কর্পোরেট সংবাদ
উইকিস্কলার রাজশাহী অঞ্চলে চ্যাম্পিয়ন শরীফ-জুবাইর
উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের উদ্যোগে সম্পন্ন হয়েছে রাজশাহী বিভাগের ‘উইকিস্কলার ২০২৬’ কুইজ প্রতিযোগিতা। এই আয়োজনের লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্ত জ্ঞান শেখার আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের চিন্তা ও জানার আগ্রহকে আরও শক্তিশালী করা।
শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস্ কমপ্লেক্সে এর চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এখানে রাজশাহী, পাবনা ও বগুড়া জেলার ৬টি স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
দুই গ্রুপে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ‘ক’ গ্রুপে (৬ষ্ঠ–৮ম শ্রেণি): চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী শরীফ ইবনে সালেক সুসা।
‘খ’ গ্রুপে (৯ম–১০ম শ্রেণি) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জুবাইর হক।
প্রথম রানার্সআপ ও দ্বিতীয় রানার্সআপ হয়েছে যথাক্রমে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের সৌরভ রুদ্র দাস এবং পাবনা জিলা স্কুলের কাজী জাইন উর রহমান।

উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর মাসুম আল হাসানের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় কৃষি পুরষ্কার বিজয়ী ও শাহ্ কৃষি তথ্য পাঠাগার ও জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা জাহাঙ্গীর আলম শাহ্, রাজশাহী সিরোইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রেজাউর রহমান খান ও উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন।
উপস্থিত শিক্ষার্থীদের নিয়ে উইকিপিডিয়ার ওপর কর্মশালা পরিচালনা করেন, বাংলা উইকিপিডিয়ার অ্যাডমিন মো. সাদমান ছাকিব।
রাজশাহী উইকিমিডিয়া সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ শাকিল হোসেন, উইকিমিডয়া স্টুয়ার্ড ইয়াহিয়া, রাজশাহী উইকিমিডিয়া সম্প্রদায়ের তাহমিদ হোসেন, মানিক দাস, খন্দকার রাবিবা ইয়াসমিন, মোস্তাফিজুর রহমান সাফি ও নাহিদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকবৃন্দ।
কর্পোরেট সংবাদ
প্রাইম ব্যাংকের এএমডি হলেন জিয়াউর রহমান
প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন মো. জিয়াউর রহমান। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ব্যাংকের বোর্ড সভায় তাকে এ পদোন্নতি দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ব্যাংকটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ব্যাংকিং খাতে ৩০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মো. জিয়াউর রহমান বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। বৈচিত্রময় কর্ম জীবনে তিনি ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, হেড অব ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, হেড অব সিন্ডিকেট অ্যান্ড স্ট্রাকচারড ফাইন্যান্সিং ও হেড অব করপোরেট বিজনেস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ব্যাংকের কমপ্লায়েন্স বিষয়ে তিনি অত্যন্ত অভিজ্ঞ। প্রাইম ব্যাংকে ডিএমডি হিসেবে যোগদানের পূর্বে তিনি ঢাকা ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংকের বিভিন্ন নেতৃস্থানীয় পদে কর্মরত ছিলেন।
পদোন্নতির আগে তিনি ২০২১ সাল থেকে ব্যাংকটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। বর্তমানে তিনি প্রাইম ব্যাংকের চিফ অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার এবং চিফ রিস্ক অফিসার (সিআরও) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
কর্পোরেট সংবাদ
নগদে কেনাকাটা করে হেলিকপ্টার ভ্রমণ জিতলেন ইমন ও আফজাল
পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ‘হেলিকপ্টার ভ্রমণ’-এ পুরস্কার জিতে নিয়েছেন ঢাকার কাজী ইমন ও আফজাল হোসেন। এই ক্যাম্পেইন চলাকালে কেনাকাটা করে নগদ ওয়ালেটের মাধ্যমে পেমেন্ট করে সম্প্রতি তারা এই পুরস্কার জিতেছেন।
ক্যাম্পেইনের প্রথম বিজয়ী মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা কাজী ইমন, যিনি একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় বিভাগে কর্মরত। এই পুরস্কারের আওতায় কাপল হিসেবে ভ্রমণের সুযোগ থাকায় তিনি তার স্ত্রী সাদিয়া ও মেয়েকে নিয়ে হেলিকপ্টার ভ্রমণ করেন।
জীবনে প্রথমবারের মতো হেলিকপ্টারে ভ্রমণ করেন ইমনের স্ত্রী সাদিয়া। তিনি তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলছিলেন, নিজেকে পাখির মতো লেগেছে। আমি খুবই আনন্দিত। কাজী ইমন বলেন, ‘বিমানে যাতায়াত করেছি, তবে হেলিকপ্টারে কখনো ওঠা হয়নি। এবার যখন সুযোগ হলো, স্ত্রীসহ একটি দারুণ অভিজ্ঞতা পেলাম নগদের সৌজন্যে। আমি এই উপহার বিজয়ী হবো, এটা কল্পনাও করিনি। নগদকে এরকম দারুণ আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ।’
হেলিকপ্টার ভ্রমণের অপর বিজয়ী হলেন ঢাকার মিরপুরের আফজাল হোসেন। তিনি স্থানীয় একটি সুপারশপে চাকরি করেন। তিনি তার সহকর্মী ও বন্ধু মাসুদ রানাকে নিয়ে হেলিকপ্টার ভ্রমণ করেন।
হেলিকপ্টার ভ্রমণ শেষে আফজাল হোসেন অনেকটা ঘোরের মধ্যে ছিলেন। তিনি বলেন, আসলে এই অভিজ্ঞতাটা বলে বুঝাতে পারছি না। এমন উপহার জিতবো, এটা চিন্তাও করিনি কখনো। এই উপহারের জন্য নগদ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।
মূল পুরস্কারের পাশাপাশি নগদ গ্রাহকেরা বিভিন্ন মার্চেন্ট পেমেন্টে দুই হাজার টাকারও বেশি ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পেরেছেন। শীর্ষস্থানীয় জুতার ব্র্যান্ড, পোশাক ও অনলাইন মার্চেন্টগুলোয় কেনাকাটা করে নগদ ওয়ালেটের মাধ্যমে পেমেন্ট করে পুরস্কার বিজয়ী হয়েছেন তারা।
এ প্রসঙ্গে নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাইমন ইমরান হায়দার বলেন, এই ক্যাম্পেইনে আমরা গ্রাহকের কাছ থেকে দারুণ সাড়া পেয়েছি। পুরস্কার দেওয়ার পর বিজয়ীদের মধ্যে অন্যরকম ভালোলাগাও আমরা দেখেছি। এরকম ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের সাথে আরেকটু ভালোভাবে জানাবোঝা তৈরি করতে পারি জন্য নগদ শুরু থেকে সৃষ্টিশীল সব প্রোডাক্ট ও ক্যাম্পেইন নিয়ে কাজ করছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নগদে নিযুক্ত প্রশাসকের নির্বাহী পরিচালক পদে পদোন্নতি
দেশের অন্যতম সেরা মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বরত মো. মোতাছিম বিল্লাহ বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ নিয়মিত পদ নির্বাহী পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার তাকে এ পদে পদোন্নতি প্রদান করে দাপ্তরিক নির্দেশনা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। মোতাছিম বিল্লাহ বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম অফিসে ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত অবস্থায় ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নগদের প্রশাসক পদে নিয়োগ পান।
মো. মোতাছিম বিল্লাহ বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৯৯৯ সালে সহকারি পরিচালক পদে কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ ২৭ বছরের কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ, সেন্ট্রাল ব্যাংক স্ট্রেনদেনিং প্রজেক্ট, ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট, ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন ও পেমেন্ট সিস্টেমস্ ডিপার্টমেন্টে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। প্রথম দেশীয় কার্ড স্কিম টাকাপে, এনপিএসবি মাইগ্রেশন, ক্যাশলেস বাংলাদেশ কার্যক্রম, বাংলা কিউআর প্রবর্তনসহ পেমেন্ট সিস্টেম আধুনিকায়নে তিনি নেতৃত্ব প্রদান করেন।
বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে গঠিত সেন্ট্রাল ব্যাংক স্ট্রেনদেনিং প্রজেক্টের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিজনেস প্রসেস রিইন্জিনিয়ারিংসহ অন্যান্য আধুনিকরণ কাজে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
নগদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে বহু ইতিবাচক পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে গত এক বছরে সেবার ক্ষেত্রে নগদ-এর কলেবর ও গুণগতমান বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও অভ‚ তপূর্ব সাফল্য পেয়েছে নগদ। মাত্র এক বছরের মধ্যে নগদ-এর লেনদেনকে প্রায় দ্বিগুণ করার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনেও বড় অর্জন এসেছে এই সময়ে।
শিক্ষা জীবনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ ও এমবিএ ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যায়ন বিভাগ থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ব্যাংক রেগুলেশন, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস প্রসেস রি-ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডিজিটাল পেমেন্ট বিষয়ে অসংখ্য আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
কর্পোরেট সংবাদ
তিন মাসে রেকর্ড ১ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা লেনদেন করেছেন নগদের গ্রাহকেরা
ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা বা এমএফএস প্রতিষ্ঠান নগদ তাদের লেনদেনে নতুন রেকর্ড করেছে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার ৩৫৫ কোটি ৩২ লাখ টাকার বেশি লেনদেন করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২১ শতাংশ বেশি। এক প্রান্তিকে লেনদেনে এটি নগদের নতুন রেকর্ড। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বিজ্ঞপ্তিতে নগদ জানিয়েছে, এ রেকর্ডের পাশাপাশি নগদ চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে গ্রাহকের সম্পৃক্ততা ও লেনদেনের সংখ্যায়ও নতুন রেকর্ড গড়েছে। এ তিন মাসের মধ্যে নগদ গত জানুয়ারি মাসে ৪০ হাজার ৩০১ কোটি টাকা লেনদেন করেছে। মার্চে এ লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৪১ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকা। তবে ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনের কারণে বেশ কিছুদিন নগদসহ অন্যান্য মুঠোফোন আর্থিক সেবা প্রদানকারী অপারেটরগুলোর লেনদেনের ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। ফলে ওই মাসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৯ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা।
নগদ জানিয়েছে, এর আগে ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৯২ হাজার ৫৪ কোটি টাকা। যদিও পরের প্রান্তিকে তা কমে হয়েছিল ৯১ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকা। তবে তৃতীয় প্রান্তিকে লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে হয়েছিল ৯২ হাজার ১২৫ কোটি টাকা। আর ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে নগদ প্রথমবারের মতো এক প্রান্তিকে ১ লাখ কোটি টাকা লেনদেনের মাইলফলক অর্জন করে। সে প্রান্তিকে নগদের লেনদেন হয়েছিল ১ লাখ ২ হাজার ৩৮১ কোটি টাকা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নগদের ওপর সাধারণ গ্রাহকদের আস্থাবৃদ্ধির কারণে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে স্থিতিশীল ও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি বজায় রেখে এগিয়ে চলেছে। এ প্রবৃদ্ধি কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ধারাকে প্রতিফলিত করছে।
লেনদেনের এ নতুন রেকর্ডসহ চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে আরও কিছু মাইলফলক অর্জন করেছে নগদ। সর্বশেষ এই প্রান্তিকে নগদে যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি ব্যাংক অ্যাড মানি, পেমেন্ট ও প্রবাসী আয় এসেছে। এর বাইরে এ সময়ে নগদের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সরকারি ভাতা ও উপবৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে।
নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, নগদের এমন প্রবৃদ্ধি ও লেনদেন ইতিবাচক। এ ছাড়া লেনদেনে খরচ কম হওয়ায় দেশের নিম্নমধ্যবিত্ত ও গরিব মানুষের কাছে নগদ জনপ্রিয়। নগদে এক হাজার টাকায় ক্যাশ আউট চার্জ অন্য অপারেটরের চেয়ে সাড়ে ছয় টাকা কম, যা দেশের বিদ্যমান মোবাইল আর্থিক সেবাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম।
মো. মোতাছিম বিল্লাহ আরও বলেন, নগদে সেন্ড মানি সেবা ফ্রি। পাশাপাশি প্রবাসী আয় গ্রহণে খরচ কম হওয়ায় নগদের প্রতি মানুষের আস্থা দিন দিন বাড়ছে। এর ফলে প্রতি মাসে বা প্রতি প্রান্তিকে নগদ নিজের করা রেকর্ডগুলো ভাঙতে পারছে। এ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আমরা ভবিষ্যতে আরও অনেক বেশি লেনদেন করতে সক্ষম হব বলে আমি বিশ্বাস করি।’
কর্পোরেট সংবাদ
রূপালী ব্যাংকের রাজশাহী বিভাগীয় ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসির রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এর আওতাধীন শাখাসমূহের ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিভাগীয় কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম।
সভায় তিনি ২০২৫ সালের ব্যত্যয়সমূহ চিহ্নিত করে দ্রুত সেগুলো উত্তরণের মাধ্যমে সার্বিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ত্বরান্বিত করার নির্দেশনা দেন। বিশেষ করে ‘ঋণ বিতরণ বর্ষ ২০২৬’ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন এবং শ্রেণিকৃত ঋণ আদায় কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও মহাব্যবস্থাপক মো. নিজাম উদ্দিন ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান কার্যালয়ের আদায় বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক মো. মাহমুদুল ইসলাম।
এছাড়াও বিভাগাধীন ০৫টি জোনাল অফিসের উপমহাস্থাপক ও জোনাল ম্যানেজার মো. গোলাম নবী , প্রকাশ কুমার সাহা, দেবব্রত সাহা, মো. মাহাবুর রহমান, মোঃ কামরুজ্জামান, ফাইজা আকতার, সহকারী মহাব্যবস্থাপকবৃন্দ এবং কর্পোরেট ও শাখাসমূহের নির্বাহী/শাখা প্রধান ও শাখা ব্যবস্থাপকগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আমানত সংগ্রহ, ঋণ বিতরণ, শ্রেণিকৃত ঋণ হ্রাস এবং সামগ্রিক ব্যবসায়িক অগ্রগতির বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।



