Connect with us

আন্তর্জাতিক

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান

Published

on

পর্ষদ

পাক-আফগান সীমান্তের ডুরান্ড লাইনে পাকিস্তানের সেনাচৌকিতে হামলার পর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ সেই যুদ্ধেরই অংশ।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহম্মদ আসিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এই ঘোষণা দিয়েছেন। এক্সবার্তায় তিনি বলেছেন, “আমাদের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে গেছে। এখন আপনাদের সঙ্গে আমাদের কেবল যুদ্ধ হবে…পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সাগর থেকে ভেসে আসেনি। আমরা আপনাদের প্রতিবেশী: আপনাদের মতিগতি আমরা খুব ভালোভাবে জানি।”

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

খাজা আসিফ এক্সে এই বার্তা পোস্ট করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল এবং পাকতিয়া ও কান্দাহার প্রদেশে আফগান সামরিক বাহিনীর স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু করে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আজ শুক্রবার ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের বিদেশি সংবাদমাধ্যম বিষয়ক মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি বলেছেন, রাত ৩ টা ৪৫ মিনিট থেকে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু করেছে পিএএফ এবং স্থলবাহিনী বা আর্মি। অভিযানের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যেই রাজধানী কাবুল এবং পাকতিয়া ও কান্দাহার প্রদেশের বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনাকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

পাশাপাশি কাবুল, পাকতিয়া এবং কান্দাহারের ২৭টি সেনাচৌকি ধ্বংস এবং ৯টি চৌকি দখল করেছে পাকিস্তানের আর্মি।

এক্সবার্তায় মোশাররফ জাইদি জানিয়েছন, পিএএফের বোমাবর্ষণে ইতোমধ্যে আফগান সেনাবাহিনীর দু’টি সেনা হেডকোয়ার্টার, ৩টি ব্রিজ হেডকোয়ার্টার, দু’টি গোলাবারুদের ডিপো, একটি লজিস্টিক ঘাঁটি, ৩টি ব্যাটালিয়ন হেডকোয়ার্টার, ২টি সেক্টর হেডকোয়ার্টার, ৮০টিরও বেশি ট্যাংক এবং বিপুল সংখ্যক আর্টিলারি বন্দুক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়েছে।

গত ২১ ফেব্রুয়ারি শনিবার আফগানিস্তানের নানগারহার এবং পাকতিয়া প্রদেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় ব্যাপক বোমাবর্ষণ করেছিল পাকিস্তানের বিমান বাহিনী। এতে নিহত হয়েছিলেন ৮০ জনেরও বেশি মানুষ। সংক্ষিপ্ত সেই অভিযানের পর পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর আন্তঃসংযোগ দপ্তর (আইএসপিআর) থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, পাকিস্তানের তালেবানপন্থি নিষিদ্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে এ অভিযান চালানো হয়েছিল এবং যারা নিহত হয়েছে— তারা সবাই টিটিপির যোদ্ধা।

তবে আফগানিস্তানে ক্ষমতাসীন তালেবান সরকার পাল্টা দাবি করেছিল, জঙ্গিঘাঁটি নয়, লোকালয়ে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী। তার পরেই তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিল, “এর বদলা আমরা নেবো।”

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার আফগান সীমান্তবর্তী ডুরান্ড লাইনে অবস্থিত পাক সেনাচৌকিগুলো লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকজন সেনাকে হত্যা এবং কয়েকজন সেনাকে অপহরণ করে আফগান সেনারা। তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লা মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় বলেন, “আমাদের সেনারা নাইট ভিশন এবং লেজ়ার নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। এ বার ওদের (পাকিস্তানি সেনাবাহিনী) আমরা নরকে পাঠাব।”

সীমান্ত এলকায় হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু করেছে পাকিস্তান।

সূত্র : ডন, এনডিটিভি

এমএন

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথমবার নারী সেনাপ্রধান নিয়োগ

Published

on

পর্ষদ

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে একজন নারী নিয়োগ পেয়েছেন। দেশটির সরকার জানিয়েছে, লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কইল আগামী জুলাই থেকে অস্ট্রেলিয়ার সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দেবেন।

তিনি বর্তমানে জয়েন্ট ক্যাপাবিলিটিজ বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন দায়িত্বে তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইমন স্টুয়ার্টের স্থলাভিষিক্ত হবেন। এই সিদ্ধান্তকে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীর বড় ধরনের নেতৃত্ব পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সরকার বলেছে, এই নিয়োগ নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর একটি অংশ। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নারীদের অংশগ্রহণ প্রায় ২১ শতাংশ। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ২৫ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, অস্ট্রেলিয়ার ১২৫ বছরের সেনা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী সেনাবাহিনী প্রধান হচ্ছেন, যা একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস বলেন, সুসান কইলের এই অর্জন নারীদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হবে, বিশেষ করে যারা ভবিষ্যতে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চান।

সুসান কইল ১৯৮৭ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং দীর্ঘ কর্মজীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

এদিকে সরকার একই সঙ্গে নৌবাহিনীর প্রধানকে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীর সর্বোচ্চ পদে নিয়োগ দিয়েছে। পাশাপাশি নৌবাহিনীর বর্তমান উপপ্রধান নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।

সূত্র : রয়টার্স

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর তেলের দাম বাড়ল প্রায় ৮ শতাংশ

Published

on

পর্ষদ

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের সংলাপ ব্যর্থ হওয়া এবং তারপর হরমুজ প্রণালিতে ট্রাম্পের অবরোধ জারির ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোঅধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ৮ শতাংশ। অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দুই ব্র্যান্ড ব্রেন্ট ক্রুড এবং ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিই) উভয়েরই দাম বেড়েছে।

বাজার পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, আজ সোমবার আন্তর্জাতিক বাজার প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড বিক্রি হচ্ছে ১০১ দশমিক ৯১ ডলারে, যা গতকাল রোববারের তুলনায় ৬ দশমিক ৭১ ডলার এবং শতকরা হিসেবে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আর প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিই বিক্রি হচ্ছে ১০৪ দশমিক ১৬ ডলারে, যা গতকাল রোববারের তুলনায় ৭ দশমিক ৫৯ ডলার এবং শতকরা হিসেবে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ বেশি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের সংলাপে ব্যর্থতা এবং হরমুজ প্রণালিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবরোধ জারির ঘোষণা তেলের দামের এই উল্লম্ফনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত বলে জানিয়েছেন অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার বিশেষজ্ঞরা।

আন্তর্জাতিক বাজার পর্যাবেক্ষক সংস্থা এমএসটি মারকুই’র জ্বালানি গবেষণা বিভাগের প্রধান সাউল কাভোনিক রয়টার্সকে এ প্রসঙ্গে বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনার দেখা দেওয়ার পর তেলের দাম কমে আসছিল, কিন্তু ইসলামাবাদে সংলাপে ব্যর্থতা এবং হরমুজ প্রণালিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবরোধ জারির ঘোষণার পর থেকে জ্বালানি তেলের বাজার আবার যুদ্ধাবস্থায় ফিরে গেছে।”

ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি গত দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে যুক্তরাষ্ট্রের। এ দুই ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনই নিহত হন আয়তুল্লাহ খামেনি, যিনি টানা ৩৭ বছর ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্ত্রী, কন্যা, নাতি, এবং ছেলে মোজতবা খামেনির স্ত্রীও নিহত হন, এবং মোজতবা নিজে হন গুরুতর আহত।

কূটনৈতিক পন্থায় উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে গত ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তারই ধারাবাহিকতায় ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সংলাপে বসেছিলেন দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধিরা; কিন্তু ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পর কোনো সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়াই শেষ হয়েছে সেই বৈঠক।

সূত্র : রয়টার্স

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর থেকে মাত্র কয়েক ইঞ্চি দূরে ছিলাম : আরাগচি

Published

on

পর্ষদ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ অবসান করতে ইসলামাবাদে সংলাপে ইরান আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা নিয়ে যোগ দিয়েছিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের অনেক কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল; কিন্তু মার্কিন প্রতিনিধিদের চরম অবস্থান, সংলাপের ইস্যু পরিবর্তন এবং অবরোধের কারণে তা ব্যর্থ হয়েছে।

গতকাল রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। সংলাপ ব্যর্থ হওয়ায় হতাশাও প্রকাশ করেছেন তিনি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এক্সবার্তায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “৪৭ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রথম সরাসরি ও নিবিড় সংলাপে ইরান সদিচ্ছা নিয়েই অংশ নিয়েছিল। ইরানের লক্ষ্য ছিল যুদ্ধের অবসান।”

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কিন্তু যখন আমরা ‘ইসলামাবাদ মেমোর‌্যান্ডম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (এমওইউ)’ চুক্তি স্বাক্ষর থেকে মাত্র কয়েক ইঞ্চি দূরে, সে সময় (অপরপক্ষের) চরম অবস্থান, আলোচনার লক্ষ্য পরিবর্তন এবং অবরোধের মুখোমুখি হতে হয় আমাদের। (এই সংলাপ থেকে) আমাদের শিক্ষা এবং প্রাপ্তি শূন্য। সদিচ্ছা থেকেই সদিচ্ছার জন্ম হয়, শত্রুতা ডেকে আনে শত্রুতা।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি গত দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে যুক্তরাষ্ট্রের। এ দুই ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনই নিহত হন আয়তুল্লাহ খামেনি, যিনি টানা ৩৭ বছর ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্ত্রী, কন্যা, নাতি, এবং ছেলে মোজতবা খামেনির স্ত্রীও নিহত হন, এবং মোজতবা নিজে হন গুরুতর আহত।

কূটনৈতিক পন্থায় উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে গত ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তারই ধারাবাহিকতায় ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সংলাপে বসেছিলেন দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধিরা; কিন্তু ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পর কোনো সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়াই শেষ হয়েছে সেই বৈঠক।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা ব্যর্থ, মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা

Published

on

পর্ষদ

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এবং কূটনৈতিক টানাপোড়েনে ঠাসা ইসলামাদের শান্তি আলোচনা কোনো ইতিবাচক ফলাফল ছাড়াই শেষ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘চূড়ান্ত প্রস্তাব’ দেওয়ার পর ইরান তা গ্রহণ না করায় কয়েক দশকের বৈরিতা অবসানের যে ক্ষীণ আশা দেখা দিয়েছিল, তা আপাতত স্তিমিত হয়ে পড়েছে।

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উভয় পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আলোচনার প্রেক্ষাপট ও ওয়াশিংটনের ‘চূড়ান্ত প্রস্তাব’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পাকিস্তান ত্যাগ করার আগে সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, তেহরানের প্রতিনিধি দল ওয়াশিংটনের দেওয়া শর্তগুলো মেনে নিতে অস্বীকার করেছে।

তিনি বলেন, এটিই আমাদের শেষ এবং সর্বোত্তম প্রস্তাব ছিল। আমরা আলোচনার জন্য আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, কিন্তু ইরান পক্ষ থেকে গঠনমূলক সাড়া পাওয়া যায়নি।

ওয়াশিংটনের এই ‘টেক ইট অর লিভ ইট’ (গ্রহণ করো অথবা ছাড়ো) নীতি আলোচনার টেবিলে এক ধরনের অচলাবস্থা তৈরি করে। মার্কিন প্রশাসনের মতে, তারা ইরানের ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিনিময়ে তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে চেয়েছিল। কিন্তু ইরানের কাছে এই শর্তগুলো ছিল একতরফা এবং সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী।

তেহরানের প্রতিক্রিয়া: ‘অত্যধিক চাহিদা’ ও আস্থার সংকট

অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ব্যর্থতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের “অত্যধিক দাবি” বা অতিরিক্ত চাহিদা পূরণ না হওয়াকে দায়ী করেছে। তেহরানের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানান যে, আলোচনাটি শুরু থেকেই ‘অবিশ্বাস, সন্দেহ এবং দ্বিধাদ্বন্দ্বের‘মধ্যে আচ্ছন্ন ছিল।

ইরানের দাবি ছিল, যেকোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই তেহরানের ওপর আরোপিত সকল অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার করতে হবে এবং ভবিষ্যতে কোনো প্রশাসন যাতে একতরফাভাবে চুক্তি থেকে বেরিয়ে না যায়, তার গ্যারান্টি দিতে হবে।

কিন্তু জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রতিনিধি দল এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিতে ব্যর্থ হয়। ইরানের মতে, ওয়াশিংটন কূটনীতির চেয়ে চাপ প্রয়োগের কৌশলকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছে।

পাকিস্তানের ভূমিকা ও ইসলামাবাদের বর্তমান চিত্র‘

শান্তি আলোচনার আয়োজক দেশ হিসেবে পাকিস্তান একটি নিরপেক্ষ সেতুবন্ধন তৈরির চেষ্টা করেছিল। দীর্ঘ কয়েক দিন ধরে চলা এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল ইসলামাবাদের কড়া নিরাপত্তা বেষ্টিত ডিপ্লোম্যাটিক এনক্লেভ। আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরই শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো ব্যানার এবং বিলবোর্ডগুলো শ্রমিকদের সরিয়ে ফেলতে দেখা যায়। যে সাজসাজ রব এবং আশার আলো নিয়ে এই বৈঠকের সূচনা হয়েছিল, তার সমাপ্তি ঘটল এক বিষণ্ণ পরিবেশে।

ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে এখন কী পথ খোলা?

বিবিসির প্রধান আন্তর্জাতিক সংবাদদাতার মতে, এই আলোচনা ব্যর্থ হওয়া খুব একটা আশ্চর্যজনক ছিল না। তবে এই ব্যর্থতা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে একটি কঠিন পরিস্থিতির মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। এখন তার সামনে দুটি পথ খোলা আছে।

১. সংঘাত বাড়ানো (Escalation): যদি কূটনীতি ব্যর্থ হয়, তবে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের নীতি আরও কঠোর করতে পারে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।

২. পুনরায় আলোচনা (Negotiation): আপাতদৃষ্টিতে আলোচনা শেষ মনে হলেও, পর্দার আড়ালে বা অন্য কোনো মাধ্যমে আবারও আলোচনার সুযোগ খোঁজা। তবে জেডি ভ্যান্সের ‘চূড়ান্ত অফার’ মন্তব্যের পর সেই সম্ভাবনা এখন ক্ষীণ।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি বরাবরই অনিশ্চয়তায় ঘেরা। তিনি হয়তো আরও কঠোর অবরোধের মাধ্যমে ইরানকে আবারও আলোচনার টেবিলে ফিরে আসতে বাধ্য করতে চাইবেন।

লেবানন ও ইসরায়েল: অন্য এক ফ্রন্টে উত্তেজনা

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার ব্যর্থতার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের অন্য প্রান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা লেবাননের একটি রকেট লঞ্চারে হামলা চালিয়েছে। লেবাননে হিজবুল্লাহর বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশের ছবি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে এসেছে, যা ওই অঞ্চলের অস্থিতিশীলতার প্রমাণ দেয়।

মজার বিষয় হলো, একদিকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে, অন্যদিকে ইসরায়েল ও লেবানন আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই দ্বিমুখী কূটনৈতিক তৎপরতা মধ্যপ্রাচ্যের জটিল রাজনীতিকে আরও ধোঁয়াশাপূর্ণ করে তুলেছে।

আগামীর সংকট: কী ঘটতে যাচ্ছে?

বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনীতি বিশেষজ্ঞরা এখন ‘পরবর্তী পদক্ষেপ কী?এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন। শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। এছাড়া পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নৌ-চলাচলে নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি যদি কোনো নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই এগিয়ে চলে, তবে ইসরায়েল সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিতে পারে, যা একটি পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক যুদ্ধের সূচনা করতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং চীন, উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই আহ্বান কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই ব্যর্থ সংলাপ মূলত দীর্ঘদিনের লালিত অবিশ্বাসেরই ফল। জেডি ভ্যান্সের বিদায় এবং তেহরানের কঠোর অবস্থান প্রমাণ করে যে, কেবল টেবিলের বৈঠকে এই সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর যে স্বপ্ন বিশ্ববাসী দেখেছিল, তা আবারও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে পা বাড়াল।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ এখন নির্ধারণ করবে পৃথিবী একটি নতুন যুদ্ধের মুখোমুখি হবে, নাকি দীর্ঘমেয়াদী স্নায়ুযুদ্ধের পথে হাঁটবে। আপাতত, ইসলামাবাদের আকাশ থেকে শান্তির পায়রা উড়ে গিয়ে সেখানে জমাট বেঁধেছে ঘন কালচে মেঘ।

সূত্র: বিবিসি

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

আলোচনা ব্যর্থ, ট্রাম্পের সামনে কঠিন ৩ পথ

Published

on

পর্ষদ

যুদ্ধবিরতি নিযে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনা হয়েছে। কিন্তু ইরান আর যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষই কোনো চুক্তিতে যাওয়ার বিষয়ে সম্মত হতে পারেনি। তবে এই আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে এখন তিনটি কঠিন পথ খোলা আছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্যমতে, প্রথমত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয়ত, যুদ্ধ আবার শুরু করা, যা ইতোমধ্যে আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে। তৃতীয়ত, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘ লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়া।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, পরবর্তী পদক্ষেপ ঘোষণা করবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই। তিনি সাপ্তাহিক ছুটিতে ফ্লোরিডায় গেছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এর আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘আমরা আমাদের রেড লাইন স্পষ্ট করে দিয়েছি। কোন বিষয়ে ছাড় দিতে রাজি আছি সেটাও বলেছি। তারা আমাদের শর্ত মানতে রাজি হয়নি।’

বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের ভাষায়, ইরানের উচিত সহজভাবে ‘আত্মসমর্পণ’ করা। কিন্তু অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে ভিন্ন কথা। ওবামা আমলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে শেষ বড় চুক্তি হতে দুই বছর লেগেছিল। সেই চুক্তিতেও ইরানকে অল্প পরিমাণ পারমাণবিক মজুদ রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

মূল সমস্যা দেখা দিয়েছে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে। এ বিষয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থানের কথা জানিয়ে ইরান বলছে, পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির স্বাক্ষরকারী হিসেবে নিজের মাটিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা তাদের অধিকার।

তবে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এটাই প্রমাণ করে ইরান সবসময় পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ রাখতে চায়। ৪০ দিনের যুদ্ধ এই অবস্থানকে নরম করেনি, বরং আরও শক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমাদের প্রিয়জনদের ক্ষতি আমাদের জাতির স্বার্থ ও অধিকার রক্ষার সংকল্পকে আগের চেয়ে আরও দৃঢ় করেছে।’

শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষই মনে করছে প্রথম দফায় তারা জিতেছে। সে কারণে কেউই এখন সমঝোতার মেজাজে নেই। তবে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শেষ হচ্ছে ২১ এপ্রিল। তবে যুদ্ধ আবার শুরুর হুমকি ট্রাম্পের হাতে সবচেয়ে বড় চাপ তৈরির হাতিয়ার। কিন্তু এই পথে রাজনৈতিক মূল্য অনেক বেশি। কারণ বিশ্বের মোট তেলের ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়। যুদ্ধ আবারও শুরু হলে বাজার পড়বে, সংকট বাড়বে, মূল্যস্ফীতি আরও চাপে পড়বে, যা এখনই ৩.৩ শতাংশে আছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

পর্ষদ পর্ষদ
পুঁজিবাজার6 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো এসকোয়ার নিট

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এসকোয়ার নিট কম্পোজিট পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২০ এপ্রিল বিকাল ৪টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা...

পর্ষদ পর্ষদ
পুঁজিবাজার6 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ইউনিলিভার কনজিউমার

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২০ এপ্রিল বিকাল ৪টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা...

পর্ষদ পর্ষদ
পুঁজিবাজার6 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পিপলস ইন্স্যুরেন্স

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পিপলস ইন্স্যুরেন্স পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২৩ এপ্রিল বিকাল ৩টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত...

পর্ষদ পর্ষদ
পুঁজিবাজার7 hours ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৩০ কোটি টাকার

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৪১টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৩০ কোটি...

পর্ষদ পর্ষদ
পুঁজিবাজার7 hours ago

দরপতনের শীর্ষে মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক...

পর্ষদ পর্ষদ
পুঁজিবাজার7 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯০টি কোম্পানির মধ্যে ১২৩টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

পর্ষদ পর্ষদ
পুঁজিবাজার7 hours ago

লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে খান ব্রাদার্স পি.পি. ওভেন ব্যাগ...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
পর্ষদ
জাতীয়3 hours ago

দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

পর্ষদ
রাজধানী3 hours ago

রাস্তা ও ফুটপাতে রাখা যাবে না নির্মাণ সামগ্রী: ডিএমপির কঠোর হুঁশিয়ারি

পর্ষদ
জাতীয়4 hours ago

সেনাবাহিনীর কাছে থেকে ক্ষতিপূরণ পাননি গুম হওয়া আমান আযমী

পর্ষদ
অর্থনীতি4 hours ago

কোম্পানির রিটার্ন দাখিলের সময় আরও ১ মাস বৃদ্ধি

পর্ষদ
রাজনীতি4 hours ago

মান্ডায় জামায়াতের উদ্যোগে ১৮ শিশুর বিনামূল্যে সুন্নাতে খতনা সম্পন্ন

পর্ষদ
জাতীয়4 hours ago

হজ যাত্রীদের টিকেটের দাম কমলো ১২ হাজার টাকা

পর্ষদ
অর্থনীতি4 hours ago

মানি মার্কেটে লেনদেনভিত্তিক রেফারেন্স রেট চালু করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

পর্ষদ
অর্থনীতি4 hours ago

জিডিপি নিয়ে তথ্য-উপাত্তের কোনো ভুল গালগল্প চলবে না

পর্ষদ
সারাদেশ5 hours ago

ইলিশের বাড়িতেও বৈশাখের আগুন

পর্ষদ
প্রবাস5 hours ago

ফ্রান্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জনপ্রতিনিধিদের নতুন প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ

পর্ষদ
জাতীয়3 hours ago

দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

পর্ষদ
রাজধানী3 hours ago

রাস্তা ও ফুটপাতে রাখা যাবে না নির্মাণ সামগ্রী: ডিএমপির কঠোর হুঁশিয়ারি

পর্ষদ
জাতীয়4 hours ago

সেনাবাহিনীর কাছে থেকে ক্ষতিপূরণ পাননি গুম হওয়া আমান আযমী

পর্ষদ
অর্থনীতি4 hours ago

কোম্পানির রিটার্ন দাখিলের সময় আরও ১ মাস বৃদ্ধি

পর্ষদ
রাজনীতি4 hours ago

মান্ডায় জামায়াতের উদ্যোগে ১৮ শিশুর বিনামূল্যে সুন্নাতে খতনা সম্পন্ন

পর্ষদ
জাতীয়4 hours ago

হজ যাত্রীদের টিকেটের দাম কমলো ১২ হাজার টাকা

পর্ষদ
অর্থনীতি4 hours ago

মানি মার্কেটে লেনদেনভিত্তিক রেফারেন্স রেট চালু করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

পর্ষদ
অর্থনীতি4 hours ago

জিডিপি নিয়ে তথ্য-উপাত্তের কোনো ভুল গালগল্প চলবে না

পর্ষদ
সারাদেশ5 hours ago

ইলিশের বাড়িতেও বৈশাখের আগুন

পর্ষদ
প্রবাস5 hours ago

ফ্রান্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জনপ্রতিনিধিদের নতুন প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ

পর্ষদ
জাতীয়3 hours ago

দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

পর্ষদ
রাজধানী3 hours ago

রাস্তা ও ফুটপাতে রাখা যাবে না নির্মাণ সামগ্রী: ডিএমপির কঠোর হুঁশিয়ারি

পর্ষদ
জাতীয়4 hours ago

সেনাবাহিনীর কাছে থেকে ক্ষতিপূরণ পাননি গুম হওয়া আমান আযমী

পর্ষদ
অর্থনীতি4 hours ago

কোম্পানির রিটার্ন দাখিলের সময় আরও ১ মাস বৃদ্ধি

পর্ষদ
রাজনীতি4 hours ago

মান্ডায় জামায়াতের উদ্যোগে ১৮ শিশুর বিনামূল্যে সুন্নাতে খতনা সম্পন্ন

পর্ষদ
জাতীয়4 hours ago

হজ যাত্রীদের টিকেটের দাম কমলো ১২ হাজার টাকা

পর্ষদ
অর্থনীতি4 hours ago

মানি মার্কেটে লেনদেনভিত্তিক রেফারেন্স রেট চালু করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

পর্ষদ
অর্থনীতি4 hours ago

জিডিপি নিয়ে তথ্য-উপাত্তের কোনো ভুল গালগল্প চলবে না

পর্ষদ
সারাদেশ5 hours ago

ইলিশের বাড়িতেও বৈশাখের আগুন

পর্ষদ
প্রবাস5 hours ago

ফ্রান্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জনপ্রতিনিধিদের নতুন প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ