রাজনীতি
চীনে এনসিপির ‘রিমেম্বারিং আওয়ার জুলাই হিরোস’ শীর্ষক অনুষ্ঠান

চীনে “রিমেম্বারিং আওয়ার জুলাই হিরোস” শীর্ষক একটি বিশেষ স্মরণ ও আলোচনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানে জুলাই মাসের শহীদদের স্মরণ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ডায়াস্পোরা এলায়েন্স-চীনের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি চীনের বেইজিংয়ে স্থানীয় একটি হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব নাহিদা সারওয়ার নিভা, যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আলম এবং যুগ্ম সদস্য সচিব তাহসিন রিয়াজ উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা গণঅভ্যুত্থানকে সফল করতে প্রবাসীদের অসামান্য ভূমিকার বিশেষভাবে প্রশংসা করেন। দেশের ক্রান্তিকালে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স শাটডাউন কর্মসূচির ভূমিকার কথা স্মরণ করেন এবং জুলাই মাসের শহীদ ও আহতদের অম্লান আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে প্রবাসীদেরকে দেশ পুনর্গঠনে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় জুলাই মাসের বীরত্বগাথা নিয়ে তৈরি একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন এবং ফুল দিয়ে অতিথিদের বরণ করার মধ্য দিয়ে। তাছাড়া, অনুষ্ঠানের শেষভাগে প্রবাসীদের সাথে প্রশ্নোত্তর পর্ব, জুলাই শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ প্রার্থনা, সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং ডিনারের আয়োজন করা হয়।
এনসিপি ডায়াস্পোরা এলায়েন্স – চীন এর চিফ কো-অর্ডিনেটর সাদ্দাম হোসাইন, সদস্য মো: শাওন পারভেজ, মো: আরিফ সালেহ তাসিন, খন্দকার রিয়াজুল জান্নাত, মো: তৌহিদুল ইসলাম, নুহু ইবনে শহিদসহ অন্যান্য সদস্যদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং সংগঠনের সদস্যদের অর্থায়নে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে এনসিপি ডায়াস্পোরা এলায়েন্স – চীনের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্টজন ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনলাইন ও সরাসরি অংশগ্রহণ করেন।

রাজনীতি
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করতে যমুনায় পৌঁছেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চার সদস্যের প্রতিনিধি দল।
রবিবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে তারা যমুনার ভেতরে প্রবেশ করেন।
প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হলেন— জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব।
এ বৈঠকের পর সন্ধ্যা সাতটায় বিএনপির প্রতিনিধি দলের বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, এসব বৈঠকে আগামী নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টির উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।
প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার যমুনায় অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়। সেখানে কয়েকজন উপদেষ্টার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান ও স্বরাষ্ট্রবিষয়ক বিশেষ সহকারী খোদা বখস চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আগামী জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন বিলম্বিত বা বানচাল করার যে কোনো ষড়যন্ত্র, বাধা বা প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে। জনগণের ইচ্ছাই শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে।
রাজনীতি
সুস্থ হয়ে হামলার ঘটনায় মামলা করবে নুর: রাশেদ খান

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর সুস্থ হওয়ার পর হামলার ঘটনায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
কতিপয় সেনাসদস্য মব করে নুরসহ অন্য নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে দাাবি করে রাশেদ খান বলেন, এ ঘটনায় জড়িত সেনা সদস্যদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে সামরিক আইনে ব্যাবস্থা নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সুস্থ হওয়ার পর নুর বাদী হয়ে মামলা করবেন। তবে জড়িত সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়া হবে কি না তা সন্দেহ রয়েছে।
ঢাকা মেডিকেলে নুরের চিকিৎসায় সন্তুষ্ট নন জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য নুরকে সিঙ্গাপুর কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
এর আগে, গত শুক্রবার রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতাকর্মীদের সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। দু’পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লাঠিচার্জে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খানসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।
কাফি
রাজনীতি
নুরের খোঁজ নিলেন খালেদা জিয়া

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে তিনি নুরের চিকিৎসার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খালেদা জিয়া নুরের চিকিৎসা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
শায়রুল বলেন, “হামলায় আহত নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খালেদা জিয়া সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখছেন। তিনি মনে করেন, এ ধরনের হামলা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও নিন্দনীয়।”
খালেদা জিয়া নুরুল হক নুরের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি তার দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন।
রাজধানীর বিজয় নগরে এক কর্মসূচিতে যোগ দিতে গেলে নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। ঘটনাটি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।
নুরের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে বিএনপি নেতারা বলছেন, বিরোধী মত দমন করতে পরিকল্পিতভাবেই এ ধরনের হামলা চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকেও নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নুরকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাজনীতি
পিআর ছাড়া নির্বাচন হলে বিপর্যয় সৃষ্টি হবে: ড. হেলাল উদ্দিন

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে পিআর পদ্ধতি ছাড়া নির্দিষ্ট একটি দলকে প্রাধান্য দিয়ে যদি নির্বাচন পরিচালনা করে তাহলে দেশে বিপর্যায় সৃষ্টি হবে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর একটি অডিটোরিয়ামে ভয়েস অব সিভিল রাইটস ফাউন্ডেশন আয়োজিত সংস্কার, বিচার, নির্বাচন ও মানবাধিকার শীর্ষক আয়োজিত গোল টেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের কর্মকান্ডে জনমনে সংশয় তৈরি হচ্ছে। এই সংশয় দূর করতে সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি দলের ভাষায় কথা বলছেন এবং সাংবিধানিক সংকটের দোহাই দিচ্ছে।
এখন জুলাই যোদ্ধাদের খাটো করে কথা বলা হচ্ছে। তাদের ওপর প্রশাসন কর্তৃক হামলা করা হচ্ছে। যে কারণে মানুষ আজ বিরক্তি হয়ে গেছে সরকারের ওপর।
মনে রাখবেন যারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাংবিধানিক সংকটে ভয় দেখাচ্ছে, তারা ক্ষমতায় গেলে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অসাংবিধান সরকার হিসেবে অবৈধ ঘোষণা করবে। এরফলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক যাবতীয় সংস্কার প্রস্তাব অনায়েসে বাতিল হয়ে যাবে। তখন জুলাই চেতনার অস্তিত্বও খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই সুযোগে ক্ষমতাসীনরা নতুন রূপে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম করবে। তাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাংবিধানিক বৈধতার প্রয়োজনে এবং নতুন বাংলাদেশ গড়তে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে হবে।
একটি জরিপ মতে দেশের ৭১ শতাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতিতে সংসদ নির্বাচন চায়, একটি মাত্র দল ব্যতীত। তাহলে সরকার কার স্বার্থে পিআর পদ্ধতি এড়িয়ে গিয়ে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার নির্বাচনের আয়োজন করতে যাচ্ছে, সেটি সরকারকে জাতির সামনে স্পষ্ট করতে হবে।
ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘পিআর পদ্ধতি এবং জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি’ রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে দিতে না পারলে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করতে হবে।
সরকার ফ্যাসিবাদের উত্থানে সহযোগিতা না হয়ে অনতিবিলম্বে ‘পিআর পদ্ধতি এবং জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি’ দিতে গণভোটের আয়োজন করতেই হবে। নতুবা জনগণ রাজপথে নেমে আসলে এর সকল দায় সরকারকে বহন করতে হবে।
বৈঠকে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহীদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,
ঢাকা মহানগরীর সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও পল্টন থানা জামায়াতের আমীর শাহীন আহমেদ, জুলাই বিপবের অগ্রসৈনিক ও সাবেক ছাত্র নেতা মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার সেক্রেটারি মোঃ একরাম উল্লাহ, আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম।
বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন, ভয়েস অব সিভিল রাইটস ফোরামের চেয়ারম্যান ডা: মারুফ শাহরিয়ার।
রাজনীতি
আহত নুরকে দেখতে হাসপাতালে বিএনপি নেতা ড. মঈন খান

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিচার্জে গুরুতর আহত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের আইসিউতে ভর্তি গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে দেখতে গেলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।
শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে নুরের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন এবং তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
পরে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ২৪-এর আগস্টের পূর্ব থেকে বিএনপিসহ দেশের ৬৩ রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে রাজপথে ছিলাম। সে আন্দোলনে নুরুল হক নুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশে গায়ের জোরে কারও মুখ বন্ধ করা যাবে না। বাংলাদেশে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়। আমরা আগামীতে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবো এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আজকে নয়, হাজার বছরের ইতিহাস দেখলে দেখা যাবে এ দেশের মানুষ কখনও অত্যাচার-জুলুম সহ্য করে নাই। তারা প্রতিবাদ করেছে এবং স্বাধীনতার জন্য বারংবার যুদ্ধ করেছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরও বলেন, আমাদেরকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসী হতে হবে। সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছার স্পষ্ট প্রতিফলন হতে হবে। তারা নির্বাচনে তাদের মতামত দেবে এবং সেই মতামতের মাধ্যমে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে তারাই এ দেশ পরিচালনা করবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহ স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. পারভেজ রেজা কাকন এবং গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।