্তত দুই মাস সময়ের প্রয়োজন বলে এফবিসিসিআই মনে করে।

এমতাবস্থায়, বিনা জরিমানায় ও অন্যান্য সুবিধা অব্যাহত রেখে কোম্পানির রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো প্রয়োজন।

এর আগে ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে ১৫ জানুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ানো হয়েছিল।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
রেনকন মোটরবাইক
লাইফস্টাইল9 hours ago

ডায়াবেটিস থেকে দূরে রাখবে এই ফল

রেনকন মোটরবাইক
আন্তর্জাতিক9 hours ago

২৪০ কোটি ডলারের শেয়ার বিক্রি করেছেন বেজোস

রেনকন মোটরবাইক
অর্থনীতি10 hours ago

চিনির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

রেনকন মোটরবাইক
কর্পোরেট সংবাদ10 hours ago

ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন ও আইসিএমএবির মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর

রেনকন মোটরবাইক
কর্পোরেট সংবাদ10 hours ago

আইসিএমএবি ও আইবিএফের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

রেনকন মোটরবাইক
কর্পোরেট সংবাদ11 hours ago

বাণিজ্য মেলায় গোল্ড ট্রফি পেলো ওয়ালটন

রেনকন মোটরবাইক
পুঁজিবাজার11 hours ago

র‌্যানকন মোটরবাইকের পনেরশো মিলিয়ন টাকার বন্ড অনুমোদন

রেনকন মোটরবাইক
জাতীয়11 hours ago

কাউন্সিলরদের সম্মানী ভাতা বাড়ল আড়াইগুণের বেশি

রেনকন মোটরবাইক
পুঁজিবাজার11 hours ago

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের বন্ড অনুমোদন

রেনকন মোটরবাইক
আন্তর্জাতিক12 hours ago

ইন্দোনেশিয়ায় তাপীয় কয়লা রফতানি বেড়েছে ২৪ শতাংশ

Advertisement
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯