Connect with us

অর্থনীতি

১৪ বছরে রাজস্ব আয় বেড়েছে ৪২৫ শতাংশ

Published

on

NBR

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ২০০৯ সালে দেশ পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণের পর বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে মানুষের আয় বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে দেশে রাজস্ব আয় বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিপুল এই রাজস্ব আয়ের উপর ভর করে বড় অংকের বাজেট পেশ ও দেশব্যাপী উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে। এমনকি পদ্মা সেতুর মত মেগা প্রকল্প নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা গেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যমতে, ২০০৯-১০ অর্থবছরে এনবিআর’র রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল ৬২ হাজার ৪২ কোটি টাকা, যা বিগত ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৩ লাখ ২৫ হাজার ২৭৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ গত ১৪ বছরে এনবিআরের আদায়কৃত রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৪২৫ শতাংশ।

কোভিড অতিমারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অস্থিতিশীল বিশ্ব বাণিজ্য পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশের রাজস্ব আয়ের সাফল্য সবার নজর কেড়েছে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে রাজস্ব আয় কমেনি বরং বেড়েছে।

ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব করনীতি এবং অনলাইনভিত্তিক করসেবা ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করেছে এবং একইসাথে করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজস্ব আয় বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছে রাজস্ব প্রশাসন ও ব্যবসায়ীরা।

এনবিআর’র সদস্য ড. মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘২০০৯-১০ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণ ছিল ৬২ হাজার ৪২ কোটি টাকা, যা ২০২২-২৩ অর্থবছরে বৃদ্ধি পেয়ে ৩ লাখ ২৫ হাজার ২৭৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

মূলত করবান্ধব নীতি, সহজ ও নিরবিচ্ছন্ন করসেবা প্রদান এবং করদাতাদের আন্তরিক সহযোগিতায় রাজস্ব আয় ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।’

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী কোভিড অতিমারি ও বৈশ্বিক প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও সময়োপযোগী বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করায় ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে ২০.০৬ এবং ১২.৬৬ শতাংশ রাজস্ব প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। এই সময়ে আমদানি-রপ্তানি এবং অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড সচল রাখার সাহসী সিদ্ধান্ত এই অর্জনে মুল ভুমিকা রেখেছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে সরকার দেশে একটা শক্তিশালী কর সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে অব্যাহতভাবে করদাতা, ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব করনীতি অনুসরণ করে চলেছে। আধুনিক রাজস্ব ব্যবস্থাপনা তৈরির লক্ষ্যে ভ্যাট আইনের সংস্কার এবং নতুন আয়কর আইন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তাঁর বাস্তবায়ন হচ্ছে।

এনবিআরের এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আরও বলেন, আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস উভয়ক্ষেত্রের অনেকাংশে অনলাইনভিত্তিক করব্যবস্থা প্রস্তুত করা হয়েছে-যার ফলে হয়রানিমুক্ত পরিবেশে করদাতারা কর দিতে পারছেন এবং ব্যক্তি করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি, আধুনিক কাস্টমস ব্যবস্থাপনা, ভ্যাট আদায়ের জন্য ইএফডি বসানো, অনলাইনে মূসক নিবন্ধন, দাখিলপত্র জমা এসব অটোমেশন কার্যক্রম মানুষের কাছে করসেবা অনেক সহজ করেছে।

২০২২-২৩ অর্থবছরে ৩ লাখ ২৫ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের মধ্যে আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক থেকে আয় ছিল ৯১ হাজার ৭২০ কোটি টাকা, স্থানীয় মূসক বাবদ আয় ছিলো ১ লাখ ২০ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা এবং আয়কর ও ভ্রমণ কর মিলে আয় ছিলো ১ লাখ ১২ হাজার ৯২১ কোটি টাকা।

এনবিআরের রাজস্ব আহরণের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘গত কয়েক বছরে দেশে বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কর্মকান্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজস্ব আয় সমান তালে বেড়েছে। একইসাথে ব্যক্তি পর্যায়ে মানুষের আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় করদাতার সংখ্যা যেমন বেড়েছে, রাজস্ব আয়ও তেমন বাড়ছে।’

বিদেশী ঋণের পরিবর্তে অভ্যন্তরীণ আয় বাড়ানোর প্রতি সরকারের গভীর মনোযোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বিদেশী ঋণ নির্ভরতা পরিহার করে দেশের অভ্যন্তরে অর্জিত রাজস্ব আয় দিয়ে এখন অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এসব প্রকল্প মানুষের জীবনযাপন সহজ করেছে একইসাথে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ইতিবাচক ভুমিকা রাখছে।

তিনি দেশে যুগোপযোগী আধুনিক করব্যবস্থা গড়ে তুলতে আইনী সংস্কার ও অনলাইন ভিত্তিক করব্যবস্থা প্রস্তুতির যে প্রচেষ্টা, তার প্রশংসা করেন।

তিনি মনে করেন রাজস্ব ব্যবস্থা পুরোপুরি অটেমেশন হলে রাজস্ব আয় আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে এবং কর ফাঁকি কমে যাবে।

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৫ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআর সংগ্রহ করবে ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে ৭০ হাজার কোটি টাকা।

অর্থসংবাদ/বাসস/এসএম

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি

বিনিয়োগে প্রযুক্তির সুবিধা নিতে হবে: বিডা চেয়ারম্যান

Published

on

ডিএসই

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, চীন, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার করতে পেরেছে। এখন আমাদেরও প্রযুক্তির সুবিধাটা নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিডার মাল্টিপারপাস হলে বিডা ও সুইসকন্টাক আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ক্লাইমেট ইমপ্রুভমেন্ট (বিআইসিআই) প্রোগ্রাম’ এর সাত পর্বের সিরিজের প্রথম কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

দেশের উন্নয়নে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই জানিয়ে তিনি বলেন, বিডা ও এসএস এর মাধ্যমে ৩৮ সংস্থার ১১৩ বিনিয়োগ সেবা প্রদান করা হচ্ছে এবং দ্রুতই ৪৮ সংস্থার ১৫০টি বিনিয়োগ সেবা প্রদান করা হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে সব সেবা দ্রুত প্রদান করা গেলে আমরাও চীন ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুরের মতো বিনিয়োগকারীদের দ্রুত সেবা দিতে পারবো। আর এর জন্যই বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ক্লাইমেট ইমপ্রুভমেন্ট (বিআইসিআই) এর অধীনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সংস্থার সদস্যদের মধ্যে আন্তঃসরকারি সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন আমাদের মনে রাখতে হবে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কোনো দেশের ইনভেস্টমেন্ট ক্লাইমেট ইমপ্রুভমেন্ট দেখেই বিনিয়োগ করতে আসেন। গত ১৫ বছরে যে বৈপ্লবিক উন্নয়ন হয়েছে সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের এখন বিনিয়োগে প্রযুক্তির বেনিফিট নিতে হবে।

দিনব্যাপী আয়োজিত এ কর্মশালায় বিডার নির্বাহী সদস্য ড. খন্দকার আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মার্কাস এহমান, টিম লিডার, প্রবৃদ্ধি প্রকল্প (লোকাল ইকোনোমিক ডেভোলপমেন্ট) সুইসকন্টাক, বিডার নির্বাহী সদস্য মিজ মোহসিনা ইয়াসমিন, অভিজিৎ চৌধুরী ও মো. খাইরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রবৃদ্ধি প্রকল্পের টিম লিডার মার্কাস এহমান বলেন, বিডার সঙ্গে যৌথ সহযোগিতায় আমরা মিউনিসিপ্যালিটি কম্পিটিটিভনেস ইনডেক্সকে (এমসিআই) এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করছি। এই এমসিআই, বিআইসিআই প্রোগামের আওতায় অন্তর্ভুক্তিকরণের মাধ্যমে দেশব্যাপী স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নতি এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নীতকরণের মাধ্যমে টেকসই স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধনে সর্বোপরি পৌরসভাগুলোর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

দেশে ডলার সংকট নেই: সালমান এফ রহমান

Published

on

ডিএসই

দেশে এখন আর ডলারের সংকট নেই, তবে দাম একটু বেশি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীতে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে একথা বলেন তিনি।

সালমান এফ রহমান বলেন, এখন ডলারের কোনো সংকট নেই। কিছুদিন আগেও ডলার পাওয়া যাচ্ছিল না। এখন ডলার আছে, তবে দাম একটু বেশি। সেটাও নিয়ে আমার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি এরই মধ্যে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে ডলারের রেট একটা জায়গায় দাঁড়াবে।

প্রতিবারের মত রমজান মাসে বাড়তি মুনাফা করার হীন উদ্দেশ্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অসাধু ব্যবসায়ীরা এবার পণ্যের দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকালই (বৃহস্পতিবার) সংসদে খাদ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি কয়েকদিনের মধ্যে সারা দেশের ডিসি-এসপিদের ঢাকায় ডাকছেন। তিনি তাদেরকে নির্দেশ দেবেন কীভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আসন্ন রমজান মাস সুন্দরভাবেই শেষ হবে আশা প্রকাশ করে সালমান এফ রহমান বলেন, রমজানের আগে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার প্রশ্নগুলো হয়। আবার রমজান ইনশাল্লাহ খুব সুন্দরভাবেই শেষ হয়। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, এই রমজানও ইনশাল্লাহ আল্লাহর রহমতে আমরা ভালোভাবেই কাটাব। কোনো সমস্যা হবে না। দোকানদাররা যদি পণ্য মজুদও করে, তাহলে সেটা যদি রমজানে না ছাড়ে, তাহলে তো তার লোকসান হয়ে যাবে।

এ দিন সালমান এফ রহমান রাজশাহীর বায়া এলাকায় থাকা আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত ৩৪তম তাবলীগী ইজতেমা পরিদর্শনে আসেন। ইজতেমা ময়দানে যাওয়ার আগে আমচত্বর এলাকায় তিনি আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশের মহতরাম আমীরে জামাআত অধ্যাপক ড. মুহম্মদ আসাদুল্লাহ আল গালিবের কার্যালয়ে যান এবং তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

এসএম

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

চিনির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

Published

on

ডিএসই

রমজানের আগে সরকারি চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)। জনগণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে চিনির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার রাতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে সরকারি মিলের চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করে চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি)।

বিএসএফআইসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চিনির বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএসএফআইসি উৎপাদিত চিনির বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে। বাজারে রোজা উপলক্ষ্যে চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী করপোরেশনের ৫০ কেজি বস্তাজাত চিনির মিলগেট বিক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা (এক কেজি) ও ডিলার পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ১৫৭ টাকা (এক কেজি) নির্ধারণ করা হয়।

এ ছাড়া করপোরেশনের ১ কেজি প্যাকেটজাত চিনির মিলগেট বা করপোরেট সুপারশপ বিক্রয়মূল্য ১৫৫ টাকা ও বিভিন্ন সুপারশপ, চিনি শিল্প ভবনের বেজমেন্টে ও বাজারে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

বাজারে সরকারি চিনির নামে মোড়কজাত করে চড়া দামে বিক্রি করছে কিছু প্রতিষ্ঠান। সবশেষ কেজিপ্রতি ১৪০ টাকা চিনির মূল্য নির্ধারণ করে সংস্থাটি।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

রিটার্ন না দেওয়া বাড়িওয়ালাদের খুঁজতে বিশেষ অভিযান: এনবিআর চেয়ারম্যান

Published

on

ডিএসই

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেছেন, যেসব বাড়িওয়ালা আয়কর রিটার্ন দেননি তাদের খুঁজে বের করতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এনবিআরে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় এ তথ্য জানান তিনি। অনুষ্ঠানে বাড়িওয়ালার আয়কর রিটার্নের দাখিল প্রমাণ সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা বাতিলের প্রস্তাব দেয় ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)।

অনুষ্ঠানে ই-ক্যাবে প্রতিনিধি শাহিন হাসান, জাহাঙ্গীর আলম শোভন উপস্থিত ছিলেন। ই-ক্যাব জানায়, এটার জন্য আমরা বাড়িওয়ালাদের নোটিশ দিই। লেটার দিই। মাত্র ৩০ শতাংশের কাছ থেকে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র পাই। এর ফলে আমাদের ভাড়া বাবদ খরচের ওপর ৩০ শতাংশ কর দিতে হয়।

এমন প্রস্তাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, রাজধানী ও চট্টগ্রামে বাড়ির মালিক, ফ্ল্যাটের মালিকদের রিটার্ন দিতে হবে। আয় কী, কতটুকু কর দিতে হবে সেটা এনবিআর দেখবে। তাদের রিটার্ন দিতেই হবে।

ই-ক্যাবের প্রতিনিধিদের প্রস্তাব শুনে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আপনারা দেশের উন্নতি চান, বড় বড় কথাও বলেন, ট্যাক্স নেট বাড়ে না এনবিআরকে দোষারোপও করেন। আবার সিটি করপোরেশনের বাড়িওয়ালার রিটার্ন অব্যাহতি দাবি করেন?। কোন বাড়িওয়ালা রিটার্ন জমা দেয় না। আপনারা বলার পরেও আপনাদের কাছে বাড়িভাড়া দেয় না তাদের ব্যাপারে আমার কাছে অভিযোগ দেন। আপনারা বাড়িওয়ালাদের রিটার্ন জমা দিতে উদ্বুদ্ধ করেন।

তিনি আরও বলেন, ধরে নেওয়া হয় একজন বাড়িওয়ালার কর দেওয়ার সক্ষমতা আছে। মহানগর এলাকায় বাড়ির মালিক এখনো রিটার্ন দিচ্ছে না। আমরা এতদিন তাদের কনভিন্স করার চেষ্টা করেছি, বলার চেষ্টা করেছি। মহানগরের বাড়ির মালিকদের তালিকা করেছি। ডেসকো মিটারের মালিক, ওয়াসার বিল কে দেয় এগুলা থেকে আমরা মালিকদের চিহ্নিত করেছি। আমরা এখন স্পেশাল ড্রাইভ দেবো।

তিনি বলেন, আমরা রিটার্ন দাখিল সহজ করে দিয়েছি। অনলাইনেই রিটার্ন দাখিল করা যায়। এত কিছুর পরেও রিটার্ন দাখিল না করার কোনো কারণ নেই। অচিরেই স্পেশাল ড্রাইভ দেবো।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

চিনির দাম কেজিতে বাড়ল ২০ টাকা

Published

on

ডিএসই

আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চিনির বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে সরকারি মিলের চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি)।

আজ বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি এ তথ্য জানায়।

এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চিনির বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএসএফআইসি কর্তৃক উৎপাদিত চিনির বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজারে রোজা উপলক্ষ্যে চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এখন থেকে করপোরেশনের ৫০ কেজি বস্তাজাত চিনির মিলগেট বিক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা (এক কেজি) ও ডিলার পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ১৫৭ টাকা (এক কেজি) নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া করপোরেশনের ১ কেজি প্যাকেটজাত চিনির মিলগেট বা করপোরেট সুপারশপ বিক্রয়মূল্য ১৫৫ টাকা ও বিভিন্ন সুপারশপ, চিনি শিল্প ভবনের বেজমেন্টে ও বাজারে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজারে সরকারি চিনির নামে মোড়কজাত করে চড়া দামে বিক্রি করছে কিছু প্রতিষ্ঠান। সবশেষ কেজিপ্রতি ১৪০ টাকা চিনির মূল্য নির্ধারণ করে সংস্থাটি।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
ডিএসই
আন্তর্জাতিক10 mins ago

তিন গুণ বাড়তে পারে রাশিয়ার এলএনজি রফতানি

ডিএসই
জাতীয়16 mins ago

আর কোনো রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়া সম্ভব নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডিএসই
জাতীয়31 mins ago

চালের বাজার ঠিক রাখতে জেলায় জেলায় বৈঠক করতে হয়েছে: খাদ্যমন্ত্রী

ডিএসই
সারাদেশ1 hour ago

নাটোরে বিয়ে করতে এসে ধরা দুই কিশোরী

ডিএসই
অর্থনীতি1 hour ago

বিনিয়োগে প্রযুক্তির সুবিধা নিতে হবে: বিডা চেয়ারম্যান

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

অনুমতি ছাড়া হজ করলে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি সৌদির

ডিএসই
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার2 hours ago

ঢাবির ‌‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ফের বেড়েছে
আন্তর্জাতিক3 hours ago

বিশ্ব বাজারে আরও কমলো জ্বালানি তেলের দাম

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ডিএসই
পুঁজিবাজার4 hours ago

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর লেনদেন কমেছে ৫৫ শতাংশ

Advertisement
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯