Connect with us

লাইফস্টাইল

শীতকালে গরম পানিতে গোসল, উপকার নাকি ক্ষতি?

Published

on

জেমিনি সি

সারাদিনের কাজের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে সকালের গোসল আমাদের সতেজ করে তোলে। কিন্তু শীতকাল এলেই অনেকে ঠান্ডার ভয়ে গোসল করতে চান না। অনেকেই আবার শীতে নিয়মিত গরম পানিতে গোসল করেন। কোন পানিতে গোসল করা বেশি উপকার?

বিশেষজ্ঞদের মতে, খুব ঠান্ডা বা অলসতা লাগলেও শীতকালে প্রতিদিন গোসল করা উচিত। এবিপি আনন্দের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিচ্ছন্নতা ছাড়াও গোসলের অনেক স্বাস্থ্যের উপকারিতা রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন গরম পানিতে গোসল করলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং চাপমুক্ত থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে, বেশি বিশ্রাম হয়, ভালো ঘুমও হয়।

ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য শীতকালে গরম পানিতে গোসল করা খুবই উপকারী বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, নিয়মিত গরম পানিতে গোসল করলে রক্তে শর্করার মাত্রা সঠির থাকে। এর পাশাপাশি ক্যালোরি কমাতেও সাহায্য করে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৩০ মিনিট হাঁটার পর যে পরিমাণ ক্যালোরি আমাদের শরীর থেকে ধ্বংস হতে পারে, সেই একই পরিমাণ ক্যালোরি ধ্বংস হচ্ছে দিনে একবার গরম পানিতে গোসল করার ফলে। এছাড়াও রক্তে শর্করার মাত্রাও সঠিক থাকছে।

শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম খুবই জরুরি। কিন্তু সারাদিনের পরিশ্রম, ক্লান্তি, চোখের পাতা বুজেও আসছে, তবুও ঘুমের পাত্তা নেই! এর সমাধান হতে পারে গরম পানিতে গোসল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভালো ঘুমের জন্য দারুণ উপকারী গরম পানিতে গোসল। গরম পানিতে গোসল করলে শরীর সতেজ হয়ে যায়। শরীরের পেশিগুলোও আরাম পায়। আর এর ফলেই দ্রুত ঘুম চলে আসে। তাই যাদের অনিদ্রার সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য খুব উপকারী।

চিকিৎসকরা বলছেন, শরীরে রক্ত সঞ্চালন সঠিক রাখতে সাহায্য করে গরেম পানিতে গোসল। রক্ত সঞ্চালন সঠিক থাকলে শরীরে এনার্জিও পরিপূর্ণ থাকে। এছাড়া, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে নিয়মিত গরম পানিতে গোসল। এর ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে হৃদপিন্ডকে সচল রাখতে সাহায্য করে।

মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন সঠিক না হলেই মাথা যন্ত্রণার সমস্যা দেখা দেয়। মাথা যন্ত্রণার সমস্যাকে দূর করতে সাহায্য করে গরম পানিতে গোসল। এছাড়াও স্ট্রেস, উদ্বেগের মতো সমস্যাকেও প্রতিরোধ করে গরম পানি।

বিভিন্ন সময়ে অনেকের পেশিতে টান পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পেশিগুলোকে সচল রাখতে সাহায্য করে গরম পানিতে গোসল। কাঁধ, পিঠ, ঘাড়ে ম্যাসেজের মতো কাজ করে গরম পানিতে গোসল।

ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বকের জন্য দারুণ উপকারী গরম পানিতে গোসল। নিয়মিত গরম পানি দিয়ে গোসল করলে ত্বক সুস্থ থাকে। ত্বক থেকে যাতবীয় দূষিত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে গরম পানি। এছাড়াও, ত্বকের আদ্রতা বজায় রেখে বয়সের ছাপও পড়তে দেয় না।

শীত আসলেই অনেকের ঠান্ডা লাগা এবং জ্বরের সমস্যা দেখা দেয়। ঠান্ডা লাগা এবং জ্বরের সমস্যাকে দূর করতে সাহায্য করে গরম পানিতে গোসল। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শীতকালের মতো বছরের যে কোনো সময়েই গরম পানিতে গোসল করলে ঠান্ডা লাগার সমস্যা অনেক কম থাকবে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

লাইফস্টাইল

ডায়াবেটিস থেকে দূরে রাখবে এই ফল

Published

on

জেমিনি সি

সুস্থতার পথ সুগমে প্রতিদিন আপেল খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। আপেলে আছে বিশেষ উপকারী যৌগ যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে এবং হার্টের অসুখ থেকে দূরে রাখে। এতে থাকা ফাইবার কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে কাজ করে। আপেলে থাকা পলিফেনল নানাভাবে সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে। পলিফেনলগুলোর মধ্যে একটি হলো অ্যাপেকটিন ফ্ল্যাভোনয়েড, এটি রক্তচাপ হ্রাস করতে পারে।

যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তারা নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখুন আপেল। এছাড়া যাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রয়েছে তারাও নিয়মিত আপেল খেতে পারেন। কারণ বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, আপেল খেলে তা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় অনেকটাই। আপেলে থাকা পলিফেনল শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।

যারা নিয়মিত আপেল খান তাদের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ২৮% কমে যায়, এমনটাই প্রমাণ মিলেছে গবেষণায়। তাই আপনার সুস্থতার জন্যও আপেল খাওয়া জরুরি। কারণ ডায়াবেটিস না থাকলে যে কখনো হবে না, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। বরং বর্তমান বিশ্বে প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। তাই আগেভাগে সতর্ক থাকার জন্য খাবারের তালিকায় নজর দিন।

আপেলের পলিফেনলগুলো বিটা কোষের ক্ষতি রোধ করতে সাহায্য করে। ইনসুলিন বিটা কোষ থেকে শরীরে উৎপাদিত হয় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত করে। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই আপেল নিয়মিত খাওয়ার বিকল্প নেই। শুধু ডায়াবেটিস নয়, এটি অন্যান্য অনেক অসুখ থেকেই আপনাকে নিষ্কৃতি দেবে। এতে থাকা ফাইবার আপনার হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে দেবে অনেকটাই।

যাদের ওজন বেশি, তাদের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ভয়ও বেশি থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থুল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তের ঝুঁকি বেড়ে যায়। নিয়মিত আপেল খেলে তা আপনার স্থুলত্ব ও হৃদরোগের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলবে। কারণ আপেলের পুরোটাই ফাইবার এবং পানি। যে কারণে আপেল খেলে পেট ভরে ঠিকই কিন্তু বাড়তি ওজনের ভয় থাকে না।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

বদ হজম দূর করার ঘরোয়া উপায়

Published

on

জেমিনি সি

বদ হজম এমন এক সমস্যা যা দেখা দিলে কোনো খাবারই ঠিকভাবে হজম হতে চায় না। ফলস্বরূপ পেট ফাঁপা, পেটে সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট কামড়ানো, অ্যাসিডিটিসহ আরও অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। শরীর বঞ্চিত হয় প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে। এসব কারণে কমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। তাই শুরুতেই সচেতন হওয়া জরুরি। বদ হজম দেখা দিলে অবহেলা না করে তা সারানোর জন্য সচেষ্ট হোন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক বদ হজম দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়-

১. মৌরি চিবিয়ে খান
বদ হজম দূর করার কাজে অন্যতম সহায়ক একটি মসলা হলো মৌরি। এর মাধ্যমে সহজেই বদ হজম সারিয়ে তোলা যায়। একটি কৌটায় করে সব সময় বাড়িতে মৌরি রাখুন। যখনই হজমের কোনো সমস্যা দেখা দেবে, দুই চা চামচ মৌরি নিয়ে ভালো করে চিবিয়ে পানি পান করবেন। এর কিছুক্ষণ পরই দেখবেন হালকা লাগতে শুরু করেছে।

২. জিরা ও লেবুর রস
জিরা দিয়ে তৈরি করতে পারেন হজমের এক ধরনের টোটকা। সেজন্য আপনাকে যা করতে হবে তা হলো, শুকনো খোলায় জিরা ভালো করে ভেজে তার সঙ্গে বিট লবণ মাখিয়ে রাখতে হবে। আপনি চাইলে এর সঙ্গে মেশাতে পারেন লেবুর রসও। যেকোনো ভারী খাবার খাওয়ার পর এই জিরা এক চা চামচ খেলে বদ হজম বিদায় নেবে দ্রুতই।

৩. আমলকি শুকিয়ে খান
বদ হজম দূর করতে আরেকটি কার্যকরী উপাদান হলো শুকনো আমলকি। সেজন্য আপনাকে আমলকি পাতলা করে কেটে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। তার আগে কাটা আমলকিতে ভালো করে লবণ মাখিয়ে নেবেন। কয়েকদিন এভাবে শুকিয়ে নেওয়ার পর আমলকির টুকরাগুলো একটি জারে ভরে রাখুন। খাওয়ার পরে মুকসুদ্ধির মতো এটি খেতে পারেন। এতে বদ হজম কাছে ঘেঁষতে পারবে না।

৪. খালি পেটে হালকা গরম পানি পান করুন
যারা বদ হজমের সমস্যায় ভুগছেন তারা নিয়মিত সকালবেলা উঠে হালকা গরম পানি পান করবেন। সম্ভব হলে এর সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে বাড়বে মেটাবলিজম এবং পাচন ক্ষমতাও। নিয়মিত এই পানি পান করলে আপনাকে আর বদ হজমের সমস্যায় ভুগতে হবে না। কারণ এটি সহজেই এই সমস্যা দূর করে দেবে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ফ্যাটি লিভার থেকে বাঁচতে যেসব খাবার খাবেন

Published

on

জেমিনি সি

অস্বাস্থ্যকর এবং বিশৃঙ্ক্ষল জীবনযাপনের কারণে আমাদের লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আমরা বেশিরভাগই খাবারের কোনো নির্দিষ্ট সময় কিংবা রুটিন মেনে চলি না, শরীরচর্চার প্রসঙ্গ এলে নানা অজুহাতে এড়িয়ে যাই। ফলস্বরূপ লিভারে চর্বি জমতে থাকে। এই অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়াকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়।

ফ্যাটি লিভার দুই ধরনের হয়। অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভার, অন্যটি অ্যালকোহলমুক্ত ফ্যাটি লিভার। প্রচুর অ্যালকোহল পান করলে লিভারে চর্বি জমা হতে পারে। এটি হলো অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভারের কারণ। অ্যালকোহলমুক্ত ফ্যাটি লিভার অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, স্থূলতা বা টাইপ ২ ডায়াবেটিসের কারণে হয়। স্ট্রেস এখানে আরেকটি কারণ যা লিভারে চর্বি জমা হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনার মাধ্যমে ফ্যাটি লিভার রোধ করা সম্ভব। ভারতীয় পুষ্টিবিদ খুশবু জৈন তিব্রেওয়ালা সম্প্রতি ‘দ্য ফ্যাটি লিভার গাইড’ প্রকাশ করেছেন। এতে আছে লিভার ভালো রাখার জন্য সমস্ত তথ্য, যা ফ্যাটি লিভারকে প্রতিহত করতে সাহায্য করতে পারে। সেখান থেকে জেনে নিন ফ্যাটি লিভার থেকে বাঁচতে কোন খাবারগুলো খাবেন-

দুপুর ও রাতের খাবারে ৫০% শাক-সবজি থাকা উচিত

সকাল ও দুপুরের খাবারে ৫০% শাক-সবজি রাখার কথা বলছেন এই পুষ্টিবিদ। এতে থাকতে পারে বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি। সালাদ, তরকারি, ভাজা, স্যুপ, চাটনি, ল্যাকটো-ফার্মেন্টেড সবজি, ডাল এবং রুটিতে এসব শাক-সবজি রাখতে পারেন।

প্রতিদিন কিছু ফার্মেন্টেড ফুড

ফার্মেন্টেড ফুড বা গাঁজানো খাবার হজমের জন্য সহায়ক। এটি শরীরের পুষ্টি শোষণ করার ক্ষমতাও উন্নত করে। এ ধরনের খাবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। বার বার খাবারের ইচ্ছা কমিয়ে দেয়। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এ ধরনের একটি খাবার রাখুন।

হালকা গরম পানি ও লেবুর রস দিয়ে দিন শুরু করুন

লেবুতে এমন অ্যাসিড রয়েছে যা পাকস্থলীতে হজমের তরল নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে। লেবুতে ফ্ল্যাভোনয়েড রয়েছে যা অক্সিডেটিভ ক্ষতি কমায়। এদিকে হালকা গরম পানি পান করলে তা খাবার দ্রুত ভাঙতে সাহায্য করে। এছাড়াও হালকা গরম পানি কোষ্ঠকাঠিন্য এবং টক্সিন দূর করতে সহায়তা করে।

বেশি ফাইবার খান

ফাইবার বেশি খেলে তা অন্ত্রের মাইক্রোবায়োটা উন্নত করে যা লিভারের ক্ষতি এবং প্রদাহ কমায়। এ জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়ার ফলে লিভারের অতিরিক্ত চর্বি দ্রুত কমে আসে। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় অবশ্যই ফাইবারযুক্ত খাবার রাখবেন।

বেকড খাবার বাদ দিন

বেকড খাবার যেমন ব্রেড, বিস্কুট, কেক ইত্যাদি প্রতিদিনের খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। এ ধরনের খাবার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রার বৃদ্ধি ঘটায়, যার ফলে লিভারে চর্বি জমা হয়।

কাঁচা রসুন খান

রসুনে অ্যালিসিন নামক একটি যৌগ থাকে যা লিভারের প্রদাহ কমায়। প্রতিদিন প্রায় ১-৩ গ্রাম কাঁচা রসুন খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে ফ্যাটি লিভার থেকে রক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি আরও অনেক উপকার পাবেন।

ক্রুসিফেরাস সবজি খান

ফুলকপি, ব্রকলি, বাঁধাকপি, ব্রাসেল স্প্রাউট, বোকচয়, কলার্ড গ্রিনস, চাইনিজ বাঁধাকপির মতো ক্রুসিফেরাস সবজি রাখতে পারেন প্রতিদিনের খাবারে। এ ধরনের খাবারে সালফার যৌগ থাকে যা লিভারে ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এগুলিতে ‌‘ইন্ডোল’ নামক একটি যৌগ রয়েছে যা লিভারে প্রদাহ কমাতে পরিচিত।

২-৩ লিটার পানি পান করুন

পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। এটি হজম প্রক্রিয়া সহজ করে। সেইসঙ্গে লিভার ও কিডনির উপর থেকে বোঝা কমায়। আপনার যদি শুধু পানি খেতে ভালো না লাগে তবে এর পাশাপাশি কিছু তরলজাতীয় স্বাস্থ্যকর পানীয়ও যোগ করতে পারেন। যেমন বিভিন্ন ফলের রস, ডাবের পানি, ভেষজ চা ইত্যাদি।

ধনিয়া পাতার ব্যবহার বাড়ান

ধনিয়া পাতা হজমের রস নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে এবং টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে। ধনিয়া দীর্ঘকাল ধরে লিভারের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

বেশি করে মটরশুঁটি, সবুজ শাক, ফল এবং বাদাম খান

এ ধরনের খাবার ফাইবার সমৃদ্ধ। সেইসঙ্গে এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ এবং ভিটামিন যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এ ধরনের খাবার যোগ করুন। এতে ফ্যাটি লিভার থেকে রক্ষা পাওয়া সহজ হবে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

যাদের জন্য অতিরিক্ত রসুন খাওয়া বিপজ্জনক

Published

on

জেমিনি সি

রসুন খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যের জন্যও অরেক উপকারী। আয়ুর্বেদেও রসুনকে স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী বলে বিবেচিত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ উপকারী রসুন। তবে কিছু কিছু মানুষের রসুন থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকা উচিত।

এ বিষয়ে ভারতের উত্তর প্রদেশের আলীগড় আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সরোজ গৌতম জানান, রসুনের অনেক ওষুধি গুণ আছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেকারী।

শীতকালে রসুন খুবই উপকারী, তবে গরমেও এটি খেতে পারেন। তবে পরিমাণ কমাতে হবে। আর যারা উচ্চ রক্তচাপ, গ্যাস্ট্রিক ও পেটে জ্বালার সমস্যায় ভুগছেন তাদের রসুন খাওয়া উচিত নয়।

এতে করে রক্তচাপ দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে যা অনেক সময় হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া রসুন খেলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি ও পেটে জ্বালাপোড়াও বাড়তে পারে।

আবার পাতলা পায়খানা হলেও রসুন খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। এছাড়া উচ্চ কোলেস্টেরল রোগীদের জন্যও রসুনকে ক্ষতিকারক বলে মনে করা হয়। আপনি যদি এই সমস্যাগুলো থাকা সত্ত্বেও রসুন খেতে চান তাহলে পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখুন।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

জেনে নিন, মাইগ্রেন দূরে রাখার জাদুকরী টিপস

Published

on

জেমিনি সি

মাইগ্রেন সাধারণ মনে হলেও আসলে তা নয়। মাইগ্রেনের ব্যাথা শুরু হলে তা ছাড়িয়ে যায় বাকি সবকিছু। কোনো কাজই তখন সহ্য হয় না। আলো আর শব্দে ব্যথা বেড়ে যায় বহুগুণ। মাইগ্রেন দূর করার কার্যকরী কোনো ওষুধও নেই। তবে এটি দূরে রাখা যায়। কিছু কাজ আছে যেগুলো করলে মাইগ্রেন সহজে কাছে ঘেঁষতে পারে না। চলুন জেনে নেওয়া যাক কী করলে মাইগ্রেন থেকে দূরে থাকা যায় বা আরাম পাওয়া যায়-

১. চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে

মাইগ্রেন শুরু হলে প্রথমে কপালের একদিক দিয়ে যন্ত্রণা শুরু হবে। এই সমস্যা দেখা দিলে শুরুতেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এটি মোটেও অবহেলা করবেন না। কারণ এর সঙ্গে আরও অনেক সমস্যা জড়িয়ে থাকতে পারে। চিকিৎসকের দেওয়ার পরামর্শপত্র মেনে চলার পাশাপাশি কিছু উপায় মেনে চললে আরাম পাবেন এবং মাইগ্রেন থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

২. সকালে আদা চা পান করুন

আপনার যদি মাইগ্রেন থাকে তাহলে প্রতিদিন সকালের পানীয় হিসেবে বেছে নিন এককাপ আদা দেওয়া চা। পানীয় হিসেবে এটি খুবই উপকারী। আপনার মাথা যন্ত্রণা দূর করার ক্ষেত্রে আদা দেওয়া চা বেশ কার্যকরী। এটি মাইগ্রেনের সমস্যায়ও আরাম দেবে। তাই প্রতিদিন সকালে আদা দেওয়া চা পান করতে ভুলবেন না।

৩. অতিরিক্ত ঠান্ডা বা গরম পানি পান করবেন না

আসছে গরমের দিন। অনেকে তৃষ্ণায় অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পান করতে পারেন। কিন্তু এটি করবেন না। বিশেষ করে আপনার মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে তা কখনোই করবেন না। কারণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত ঠান্ডা বা গরম পানি পান করলে মাইগ্রেন আরও বেড়ে যায়। তাই এই মাথাব্যথা থেকে দূরে থাকতে এদিকে খেয়াল রাখুন। তবে শরীর ভেতর থেকে আর্দ্র রাখার জন্য স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি পান করুন পর্যাপ্ত।

৪. অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার

অ্যালোভেরা জেলের অনেক গুণ রয়েছে। এটি কিন্তু আপনার মাইগ্রেনের ক্ষেত্রেও কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। মাইগ্রেন দেখা দিলে অ্যালোভেরা জেল মাথায় মাখবেন। এতে এই অসহ্য যন্ত্রণা থেকে কিছুটা আরাম পাবেন। এই জেল দিয়ে কপালও ম্যাসাজ করতে পারেন। এতেও কিছুটা নিস্তার পাবেন মাইগ্রেন থেকে।

৫. নিয়মিত ঘুম প্রয়োজন

নিয়মিত ঘুম না হলে যেসব সমস্যা বাড়ে তার মধ্যে একটি হলো মাইগ্রেন। তাই এই সমস্যা দেখা দিলে সবার আগে খেয়াল করুন ঘুমের রুটিনের দিকে। দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমের অভ্যাস করুন। আগেভাগে ঘুমাতে যান এবং আগেভাগে ঘুম থেকে উঠুন। তীব্র রোদে বের হবেন না। আর যদি বের হতেই হয় তবে ছাতা বা সানগ্লাস ব্যবহার করুন। এতে মাইগ্রেন থেকে দূরে থাকা সহজ হবে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
জেমিনি সি
পুঁজিবাজার5 mins ago

রাইট শেয়ার ইস্যু করবে জেমিনি সি ফুড

জেমিনি সি
জাতীয়31 mins ago

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন আজ

জেমিনি সি
লাইফস্টাইল11 hours ago

ডায়াবেটিস থেকে দূরে রাখবে এই ফল

জেমিনি সি
আন্তর্জাতিক11 hours ago

২৪০ কোটি ডলারের শেয়ার বিক্রি করেছেন বেজোস

জেমিনি সি
অর্থনীতি11 hours ago

চিনির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

জেমিনি সি
কর্পোরেট সংবাদ12 hours ago

ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন ও আইসিএমএবির মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর

জেমিনি সি
কর্পোরেট সংবাদ12 hours ago

আইসিএমএবি ও আইবিএফের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

জেমিনি সি
কর্পোরেট সংবাদ12 hours ago

বাণিজ্য মেলায় গোল্ড ট্রফি পেলো ওয়ালটন

জেমিনি সি
পুঁজিবাজার12 hours ago

র‌্যানকন মোটরবাইকের পনেরশো মিলিয়ন টাকার বন্ড অনুমোদন

জেমিনি সি
জাতীয়12 hours ago

কাউন্সিলরদের সম্মানী ভাতা বাড়ল আড়াইগুণের বেশি

Advertisement
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯