খেলাধুলা
আইপিএলের সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত অর্থসংবাদের
আইপিএলের সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অনলাইন বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদ। বাংলাদেশের অন্যতম সেরা পেস বোলার মোস্তাফিজুর রহমানকে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল) থেকে বাদ দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে অর্থসংবাদ এ সিদ্ধান্ত নেয়।
কলকাতা নাইট রাইডার্সকে তাদের স্কোয়াড থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয় ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। এই নির্দেশের পরই কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানায়। মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়ার পর অর্থসংবাদ আইপিএলের সমস্ত সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়।
বিসিসিআইয়ের অনুরোধেই মোস্তাফিজকে আইপিএলে খেলার ছাড়পত্র দিয়েছিল বিসিবি।নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের জন্য আট দিন বাদে আইপিএলে বাকি সময়ের জন্য মোস্তাফিজকে খেলার ছাড়পত্র দিয়েছিল বিসিবি।
সেটি জেনেই গত মাসে অনুষ্ঠিত নিলামে মোস্তাফিজকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। আগামী ২৬ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া আইপিএলের শুরুতেই এই ফ্র্যাঞ্চাইজি দলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল মোস্তাফিজের। কিন্তু হুট করেই এল এমন খবর। তবে মোস্তাফিজকে ছেড়ে দিতে বলার সিদ্ধান্তের কথা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিসিবিকে জানায়নি বিসিসিআই।
আইপিএলে মোস্তাফিজের খেলার ছাড়পত্র (এনওসি) দিতে বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকেই অনুরোধ এসেছিল জানিয়ে বিসিবির একজন কর্মকর্তা মিডিয়াকে বলেছেন, ‘খবরটা দেখেছি। কিন্তু এখনো তাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের কিছু জানানো হয়নি। জানানোর পর আমরা প্রতিক্রিয়া জানাতে পারব।’
বিসিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, বিসিসিআই আনুষ্ঠানিকভাবে বিসিবিকে জানালেও খুব বেশি কিছু করার থাকবে না। বিসিবি বড়জোর অনুরোধ করতে পারে বিসিসিআইয়ের কাছে। কিন্তু আইপিএলে কে খেলবে, তা ঠিক করবে বিসিসিআই ও ভারত সরকারই।
এর আগে গুয়াহাটিতে আজ বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে বিসিসিআই কেকেআর ফ্র্যাঞ্চাইজিকে তাদের দলে থাকা বাংলাদেশের খেলোয়াড় মোস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। বিসিসিআই আরও বলেছে, তারা যদি খেলোয়াড় বদলাতে চায়, বিসিসিআই সেই অনুমতিও দেবে।’
কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে মোস্তাফিজের চুক্তি নিয়ে দেশটির ধর্মীয় আধ্যাত্মিক গুরু দেবকীনন্দন ঠাকুর এর আগে এএনআইকে বলেছেন, ‘কেকেআরের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ও তাদের শীর্ষ নেতৃত্বের ওই ক্রিকেটারকে (মোস্তাফিজুর রহমান) দল থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত।’
মোস্তাফিজকে কেনায় কলকাতা নাইট রাইডার্সের মালিক এবং বলিউড কিংবদন্তি শাহরুখ খানকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলেছেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা সঙ্গীত সোম। এসবের প্রতিক্রিয়াতেই এ সিদ্ধান্ত নিল বিসিসিআই।
গত মাসে অনুষ্ঠিত আইপিএলের নিলামে মোট সাতজন ক্রিকেটার নাম দিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে একমাত্র মোস্তাফিজই দল পান। ভারতের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়ার রেকর্ডটি এবারই গড়েছিলেন মোস্তাফিজ।
খেলাধুলা
‘বাপের দোয়া-মায়ের দোয়া’ কমিটি নয়, তামিমের নেতৃত্বেই বিসিবি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) বর্তমানে যে আহ্বায়ক কমিটি কাজ করছে, সেটি খেলোয়াড় তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এখানে কোনোভাবে ‘বাপের দোয়া-মায়ের দোয়া’ কমিটি করা হয়নি।
বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ এর একটি প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “বিসিবি এবং দেশের ক্লাবগুলোতে আগের অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টারা প্রভাব বিস্তার করতেন। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার পরিস্থিতি তদন্ত করে বোর্ড ভেঙে দিয়েছে। এরপর তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে।”
এর আগে সংসদে হাসনাত আব্দুল্লাহ মন্তব্য করেছিলেন, “বিসিবি এখন ‘বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড’ হয়ে গেছে।” এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, বোর্ডের কার্যক্রম এখন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং নিয়ম অনুসারে পরিচালিত হচ্ছে।
একই দিনে জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল, ২০২৬ পাস হয়। বিলের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার আইনগত ভিত্তি আরও নিশ্চিত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন।
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান আপত্তি জানিয়ে বলেন, বিলটি পড়ার জন্য সময় কম পেয়েছেন এবং আইনটি স্পর্শকাতর। এ বিষয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জবাবে জানান, বিলের এই পর্যায়ে আর আপত্তি গ্রহণযোগ্য নয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ ও নেতাদের বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দলটির সব কার্যক্রম বন্ধ রাখার বিধান রয়েছে।
খেলাধুলা
তামিমের নেতৃত্বে বিসিবিতে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নতুন করে ১১ সদস্যের একটি এডহক কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল আহসান।
তিনি জানান, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে সভাপতি করে তিন মাসের জন্য এই এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নতুন এই কমিটি আগামী তিন মাস বিসিবির কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তামিম ইকবাল, সঙ্গে রয়েছেন আরও ১০ জন সদস্য।
ক্রিকেট বোর্ড একটি স্বশাসিত সংস্থা হওয়ায় এর কাঠামোগত পরিবর্তন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-এর নজরদারির মধ্যে পড়ে। এ বিষয়ে এনএসসি ইতোমধ্যে আইসিসিকে ই-মেইলের মাধ্যমে বর্তমান বোর্ড ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। পাশাপাশি নতুন এডহক কমিটির তালিকাও সংস্থাটির কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ক্রীড়া পরিচালক।
এনএসসির গঠিত ১১ সদস্যের এডহক কমিটির সদস্যরা হলেন- রাশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, মিনহাজুল আবেদীন, আতহার আলী খান, তানজিল চৌধুরী, সালমান ইস্পাহানি, রফিকুল ইসলাম ও ফাহিম সিনহা।
নতুন এই কমিটির মাধ্যমে দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে সাময়িক পরিবর্তন এলেও, আইসিসির অবস্থান ও অনুমোদনের বিষয়টি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
খেলাধুলা
ইতিহাসের সামনে বাংলাদেশ, ইউরোপে প্রথম প্রতিপক্ষ সান মারিনো
দেশের ফুটবল ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। প্রথমবারের মতো ইউরোপের কোনো দেশের বিপক্ষে মাঠে নামতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। আগামী ৫ জুন ইউরোপের দেশ সান মারিনোর বিপক্ষে একটি আন্তর্জাতিক ফিফা টায়ার-১ প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে সান মারিনোর মাটিতে। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো ইউরোপের মাটিতে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করবে বাংলাদেশ।
ম্যাচটি দুই দলের জন্যই ঐতিহাসিক মাইলফলক হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ যেমন প্রথমবার কোনো ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে, তেমনি সান মারিনোও তাদের ইতিহাসে প্রথমবার খেলবে কোনো এশিয়ান দলের বিপক্ষে।
এই আন্তর্জাতিক ম্যাচটি নিয়ে দুই দেশের ফুটবল ফেডারেশনই উচ্ছ্বসিত। বাফুফে জানিয়েছে, ম্যাচটি দুই দলের খেলোয়াড়দের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের পরখ করে নেওয়ার ভালো সুযোগ তৈরি করবে, যা ফুটবলের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে দুই দেশের ফেডারেশনের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলেও আশা করা হচ্ছে।
খেলাধুলা
হামজা-জামালদের নতুন কোচের সন্ধানে বাফুফে
২০২২ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করছেন হাভিয়ের কাবরেরা। দীর্ঘ চার বছরে তার অধীনে বাংলাদেশের প্রাপ্তি মিশ্র। ৩৯ ম্যাচের মধ্যে জয় মাত্র ১০টি, সেগুলোও তুলনামূলক দুর্বল দলের বিপক্ষে। সদ্য শেষ হওয়া বাছাইয়ে ভারতের বিপক্ষে পাওয়া জয়টিই সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি।
দেশের ফুটবল মহলের একটি বড় অংশ অবশ্য কাবরেরার পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে লম্বা সময়ের কোচ তিনি। এই স্প্যানিশ কোচের অধীনে দলের খেলার ধরনে উন্নতি এলেও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আসেনি। বিশেষ করে হামজা চৌধুরী ও শামিতদের মতো প্রবাসী ফুটবলারদের নিয়েও এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে বাংলাদেশ আশানুরূপ সাফল্য না পাওয়ায় সমালোচনা বেড়েছে। তাই কাবরেরার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয় এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচের পর থেকে।
এই কোচের ভবিষ্যৎ নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সভাপতিত্বে ন্যাশনাল টিমস কমিটির আলোচনায় বসে গতকাল শনিবার। বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য ও বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু জানিয়েছেন, কোচের সন্ধানে আছেন তারা।
তবে কাবরেরাও আবেদন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন বাবু। ‘আপনারা জানেন, আমাদের বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ কাবরেরার চুক্তি আছে এপ্রিল মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত। যার পরিপ্রেক্ষিতে এখন থেকেই আমরা নতুন কোচের সন্ধান আমরা নেমেছি। আমরা এখন থেকেই আমরা চেষ্টা করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে কাবরেরাও সাক্ষাৎকার দিতে পারবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের ন্যাশনাল টিমস ম্যানেজমেন্ট কমিটি, আমাদের সভাপতি তাবিথ আউয়ালের নেতৃত্বে কমিটিতে যারা থাকবেন, তারা সিদ্ধান্ত নেবেন পরবর্তী কোচ কে হবেন।
এখন পর্যন্ত যেহেতু আমাদের এই ৩০ তারিখ পর্যন্ত কাবরেরার সাথে চুক্তি রয়েছে, অতএব সে এখন পর্যন্ত আমাদের আছে। এখন থেকে যে কোচের ইন্টারভিউ আমরা নেব, তার ওপর নির্ভর করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব আমরা।’
‘ভালো বিকল্প’ না পেলে কাবরেরাকে রেখে দেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন বাবু। বাফুফের মিডিয়া কমিটির এই চেয়ারম্যান বলেন, ‘না, তাকে বাদ দিয়ে ভাবছি না কিংবা তাকে নিয়ে চিন্তা করছি, তাও কিন্তু না। এখানে সবচেয়ে বড় ব্যাপারটা হচ্ছে যে, আমাদের তার সঙ্গে আরও এক মাসের চুক্তি আছে। ৩০ এপ্রিল আমাদের চুক্তি শেষ হবে। যে কারণে, এখন থেকেই আমরা তার চেয়ে ভালো কোচ পাওয়ার চেষ্টা আমরা করছি। আমরা যদি আরও ভালো মানে কোচ পাই, অবশ্যই তখন আমরা সেই চিন্তা করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কাউকে কোনো প্রাধান্য দেব না। আমাদের ন্যাশনাল টিম ম্যানেজমেন্ট কমিটির সব কর্মকর্তারা মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন। সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে- আমরা আজকে থেকেই সিভি নেওয়া শুরু করে দেব এবং বিদেশেও যোগাযোগ করব, প্রত্যেকটা দেশের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করব, প্রত্যেকটা দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করব। যদি কারোর কাছে আরও বেটার কোনো কিছু থাকে, তাহলে আমরা সেটাই আমরা বেছে নিব। কাবরেরার এই মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো সিদ্ধান্ত নিব না।’
জাতীয় দল কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নতুন কোচকে দুই বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে একজন নতুন গোলরক্ষক কোচও দুই বছরের জন্য নিয়োগ দেবে বাফুফে।
কমিটির সভায় সদ্য সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী দল নিয়েও কথা হয়েছে। আলোচনা হয়েছে আগামী জুনের ফিফা উইন্ডো কাজে লাগানোর বিষয়েও।
‘আগামী জুনে ফিফা উইন্ডো আছে এবং সেই ফিফা উইন্ডোতে বাংলাদেশ চেষ্টা করছে খেলার জন্য। সেটার জন্য আমরা অনূর্ধ্ব-২৩ জাতীয় ফুটবল দল গঠন করার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। এই দলটা সর্বক্ষণিক প্র্যাকটিসে থাকবে।’
বাবু বলেন, ‘জুনের ফিফা উইন্ডোতে আমরা থাইল্যান্ড অথবা মিয়ানমার-এই ধরনের দলের সঙ্গে, একটু মানসম্পন্ন দলের সঙ্গে আমরা চেষ্টা করব খেলার জন্য।’
খেলাধুলা
একই দিনে বিসিবির চার পরিচালকের পদত্যাগ
মুখে যতই বলেন, কোনো সংকট নেই, বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কথার সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই। শনিবার (৪ এপ্রিল) একই দিনে পদত্যাগ করেছেন চারজন পরিচালক। ২৫ সদস্যের কমিটিতে এই নিয়ে দায়িত্ব ছাড়লেন সাতজন।
শনিবার ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বোর্ড সভা। সভার এজেন্ডা ছাপিয়ে আলোচনায় পদত্যাগ। প্রথমে পদত্যাগ করেন ফায়াজুর রহমান মিতু। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগ করেন। বিসিবির বোর্ড মিটিং শেষে পদত্যাগের চিঠি দিয়েছেন। বিসিবির ডিসিপ্লিনারি কমিটির চেয়ারম্যান ও সিসিডিএমের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন ফাইয়াজুর রহমান।
তার দেখানো পথে হেঁটে মধ্যরাতে বোর্ড ছেড়েছেন ফ্যাসিলিটিজ বিভাগের চেয়ারম্যান শাহনিয়ান তানিম ও সিকিউরিটি বিভাগের চেয়ারম্যান মেহরব আলম চৌধুরী। এখানেই শেষ হয়নি। সর্বশেষ রাতে পদত্যাগ করেন মনজুর আলম।
গতকাল পদত্যাগ করা চারজনই অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর আগে ইশতিয়াক সাদেক আমজাদ হোসেন ও ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল পদত্যাগ করেন। যাদের মধ্যে ফয়সাল ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত পরিচালক।
বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচনে অনিয়মের তদন্ত করতে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। এনএসসিতে কমিটির মুখোমুখি হয়েছেন বেশ কয়েকজন পরিচালক। ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা রয়েছে। জানা গেছে, দুয়েকদিনের মধ্যেই সেই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
এমন সময়ে পরিচালকদের একে একে সরে দাঁড়ানোতে অনেকে পাচ্ছেন রহস্যের গন্ধ। বর্তমান বোর্ড নিয়ে যে অনেকেই সন্দিহান।



