পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে বিডি অটোকারস
বিদায়ী সপ্তাহে (০৫–০৯ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে বিডি অটোকারস লিমিটেড। ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা অনুযায়ী, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারের দর বেড়েছে ২২.৫৮ শতাংশ।
সপ্তাহের শুরুতে শেয়ারটির দর ছিল ১৮১ টাকা ১০ পয়সা, যা সপ্তাহ শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২২ টাকায়। ফলে ব্যবধানে দর বৃদ্ধি পেয়েছে ৪০ টাকা ৯০ পয়সা।
দর বৃদ্ধির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কেডিএস এক্সেসরিজ লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারের দর ৪১ টাকা ৪০ পয়সা থেকে বেড়ে ৫০ টাকা ৫০ পয়সায় উঠেছে, যা ২১.৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি।
তৃতীয় স্থানে রয়েছে একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দর ২১ টাকা থেকে বেড়ে ২৫ টাকায় পৌঁছেছে, যা ১৯.০৫ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে।
এছাড়া সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ল্যাম্পস লিমিটেড, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিকস লিমিটেড, তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসি, সেনা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, হামিদ ফেব্রিক্স লিমিটেড এবং অ্যাপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস লিমিটেড।
এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদরও সপ্তাহজুড়ে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, যা বাজারে ইতিবাচক প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।
পুঁজিবাজার
ডিএসইতে পিই রেশিও বেড়েছে দশমিক ৩২ শতাংশ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) দশমিক ৩২ শতাংশ বেড়েছে।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে ৯.৪৩ পয়েন্টে আর সপ্তাহ শেষে পিই রেশিও অবস্থান করছে ৯.৪৬ পয়েন্টে। অর্থ্যাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও ০.০৩ পয়েন্ট বা ০.৩২ শতাংশ বেড়েছে।
পুঁজিবাজার
সূচকের উত্থানেও বাজার মূলধন কমেছে ৭৩৭ কোটি টাকা
দরপতনের মধ্যেই আরেকটি সপ্তাহ পার করেছে দেশের শেয়ারবাজার। বিদায়ী সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এ লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে, যার প্রভাবে বাজার মূলধন কমেছে ৭৩৭ কোটি টাকা। তবে এর বিপরীতে সবকটি মূল্যসূচক ঊর্ধ্বমুখী ছিল এবং দৈনিক গড় লেনদেনেও সামান্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।
সপ্তাহজুড়ে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন দিন সূচক বাড়লেও, মোট হিসাবে দর কমার হার ছিল বাড়ার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। তবে বড় মূলধনের কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারের দাম বৃদ্ধির কারণে সূচকে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহজুড়ে ১৩৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ২২০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৯টির।
সপ্তাহ শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৬ লাখ ৮৯ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ৭৩৭ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহে বাজার মূলধন কমেছিল ১৭ হাজার ৫১৩ কোটি টাকা।
বাজার মূলধন কমলেও সূচকগুলো ছিল ঊর্ধ্বমুখী। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৩৭ দশমিক ৯৬ পয়েন্ট বা ০.৭৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমেছিল ১৪৮ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট।
একইভাবে, বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই–৩০ সূচক বেড়েছে ২১ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট বা ১.১০ শতাংশ। অন্যদিকে শরিয়াহভিত্তিক কোম্পানির সূচকও বেড়েছে ৩ দশমিক ৬০ পয়েন্ট বা ০.৩৪ শতাংশ।
লেনদেনের গতি কিছুটা বেড়েছে। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৬৬৯ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ১ কোটি ৩১ লাখ টাকা বেশি।
সপ্তাহজুড়ে লেনদেনের শীর্ষে ছিল খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ২৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ৪.০৩ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে ছিল একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেড এবং তৃতীয় স্থানে লাভেলো আইসক্রিম।
লেনদেনের শীর্ষ দশে আরও রয়েছে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড, টেকনো ড্রাগস লিমিটেড, সিটি ব্যাংক পিএলসি, ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড এবং জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন বন্ড
বিদায়ী সপ্তাহে (০৫–০৯ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এ দরপতনের শীর্ষে উঠে এসেছে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেডের বন্ড। ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা অনুযায়ী, সপ্তাহজুড়ে বন্ডটির দর কমেছে ১৫.৫৬ শতাংশ।
সপ্তাহের শুরুতে বন্ডটির দর ছিল ১ হাজার ৩২০ টাকা ৫০ পয়সা, যা সপ্তাহ শেষে নেমে আসে ১ হাজার ১১৫ টাকায়। ফলে ব্যবধানে দর কমেছে ২০৫ টাকা ৫০ পয়সা।
দরপতনের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। ফান্ডটির দর ৪ টাকা ৪০ পয়সা থেকে কমে ৩ টাকা ৯০ পয়সায় নেমেছে, যা ১১.৩৬ শতাংশ হ্রাস।
তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারের দর ৪ টাকা ৬০ পয়সা থেকে কমে ৪ টাকা ১০ পয়সায় নেমে এসেছে, যা ১০.৮৭ শতাংশ পতন নির্দেশ করে।
এছাড়া সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, পপুলার ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, পিএইচপি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড, গ্রিন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ড, বিআইএফসি এবং পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড।
এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরও সপ্তাহজুড়ে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে, যা সামগ্রিক বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতার প্রতিফলন।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স
বিদায়ী সপ্তাহে (০৫–০৯ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে খান ব্রাদার্স পিপি ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৬ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা মোট লেনদেনের ৪.০৩ শতাংশ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা অনুযায়ী, লেনদেনের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেড। কোম্পানিটির গড় দৈনিক লেনদেন ছিল ২৩ কোটি ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যা মোট লেনদেনের ৩.৪৪ শতাংশ।
তালিকার তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে লাভেলো আইসক্রিম। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড়ে ২০ কোটি ৫০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ২.৯৯ শতাংশ।
এছাড়া সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে রয়েছে সাফকো স্পিনিং মিলস লিমিটেড, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড, টেকনো ড্রাগস লিমিটেড, সিটি ব্যাংক পিএলসি, ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড এবং জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
এসব কোম্পানির প্রতিটিরই সপ্তাহজুড়ে উল্লেখযোগ্য গড় দৈনিক লেনদেন হয়েছে, যা সম্মিলিতভাবে বাজারের মোট লেনদেনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
পুঁজিবাজার
সিটি ব্যাংকের রেকর্ড মুনাফা ১,৩২৪ কোটি টাকা, প্রবৃদ্ধি ৩১%
চ্যালেঞ্জপূর্ণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও ২০২৫ সালে সিটি ব্যাংক পিএলসি তাদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করেছে। বছর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১,৩২৪ কোটি টাকা, যা আগের বছরের ১,০১৪ কোটি টাকার তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি। এককভাবে ব্যাংকের মুনাফা হয়েছে ১,৩০৬ কোটি টাকা, আর সহযোগী চারটি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে যোগ করেছে আরও ১৮ কোটি টাকা।
এই প্রবৃদ্ধির পেছনে রয়েছে আয়ের শক্তিশালী বৃদ্ধি, নিয়ন্ত্রিত ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা। ২০২৫ সালে ঋণ থেকে সুদ আয় ২৪ শতাংশ বেড়ে ৪,৪০৩ কোটি টাকা থেকে ৫,৪৫২ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। একই সঙ্গে সম্পদের গুণগত মানও উন্নত হয়েছে—শ্রেণীকৃত ঋণের হার (এনপিএল) কমে দাঁড়িয়েছে ২.৫ শতাংশে, যা আগের বছর ছিল ৩.৭ শতাংশ।
মুদ্রাস্ফীতির চাপ থাকা সত্ত্বেও ব্যাংকটি আমানতের খরচ ৫.৫ শতাংশে ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। তহবিল ব্যয় বাড়লেও সরকারি সিকিউরিটিজে কৌশলগত বিনিয়োগের মাধ্যমে সেই চাপ সামাল দেওয়া হয়েছে। ফলে মোট ৪,৮৮৮ কোটি টাকার পরিচালন আয়ের মধ্যে ২৬ শতাংশ এসেছে এসব বিনিয়োগ থেকে। তহবিল ব্যয় সমন্বয়ের পর নিট বিনিয়োগ আয় দাঁড়িয়েছে ১,২৭৪ কোটি টাকা।
২০২৫ সালে দেশীয় ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ৮.০১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ট্রেড পরিচালনা করে ব্যাংকটি। এর ফলে ট্রেড সার্ভিস থেকে কমিশন ও ফি আয় হয়েছে ৫২৬ কোটি টাকা এবং রিটেইল ব্যাংকিং ও কার্ড ব্যবসা থেকে এসেছে ৪৭১ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ফি ও কমিশন আয় দাঁড়িয়েছে ৯৯৭ কোটি টাকা, যা মোট পরিচালন আয়ের ২১ শতাংশ।
ব্যয় নিয়ন্ত্রণেও সাফল্য দেখিয়েছে ব্যাংকটি। নতুন বেতন কাঠামো ও মূল্যস্ফীতির প্রভাব থাকা সত্ত্বেও কস্ট-টু-ইনকাম অনুপাত ৪৪ শতাংশে সীমিত রাখা হয়েছে। ৪,৮৮৮ কোটি টাকার আয়ের বিপরীতে মোট ব্যয় হয়েছে ২,১৬০ কোটি টাকা।
অন্যদিকে, ঋণের বিপরীতে প্রভিশন ব্যয় বাড়িয়ে ৮১৫ কোটি টাকায় উন্নীত করেছে ব্যাংকটি, যা আগের বছর ছিল ৬২৮ কোটি টাকা। এর ফলে প্রভিশন কভারেজ অনুপাত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৮ শতাংশে।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন বলেন, অতিরিক্ত প্রভিশন ব্যয়ের কারণে নিট মুনাফা ১,৫০০ কোটি টাকায় পৌঁছায়নি। তবে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, ব্যাংকের সব মূল খাত থেকেই শক্তিশালী আয় আসছে। বিশেষ করে রিটেইল ব্যাংকিং ও কার্ড ব্যবসা কর্পোরেট ব্যাংকিংকে ছাড়িয়ে গেছে, যেখানে আয় বেড়েছে ৩৩ শতাংশ।
তিনি আরও বলেন, স্মল বিজনেস, ন্যানো লোন, রিটেইল ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড পোর্টফোলিওর মান অত্যন্ত ভালো। এলসি ব্যবসায় নেতৃত্ব এবং আমানতের খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখার সক্ষমতা ব্যাংকের বড় শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। তবে সামষ্টিক অর্থনীতি ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের কারণে কর্পোরেট ও মাঝারি খাতের ঋণ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে।
উপসংহারে তিনি বলেন, প্রায় ৮ হাজার কর্মীর একটি বড় ব্যাংক হিসেবে কস্ট-টু-ইনকাম অনুপাত ৪৫ শতাংশের নিচে ধরে রাখতে পারা ব্যাংকের অন্যতম বড় অর্জন।



