Connect with us

অর্থনীতি

মিসর-রাশিয়া বাণিজ্য ৭০০ কোটি ডলারে উন্নীত

Published

on

লাফার্জ

রাশিয়া ও মিসরের মধ্যে বাণিজ্য গত বছরের শেষ নাগাদ ৭০০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে রাশিয়ার বাণিজ্য প্রতিনিধি আলেক্সি তেভানিয়ান সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন। তার মতে, ‌মিসরে রফতানি বাড়ায় রাশিয়ার সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্য বেড়েছে। খবর আরটি।

উভয় দেশের বাণিজ্যসংশ্লিষ্টরা জানান, পারস্পরিক বাণিজ্যে ইতিবাচক গতিশীলতা গত বছর অব্যাহত ছিল, যা বছরের শেষ নাগাদ ২০২২ সালের তুলনায় এক-চতুর্থাংশ বেড়েছে। আগামী বছর এ প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। ২০২২ সালে মস্কো ও কায়রোর মধ্যে বাণিজ্য বিনিময় বছরে ৩০ শতাংশ বেড়ে ৬০০ কোটি ডলারের বেশি হয়েছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মিসরীয় কোম্পানিগুলো মস্কোর সঙ্গে লেনদেনে জাতীয় মুদ্রা ব্যবহার করতে আগ্রহ দেখাচ্ছে।

রাশিয়ার বাণিজ্য প্রতিনিধি আলেক্সি তেভানিয়ান বলেছেন, ‘‌গত কয়েক বছর ধরে মিসরে ডলার ও ইউরোর সংকট চলছে। এ কারণে সরবরাহ করা পণ্যের অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে মিসরীয় ব্যবসায়ীরা জাতীয় মুদ্রায় লেনদেনে আগ্রহী।’

আলেক্সি তেভানিয়ান জানান, সব চেয়ে বেশি বাণিজ্য বেড়েছে কৃষিপণ্য ও সরঞ্জাম খাতে। বিশ্বের শীর্ষ গম আমদানিকারকদের মধ্যে অন্যতম মিসর। ২০২৩ সালজুড়ে দেশটিতে সবচেয়ে বেশি শস্য সরবরাহ করেছে রাশিয়া। দেশটিতে ৮০ লাখ টনেরও বেশি শস্য সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া ভোজ্যতেল ও ইস্পাত রফতানি করা হয়েছে। উন্নত তার তৈরির জন্য তামা ও আসবাবপত্র নির্মাণ শিল্পে কাঠের চাহিদা রয়েছে।

বিশ্লেষকরা জানান, মস্কো ও কায়রো রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়নের (ইইইউ) সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির লক্ষ্যে একত্রে কাজ করছে। চুক্তিটি আলোচনার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এ চুক্তি সম্পন্ন হলে উভয় দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে বৈচিত্র্য আসবে। মিসর ও ইইইউর মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সমাপ্তি মিসরীয় বাজারে রাশিয়ার পণ্য সরবরাহ আরো সহজ করবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রসঙ্গত, মিসরে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি রোসাটম। আফ্রিকা মহাদেশে এটিই তাদের সবচেয়ে বড় প্রকল্প। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ হবে। ৪ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে কেন্দ্রটিতে। এ কেন্দ্র স্থাপনের ৮৫ শতাংশ ব্যয় বহন করবে রাশিয়া। এক্ষেত্রে মিসরকে ৩ হাজার কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে রাশিয়া। প্রকল্পের বাকি টাকা আসবে করপোরেট বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি

সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভ বাড়লো ৩৭ কোটি ডলার

Published

on

ঘরে বসে উপার্জন করার ৮ উপায়

এক সপ্তাহের ব্যবধানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও ৩৭ কোটি ৬৯ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার বেড়েছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসেব পদ্ধতি অনুসারে সর্বশেষ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার ( বিপিএম৬) বা দুই হাজার ৫৭ কোটি ৩১ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার।

একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত তহবিলসহ মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার বা দুই হাজার ৫৭৬ কোটি ৫১ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সাপ্তাহিক নির্বাচিত অর্থনৈতিক সূচকে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

তথ্য বলছে, এক মাসের ব্যবধানে রিজার্ভ কমেছে ৬৩ কোটি ৫ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৯৯৪ কোটি ২৬ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার (বিপিএম৬)। ডিসেম্বরের শুরুতে রিজার্ভ ১৯ বিলিয়নে নামে।

এরপর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফ, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবি ও দক্ষিণ কোরিয়ার ঋণের ডলার যোগ হলে রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। এশীয় ক্লিয়ারিং উইনিয়ন-আকুর বিল ও অন্যান্য আমদানি দায় পরিশোধ করলে রিজার্ভ কমতে থাকে। এরপর রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসে।

২০২১ সালের আগস্টে বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়নের ঘর ছাড়িয়েছিল। এরপর রিজার্ভ থেকে ২৯ বিলিয়ন ডলারের মতো বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ডলারের সংকটের কারণে বাড়তি চাপ তৈরি হয় রিজার্ভে। ২০২১ সাল নাগাদ আমদানির জন্য প্রতি ডলার ৮৫-৮৬ টাকায় পাওয়া যেত। এখন প্রতি ডলারের জন্য ১২২-১২৩ টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। এরপরও কাঙ্ক্ষিত ডলার না পেয়ে এলসি খুলতে পারছেন না, বলে কেউ কেউ অভিযোগ করেন।

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জানুয়ারির মাঝামাঝিতে নতুন সরকার যাত্রা শুরু করলে ক্রমান্বয়ে ডলারের সংকট দূর হতে থাকে। এর ফলে রিজার্ভেও চাপ কিছুটা কমে আসে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

নেত্রকোণায় ৫০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি

Published

on

সৌরবিদ্যুৎ

বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখতে নেত্রকোণায় বেসরকারি উদ্যোগে ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন একটি সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। ২০ বছরে উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ক্রয়ে ব্যয় হবে ১ হাজার ৬৪১ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে কমিটির সভায় প্রস্তাবটিতে অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব উপস্থিত ছিলেন।

সভাশেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান বলেন, নেত্রকোণা জেলার সদর উপজেলায় ৫০ মেগাওয়াট (এসি) সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের দরপ্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। প্রাইভেট সেক্টর পাওয়ার জেনারেশন পলিসি-১৯৯৬ এর আওতায় বিল্ড, ওন, অপারেট (বিওও) ভিত্তিতে আইপিপি হিসেবে নেত্রকোনা জেলার সদর উপজেলায় ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলে ৩টি প্রতিষ্ঠান দরপ্রস্তাব দাখিল করে। ৩টি প্রস্তাবই কারিগরিভাবে রেসপনসিভ হয়।

বিউবো এবং পিইসি কর্তৃক প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করে দরদাতা প্রতিষ্ঠান কনসোর্টিয়াম অব প্যারাগন পোল্ট্রি লিমিটেডের সঙ্গে ২০ বছর মেয়াদে ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য ‘নো ইলেক্ট্রিসিটি, নো পেমেন্ট’ ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে কমিটি তাতে অনুমোদন দিয়েছে।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

ডিজেল-অকটেনের স্বয়ংক্রিয় দাম প্রতি মাসে নির্ধারণ

Published

on

লাফার্জ

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রতিমাসে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ করবে সরকার। প্রাথমিকভাবে চলতি মার্চ থেকেই এ পদ্ধতি কার্যকর হবে। তবে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় মূল্য নির্ধারণের সময় ডিজেলের দামের চেয়ে প্রতি লিটারে ১০ টাকা বেশি হবে অকটেনের দাম। মূল্য নির্ধারণের নির্দেশিকায় এমনটাই বলা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতেই জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ শুক্রবার এটি জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত অকটেন ও পেট্রোল ব্যক্তিগত যানবাহনে অধিক পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। তাই বাস্তবতার নিরিখে বিলাস দ্রব্য (লাক্সারি আইটেম) হিসেবে সব সময় ডিজেলের চেয়ে পেট্রোল-অকটেনের দাম বেশি রাখা হয়।

এতে বলা হয়, পেট্রোলিয়াম পণ্য (ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোল) তথা সরকার যেসব গ্রেডের জ্বালানি তেলের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে থাকে, সেগুলোর জন্য এই স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে। তবে সরকার বা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) প্রয়োজন মনে করলে অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্যের ক্ষেত্রেও শর্ত সাপেক্ষে ওই নির্দেশনা প্রয়োগ করতে পারবে। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রাথমিকভাবে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চলতি মাস থেকে কার্যকর হবে।

প্রসঙ্গত, দেশে বর্তমানে ডিজেলের চেয়ে অকটেনের খুচরা বিক্রয়মূল্য লিটারপ্রতি ২১ টাকা বেশি।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

পাবনায় কমেছে রসুনের দাম

Published

on

লাফার্জ

পাবনায় কমতে শুরু করেছে রসুনের দাম। এর কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা জানান, নতুন রসুন বাজারে আসায় সরবরাহ বেড়েছে। পাশাপাশি জেলায় মসলাপণ্যটির উৎপাদনও ভালো হয়েছে। অল্প কিছুদিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে দাম কমে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

জেলার বিভিন্ন বাজারের তথ্য অনুযায়ী, কিছুদিন আগেও প্রতি কেজি রসুনের দাম ছিল ৩০০ টাকা। বর্তমানে দাম কমে ১৫০-২০০ টাকায় নেমেছে। আগামী দিনগুলোয় সরবরাহ বাড়লে দাম আরো কমে আসবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। বাজারে দেশী রসুনের সরবরাহ বাড়ায় আমদানীকৃত রসুনের চাহিদা কমেছে বলেও জানান তারা।

পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, জেলার নয় উপজেলায় চলতি রবি মৌসুমে সাড়ে নয় হাজার হেক্টর জমিতে রসুন আবাদ হয়েছে। এসব জমি থেকে ৯২ হাজার ১৫০ টন উৎপাদনের প্রত্যাশা রয়েছে। এবার ফলন ভালো হয়েছে।

পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ রোকনুজ্জামান জানান, উৎপাদন ভালো হওয়ায় রসুনের দাম কমেছে। জমি থেকে রসুন ওঠানো পুরোপুরি শেষ হলে দাম আরো কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ১৫ পরিচালকের বেশি নয়

Published

on

দেশে মূল্যস্ফীতি কমাতে নীতি সুদহার বৃদ্ধি

দেশের ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদে সর্বোচ্চ ১৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া যাবে। এর মধ্যে অন্তত ২ জন স্বতন্ত্র পরিচালক রাখতে হবে। তবে এসব পরিচালকের বয়স হবে সর্বনিম্ন ৩০ বছর।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ১৮ পৃষ্ঠার এই নীতিমালায় পরিচালকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালায় বলা হয়, কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিচালক পদে নিয়োগ পেতে হলে অন্যূন ১০ (দশ) বছরের ব্যবস্থাপনা বা ব্যবসায়িক বা পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কোনো ব্যক্তির বয়স ১৮ (আঠারো) বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তার কোনো কাজের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নেওয়া হবে না।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত হতে পারবেন না কিংবা কোনো জাল-জালিয়াতি, আর্থিক অপরাধ বা অন্য অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বা জড়িত নন, এমন নিশ্চয়তা থাকতে হবে। তার সম্পর্কে কোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলায় আদালতের রায়ে বিরূপ পর্যবেক্ষণ বা মন্তব্য থাকতে পারবে না। আর্থিক খাতসংশ্লিষ্ট কোনো নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের বিধিমালা, প্রবিধান, নীতিমালা বা নিয়মাচার লঙ্ঘনের কারণে দণ্ডিত হওয়া যাবে না।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হতে আগ্রহী ব্যক্তি এমন কোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, যার নিবন্ধন বা লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বা প্রতিষ্ঠানটি অবসায়িত হয়েছে। তার নিজের কিংবা স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণের জন্য খেলাপি নন।

পরিচালক হতে গেলে অন্য কোনো ব্যাংক-কোম্পানি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি বা তেমন কোম্পানিগুলোর কোনো সাবসিডিয়ারি কোম্পানির পরিচালক বা উপদেষ্টা বা পরামর্শক বা অন্যকোনোভাবে লাভজনক পদে নিয়োজিত থাকা যাবে না। এ ছাড়া তিনি একই কোম্পানির বহিঃহিসাব নিরীক্ষক, আইন উপদেষ্টা, উপদেষ্টা, পরামর্শক বা অন্যকোনো লাভজনক পদে থাকতে পারবেন না।

পরিচালকের যোগ্যতা সম্পর্কে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, তিনি কোনো সময়ে আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হননি। তিনি ব্যক্তিগতভাবে অথবা তার ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বা অংশীদারী প্রতিষ্ঠানের জন্য কর খেলাপি হতে পারবেন না।

এ ছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোনো পদে চাকরিরত থাকলে চাকরি অবসায়নের পাঁচ বছর অতিক্রম না হলে সেই ব্যক্তি কোম্পানির পরিচালক হতে পারবেন না। কোনো কোম্পানি কর্তৃক বা ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন, ২০২৩-এর আওতায় প্রতিষ্ঠিত কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতা হিসেবে তালিকাভুক্ত হলে সেই তালিকা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর পাঁচ বছর না পেরোলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পরিচালক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবেন না।

স্বতন্ত্র পরিচালকদের সম্পর্কে বলা হয়েছে, স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার ক্ষেত্রে এসব শর্ত ছাড়াও স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগসংক্রান্ত নীতিমালা পরিপালিত হবে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
লাফার্জ
বিনোদন2 hours ago

সেদিন কোথায় ‘ফেঁসেছিলেন’, জানালেন তাহসান-ফারিণ

লাফার্জ
আন্তর্জাতিক2 hours ago

সেনেগালে নৌকা ডুবে ২০ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু

লাফার্জ
জাতীয়3 hours ago

প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকলো চার মন্ত্রণালয় ও বিভাগ

লাফার্জ
জাতীয়3 hours ago

প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিতে চান নতুন প্রতিমন্ত্রীরা

লাফার্জ
রাজধানী3 hours ago

ঢাকাস্থ দশমিনা উপজেলা কল্যাণ সমিতির বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলা

লাফার্জ
জাতীয়4 hours ago

ঈদযাত্রায় ট্রেন ও বগির সংখ্যা বাড়বে

লাফার্জ
খেলাধুলা4 hours ago

বরিশাল প্রথমবার শিরোপা জয়ের দ্বারপ্রান্তে

লাফার্জ
জাতীয়4 hours ago

গণমাধ্যমকে আরো শক্তিশালী করতে প্রস্তুত সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

লেনদেন
পুঁজিবাজার4 hours ago

লেনদেন বাড়লেও বাজার মূলধন কমেছে শেয়ারবাজারে

লাফার্জ
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার5 hours ago

চাকরির সুযোগ দিচ্ছে এসিআই মটরস

Advertisement
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১