ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
উচ্চশিক্ষায় সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া
উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ সম্মত হয়েছে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সুযোগ সম্প্রসারণ এবং মালয়েশিয়ান সমাজে তাদের একীভূতকরণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে দেশ দুটি।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) পুত্রাজায়ায় মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দেশটির উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জাম্ব্রি আবদুল কাদিরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিনের এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা সহযোগিতা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মশক্তির গতিশীলতা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
এর আগে বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং হাই কমিশনার। একইদিন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতো শ্রী রমনন রামকৃষ্ণনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন মন্ত্রী ও উপদেষ্টা।
শুক্রবার মালয়শিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জাম্ব্রি আবদুল কাদিরের সঙ্গে বৈঠকের শুরুতেই উভয়পক্ষ শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারের ম্যান্ডেটকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং নতুন নীতিমালার অধীনে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততাকে আরও দৃঢ় করার অঙ্গীকার প্রকাশ করেছে।
উপদেষ্টা মাহদী আমিন আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের কথা বলেন, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানব সম্পদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির অগ্রাধিকারের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বহুমুখী ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ জোরদার করার পাশাপাশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য মালয়েশিয়া থেকে বৃত্তির সুযোগ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেন।
মাহদী আমিন এমন সুসংগঠিত বৃত্তি ব্যবস্থার গুরুত্বের ওপর জোর দেন, যা শুধু প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষকেই সমর্থন করে না, বরং মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, নিরাপত্তা এবং সামাজিক একীকরণও নিশ্চিত করে। তিনি শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্তি, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং সহায়তা পরিষেবা প্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য আরও শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা মালয়েশিয় সমাজে উন্নতি লাভ করতে পারে।
উপদেষ্টা মাহদি আমিন পুনরায় নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্বের উপর গুরুত্ব দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অংশীদারিত্ব জোরদার করা, একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা এবং মালয়েশিয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তায় যৌথ শিক্ষা প্রকল্প গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।
মালয়েশিয়ার মন্ত্রী জাম্ব্রি আবদুল কাদির এই প্রস্তাবগুলোকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বিদ্যমান ও ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা কর্মসূচির অধীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি বরাদ্দ সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনা করার বিষয়ে মালয়েশিয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মালয়েশিয়ার পক্ষ তাদের বৈচিত্র্যময় উচ্চশিক্ষা পরিমণ্ডল সম্পর্কে ধারণা দিয়েছে, যার মধ্যে বিভিন্ন শাখায় বিশেষায়িত দক্ষতাসম্পন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নেটওয়ার্কও অন্তর্ভুক্ত। উল্লেখ করা হয় যে, মালয়েশিয়ায় বর্তমানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক—১১,০০০-এরও বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রয়েছে, যাদের অনেকেই বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছে। উভয়পক্ষই একাডেমিক বিনিময় ও আর্থ-সামাজিক সংযোগে এই শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক অবদান এবং বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে তারা যে ভূমিকা রাখে করে, তা স্বীকার করেছে।
উভয়পক্ষ পারস্পরিকভাবে স্বীকৃত যোগ্যতা, যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম, দূরশিক্ষণ এবং সহজ শিক্ষা পদ্ধতির সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেন। তারা উভয় দেশের শ্রম বাজারের চাহিদা এবং অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতের সঙ্গে একাডেমিক প্রোগ্রামগুলোকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার গুরুত্বের বিষয়ে একমত হন।
আলোচনায় স্নাতকদের গতিশীলতা এবং দক্ষতা উন্নয়নও অন্তর্ভুক্ত ছিল। উপদেষ্টা মাহদী আমিন মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও স্নাতকদের জন্য পেশাগত অভিজ্ঞতা ও উন্নয়নের পর্যাপ্ত সুযোগ নিশ্চিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। মন্ত্রী জাম্ব্রি প্রস্তাবটি স্বীকার করেন এবং মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক শিক্ষা নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সহায়ক কাঠামো খুঁজে বের করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
কাঠামোগত বৃত্তি কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা, শিক্ষার্থী সহায়তা ব্যবস্থা উন্নত করা এবং বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী শিক্ষাগত, সামাজিক ও জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক গভীর করার বিষয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে বৈঠক শেষ হয়। যা একটি টেকসই অর্থনৈতিক ও জ্ঞানভিত্তিক অংশীদারিত্বে অবদান রাখবে।
গত বুধবার মালয়েশিয়ায় সফরে যান শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মূখপাত্র তিনি।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
এইচএসসির শিক্ষার্থীরা পাবেন প্রধানমন্ত্রী ট্রাস্টের বৃত্তি, আবেদন যেভাবে
এইচএসসি-কারিগরি ও আলিমের শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীরা এ আর্থিক সহায়তা পাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) স্মৃতি কর্মকার স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এসব তথ্য জানানো হয়।
নোটিশে বলা হয়, শিক্ষার্থীরা (১২ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে ৩০ এপ্রিল রাত ১১.৫৯ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
এতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট কর্তৃক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর, কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতরের অধীন দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উচ্চ-মাধ্যমিক ও সমমান শ্রেণিতে (একাদশ ও আলিম ১ম বর্ষে) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা সহায়তা পাবেন।
আবেদনের লিংক -এ গিয়ে উচ্চ-মাধ্যমিক ও সমমান পর্যায়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে (একাদশ ও আলিম ১ম বর্ষে) ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের আবেদন করতে হবে। ১২ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে ৩০ এপ্রিল রাত ১১:৫৯টা পর্যন্ত অনলাইনে এ আবেদন করা যাবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তিকৃত আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি সহায়তা প্রদান নির্দেশিকা-২০২৬ অনুযায়ী শর্ত পালন করতে হবে।
যেসব শর্তে দেয়া হবে শিক্ষা সহায়তা
মেধাবী হিসেবে শিক্ষার্থীর পূর্বের শ্রেণিতে শতকরা ন্যূনতম ৬০ নম্বরপ্রাপ্ত অথবা জিপিএ ৫.০০-এর ক্ষেত্রে ৩.৫০ প্রাপ্তির কপি আপলোড করতে হবে; এতিম শিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী/অভিভাবক, দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত শিক্ষার্থী/অভিভাবক, অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, হতদরিদ্র শিক্ষার্থী (অভিভাবক নিম্ন আয়ের শ্রমিক) এবং ‘জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫’ অনুযায়ী ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীর সন্তান ভর্তি সহায়তার আবেদনের ক্ষেত্রে এর সমর্থনে প্রমাণকের কপি আবশ্যিকভাবে আপলোড করতে হবে।
পিতা/মাতা/অভিভাবকের বাৎসরিক আয় তিনলাখ টাকা বা তার কম হতে হবে; শিক্ষার্থী হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান মর্মে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারম্যান/পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত সনদের কপি আপলোড করতে হবে।
ট্রাস্ট কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক প্রত্যয়ন, শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধন কপি, পিতা ও মাতার এনআইডি কপি, শিক্ষার্থীর ১ কপি ছবি এবং শিক্ষার্থী অথবা পিতা বা মাতার অনলাইন ব্যাংক একাউন্টের তথ্যের স্পষ্ট কপি আবশ্যিকভাবে আপলোড করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কার্যক্রমটি সম্পূর্ণ অনলাইন ভিত্তিক হওয়ায় আবেদনের হার্ড কপি ট্রাস্টে প্রেরণের প্রয়োজন নেই। ভর্তি সহায়তা সংক্রান্ত হেল্পলাইন: ০২-৫৫০০০৪২৮, ০১৭৭৮৯৫৮৩৫৬ ও ০১৭৭৮৯৬৪১৫৬ (অফিস চলাকালীন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো)।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বিল-২০২৬’ বিল পাস
‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ ২০২৬’ জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে। সংসদে উপস্থিত সংসদ সদস্যরা বিল পাসে হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন।
শুক্রবার বিকেলে বিল পাস সংক্রান্ত প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এরপর জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিলটি সংসদ সদস্যদের ভোটের জন্য দেন। এসময় সংসদ সদস্যরা ‘হ্যাঁ’ বলে বিলের পক্ষে সম্মতি দেন।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। পরে সরকার এই সাত কলেজ নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের ঘোষণা দেয় এবং অধ্যাদেশ জারি করে। আজ সেই অধ্যাদেশ সংসদে পাস হলো।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ
বাংলাদেশ ব্যাংকে ‘সহকারী পরিচালক (প্রকৌশল-তড়িৎ)’ পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ৭ এপ্রিল তারিখ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। একই বিজ্ঞপ্তিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের সময়সূচিও প্রকাশ করা হয়েছে।
‘সহকারী পরিচালক (প্রকৌশল-তড়িৎ)’ পদে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫৯ জন।
মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি:
১৫, ১৬, ১৯ এবং ২০ এপ্রিল ২০২৬ প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে মৌখিক পরীক্ষা।
মৌখিক পরীক্ষার কেন্দ্র: ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের মূল ভবন (৪র্থ তলা)।
নির্দেশনা:
১. মৌখিক পরীক্ষার জন্য পৃথকভাবে কোনো ইন্টারভিউ কার্ড ইস্যু করা হবে না; লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্রই মৌখিক পরীক্ষার ইন্টারভিউ কার্ড হিসেবে গণ্য হবে।
২. মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত সময়ে প্রার্থীদের অবশ্যই রিপোর্ট করতে হবে। বিলম্বে হাজির হওয়ার কোনো কারণ কর্তৃপক্ষের নিকট গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হবে না।
৩. প্রার্থীদের অনলাইন আবেদনে প্রদত্ত তথ্যাদির সমর্থনে প্রমাণক দলিলাদির মূল কপি প্রদর্শন এবং এক সেট সত্যায়িত ফটোকপি চেকিং বোর্ডে জমা দিতে হবে।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
১৫ বছর পর মূল ক্যাম্পাসে বৈশাখ উদযাপন, ব্যস্ত চবির চারুকলার শিক্ষার্থীরা
১৫ বছর পর মূল ক্যাম্পাসে ফিরে বর্ষবরণে নানা শৈল্পিক কাঠামো তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে উৎসবের আমেজে মুখর হয়ে উঠেছে চারুকলা ইনস্টিটিউট।
পয়লা বৈশাখে সকালে প্রশাসনের উদ্যোগে থাকবে বৈশাখী শোভাযাত্রা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেবেন। শোভাযাত্রার পর জারুলতলায় আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এদিন প্রশাসনের উদ্যোগে আরো থাকবে কাবাডি ও বলি খেলা। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে থাকবে বৈশাখী মেলা।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা বিভাগের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭০ সালে। বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন শিল্পী রশিদ চৌধুরী। ২০১০ সালের ২ আগস্ট এটি নগরীর সরকারি চারুকলা কলেজের সঙ্গে একীভূত হয়ে চারুকলা ইনস্টিটিউট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। মূল ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে নগরীর মেহেদীবাগের বাদশা মিয়া সড়কে অবস্থিত ছিল এই ইনস্টিটিউট। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে চারুকলা ইনস্টিটিউটকে মূল ক্যাম্পাস থেকে শহরে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে এই ইনস্টিটিউটে প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন।
২০২২ সালের নভেম্বরে শ্রেণিকক্ষের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার পর ১১ দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। ক্লাস বর্জনের পাশাপাশি ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন চলতে থাকে। পরে ইনস্টিটিউটকে মূল ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে আনার দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। এক পর্যায়ে গত বছর উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান এপ্রিলের মধ্যে চারুকলাকে মূল ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দেন। অবশেষে ২০২৫ সালের ২২ মে থেকে মূল ক্যাম্পাসে ক্লাস করছেন এ ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।
প্রতিবছর মূল ক্যাম্পাস ও শহরে পৃথক বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হয়ে আসছে। তবে দীর্ঘ ১৫ বছর পর প্রথম মূল ক্যাম্পাসে বৈশাখী উৎসব পালন করবেন চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী। ইতোমধ্যে বাঁশ, কাগজ দিয়ে নানা শৈল্পিক কাঠামো ও মুখোশ তৈরির কাজ চলছে।
নববর্ষের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে শিল্পী রশিদ চৌধুরী হোস্টেল সংসদের সহসভাপতি খন্দকার মাসরুল আল ফাহিম বলেন, ঈদের ছুটির কারণে মুখোশ ও ভাস্কর্যের কাজ দেরিতে শুরু করা হয়েছে। প্রশাসনের সঙ্গে প্রথমে যোগাযোগ রক্ষা করা যায়নি। তবে উপাচার্যের সঙ্গে কথা হয়েছে। বৈশাখী উৎসব সফল করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা তিনি দেবেন।
চারুকলার এক শিক্ষার্থী বলেন, ক্যাম্পাসে প্রথমবার বাংলা নববর্ষ উদযাপন করব। এতে আমরা অনেকে আগ্রহী। আমি কাজ করছি রং-তুলিতে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি কাজ শেষ হয়েছে। আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এতদিন ক্যাম্পাসের বাইরে অল্প শিক্ষার্থী নিয়ে নববর্ষ উদযাপন করা হতো। তবে এবার ক্যাম্পাসে অনেক শিক্ষার্থীর সঙ্গে নববর্ষ উদযাপন বেশ আনন্দে দেবে।
এ ব্যাপারে পহেলা বৈশাখ আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) কামাল উদ্দিন খান বলেন, ‘গত বছরের মতো এ বছরও আমরা সুন্দরভাবে নববর্ষ উদযাপন করতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে কাজ করছি। চারুকলার শিক্ষার্থীরা চমৎকার কাজ করছে।’
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগে আবেদন ৫৩ হাজার
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সহকারী হতে ১২ হাজার ৯৫১টি শূন্য পদের বিপরীতে ৫৩ হাজার ৬৯টি আবেদন জমা পড়েছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার, সহকারী সুপার পদে আবেদনপ্রক্রিয়া শেষ হয়েছে ৪ এপ্রিল ২০২৬।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘আগামী ১৮ এপ্রিল এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে ১১ হাজার ১৫১টির মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে ৭ হাজার ৯০৮টি, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিষ্ঠান থেকে ১১২টি এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিষ্ঠান থেকে ৩ হাজার ১৩১টি আবেদন জমা পড়েছে।’
গত ২৫ মার্চ ‘৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৬ (সংশোধিত)’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। এই বিজ্ঞপ্তির আলোকেই ৫৩ হাজার ৬৯ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। তার মধ্যে পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা ৪৭ হাজার ৩৫১ জন এবং মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ৫ হাজার ৭১৮ জন।
পরীক্ষা গ্রহণের পরবর্তী প্রক্রিয়া সক্রিয়ভাবে চলমান বলেও জানান তিনি।
এ ছাড়া, দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক স্বল্পতা রোধে প্রতিবছর দুটি করে নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান তিনি।



