Connect with us

ধর্ম ও জীবন

বৈধ হলেও যে ৩ কাজ ইসলামে নিন্দনীয়

Published

on

ডিএসই

ইসলামের প্রতিটি নির্দেশনা দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণেই হয়ে থাকে। কিছু কাজ অবস্থা বিবেচনায় বৈধ হলেও যথাসম্ভব দূরে থাকতে উৎসাহিত করেছেন নবীজি (স.)। মূলত উম্মতের সুন্দর জীবন ও শঙ্কামুক্ত পরকালের জন্যই নবীজির এমন নির্দেশনা। নিচে তেমনই তিনটি নিন্দনীয় বৈধ কাজের পরিচয় তুলে ধরা হলো।

১. ভিক্ষাবৃত্তি

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইসলামে ভিক্ষাবৃত্তিকে জায়েজ রাখা হয়েছে নিঃস্ব, গরিব, মিসকিন, ঋণগ্রস্ত ও অসহায়দের কল্যাণার্থে। কিন্তু একে প্রবলভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। রাসুল (স.) বলেছেন, ‘কষ্ট করে পিঠে বোঝা বহন করে জীবনযাপন করা ভিক্ষাবৃত্তি থেকে উত্তম ও শ্রেষ্ঠতর।’ (বুখারি: ১৪৭১) অন্য হাদিসে আছে, ‘নিশ্চয়ই ওপরের হাত নিচের হাত থেকে উত্তম।’ (বুখারি: ১৪২৭)

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে যারা ভিক্ষাবৃত্তি করে তাদের পরকালে কঠিন শাস্তির হুঁশিয়ারি রয়েছে। রাসুল (স.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ বাড়ানোর জন্য মানুষের কাছে সম্পদ ভিক্ষা করে বেড়ায় বস্তুত সে আগুনের ফুলকি ভিক্ষা করছে। কাজেই এখন তার ভেবে দেখা উচিত— সে বেশি নেবে না কম নেবে!’ (মুসলিম: ২২৮৯)। আরেক সহিহ বর্ণনায় এসেছে ‘যে ব্যক্তি সবসময় মানুষের কাছে চেয়ে থাকে, সে কেয়ামতের দিন এমনভাবে উপস্থিত হবে যে, তার চেহারায় কোনো গোশত থাকবে না।’ (বুখারি: ১৪৭৪)

ইসলাম কর্মহীন ও বেকারত্ব সমর্থন করে না বলেই প্রিয়নবী (স.) সাহায্যপ্রার্থীকে ‘বনে গিয়ে কাঠ কেটে’ সাবলম্বিতা অর্জনের পথ দেখিয়েছিলেন। (বুখারি: ২০৭৫)

২. ঋণগ্রহণ

প্রিয়নবী (স.) ‘ঋণ, রোগ, শত্রু’ এ তিন জিনিসকে ক্ষুদ্র ও সামান্য বিবেচনা করতে নিষেধ করেছেন। তাই বাধ্য হলেও ঋণগ্রহণে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। পাওনাদারের পাওনা হাককুল ইবাদ তথা বান্দার অধিকার। ইসলামে ঋণগ্রস্তকে অর্থসংশ্লিষ্ট ইবাদত (হজ, জাকাত, কোরবানি, ফিতরা) স্থগিত রেখে আগে ঋণ পরিশোধের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। পাওনাদারের পাওনা পরিশোধ না করলে মহান আল্লাহও ঋণগ্রহীতাকে ক্ষমা করবেন না। জান্নাত পিয়াসী মুমিনদের এ ব্যাপারে সদা সতর্ক থাকা জরুরি। সাওবান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তির মৃত্যু হবে অহংকার, খেয়ানত এবং ঋণ থেকে মুক্ত হয়ে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (তিরমিজি: ১৫৭২; ইবনে মাজাহ: ২৪১২)

অর্থাৎ ঋণগ্রস্ত হয়ে মারা গেলে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তাছাড়া রাসুলুল্লাহ (স.) মৃত ব্যক্তির সম্পদ তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টনের আগে মৃতের ঋণ পরিশোধ করার ব্যাপারে জোর তাগিদ দিয়েছেন। (মুসনাদ আহমদ: ১৭২২৭) অন্য হাদিস থেকে জানা যায়, আল্লাহর পথে শহিদ হওয়া ব্যক্তিও তার ঋণের কারণে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেন না। (মুসনাদ আহমদ: ২২৪৯৩)

৩. বিবাহবিচ্ছেদ

ইসলামি শরিয়তে অতি প্রয়োজনে তালাকের অবকাশ থাকলেও বিষয়টি অপছন্দনীয়। দুটি মন ও পরিবারের মেলবন্ধনে সংসার সুখের স্বর্গ এবং তা বজায় রাখা ইবাদততুল্য। কিন্তু তা একেবারেই অসম্ভব হলে বিবাহবিচ্ছেদ একটি উপায় মাত্র। পবিত্র কোরআনে এ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়ার জন্য ‘তালাক’ নামক একটি সুরা আছে। এছাড়া সুরা বাকারা, নিসা, নূর, মুজাদালা প্রভৃতি সুরায় বিবাহবিচ্ছেদসংক্রান্ত বিভিন্ন পারিভাষিক বিশ্লেষণ আছে।

পারিবারিক বৈরীতা প্রকট হলেও প্রথমে শান্তি ফিরিয়ে আনার নির্দেশনা দিয়ে মহান আল্লাহ বলেন, আর যদি তোমরা তাদের উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদের আশঙ্কা করো তাহলে স্বামীর পরিবার থেকে একজন বিচারক এবং স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন বিচারক পাঠাও। যদি তারা মীমাংসা চায় তাহলে আল্লাহ উভয়ের মধ্যে মিল করে দেবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞানী, সম্যক অবগত। (সুরা নিসা: ৩৫)

আল্লাহ তাআলা পুরুষদের নির্দেশ দিয়েছেন ‘তাদের সঙ্গে সৎভাবে জীবনযাপন করবে।’ (সুরা নিসা: ১৯) হাদিসে আছে, ‘তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম, যে তার স্ত্রীর কাছে সর্বোত্তম।’ (মেশকাত, পৃষ্ঠা- ২৮১)। আলী (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (স.) বলেন, ‘তোমরা বিয়ে করো, কিন্তু তালাক দিয়ো না। কেননা একটি তালাক সম্পন্ন হলে আল্লাহর আরশ কেঁপে ওঠে।’ (আহকামুল কোরআন, ৩৯ খ-, পৃষ্ঠা- ১৩৩)

নবীজি যেসব কাজে নিরুৎসাহিত করেছেন, সেসব কাজ থেকে আল্লাহ আমাদের দূরে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

শেয়ার করুন:-

ধর্ম ও জীবন

কাজা নামাজের বিধান, নিয়ম ও আদায়ের সঠিক পদ্ধতি

Published

on

ডিএসই

মানুষের জীবনে সময়ের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে ইবাদতের ক্ষেত্রে সময়ানুবর্তিতা ইসলামের অন্যতম প্রধান শর্ত। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন, নিশ্চয়ই নামাজ মুমিনদের ওপর নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ করা হয়েছে। (সূরা নিসা: ১০৩)।

কিন্তু মানুষ হিসেবে শয়তানের কুমন্ত্রণা, অলসতা কিংবা বিশেষ কোনো ওজরের কারণে অনেক সময় নির্দিষ্ট ওয়াক্তে নামাজ পড়া সম্ভব হয় না। এই ছুটে যাওয়া নামাজকেই ইসলামি পরিভাষায় ‘কাজা নামাজ’ বলা হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নিচে কাজা নামাজের বিধান, এটি পড়ার নিয়ম এবং এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কাজা নামাজ কী এবং কেন?

কোনো ফরজ বা ওয়াজিব নামাজ তার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদায় না করলে তাকে কাজা বলা হয়। ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ কাজা করা কবিরা গুনাহ। তবে যদি কেউ ভুলে যায় কিংবা ঘুমের কারণে সময় অতিবাহিত হয়ে যায়, তবে মনে হওয়ার সাথে সাথেই তা আদায় করে নেওয়া ওয়াজিব।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি নামাজ পড়তে ভুলে যায় অথবা নামাজের সময় ঘুমিয়ে থাকে, তবে তার কাফফারা হলো যখনই মনে পড়বে তখনই নামাজ পড়ে নেওয়া।(সহিহ বুখারি)।

কাজা নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হয়। নিচে এর প্রধান দিকগুলো আলোচনা করা হলো:

১. তারতিব বা ধারাবাহিকতা রক্ষা

যাঁদের জীবনে অল্প কিছু নামাজ (ছয় ওয়াক্তের কম) কাজা হয়েছে, তাঁদের বলা হয় ‘সাহেবে তারতিব’। তাঁদের জন্য কাজা নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা আবশ্যক। অর্থাৎ, ফজরের কাজা আগে, তারপর জোহরের কাজা এভাবে ক্রমানুসারে পড়তে হবে। তবে যদি কাজা নামাজের সংখ্যা ছয় ওয়াক্ত বা তার বেশি হয়ে যায়, তবে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা জরুরি নয়; যেকোনো সময় যেকোনো ওয়াক্তের কাজা পড়া যাবে।

২. কোন কোন নামাজের কাজা পড়তে হয়?

কেবল ফরজ নামাজ এবং বিতর নামাজের কাজা আদায় করা আবশ্যক। সুন্নত বা নফল নামাজ কাজা হয়ে গেলে তা পুনরায় পড়ার প্রয়োজন নেই (তবে ফজরের সুন্নতের ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ বিধান রয়েছে)। অর্থাৎ, দৈনিক পাঁচ ওয়াক্তের ফরজ এবং এশার পরের বিতর এই মোট ৬টি নামাজের কাজা করতে হয়।

৩. কাজা নামাজের নিয়ত

কাজা নামাজের জন্য মনে মনে নির্দিষ্ট ওয়াক্তের নিয়ত করতে হবে। যেমন: আমি আমার জিন্দেগির সর্বপ্রথম বা সর্বশেষ ছুটে যাওয়া ফজরের ফরজ নামাজের কাজা আদায় করছি। এভাবে প্রতি ওয়াক্তের জন্য আলাদা নিয়ত করতে হবে।

যাঁদের জীবনে অনেক বছরের নামাজ কাজা হয়েছে, তাঁদের জন্য ‘উমরি কাজা’র বিধান রয়েছে। প্রতিদিনের ফরজ নামাজের সাথে সাথে তাঁরা হিসাব করে পুরনো কাজাগুলো আদায় করবেন।

কখন কাজা নামাজ পড়া নিষেধ?

কাজা নামাজ যেকোনো সময় পড়া যায়, তবে তিনটি নিষিদ্ধ সময়ে কাজা নামাজ পড়া জায়েজ নেই:

১. সূর্য উদয়ের সময়।
২. ঠিক মধ্য দুপুরে (সূর্য যখন মাথার ওপরে থাকে)।
৩. সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় (তবে ওই দিনের আসর বাকি থাকলে তা পড়া যায়)।

এই তিনটি সময় বাদে দিন বা রাতের যেকোনো অংশে কাজা নামাজ আদায় করা যায়। এমনকি মাকরুহ সময়েও (যেমন আসরের পর বা ফজরের পর) কাজা নামাজ পড়া জায়েজ।

যদি কেউ সফরে থাকা অবস্থায় নামাজ কাজা করে, তবে বাড়িতে ফিরে তাকে ‘কসর’ বা সংক্ষিপ্ত নামাজই কাজা করতে হবে (চার রাকাতের জায়গায় দুই রাকাত)। আবার যদি বাড়িতে থাকা অবস্থায় নামাজ কাজা হয় এবং তা সফরে থাকা অবস্থায় আদায় করতে চায়, তবে তাকে পূর্ণ চার রাকাতই কাজা করতে হবে। অর্থাৎ, নামাজ যে অবস্থায় কাজা হয়েছে, ঠিক সেই নিয়মেই তা আদায় করতে হবে।

নামাজ হলো আল্লাহর হুকুম। সময়ের নামাজ সময়ে আদায় করা যেমন ফরজ, তেমনি তা ছুটে গেলে পুনরায় আদায় করাও আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি সুযোগ। কাজা নামাজ আদায়ের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর কাছে নিজের ভুল স্বীকার করে এবং তাঁর আনুগত্যের প্রমাণ দেয়।

কেবল কাজা নামাজ পড়লেই গুনাহ মাফ হয় না, বরং ইচ্ছাকৃত নামাজ ছাড়ার জন্য আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে তওবা ও ইস্তিগফার করতে হবে। কাজা নামাজ পড়ার অর্থ হলো সেই ওয়াজিব জিম্মাদারি থেকে মুক্ত হওয়া।

দীর্ঘদিনের কাজা নামাজগুলো যখন একজন মুমিন ধীরে ধীরে শেষ করতে থাকেন, তখন তাঁর মনে এক ধরণের আত্মিক প্রশান্তি অনুভূত হয়। এটি আল্লাহর নৈকট্য লাভের পথে বড় বাধা দূর করে।

পরিবারের কোনো সদস্য নামাজে অলসতা করলে তাকে কাজা নামাজের গুরুত্ব বোঝানো উচিত। বিশেষ করে সন্তানদের ছোটবেলা থেকেই নামাজের সময়ানুবর্তিতা শেখাতে হবে। যদি কারো কাজা নামাজ বাকি থাকে, তবে তা আদায়ের জন্য তাকে উৎসাহিত করা এবং নামাজের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া সমাজের দায়িত্ব।

নামাজ ত্যাগ করা একজন মুমিনের জন্য অপমানের বিষয়। তবে শয়তানের ধোঁকায় পড়ে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে নামাজ কাজা হয়ে গেলে নিরাশ হওয়া যাবে না। আল্লাহর রহমতের দরজা সব সময় খোলা। আজই হিসাব করে দেখুন আপনার জীবনে কত ওয়াক্ত নামাজ বাকি আছে এবং একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে তা আদায় শুরু করুন।

কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব নেওয়া হবে। তাই দুনিয়ার এই ব্যস্ততার মাঝেই আমাদের বিগত দিনের ভুলগুলো শুধরে নেওয়া এবং জিন্দেগির সব কাজা নামাজ আদায় করে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা জরুরি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সময়ের নামাজ সময়ে পড়ার এবং বিগত দিনের কাজাগুলো দ্রুত আদায়ের তৌফিক দান করুন। আমিন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

তীব্র প্রয়োজনের মুহূর্তে রাসুল (সা.) যে আমল করতে বলেছেন

Published

on

ডিএসই

মানুষের জীবনে অনেক সময় কোনো কিছুর তীব্র প্রয়োজন বা বড় ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। স্বাভাবিকভাবে তা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এমন কঠিন সময়ে রাসুল (সা.) দুই রাকত নামাজ পড়ে একটি দোয়া পড়তে বলছেন।

لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ سُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مُوجِبَاتِ رَحْمَتِكَ وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ وَالْغَنِيمَةَ مِنْ كُلِّ بِرٍّ وَالسَّلاَمَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمٍ أَسْأَلُكَ لاَ تَدَعَ لِي ذَنْبًا إِلاَّ غَفَرْتَهُ وَلاَ هَمًّا إِلاَّ فَرَّجْتَهُ وَلاَ حَاجَةً هِيَ لَكَ رِضًا إِلاَّ قَضَيْتَهَا لِي يا أرحمَ الراحمِين

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

উচ্চারণ : লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল হালিমুল কারিম। সুবহানাল্লাহি রাব্বিল আরশিল আজিম। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। আসয়ালুকা মুজিবাতি রাহমাতিক ওয়া আজায়িমা মাগফিরাতিকা ওয়াল গানিমাতা মিন কুল্লি বিররিন ওয়াস-সালামাতা মিন কুল্লি ইসমিন। আসয়ালুকা লা তাদা লি জামবান ইল্লা গাফারতাহু ওয়ালা হাম্মান ইল্লা ফাররাজতাহু ওয়া লা হাজাতান হিয়া লাকা রিদান ইল্লা কাদাইতাহা লি ইয়া আরহামার রাহিমিন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অর্থ : ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি অত্যন্ত ধৈর্যশীল ও দয়ালু। সব পবিত্রতা আরশের মালিক মহান আল্লাহর জন্য এবং সব প্রশংসা জগত্গুলোর প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আমি আপনার কাছে অনুগ্রহ লাভের উপায়গুলো, ক্ষমা লাভের দৃঢ় অঙ্গীকার, প্রত্যেক ভালো কাজের প্রাচুর্য এবং মন্দ কাজ থেকে আশ্রয় কামনা করছি। আপনি আমার কোনো পাপ ক্ষমা না করে রাখবেন না, কোনো দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি না দিয়ে রাখবেন না, আপনার সন্তুষ্টিদায়ক কোনো প্রয়োজন ও চাহিদা পূরণ না করে রাখবেন না। হে পরম দয়ালু মহান আল্লাহ।’

আবদুল্লাহ বিন আবি আওফা (রা.) বর্ণনা করেছেন, একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদেরকে বললেন, ‘যদি তোমাদের কারো আল্লাহর কাছে বা কোনো আদম সন্তানের কাছে কোনো কিছুর প্রয়োজন হয়, সে যেন ভালোকরে অজু করে এবং দুই রাকাত নামাজ আদায় করে। অতঃপর আল্লাহর প্রশংসা ও তাঁর রাসুলের প্রতি দরুদ পাঠ করে এই দোয়া পড়ে। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৪৭৯)

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

সন্তানকে হাম থেকে বাঁচাতে যে দোয়া পড়বেন

Published

on

ডিএসই

সন্তান আল্লাহর এক মহামূল্যবান আমানত। তাদের সুস্থতা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা প্রতিটি অভিভাবকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বর্তমান সময়ে হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ শিশুদের জন্য বড় একটি ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি আল্লাহর কাছে দোয়া ও আশ্রয় প্রার্থনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নবী করিম (সা.) আমাদের এমন কিছু দোয়া শিখিয়েছেন, যা পাঠ করলে আল্লাহর হেফাজত লাভ করা যায়।
দোয়াটি হলো: بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

উচ্চারণ:
বিসমিল্লাহিললাজি লা ইয়াদুররু মাআসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামা-ই ওয়া হুয়াস সামি‘উল আলিম।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অর্থ:
‌‌আল্লাহর নামে (শুরু করছি), যাঁর নামের সঙ্গে পৃথিবীতে বা আসমানে কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।”

ফজিলত:
উসমান ইবনে আফ্ফান (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যাক্তি সকাল-সন্ধায় এই দোয়া তিনবার পাঠ করবে ঐ দিন আল্লাহ তাআলা তাকে সমস্ত বিপদ-আপদ ও বিভিন্ন সংক্রমন জনিত ছোঁয়াছে রোগ থেকে হেফাজত করবেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৫০৮৮)

যেভাবে পড়বেন:
প্রতিদিন সকাল (ফজরের নামাজের পর) এবং বিকাল (আসর বা মাগরিবের নামাজের পর) প্রতিবার ৩ বার করে পড়ে দোয়াটি পড়ার পর আপনার সন্তানের মাথা, বুক বা সম্পূর্ণ শরীরে দিকে ফুঁ দিন। তবে মনে রাখতে হবে, দোয়া শুধু মুখের উচ্চারণ নয়—বরং আন্তরিক বিশ্বাস ও আল্লাহর প্রতি নির্ভরতার প্রকাশ। দোয়ার পাশাপাশি সন্তানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টিকর খাবার ও স্বাস্থ্যবিধিও মেনে চলা জরুরী।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

ক্ষমতাসীনদের প্রতি মহানবী (সা.)-এর সতর্কবার্তা

Published

on

ডিএসই

ছোট হোক কিংবা বড়, যেকোনো দায়িত্বই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষা। রাষ্ট্রের উচ্চপদ, সমাজের নেতৃত্ব থেকে শুরু করে পরিবারের কর্তা—প্রতিটি অবস্থানই একেকটি আমানত; আর আমানতের প্রকৃত স্বরূপ হলো জবাবদিহি। বাহ্যিক জৌলুস, ক্ষমতার চাকচিক্য কিংবা প্রভাবের অহংকার এই সত্যকে সাময়িক ঢেকে রাখতে পারে, কিন্তু মুছে দিতে পারে না।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা স্মরণ করিয়ে দেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের আদেশ দিচ্ছেন আমানতসমূহ তার হকদারদের কাছে পৌঁছে দিতে। আর যখন মানুষের মধ্যে ফয়সালা করবে তখন ন্যায়ভিত্তিক ফয়সালা করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের কতই না সুন্দর উপদেশ দিচ্ছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৫৮)

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

দায়িত্ব মানে শুধু ক্ষমতা নয়, বরং তা হলো ন্যায়বিচার, সততা এবং আত্মসংযমের কঠিন এক অঙ্গীকার।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এ ব্যাপারে সতর্ক করে মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকেই একজন দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককেই তার অধীনদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।’ (বুখারি, হাদিস : ৭১৩৮)

পবিত্র কোরআনের এই বাণী ও হাদিসগুলো প্রতিটি মুমিনকে স্মরণ করিয়ে দেয়, তোমার প্রতিটি সিদ্ধান্ত, প্রতিটি আচরণ, প্রতিটি দায়িত্বের হিসাব একদিন দিতে হবে সেই মহান রবের দরবারে, যাঁর সামনে কোনো ক্ষমতা, কোনো পরিচয়, কোনো প্রভাব কাজে আসবে না।

ইসলাম মানুষের জীবনে দায়িত্ববোধ ও জবাবদিহির শিক্ষা দেয়। এ পৃথিবীতে মানুষ ভালো বা মন্দ যা কিছু করে, সব কিছুরই হিসাব তাকে পরকালে দিতে হবে।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যে অণু পরিমাণ ভালো কাজ করবে, সে তা দেখবে; আর যে অণু পরিমাণ মন্দকাজ করবে, সে-ও তা দেখবে।’ (সুরা : যিলযাল, আয়াত : ৭-৮)

আবু বারযা আল-আসলামি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোনো বান্দার পদদ্বয় (কিয়ামত দিবসে) এতটুকুও সরবে না, তাকে এই কয়টি বিষয় সম্পর্কে যে পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ না করা হবে, কিভাবে তার জীবনকালকে অতিবাহিত করেছে; তার অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী কী আমল করেছে; কোথা থেকে তার ধন-সম্পদ উপার্জন করেছে এবং কোন কোন খাতে ব্যয় করেছে এবং কী কী কাজে তার শরীর বিনাশ করেছে। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪১৭)

অর্থাৎ প্রতিটি মানুষকেই তার আমলের হিসাব দিতে হবে। সেখানে তার পিতা, পুত্র, আত্মীয়-স্বজন কিংবা বন্ধু-বান্ধব কোনো সহযোগিতা করবে না, করার সুযোগও থাকবে না। পবিত্র কোরআনে সেই ভয়াবহ চিত্রের কথা স্মরণ করিয়ে মহান আল্লাহ বলেন, হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবকে ভয় করো এবং সেই দিনকে ভয় করো যেদিন পিতা তার সন্তানের কোনো উপকার করতে পারবে না এবং সন্তানও তার পিতার কোনো উপকারে আসবে না।

নিশ্চয়ই আল্লাহর ওয়াদা সত্য। সুতরাং দুনিয়ার জীবন যেন কিছুতেই তোমাদের ধোঁকা দিতে না পারে এবং মহাপ্রতারক (শয়তান) যেন তোমাদের আল্লাহ সম্পর্কে ধোঁকায় ফেলতে না পারে। (সুরা : লোকমান, আয়াত : ৩৩)

অথচ মানুষ মৃত্যুকালে তার জমানো সেই সম্পদ সঙ্গে নিতে পারে না। আবার যে আপন মানুষদের একটি বিলাসী জীবন উপহার দিতে সে তার দায়িত্ব বা পদ-পদবির অসৎ ব্যবহার করে। দুর্নীতি করে, জুলুম করে, জুলুমে সহযোগিতা করে—পরকালে তারা একটি নেকি দিয়ে তাকে সহযোগিতা করবে না। বরং কঠিন কিয়ামতের দিন তারা তাকে দেখে মুখ লুকাবে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, সেদিন মানুষ পালিয়ে যাবে তার ভাই থেকে, তার মা ও তার বাবা থেকে, তার স্ত্রী ও তার সন্তান-সন্ততি থেকে। সেদিন তাদের প্রত্যেকেরই একটি গুরুতর অবস্থা থাকবে, যা তাকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখবে। (সুরা আবাসা, আয়াত : ৩৪-৩৭)

তাই ছোট ও ক্ষণস্থায়ী এই জীবনে এমন কোনো কাজ করা উচিত নয়, যা দুনিয়া-আখিরাতে লাঞ্ছনার কারণ হয়। দিন শেষে নিজের পাপের ভাগ কেউ নেবে না। বরং কবরে, হাশরে, পুলসিরাতে পদে পদে অপদস্থ করবে দুনিয়া থেকে নিয়ে যাওয়া বদআমলগুলো। তাই মানুষের উচিত, মহান আল্লাহ কোনো পদ-পদবি দিলে তার হক আদায় করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। তার অপব্যবহার না করা। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আল্লাহ তাআলা যাকে জনগণের দায়িত্ব দিয়েছেন, যদি খিয়ানাতকারীরূপে তার মৃত্যু হয়, তবে আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিবেন। (বুখারি, হাদিস : ২৫৯)

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

রমজানের শেষ জুমা: বৃষ্টি উপেক্ষা করে বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের ঢল

Published

on

ডিএসই

বৃষ্টি উপেক্ষা করেই রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আজ (শুক্রবার) ঢল নেমেছে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের। পবিত্র রমজান মাসের শেষ জুমা তথা জুমাতুল বিদা উপলক্ষ্যে এই সমাগম। সিয়াম সাধনার মাস বিদায়ের পথে– তাই জুমার নামাজে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা ও রহমত কামনায় ব্যাকুল ছিলেন ইবাদতকারীরা।

শুক্রবার (২০ মার্চ) দুপুর ১২টা থেকেই বায়তুল মোকাররম মসজিদে মুসল্লিদের প্রবেশ শুরু হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে মানুষের আনাগোনা। তাদের অনেকেই দূরদূরান্ত থেকে ছুটে এসেছেন জাতীয় মসজিদে রমজানের শেষ জুমার নামাজ আদায় করতে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

দুপুর ১টার আগেই মসজিদের ভেতরের মূল অংশ মুসল্লিতে পূর্ণ হয়ে যায়। আজানের পর মসজিদের নিচতলার অংশটিও ভরে ওঠে। তবে বৃষ্টির কারণে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মুসল্লিদের উপস্থিতি কিছুটা কম লক্ষ করা গেছে। বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব আল্লামা মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতে আখিরাতের মুক্তি এবং দেশ ও মুসলিম জাতির শান্তি কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা হয়। এসময় অনেককে নিজের পরিবার ও প্রয়াত আত্মীয়স্বজনের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দান-খয়রাত করতেও দেখা গেছে।

মুসলিম উম্মাহর কাছে মাহে রমজানের প্রতিটি দিনই পবিত্র ও মহিমামণ্ডিত। জুমার দিনটি সাপ্তাহিক ইবাদতের দিন এবং ‘গরিবের ঈদ’ হিসেবে গণ্য হওয়ায় এর ফজিলত অনেক। আর সেই দিনটি যখন রমজানের শেষ দশকে তথা জুমাতুল বিদা হয়, তখন তা প্রতিটি রোজাদারের কাছে বিশেষভাবে সম্মানিত ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার20 hours ago

চীনা বিনিয়োগ বাড়াতে ডিএসই-সিইএবি বৈঠক, যৌথ সহযোগিতায় জোর

চীনা কোম্পানিগুলোর সংগঠন চাইনিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (সিইএবি)-এর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার22 hours ago

বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে জোর দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর গনি

আর্থিক খাতে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব এবং প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর গনি কূটনৈতিক যোগাযোগ শক্তিশালী করা, বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার1 day ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ২৮ কোটি টাকার

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩৯টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ২৮ কোটি...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার1 day ago

দরপতনের শীর্ষে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার1 day ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে বেঙ্গল উইন্ডসোর

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯০টি কোম্পানির মধ্যে ৭০টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার1 day ago

লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে খান ব্রাদার্স পি.পি. ওভেন ব্যাগ...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার1 day ago

সূচকের পতনে সপ্তাহ শেষ, কমেছে লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের নেতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষে হয়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনে...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
ডিএসই
রাজনীতি2 minutes ago

গতকাল আওয়ামী আমলের চেয়েও খারাপ নির্বাচন হয়েছে : গোলাম পরওয়ার

ডিএসই
জাতীয়10 minutes ago

কৃষিঋণ মওকুফের সুবিধা পেলেন ৮৮৪৩ আনসার-ভিডিপি সদস্য

ডিএসই
জাতীয়20 minutes ago

যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান

ডিএসই
জাতীয়32 minutes ago

আওয়ামী আমলের অর্থনীতির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরলেন অর্থমন্ত্রী

ডিএসই
অর্থনীতি44 minutes ago

জ্বালানি তেলের দাম কবে স্বাভাবিক হবে, জানালেন বিশেষজ্ঞরা

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু

ডিএসই
জাতীয়2 hours ago

ছুটির দিনেও দূষণের তালিকায় তৃতীয় ঢাকা

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

হরমুজ প্রণালিতে ‘এখনই চাঁদা আদায় বন্ধ করতে হবে’

ডিএসই
ধর্ম ও জীবন3 hours ago

বৈধ হলেও যে ৩ কাজ ইসলামে নিন্দনীয়

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

এলএনজি-এলপিজি নিয়ে আসছে আরও ৫ জাহাজ

ডিএসই
রাজনীতি2 minutes ago

গতকাল আওয়ামী আমলের চেয়েও খারাপ নির্বাচন হয়েছে : গোলাম পরওয়ার

ডিএসই
জাতীয়10 minutes ago

কৃষিঋণ মওকুফের সুবিধা পেলেন ৮৮৪৩ আনসার-ভিডিপি সদস্য

ডিএসই
জাতীয়20 minutes ago

যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান

ডিএসই
জাতীয়32 minutes ago

আওয়ামী আমলের অর্থনীতির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরলেন অর্থমন্ত্রী

ডিএসই
অর্থনীতি44 minutes ago

জ্বালানি তেলের দাম কবে স্বাভাবিক হবে, জানালেন বিশেষজ্ঞরা

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু

ডিএসই
জাতীয়2 hours ago

ছুটির দিনেও দূষণের তালিকায় তৃতীয় ঢাকা

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

হরমুজ প্রণালিতে ‘এখনই চাঁদা আদায় বন্ধ করতে হবে’

ডিএসই
ধর্ম ও জীবন3 hours ago

বৈধ হলেও যে ৩ কাজ ইসলামে নিন্দনীয়

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

এলএনজি-এলপিজি নিয়ে আসছে আরও ৫ জাহাজ

ডিএসই
রাজনীতি2 minutes ago

গতকাল আওয়ামী আমলের চেয়েও খারাপ নির্বাচন হয়েছে : গোলাম পরওয়ার

ডিএসই
জাতীয়10 minutes ago

কৃষিঋণ মওকুফের সুবিধা পেলেন ৮৮৪৩ আনসার-ভিডিপি সদস্য

ডিএসই
জাতীয়20 minutes ago

যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান

ডিএসই
জাতীয়32 minutes ago

আওয়ামী আমলের অর্থনীতির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরলেন অর্থমন্ত্রী

ডিএসই
অর্থনীতি44 minutes ago

জ্বালানি তেলের দাম কবে স্বাভাবিক হবে, জানালেন বিশেষজ্ঞরা

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু

ডিএসই
জাতীয়2 hours ago

ছুটির দিনেও দূষণের তালিকায় তৃতীয় ঢাকা

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

হরমুজ প্রণালিতে ‘এখনই চাঁদা আদায় বন্ধ করতে হবে’

ডিএসই
ধর্ম ও জীবন3 hours ago

বৈধ হলেও যে ৩ কাজ ইসলামে নিন্দনীয়

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

এলএনজি-এলপিজি নিয়ে আসছে আরও ৫ জাহাজ