Connect with us

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান এখনও শেষ হয়নি: নেতানিয়াহু

Published

on

রূপালী

ইরান ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বৈঠক চলার সময় এক ভিডিও বার্তায় এই হুমকি দেন তিনি।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান এখনও শেষ হয়নি, আমরা এখনও তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করিছ। আমাদের এখনও অনেক কিছু করার আছে।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইরানে অভিযানে ইসরাইলের সফলতার কথা তুলে ধরে নেতানিয়াহু বলেন, আমরা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করে দিয়েছি। এ অর্জন এখনও শেষ হয়নি। ইরানে এখনও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেমনটা বলেছেন, এটি নির্মূল করা প্রয়োজন। হয় এটি চুক্তির মাধ্যমে অপসারণ করা হবে, অথবা অন্য কোনো উপায়ে তা বের করে আনা হবে।’

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আয়াতুল্লাহ খামেনি চেয়েছিলেন যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ও পরমাণু বোমা কর্মসূচিকে তৈরির প্রকল্পকে মাটির নিচে একদম গভীরে স্থানান্তর করতে; যেন যুক্তরাষ্ট্রের বি ২ বোমারু বিমান এই দুই প্রকল্পের নাগাল না পায়। এই অবস্থায় আমরা চুপচাপ বসে থাকতে পারতাম না।’

ভিডিও বার্তায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সমালোচনা করেন তিনি। পাশাপাশি লেবাননের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়েও কঠোর শর্ত আরোপ করেছে ইসরাইল। হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার মাধ্যমে বৈরুতের সঙ্গে একটি সত্যিকারের শান্তি চুক্তি চায় তেল আবিব বলেও উল্লেখ করেন নেতানিয়াহু।

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

আলোচনা ব্যর্থ, ট্রাম্পের সামনে কঠিন ৩ পথ

Published

on

রূপালী

যুদ্ধবিরতি নিযে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনা হয়েছে। কিন্তু ইরান আর যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষই কোনো চুক্তিতে যাওয়ার বিষয়ে সম্মত হতে পারেনি। তবে এই আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে এখন তিনটি কঠিন পথ খোলা আছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্যমতে, প্রথমত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয়ত, যুদ্ধ আবার শুরু করা, যা ইতোমধ্যে আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে। তৃতীয়ত, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘ লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়া।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, পরবর্তী পদক্ষেপ ঘোষণা করবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই। তিনি সাপ্তাহিক ছুটিতে ফ্লোরিডায় গেছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এর আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘আমরা আমাদের রেড লাইন স্পষ্ট করে দিয়েছি। কোন বিষয়ে ছাড় দিতে রাজি আছি সেটাও বলেছি। তারা আমাদের শর্ত মানতে রাজি হয়নি।’

বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের ভাষায়, ইরানের উচিত সহজভাবে ‘আত্মসমর্পণ’ করা। কিন্তু অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে ভিন্ন কথা। ওবামা আমলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে শেষ বড় চুক্তি হতে দুই বছর লেগেছিল। সেই চুক্তিতেও ইরানকে অল্প পরিমাণ পারমাণবিক মজুদ রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

মূল সমস্যা দেখা দিয়েছে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে। এ বিষয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থানের কথা জানিয়ে ইরান বলছে, পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির স্বাক্ষরকারী হিসেবে নিজের মাটিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা তাদের অধিকার।

তবে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এটাই প্রমাণ করে ইরান সবসময় পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ রাখতে চায়। ৪০ দিনের যুদ্ধ এই অবস্থানকে নরম করেনি, বরং আরও শক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমাদের প্রিয়জনদের ক্ষতি আমাদের জাতির স্বার্থ ও অধিকার রক্ষার সংকল্পকে আগের চেয়ে আরও দৃঢ় করেছে।’

শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষই মনে করছে প্রথম দফায় তারা জিতেছে। সে কারণে কেউই এখন সমঝোতার মেজাজে নেই। তবে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শেষ হচ্ছে ২১ এপ্রিল। তবে যুদ্ধ আবার শুরুর হুমকি ট্রাম্পের হাতে সবচেয়ে বড় চাপ তৈরির হাতিয়ার। কিন্তু এই পথে রাজনৈতিক মূল্য অনেক বেশি। কারণ বিশ্বের মোট তেলের ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়। যুদ্ধ আবারও শুরু হলে বাজার পড়বে, সংকট বাড়বে, মূল্যস্ফীতি আরও চাপে পড়বে, যা এখনই ৩.৩ শতাংশে আছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে পাকিস্তানের বার্তা

Published

on

রূপালী

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে চলমান যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন, দুপক্ষের জন্যই তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।

রোববার (১২ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এক বিবৃতিতে ইসহাক দার বলেন, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতি বজায় রাখবে। আমরা আশা করি, তারা ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে টেকসই শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে এগোবে। এটি শুধু এই অঞ্চলের জন্য নয়, বরং পুরো বিশ্বের জন্য।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি জানান, ভবিষ্যতেও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংলাপ ও সম্পৃক্ততা সহজ করতে পাকিস্তান তার ভূমিকা পালন করে যাবে। ইসহাক দার উভয় পক্ষকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতামূলক প্রচেষ্টার স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়া উভয় পক্ষ ‘ইতিবাচক মনোভাব’ বজায় রেখে একটি স্থায়ী সমাধানের দিকে এগোবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় কোনো চুক্তি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। রোববার (১২ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভ্যান্স প্রথমেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানকে ধন্যবাদ জানান। তিনি তাদের ‘অসাধারণ আতিথেয়তা’র জন্য প্রশংসা করে বলেন, আলোচনায় কোনো ঘাটতি থাকলে তার জন্য পাকিস্তান দায়ী নয়।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, গত ২১ ঘণ্টা ধরে আমরা ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়েছি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। এই মুহূর্তে এটাই ভালো খবর। তবে তিনি স্বীকার করেন, খারাপ খবর হলো, আমরা কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারিনি। আর এটা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইরানের জন্যই বেশি খারাপ খবর।

তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘রেড লাইন’ বা অগ্রহণযোগ্য সীমারেখা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। কোন বিষয়ে ছাড় দেওয়া সম্ভব এবং কোন বিষয়ে নয়, তা পরিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু ইরান সেই শর্ত মেনে নেয়নি বলেই চুক্তি হয়নি।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠক হয়েছে। ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্য সংকটের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে ৪৭ বছর পর তারা সরাসরি বৈঠকে বসেন। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বে প্রতিনিধিরা লেবানন সংকট, ইরানের জব্দ অর্থছাড় নিয়ে আলোচনা করেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এ বৈঠককে সংকট সমাধানের পথে অভাবনীয় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা একে সংঘাত ছেড়ে কূটনীতির মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

বিদেশে জব্দ করা ইরানি সম্পদ ছাড়তে রাজি যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

রূপালী

ইরানের একটি উচ্চপর্যায়ের সূত্র শনিবার জানিয়েছে, কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে আটক থাকা ইরানের সম্পদ ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে।

ইসলামাবাদে চলমান আলোচনায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এটিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির ইঙ্গিত’ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে তেহরান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সংবেদনশীলতার কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সূত্র রয়টার্সকে জানায়, এই সম্পদ ছাড়ের বিষয়টি সরাসরি হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার সঙ্গে যুক্ত, যা আলোচনার একটি প্রধান ইস্যু হতে যাচ্ছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এই সম্পদের মোট পরিমাণ সম্পর্কে প্রথম সূত্রটি কিছু জানায়নি।

তবে আরেকটি ইরানি সূত্র দাবি করেছে, কাতারে রাখা ইরানের প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।

আট বছর আগে জব্দ করা অর্থ
প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের এই অর্থ প্রথমে ২০১৮ সালে জব্দ করা হয়।

২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে তা ছাড় দেওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন আবারও এই অর্থ স্থগিত করে।

সেসময় মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছিলেন, ইরান এই অর্থ ভবিষ্যতে ব্যবহার করতে পারবে না এবং প্রয়োজনে পুরো অর্থ আবারও পুরোপুরি জব্দ করার অধিকার ওয়াশিংটনের রয়েছে।

অর্থের উৎস
এই অর্থ এসেছে দক্ষিণ কোরিয়ায় ইরানের তেল বিক্রি থেকে।

২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ইরানের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে এই অর্থ আটকে যায়। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বশক্তিগুলোর সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক চুক্তিও বাতিল করেন।

বন্দি বিনিময় ও শর্ত
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে এই অর্থ কাতারের ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়।

এই চুক্তির আওতায় ইরানে আটক পাঁচজন মার্কিন নাগরিককে মুক্তি দেওয়া হয়। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রে আটক পাঁচজন ইরানিকেও মুক্তি দেওয়া হয় এবং অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়।

তখন যুক্তরাষ্ট্র জানায়, এই অর্থ কেবল মানবিক কাজে ব্যবহার করা যাবে। যেমন খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও কৃষিপণ্য কেনার জন্য এবং তা মার্কিন ট্রেজারির তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট সরবরাহকারীদের মাধ্যমে ব্যয় করা হবে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ব্যর্থ হলে দোষ ভ্যান্সের, সফল হলে কৃতিত্ব আমার: ট্রাম্প

Published

on

রূপালী

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতা করতে এই মুহূর্তে পাকিস্তানে অবস্থান করছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। আর তার এই অতি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মিশন নিয়ে হোয়াইট হাউসে এক অনুষ্ঠানে বেশ মজার কিন্তু অর্থবহ মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সম্প্রতি ইস্টার লাঞ্চ চলাকালীন এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প রসিকতা করে বলেন, যদি এই শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়, তবে আমি জেডি ভ্যান্সকে দায়ী করব। আর যদি এটি সফল হয়, তবে এর পুরো কৃতিত্ব আমি নিজে নেব।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্যে উপস্থিত কর্মকর্তারা হাসিতে ফেটে পড়লেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন—এর মাধ্যমে ভ্যান্সের ওপর এক বিশাল মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করেছেন ট্রাম্প।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে জেডি ভ্যান্সের জন্য এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় এবং চ্যালেঞ্জিং অ্যাসাইনমেন্ট। ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধিদের সাথে তার এই আলোচনাকে বিশেষজ্ঞরা ‘পলিটিক্যাল মাইনফিল্ড’ বা রাজনৈতিক মাইনক্ষেত্র হিসেবে অভিহিত করছেন। মধ্যপ্রাচ্যে গত ছয় সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সামরিক সংঘাতের পর বিশ্ব অর্থনীতি যখন টালমাটাল, তখন এই শান্তি আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চ্যালেঞ্জের মুখে ভ্যান্স

এই আলোচনা সফল করা ভ্যান্সের জন্য মোটেও সহজ নয়। কারণ তাকে বেশ কিছু কঠিন পক্ষকে সন্তুষ্ট করতে হবে। ডোনাল্ড ট্রাম্প যিনি কখনো শান্তির কথা বলেন, আবার কখনো ইরানকে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এছাড়া তেহরান সরকার যারা বর্তমানে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ শক্ত হাতে ধরে রেখেছে। এদিকে ইসরাইল যারা কোনোভাবেই অসম্পূর্ণ বা দুর্বল যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে নিতে রাজি নয়। এবং ইউরোপীয় মিত্র যারা এই যুদ্ধের বিরোধী কিন্তু হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে আমেরিকাকে সরাসরি সামরিক সাহায্য করতে অনিচ্ছুক।

২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেডি ভ্যান্স একজন সম্ভাব্য প্রার্থী। ফলে ট্রাম্পের কট্টর সমর্থক বা মাগা গোষ্ঠী তার এই সফরের দিকে কড়া নজর রাখছে। ইরাক যুদ্ধে অংশ নেওয়া সাবেক এই মেরিন সেনা ব্যক্তিগতভাবে বিদেশি যুদ্ধে মার্কিন হস্তক্ষেপের বিরোধী হিসেবে পরিচিত। এমনকি ইরানের ওপর হামলার আগেও তিনি ট্রাম্পের কাছে নিজের সংশয় প্রকাশ করেছিলেন বলে জানা গেছে।

একজন ইউরোপীয় কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ভ্যান্সকে এই বৈঠক থেকে বড় কিছু অর্জন করে ফিরতে হবে। তা না হলে তার রাজনৈতিক গুরুত্ব ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হতে পারে।

সব মিলিয়ে পাকিস্তানের মাটিতে ইরানের সাথে এই আলোচনা জেডি ভ্যান্সের কূটনৈতিক ক্যারিয়ার এবং ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণ করে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

চরম অবিশ্বাস নিয়ে আলোচনায় বসছে ইরান : আরাগচি

Published

on

রূপালী

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় ইরান ‘চরম অবিশ্বাস’ নিয়ে অংশগ্রহণ করছে। জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়েডফুলের সঙ্গে এক টেলিফোন সংলাপে তিনি তেহরানের এই অবস্থান স্পষ্ট করেন।

ইরানি সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা গেছে, আরাগচি তার জার্মান প্রতিপক্ষকে বলেছেন, ওয়াশিংটনের অতীত কর্মকাণ্ড এবং বারবার ‘কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতার’ কারণে তাদের ওপর ভরসা করার কোনো সুযোগ নেই।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

টেলিফোন আলাপে আব্বাস আরাগচি বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনের ইতিহাসের কারণে আমরা এই আলোচনায় অত্যন্ত সন্দিহান। তবে আমরা আমাদের দেশের মানুষের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় পূর্ণ শক্তি দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাব।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই শান্তি আলোচনায় ইরান তাদের অনমনীয় অবস্থানের কথা আগেভাগেই জানিয়ে দিল। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, আরাগচির এই মন্তব্য মূলত আলোচনার টেবিলে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল।

উল্লেখ্য, পাকিস্তান, মিশর ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের মধ্যে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যেখানে মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তবে আলোচনার শুরুতেই ইরানের এই ‘অবিশ্বাসের’ বার্তা শান্তি প্রক্রিয়ায় কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

রূপালী রূপালী
পুঁজিবাজার1 minute ago

রূপালী ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যানসহ ১১ জনকে অর্থদণ্ড

সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে বীমা খাতের তালিকাভুক্ত রূপালী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বর্তমান চেয়ারম্যান মোস্তফা কামরুস সোবহানসহ ১০ পরিচালক ও সাবেক...

রূপালী রূপালী
পুঁজিবাজার43 minutes ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৬৭ কোটি টাকার

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৪০টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৬৭ কোটি...

রূপালী রূপালী
পুঁজিবাজার53 minutes ago

দরপতনের শীর্ষে তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে তুং হাই নিটিং...

রূপালী রূপালী
পুঁজিবাজার1 hour ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে স্টান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৯টি কোম্পানির মধ্যে ১৮৮টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

রূপালী রূপালী
পুঁজিবাজার1 hour ago

লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে খান ব্রাদার্স পি.পি. ওভেন ব্যাগ...

রূপালী রূপালী
পুঁজিবাজার2 hours ago

প্রথম কার্যদিবসে সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, লেনদেন ৮৩৭ কোটি

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া...

রূপালী রূপালী
পুঁজিবাজার4 hours ago

একমি পেস্টিসাইডসের দর বৃদ্ধির কারণ জানে না ডিএসই

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেড শেয়ার দর ও লেনদেনের অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির কারণ জানে না বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই)...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
রূপালী
পুঁজিবাজার1 minute ago

রূপালী ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যানসহ ১১ জনকে অর্থদণ্ড

রূপালী
সারাদেশ13 minutes ago

দিনাজপুর টেক্সটাইল পুনরায় চালু করা হবে: বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী

রূপালী
অর্থনীতি25 minutes ago

রাজধানীর ৭ পাম্প থেকে তেল নিতে ‘ফুয়েল পাস’ বাধ্যতামূলক

রূপালী
আন্তর্জাতিক35 minutes ago

আলোচনা ব্যর্থ, ট্রাম্পের সামনে কঠিন ৩ পথ

রূপালী
পুঁজিবাজার43 minutes ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৬৭ কোটি টাকার

রূপালী
পুঁজিবাজার53 minutes ago

দরপতনের শীর্ষে তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং

রূপালী
পুঁজিবাজার1 hour ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে স্টান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স

রূপালী
পুঁজিবাজার1 hour ago

লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স

রূপালী
পুঁজিবাজার2 hours ago

প্রথম কার্যদিবসে সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, লেনদেন ৮৩৭ কোটি

রূপালী
আইন-আদালত2 hours ago

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন

রূপালী
পুঁজিবাজার1 minute ago

রূপালী ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যানসহ ১১ জনকে অর্থদণ্ড

রূপালী
সারাদেশ13 minutes ago

দিনাজপুর টেক্সটাইল পুনরায় চালু করা হবে: বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী

রূপালী
অর্থনীতি25 minutes ago

রাজধানীর ৭ পাম্প থেকে তেল নিতে ‘ফুয়েল পাস’ বাধ্যতামূলক

রূপালী
আন্তর্জাতিক35 minutes ago

আলোচনা ব্যর্থ, ট্রাম্পের সামনে কঠিন ৩ পথ

রূপালী
পুঁজিবাজার43 minutes ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৬৭ কোটি টাকার

রূপালী
পুঁজিবাজার53 minutes ago

দরপতনের শীর্ষে তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং

রূপালী
পুঁজিবাজার1 hour ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে স্টান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স

রূপালী
পুঁজিবাজার1 hour ago

লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স

রূপালী
পুঁজিবাজার2 hours ago

প্রথম কার্যদিবসে সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, লেনদেন ৮৩৭ কোটি

রূপালী
আইন-আদালত2 hours ago

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন

রূপালী
পুঁজিবাজার1 minute ago

রূপালী ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যানসহ ১১ জনকে অর্থদণ্ড

রূপালী
সারাদেশ13 minutes ago

দিনাজপুর টেক্সটাইল পুনরায় চালু করা হবে: বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী

রূপালী
অর্থনীতি25 minutes ago

রাজধানীর ৭ পাম্প থেকে তেল নিতে ‘ফুয়েল পাস’ বাধ্যতামূলক

রূপালী
আন্তর্জাতিক35 minutes ago

আলোচনা ব্যর্থ, ট্রাম্পের সামনে কঠিন ৩ পথ

রূপালী
পুঁজিবাজার43 minutes ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৬৭ কোটি টাকার

রূপালী
পুঁজিবাজার53 minutes ago

দরপতনের শীর্ষে তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং

রূপালী
পুঁজিবাজার1 hour ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে স্টান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স

রূপালী
পুঁজিবাজার1 hour ago

লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স

রূপালী
পুঁজিবাজার2 hours ago

প্রথম কার্যদিবসে সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, লেনদেন ৮৩৭ কোটি

রূপালী
আইন-আদালত2 hours ago

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন