রাজনীতি
রাজনৈতিক চর্চায় উজ্জ্বল চরিত্র ছিলেন খালেদা জিয়া: চরমোনাই পীরের শোক
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম ৩০ ডিসেম্বর সকালে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংবাদে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
চরমোনাই পীর বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক চর্চায় ও ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়া একজন উজ্জল ও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ছিলেন। পীর সাহেব চরমোনাই তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
এমকে
রাজনীতি
চাঁদাবাজি ইস্যুতে সড়কমন্ত্রীর বক্তব্যের নিন্দা জামায়াতের
সড়কপরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের ‘সমঝোতার’ নামে চাঁদাবাজিকে কার্যত বৈধতা দিয়েছে দাবি তুলে তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, “সম্প্রতি সড়কপরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ‘সমঝোতার’ নামে চাঁদাবাজিকে কার্যত বৈধতা দিয়েছেন। আমি তার এই অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও অনৈতিক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও কঠোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।”
তিনি আরো বলেন, ‘চাঁদাবাজি একটি ফৌজদারি অপরাধ। এটি সমাজ, অর্থনীতি ও আইনের শাসনের জন্য মারাত্মক হুমকি। একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর বক্তব্যে যদি এমন কোনো বার্তা যায় যে, অবৈধ অর্থ আদায় বা অনৈতিক সমঝোতা গ্রহণযোগ্য—তবে তা রাষ্ট্রের জন্য কলঙ্ক। রাষ্ট্রের এমন বৈধতা দান অপরাধীকে চাঁদাবাজির মতো আরো অনেক অপরাধ করতে উৎসাহিত করবে।
এতে রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। জনগণ ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থেকে বঞ্চিত হবে।’
মিডিয়া বিভাগের এই প্রধান বলেন, “আমরা মনে করি, সরকারের দায়িত্ব হলো চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। কোনো অবস্থাতেই অপরাধকে ‘সমঝোতার’ নামে আড়াল করার কোনো সুযোগ নেই।
মাননীয় মন্ত্রীর এই বক্তব্য রাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।”
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান আপসহীন। আমরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলতে চাই, দুর্নীতির ছিটে-ফোঁটাও দেশবাসী বরদাস্ত করবে না। আমরা সরকারের নিকট দাবি জানাই, সড়কপরিবহণ, রেল ও নৌপরিবহণ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের উক্ত বক্তব্য প্রত্যাহার করে দেশবাসীর নিকট স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য পরিহার করতে হবে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি প্রতিরোধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘চাঁদাবাজি বন্ধ করে জনগণের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। এটা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সরকার ব্যর্থ হলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে এবং চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারকে বাধ্য করা হবে।’
সবশেষে তিনি বলেন, ‘আমরা দেশবাসীকে ন্যায় ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দাবিতে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’
রাজনীতি
ভাষাশহীদদের কবর জিয়ারত করলেন জামায়াত আমির
অমর একুশে ফেব্রুয়ারির রাতে রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে ভাষাশহীদদের কবর জিয়ারত করেছেন বিরোধীদলীয় প্রধান ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে তিনি আজিমপুর কবরস্থানে যান। সেখানে ভাষা আন্দোলনে শাহাদাত বরণকারী শহীদদের কবর জিয়ারত করেন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করেন।
এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আজকে স্মৃতিময় একুশে ফেব্রুয়ারি। এদিন যারা ভাষার জন্য শাহাদাত বরণ করেছেন তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই আজিমপুর গোরস্থানে তিনজন ভাষাসৈনিকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আমরা সেই তিন শহীদসহ এখানের সব মৃতের জন্য দোয়া করেছি।’
এর আগে, রাত ১২টা ১ মিনিটের দিকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছেন জামায়াত আমিরের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এরপর ১২টা ১০ মিনিটের দিকে শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ডা. শফিকুর রহমান।
উপস্থিত ছিলেন সংসদে বিরোধী দলের হুইপ নাহিদ ইসলাম, সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, এটিএম আজহারসহ জোটের অন্য নেতারা।
রাজনীতি
গণমাধ্যমের ওপর নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে : বিরোধীদলীয় নেতা
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছে, গণমাধ্যমের ওপর ‘নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ’ করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মিরপুরে এতিমদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
দলীয় কারণে কারো ওপর যেন জুলুম না হয় সেদিকে সরকারকে নজর রাখার আহ্বান জানান শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, সরকারি দল ও বিরোধী দল মিলেমিশে দেশ চালাবে। সরকার বিরোধী দলের পরামর্শ না মানলে সংসদে কঠোর প্রতিবাদ গড়ে তোলা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
তিনি বলেন, জামায়াত কোনোভাবে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর হুমকি মেনে নেবে না।
এমএন
রাজনীতি
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে চৌগাছার বিভিন্ন সংগঠনের অভিনন্দন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় যশোর-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও খুলনা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে অভিনন্দন জানিয়েছে যশোরের পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং চৌগাছা উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংবাদিক সংগঠন।
এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের পিতা মরহুম তরিকুল ইসলাম ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ও সফল মন্ত্রী। তার হাত ধরে গোটা যশোর জেলাতে বয়ে গেছে উন্নয়নের জোয়ার। তারই যোগ্য উত্তরসূরী আমাদের প্রিয় নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত পিতার পথকে অনুসরণ করে যশোরকে সব দিক দিয়ে নতুন সাজে সাজিয়ে তুলবেন এটিই হলো আজকে আমাদের প্রত্যাশা।
বিবৃতিদাতারা হলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য জনাব জহুরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম, সহ সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান মাসুদুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক ও এ্যাড. আলীবুদ্দিন খান, পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র সেলিম রেজা আওলিয়ার, সহ সভাপতি মোবারক হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম ও প্রভাষক বিএম হাফিজুর রহমান, যুবদলের আহবায়ক এম এ মান্নান ধনী প্রমুখ।
অনুরুপ বিবৃতি দিয়েছেন প্রেসক্লাব চৌগাছার আহবায়ক অধ্যক্ষ সিহাব উদ্দিন ও সদস্য সচিব মুকুরুল ইসলাম মিন্টু, যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জি. রাজু আহাম্মেদ, ইমাম হোসেন সাগর।
রিপোর্টার্স ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শওকত আলী, সাধারণ সম্পাদ এম হাসান মাহমুদসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, চৌগাছা পুজা উদযাপন ফ্রন্টের আহবায়ক বিএনপি নেতা গোবিন্দ কুমার রাহা ও সদস্য সচিব রনজিত কুমার।
এমএন
রাজনীতি
প্রধানমন্ত্রীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ, মিলবে যেসব তথ্য
বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের পর নতুন সরকারের সব ধরনের দাপ্তরিক আপডেট ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দিতে চালু করা হয়েছে অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের প্রথম কার্যদিবসেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটির উদ্বোধন করা হয়। পেজটির নাম রাখা হয়েছে ‘PMO Bangladesh- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়’।
এ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরকারি নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা এবং প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন কর্মসূচির তথ্য সরাসরি জানা যাবে। উদ্বোধনের দিনেই প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার অনুসারী যুক্ত হন, যা নাগরিকদের আগ্রহের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে এ পেজের অনুসারীর সংখ্যা ৩ লাখ ৮১ হাজারের বেশি।
পেজটির ভিজ্যুয়াল ডিজাইনেও রাখা হয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। প্রোফাইল ফটোতে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি। কভার ফটোতে জাতীয় পতাকা, সরকারি লোগো ও জনসমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতির দৃশ্য স্থান পেয়েছে। এটি সরকারের জনসম্পৃক্ততা ও জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্যপ্রবাহ আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার তথ্যও ফেসবুকের মাধ্যমে প্রকাশিত হতো। তবে এখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সরাসরি সরকারি সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম নিয়মিতভাবে শেয়ার করবে।
পেজ চালুর পর থেকেই বিভিন্ন প্রজ্ঞাপন, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও প্রধানমন্ত্রীর দৈনন্দিন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির আপডেট প্রকাশ করা হচ্ছে। পাশাপাশি পেজটিতে মন্তব্য, প্রশ্ন ও প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে মতামত জানাতে পারবেন নাগরিকরা।
এমএন



