আন্তর্জাতিক
মেক্সিকোয় শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ২
মেক্সিকোর রাজধানী মেক্সিকো সিটি ও প্রশান্ত মহাসাগর উপকূলের একটি পর্যটন এলাকায় ৬.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত দুইজন নিহত এবং ভূমিকম্পের কেন্দ্রের কাছের একটি ছোট শহরে মাঝারি মাত্রার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, স্থানীয় সময় সকাল ৮টার কিছু আগে আকাপুলকোর কাছে এই ভূমিকম্পটি ঘটে। আকাপুলকো একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকত এলাকা।
ভূমিকম্পের কম্পন প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে উত্তরের মেক্সিকো সিটিতেও অনুভূত হয়। সেখানে সতর্কতামূলক অ্যালার্ম বেজে ওঠায় ছুটির সপ্তাহান্তে আতঙ্কে মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য রাস্তায় নেমে আসে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, রাজধানীতে দ্বিতীয় তলার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বের হওয়ার সময় পড়ে গিয়ে ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি মারা যান।
মেক্সিকো সিটির মেয়র ক্লারা ব্রুগাদা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, আরও ১২ জন আহত হয়েছেন। তবে দেশের সবচেয়ে বড় শহরটিতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ভূমিকম্পের সময় প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাম তার নিয়মিত সকালবেলার সংবাদ সম্মেলন চলাকালে প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
মেক্সিকোর জাতীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানায়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল গুয়েরেরো অঙ্গরাজ্যের সান মার্কোস শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে।
প্রেসিডেন্ট শেইনবাম বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে বড় ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে সান মার্কোস শহরে ভূমিকম্পের প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা গেছে।
গুয়েরেরোর গভর্নর এভেলিন সালগাদো জানান, পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সী এক নারী তার বাড়ি ধসে পড়ায় প্রাণ হারান।
সান মার্কোসের মেয়র মিসায়েল লোরেনসো কাস্তিয়ো বলেন, প্রায় ৫০টি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং “প্রায় সব বাড়িতেই ফাটল দেখা দিয়েছে”।
স্থানীয় বাসিন্দারা এক এএফপি সাংবাদিককে তাদের বাড়ির দেয়ালে ফাটল ও ধসে পড়া অংশ দেখান।
নিজের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে স্থানীয় বাসিন্দা রোগেলিও মোরেনো বলেন, “সান মার্কোস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পুরোপুরি বিপর্যস্ত।
এমকে
আন্তর্জাতিক
রমজানে ওমরাহ পালনে নতুন নির্দেশনা জারি
চলতি রমজানে ওমরাহ পালনকারীদের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরব। রমজানে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে মুসল্লির সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যাতায়াত ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তাব্যবস্থায় বিশেষ এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নামাজের আগে ও পরে কেন্দ্রীয় এলাকায় অতিরিক্ত ভিড় হয়। তাই নির্ধারিত পথ, সাইনবোর্ড ও নিরাপত্তাকর্মীদের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মসজিদের প্রবেশপথে ডিজিটাল সংকেত বসানো হয়েছে— সবুজ মানে জায়গা খালি, লাল মানে পূর্ণ।
যানজট এড়াতে ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। বাস, ট্যাক্সি ও হারামাইন হাই স্পিড রেলওয়ে ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় এলাকায় মোটরসাইকেল, সাইকেল ও অনুমোদনহীন যানবাহনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বয়স্ক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মুসল্লিদের জন্য আলাদা নামাজের স্থান ও বৈদ্যুতিক কার্টের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিশুদের ঘন ভিড় এলাকায় না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া পানিশূন্যতা এড়ানো, বিশ্রাম নেওয়া, অগ্নিনিরাপত্তাবিধি মানা এবং ডিজিটাল অনুমতিপত্র সংগ্রহ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অস্ত্র বহন, ভিক্ষাবৃত্তি, অননুমোদিত বিক্রি ও চলাচলে বাধা সৃষ্টি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এমএন
আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালীতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই প্রথমবারের মতো সমুদ্রভিত্তিক দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র সায়াদ-৩জি ছুড়েছে ইরান। বৃহৎ সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করে দেশটি।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী পরিচালিত হরমুজ প্রণালীর স্মার্ট কন্ট্রোল শীর্ষক নৌ মহড়ার সময় যুদ্ধজাহাজ শহিদ সায়াদ শিরাজি থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি স্থলভিত্তিক সায়াদ-৩ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নৌ সংস্করণ, যা এই প্রথমবারের মতো সমুদ্রে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হলো।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, আইআরজিসির নৌবাহিনী ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে।সায়াদ-৩জি ক্ষেপণাস্ত্রটি সোজাসুজি উৎক্ষেপণযোগ্য এবং এর কার্যকর দূরপাল্লা প্রায় ১৫০ কিলোমিটার।
হরমুজ প্রণালীতে অনুষ্ঠিত স্মার্ট কন্ট্রোল মহড়া শুরু হয় গত ১৬ ফেব্রুয়ারি এবং এটি টানা তিন দিন ধরে চলে। এই মহড়ার মধ্য দিয়েই তেহরান সমুদ্রভিত্তিক আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতার জানান দিলো বলে অভিমত বিশ্লেষকদের।
দেশটির কর্তৃপক্ষের দাবি, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে শহিদ সোলাইমানি শ্রেণির সামরিক জাহাজগুলোর জন্য আঞ্চলিক আকাশ প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এর আগে সায়াদ-৩ ক্ষেপণাস্ত্রের স্থলভিত্তিক সংস্করণ প্রথম পরীক্ষা করা হয় ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ওই সংস্করণের দূরপাল্লা ছিল ১২০ কিলোমিটার।
এমএন
আন্তর্জাতিক
কোর্টের রায়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, বৈশ্বিক শুল্ক ১০ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বৈশ্বিক শুল্ক হার ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা দিয়েছেন। দেশটির সুপ্রিম কোর্ট তার আমদানি শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিনি দুই দফায় শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন।
এর আগে শুক্রবার ট্রাম্প আদালত কর্তৃক বাতিল হওয়া শুল্কের জায়গায় যুক্তরাষ্ট্রে আসা সব পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা বলেছিলেন।
স্থানীয় সময় শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, আগে কখনো ব্যবহার হয়নি – এমন একটি আইনের অধীনে তিনি এ শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করবেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্ত এমন সময় এল, যখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ওয়াশিংটনের আদায় করা আনুমানিক ১৩৩ বিলিয়ন ডলার ফেরত চাওয়া শুরু করেছে।
ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প বলেন, নতুন শুল্ক ‘অবিলম্বে কার্যকর’ হবে। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের ‘অযৌক্তিক, দুর্বলভাবে লেখা এবং অত্যন্ত আমেরিকাবিরোধী’ রায়ের পর্যালোচনার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) থেকেই তার ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা। এখন সেটি যদি ১৫ শতাংশে উন্নীত করা হয় তাহলে সেটি কখন থেকে কার্যকর হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। এ সংক্রান্ত একটি রুল জারি করে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ৬-৩ ভোটে এই রায় দেয়।
তবে সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ে ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ করে সব দেশের পণ্যের ওপর অন্য আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
আপিল আদালতের রায়কে অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট উল্লেখ করে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন, এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে, তা সত্যিই যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেবে।
এমএন
আন্তর্জাতিক
শিক্ষার্থীদের সরকার বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইরান
গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারির রক্তক্ষয়ী দমনের ক্ষত শুকানোর আগেই আবারও সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইরান। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী তেহরানসহ দেশটির প্রধান প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের বিশাল মিছিল ও অবস্থান ধর্মঘট পালিত হয়েছে। একদিকে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার হুমকির মুখে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
তেহরানের আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান ধর্মঘট পালিত হয়েছে এবং উত্তর-পূর্বে একটি সমাবেশের খবর পাওয়া গেছে। শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতে গণ-বিক্ষোভে নিহত হাজার হাজার ব্যক্তিকে সম্মান জানাচ্ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছাকাছি সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি করছে এবং প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি সীমিত সামরিক হামলার কথা বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের সন্দেহ ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যদিও ইরান বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
এ অবস্থায় ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক চাপ আর সামরিক তৎপরতার মুখে তেহরান মাথা নত করবে না বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত ভাষণে পেজেশকিয়ান বলেন, বিশ্বশক্তিগুলো আমাদের মাথা নত করাতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। কিন্তু তারা আমাদের জন্য যত সমস্যাই সৃষ্টি করুক না কেন, আমরা মাথা নত করব না।
এদিকে, সাম্প্রতিক দেশব্যাপী বিক্ষোভে হাজারো মৃত্যুর জন্য আবারও ‘সন্ত্রাসীদের’ দায়ী করেছে ইরান সরকার। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, ৩ হাজারের বেশি নিহতের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২০০ জনই নিরাপত্তা সদস্য।
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, প্রয়োজনে ইরানে সীমিত পরিসরে সামরিক হামলার কথা বিবেচনা করছে তারা। এরমধ্যেই, কাতারের আল উদেইদ মার্কিন বিমান ঘাঁটি থেকে শত শত মার্কিন সেনাকে সরিয়ে নিচ্ছে পেন্টাগন। ইরানের পাল্টা হামলা থেকে বাঁচতেই এমন পদক্ষেপ বলে ধারণা স্থানীয় গণমাধ্যমের।
এমএন
আন্তর্জাতিক
আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালাল পাকিস্তান
আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইসলামাবাদের একটি শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলার জেরে এ হামলা চালিয়েছে পাক বাহিনী।
পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) ঘাঁটি ও গোপন আস্তানা লক্ষ্য করে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এসব হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো জানানো হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবান এবং সহযোগী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রদেশ (আইএসকেপি)-এর সাতটি সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণ শিবির ও আস্তানায় ‘নির্বাচিত লক্ষ্যবস্তুতে’ হামলা চালানো হয়েছে।
পাকিস্তানের এই পদক্ষেপকে দুই দেশের সম্পর্কে বড় ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাত্র কয়েক দিন আগে সৌদি আরবের মধ্যস্থতায় উত্তেজনা প্রশমনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে কাবুল তিন পাকিস্তানি সেনাকে মুক্তি দেয়। দীর্ঘদিন ধরে দুর্গম সীমান্তজুড়ে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনার পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, আফগানিস্তানের ভূখণ্ড কাজে লাগিয়ে পরিকল্পনা করা সাম্প্রতিক হামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে ইসলামাবাদের একটি শিয়া মসজিদে বোমা বিস্ফোরণ এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বাজাউর ও বান্নু জেলায় সহিংসতা।
কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বান্নু জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বহরে আত্মঘাতী হামলায় একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেলসহ দুই সেনা নিহত হন। এর পরদিন সোমবার বাজাউরে বিস্ফোরকভর্তি গাড়ি নিয়ে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলায় ১১ জন সেনা ও এক শিশু নিহত হয়। কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই হামলাকারী একজন আফগান নাগরিক।
এদিকে কাবুলের তালেবান প্রশাসনের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করতে পারেনি রয়টার্স। তবে আফগানিস্তান বরাবরই পাকিস্তানের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানের ভেতরে হামলা চালানোর সুযোগ কোনো গোষ্ঠীকে দেওয়া হয়নি।
এমএন



