জাতীয়
সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তি মিশনের ফোর্স কমান্ডার হলেন লে. জে. আসাদুল্লাহ
সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর (ইউএনএফআইসিওয়াইপি) নতুন ফোর্স কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম। সদ্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (লে. জে.) পদে পদোন্নতি পাওয়া এই চৌকস সেনা কর্মকর্তাকে মর্যাদাপূর্ণ এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতিসংঘের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মহাসচিবের এই নিয়োগ ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, লে. জে. মিনহাজুল আলম মঙ্গোলিয়ার মেজর জেনারেল এরদেনেবাত বাতসুরির স্থলাভিষিক্ত হবেন। জাতিসংঘ মহাসচিব বিদায়ি ফোর্স কমান্ডার মেজর জেনারেল বাতসুরির একাগ্রতা ও সেবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নেতৃত্ব ও কমান্ড পর্যায়ে ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করার বর্ণাঢ্য অভিজ্ঞতা রয়েছে লে. জে. মিনহাজুল আলমের। সর্বশেষ তিনি আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের (আর্টডক) জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও কক্সবাজার এরিয়া কমান্ডার (২০২৪-২০২৬) এবং ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের (ডিএসসিএসসি) কমান্ড্যান্ট (২০২৪) হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি পদাতিক ফর্মেশনে কাউন্টার টেররিজম, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, দুর্যোগ মোকাবেলা এবং গোয়েন্দা-ভিত্তিক অভিযানসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড ও স্টাফ পদে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও তার রয়েছে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা। তিনি সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে জাতিসংঘ মিশনে (মিনুস্কা) সেক্টর কমান্ডার (২০২০-২০২১) এবং পূর্ব তিমুরে (আনটায়েট) সামরিক পর্যবেক্ষক (১৯৯৯-২০০০) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অসামান্য পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি লে. জে. মিনহাজুল আলম একজন উচ্চশিক্ষিত সেনা কর্মকর্তা। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটি থেকে জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে স্নাতকোত্তর (এমএসসি), বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিফেন্স স্টাডিজে স্নাতকোত্তর এবং রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর (এমবিএ) ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। মাতৃভাষা বাংলার পাশাপাশি তিনি ইংরেজিতেও অত্যন্ত সাবলীল।
অন্যান্য
মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯ বহাল রেখে সংসদে বিল পাস
অন্তর্বর্তী সরকারের আনা জাতীয় ‘মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ রহিত করে ২০০৯ সালের আইন পুনঃপ্রচলন করে আনা বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অভিবেশনে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬’ বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। তবে বিলটি উত্থাপনের পর বিরোধী দলের পক্ষ থেকে জোরালো আপত্তি জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার ২০০৯ সালের ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯’ সংশোধন করে ‘জাতীয় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ জারি করে।
বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বিলটি উত্থাপনের পর সংসদে দাঁড়িয়ে এর বিরোধিতা করেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘এই বিল পাসের মাধ্যমে ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনটিকে রিস্টোর (পুনঃপ্রচলন) করা হচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে আমরা দেখেছি, এই কমিশনকে বিরোধী দল ও মত দমনে ব্যবহার করা হয়েছে। বিএনপিকে দমন করার বৈধতা দিয়েছে এই কমিশন। এমনকি আমরা কমিশনের চেয়ারম্যানকে বলতে শুনেছি—মানবাধিকার রক্ষার স্বার্থে জামায়াত নেতাকর্মীদের গুলি করা বৈধ।’
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, ‘২০২৫ সালের অধ্যাদেশটিকে ল্যাপস (বিলুপ্ত) করে ২০০৯ সালের আইনে ফিরে যাওয়া হবে এই সংসদের জন্য একটি ব্যাকওয়ার্ড মুভ বা পশ্চাৎমুখী পদক্ষেপ। এটি জাতি পিছিয়ে পড়ার একটি টেক্সটবুক এক্সাম্পল হয়ে থাকবে।’
হাসনাত আব্দুল্লাহর বিরোধীতার জবাবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য খুব সুন্দর বক্তৃতা দিয়েছেন। উনার বক্তৃতাগুলো পল্টন ময়দান, প্রেসক্লাব বা রাজপথের জন্য অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক ও জুসি (রসালো)। উনি সব পড়েছেন, শুধু বিলটা পড়েননি। বিলের প্রথম লাইনেই দেওয়া আছে যে, সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে অধিকতর পরামর্শ ও যাচাই-বাছাই করার প্রয়োজনে এবং মানবাধিকার কমিশনের জায়গাটি যাতে ফাঁকা না থাকে, সেই কারণেই আপাতত ২০০৯ সালের আইনটি রেস্টোর করা হয়েছে।’
আইনমন্ত্রী সংসদকে জানান, অধ্যাদেশ ‘রহিত’ রিফিল করা হলে আর ২০০৯ সালের আইনটি রিস্টোর না করা হলে বিশ্ববাসী জানবে বাংলাদেশে মানবিধকার কমিশন নেই।
জাতীয়
ভারত থেকে আসবে ২০০ ব্রডগেজ কোচ: সংসদে রেলপথমন্ত্রী
বাংলাদেশে রেলওয়ের অধীনে এই বছরে ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্টের ব্যাংকের অর্থায়নে ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে জামায়াতের এমপি ইলিয়াস মোল্লা ও রুহুল আমিনের পৃথক পৃথক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান মন্ত্রী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।
শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীনে এবছর ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় জুন ২০২৬ থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর নাগাদ ২০০টি ব্রডগেজ ক্যারেজ বাংলাদেশ রেলওয়ে বহরে যুক্ত হবে বলে আশা করা যায়। ক্যারেজগুলো পাওয়া সাপেক্ষে নতুন ট্রেন পরিচালনার বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে রুট নির্ধারণে উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, শিগগির এসি বাস/মিনিবাসের ভাড়ার তালিকা তৈরি করা হবে। সেটি গণপরিবহনের অভ্যন্তরে ডিজিটাল ডিসপ্লেতে প্রদর্শন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সরকারদলীয় এমপি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর প্রশ্নের জবাব সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) উদ্যোগে দেশের সড়ক/মহাসড়কে চলাচলরত গণপরিবহনে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
জিপিএস প্রযুক্তি চালু হলে গণপরিবহনের অবস্থান ও গতি সহজে পর্যবেক্ষণ করা যাবে। ফলে সড়কে যত্রতত্র থামিয়ে ওঠানামা করা ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। এছাড়া কোনো গণপরিবহন সড়কে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম ও ট্রাফিক আইন অমান্য করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার রেকর্ড সংরক্ষণ হবে এবং সংশ্লিষ্ট পরিবহনের চালক ও মালিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এনসিপির সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের (হাসনাত আব্দুল্লাহ) প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ক্রয় কার্যক্রমে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জাড়িত থাকার প্রমাণের ভিত্তিতে ৮১টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন মেয়াদে ক্রয় কার্যক্রমে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। আইন ও বিধির আলোকে কোনো ব্যক্তি বা ক্রয়কারী সংস্থার কর্মকর্তা/কর্মচারী পেশাগত অসদাচরণে জড়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনি ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, যা চলমান প্রক্রিয়া। এ পরিপ্রেক্ষিতে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুসারে কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা বর্তমানে চলমান।
জাতীয়
পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন
আগামী পহেলা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলসহ দেশের ১০টি জেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সরকারি এক তথ্যবিবরণীতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
তথ্যবিবরণীতে জানানো হয়, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে সরকারের বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সশরীরে উপস্থিত থেকে নির্বাচিত কৃষকদের হাতে এই বিশেষ কার্ড তুলে দেবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সরকারি সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি প্রণোদনা সরাসরি এবং স্বচ্ছ উপায়ে গ্রহণ করতে পারবেন। প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইলসহ ১০টি জেলাকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে, যা পরবর্তীতে সারা দেশে সম্প্রসারিত হবে।
এমএন
জাতীয়
ভিসাসেবার ক্ষেত্রে বাংলাদেশীদের সতর্ক করল ১৩ দেশ
বিশ্বের ১৩টি দেশ তাদের দূতাবাসগুলো থেকে ভিসাসহ সেবা নেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশী নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ ও কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ভিসা, পারমিট ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা গ্রহণে আবেদনকারীদের দাপ্তরিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হচ্ছে—যুক্তরাজ্য, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, হাঙ্গেরি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া।
আমরা যৌথভাবে সব আবেদনকারীকে ভিসা, পারমিট বা অন্যান্য কনস্যুলার সেবা নেয়ার সময় অফিসিয়াল পদ্ধতি অনুসরণের জন্য অনুরোধ করছি উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, জাল নথি, অনির্ভরযোগ্য বা লাইসেন্সবিহীন এজেন্ট ব্যবহার করবেন না, অথবা অননুমোদিত ব্যক্তি, এজেন্ট বা মিশনকে অর্থ প্রদান করবেন না। এ ধরনের পদক্ষেপের ফলে কাজে দেরি হওয়া, আর্থিক ক্ষতি, সীমান্তে প্রবেশে অস্বীকৃতি এবং/অথবা গুরুতর আইনি পরিণাম হতে পারে।
কোনো মিশনের সঙ্গে কোনো এজেন্টের সম্পৃক্ততা নেই উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, আবেদনকারীদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে, তারা যেন এমন কোনো মধ্যস্থতাকারীর ওপর নির্ভর না করেন যারা ভিসা সিদ্ধান্তের ওপর বিশেষ সুবিধা বা প্রভাব খাটানোর দাবি করে।
সর্বদা যাচাইকৃত তথ্য এবং বৈধ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অফিসিয়াল মাধ্যমের ওপর নির্ভর করার তাগিদ জানিয়ে বিবৃতির শেষে বলা হয়, আমাদের সকলের অগ্রাধিকার হলো সবার জন্য একটি নিরাপদ, সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ আবেদন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।
জাতীয়
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের সাময়িক বিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ; যা এই অঞ্চলে উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে একটি উৎসাহব্যাঞ্জক অগ্রগতি বলে মনে করে ঢাকা।
বুধবার (৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ কথা জানায়।
বিবৃতিতে বাংলাদেশ আশা করে, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষই যুদ্ধবিরতির প্রতি সম্মান দেখাবে এবং একটি মজবুত ও টেকসই সমাধানের দিকে গঠনমূলকভাবে কাজ করার এবং পুরো অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সুযোগটি কাজে লাগাবে।
কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় যুদ্ধবিরতিতে জড়িত সব পক্ষকে বাংলাদেশ সাধুবাদ জানিয়ে বলেছে, সব বিরোধ সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা যেতে পারে এবং করা উচিত।



