পুঁজিবাজার
আরএসআরএম স্টিলের সর্বোচ্চ দরপতন
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড (আরএসআরএম স্টিল)। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ার দর ১০ পয়সা বা ৬.৭৭ শতাংশ কমেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল সুরিদ ইন্ডাস্ট্রিজ। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৬.৩৮ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা শ্যামপুর সুগারের শেয়ার দর ৬.১৪ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- নুরানী ডাইং অ্যান্ড সোয়েটার লিমিটেড, এসকে ট্রিমস, এপোলো ইস্পাত, নিটল ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা পেট, মাইডাস ফাইন্যান্স এবং জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশান লিমিটেড।
এমকে
পুঁজিবাজার
রবি আজিয়াটার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে বিএসইসি
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা এবং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটার আর্থিক কার্যক্রম নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ জানিয়েছে, রবি আজিয়াটার সাম্প্রতিক আর্থিক রিপোর্ট, তথ্য প্রকাশের সঠিকতা এবং বিদ্যমান আইন-নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে।
২০২০-২১ ও ২০২১-২২ অর্থবছরে পরিচালন ব্যয়কে মূলধনি ব্যয় হিসেবে দেখানোর অভিযোগ তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। কমিশন যাচাই করবে, এতে প্রকৃত আর্থিক চিত্র লুকানো হয়েছে কি না, এবং এ ধরনের লেনদেন থেকে আর্থিক সুবিধা কারা পেয়েছে।
সিইও, সিএফও এবং অডিট কমিটির ভূমিকা পর্যালোচনার আওতায় আসবে। এর পাশাপাশি, রবি আজিয়াটার চেয়ারম্যান থায়াপারান এস সাংগারাপিল্লাইয়ের ইডটকো গ্রুপে দীর্ঘমেয়াদী পরিচালক পদ এবং রবি-ইডটকোর লেনদেনের স্বচ্ছতা ও স্বাধীনতা যাচাই করা হবে।
দুই স্বতন্ত্র পরিচালক আখতার সানজিদা কাশেম ও কামরান বকরের পদত্যাগের পেছনে ‘অযাচিত হস্তক্ষেপ’ এবং সাংগারাপিল্লাই নেতৃত্বে পরিচালিত অভ্যন্তরীণ তদন্তের নিরপেক্ষতাও অনুসন্ধানের অংশ। এছাড়া পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডার সুরক্ষা এবং করপোরেট সুশাসনের নীতি মেনে চলেছে কি না, তাও যাচাই হবে।
রবির ২০২১ ও ২০২২ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক তথ্য গোপন করা হয়েছে কি না, এবং শেয়ারহোল্ডারদের প্রশ্ন যেমন আইনি খরচ ও ফরেনসিক খরচের জবাব প্রদান করা হয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের অন্তর্ভুক্ত।
বিএসইসি জানিয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য যে কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট অন্য যেকোনো বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা হবে।
পুঁজিবাজার
সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ২৮৫ শেয়ারদর
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন প্রথম দেড় ঘণ্টায় লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৮৫টির শেয়ারদর বেড়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বেলা ১১টা ৩০মিনিট পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক বা ‘ডিএসইএক্স’ সূচক ২৯ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ১৫২ পয়েন্টে।
অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ‘ডিএসইএস’ সূচক ৫ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট বেড়ে এবং ‘ডিএস৩০’ সূচক ৯ দশমিক ৭৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১০৪৫ ও ১৯৬৪ পয়েন্টে।
এসময় টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ২০১ কোটি ৪৩ লাখ ৪২ হাজার টাকা।
এসময়ে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৮৫টি, কমেছে ৪৩টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬০টি কোম্পানির শেয়ারের।
এমএন
পুঁজিবাজার
দুই কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন হয়েছে। কোম্পানি দুটি হলো- ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ও যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, ফারইস্ট নিটিংয়ের কোম্পানিটির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরশেন অ্যান্ড সার্ভিসেস (সিআরআইএসএল) । কোম্পানিটির দীর্ঘমেয়াদী ‘এএ’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’ রেটিং হয়েছে।
কোম্পানিটির ৩০ জুন, ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং প্রদানের তারিখ পর্যন্ত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত ও গুণগত তথ্য অনুযায়ী এ রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।
সূত্র মতে, যমুনা অয়েলের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)। কোম্পানিটির দীর্ঘমেয়াদী ‘এএ+’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’ রেটিং হয়েছে।
কোম্পানিটির ৩০ জুন, ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৬ অর্থবর্ষের ৬-মাসের অনিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী ও রেটিং প্রদানের তারিখ পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
ডিএসইর স্বতন্ত্র পরিচালক হলেন ব্রিগেডিয়ার আশিকুর রহমান
প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) নতুন স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান। আগামী তিন বছরের জন্য তাকে এ পদে অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ নিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে বিএসইসির মার্কেট অ্যান্ড ইন্টারমিডিয়ারিজ অ্যাফেয়ার্স ডিভিশন থেকে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।
ডিএসইর প্রকাশনা ও জনসংযোগ বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুর রহমান বলেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমানকে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বিএসইসি। তিনি মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, ডিএসইর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তাবটি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষ করে ‘ফিট অ্যান্ড প্রপার’ মানদণ্ড অনুযায়ী প্রার্থীর যোগ্যতা যাচাই-বাছাই শেষে কমিশন এ নিয়োগে সম্মতি দেয়।
ডিএসই সূত্র জানায়, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং তিনি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মফিজুল ইসলাম রাশেদের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
বিএসইসির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, উপযুক্ত যাচাই-বাছাই ও আলোচনার ভিত্তিতেই এ নিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদে অভিজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তির অন্তর্ভুক্তি করপোরেট সুশাসন জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর ফলে পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
বর্তমানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৪৬ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজার উন্নয়নে সরকারের বড় পরিকল্পনা, আসছে নতুন ৩ আইন
দেশের পুঁজিবাজারকে গতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের প্রধান উৎস হিসেবে গড়ে তুলতে একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। পুঁজিবাজারকে মূল উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে আইনি সংস্কার, পণ্যের বৈচিত্র্য আনা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর অংশ হিসেবে ২০২৫ ও ২০২৬ সালের মধ্যে তিনটি নতুন আইন ও বিধিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
সরকারের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। পুঁজিবাজারে সুশাসন নিশ্চিত করা, বাজারের গভীরতা বাড়ানো এবং বিনিয়োগ শিক্ষার প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, বাজারে মৌলভিত্তিসম্পন্ন বেসরকারি কোম্পানির পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করতে নতুন পণ্য আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে শক্তিশালী বন্ড মার্কেট গঠন, এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ETF), সুকুক (ইসলামিক বন্ড), গ্রিন বন্ড, কমোডিটি ও ফিন্যান্সিয়াল ডেরিভেটিভ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে সুশাসন নিশ্চিত করে বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা দিতে এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে সরকার বড় ধরনের আইনি সংস্কারের হাত দিয়েছে। বিএসইসি আইন ২০২৫ : ১৯৬৯ সালের অর্ডিন্যান্স এবং ১৯৯৩ সালের আইনের সংমিশ্রণে সম্পূর্ণ নতুন একটি আইন প্রণয়নের কাজ চলছে। ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড আইন ২০২৬ : দাবিবিহীন ডিভিডেন্ড ও শেয়ারের সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য এই আইনটি করা হচ্ছে। হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালা ২০২৬ : পুঁজিবাজারের অনিয়ম প্রকাশকারীদের সুরক্ষা দিতে নতুন বিধিমালা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, কর্পোরেট গভর্নেন্স কোড সংশোধন করে ‘কর্পোরেট গভর্নেন্স রুলস ২০২৬’ প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তদন্ত ও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম জোরদার করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কারসাজি ও অনিয়ম বন্ধে বাজারের আধুনিকায়ন ও সম্পূর্ণ ডিজিটাইজেশনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। পাশাপাশি বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে বাজারে প্রবেশাধিকার সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, বিনিয়োগকারীদের সচেতন করতে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। যান মধ্যে রয়েছে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তকে বিনিয়োগ শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করে দেশব্যাপী তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বিটিভিতে ‘পুঁজিবাজারের জানা-অজানা’ নামে পাক্ষিক অনুষ্ঠান এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত সচেতনতামূলক কন্টেন্ট প্রচার করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরবে এবং এটি দেশের অর্থনীতির একটি টেকসই স্তম্ভ হিসেবে দাঁড়িয়ে যাবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।



