জাতীয়
দক্ষ জনগোষ্ঠী দেশের সম্পদ: প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, দক্ষ জনগোষ্ঠী দেশের সম্পদ। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশ কিশোর-কিশোরী ও তরুণ। এই বিপুল জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, সুস্বাস্থ্য, জীবনমান এবং ক্ষমতায়নের ওপর নির্ভর করে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন। একটি উন্নত ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে এই কর্মক্ষম তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ, সুশিক্ষিত ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হিসেবে গড়ে তোলা আবশ্যক।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি। বাণীতে তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও এ বছর বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘ন্যায়সঙ্গত ও আশাব্যঞ্জক এক বিশ্বে তরুণদের নিজেদের কাঙ্ক্ষিত পরিবার গঠনের ক্ষমতায়ন করা’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।
তিনি বলেন, শুধু স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকা কিংবা পরিবার পরিকল্পনা ও প্রজনন স্বাস্থ্যবিষয়ে পছন্দমতো সিদ্ধান্ত গ্রহণই যথেষ্ট নয়, টেকসই উন্নয়ন, উন্নত জীবনব্যবস্থা এবং সমাজের শান্তিশৃঙ্খলা নিশ্চিতের জন্য প্রজন্মান্তরে ন্যায্যতা ও ন্যায়-নীতিবোধ ধরে রাখা একান্ত প্রয়োজন। পাশাপাশি একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ছেলেমেয়ের মাঝে কোনো বৈষম্য না করে সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
ড. ইউনূস বলেন, ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার একটি বৈষম্যমুক্ত উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে সরকার পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য এবং কৈশোরকালীন প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে তরুণ প্রজন্মের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
বাণীতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, একটি সুস্থ-সবল জাতি গড়ার এই কর্মযজ্ঞে সরকারের পাশাপাশি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বেসরকারি সংগঠন, গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজকে আমি এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। আসুন সকলে মিলে বাংলাদেশকে উন্নতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিই।
তিনি বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

জাতীয়
নির্বাচনের বিকল্প কিছু ভাবলে সেটা হবে বিপজ্জনক: প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, নির্বাচনের বিকল্প কেউ কিছু ভাবলে সেটা হবে জাতির জন্য গভীর বিপজ্জনক।
রবিবার (৩১ আগস্ট) রাতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, প্রধান উপদেষ্টা বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ফেব্রুয়ারিতেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন হবে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেছেন, নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। কেউ যদি নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প ভাবেন, তা জাতির জন্য হবে গভীর বিপজ্জনক।
বৈঠকে আসন্ন দুর্গাপূজা ঘিরে কোনো অস্থিতিশীল পরিবেশ যাতে কেউ সৃষ্টি না করতে পারে, সেজন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সহায়তা চেয়েছেন ড. ইউনূস।
প্রেস সচিব বলেন, আজকের মিটিংগুলোর মাঝামাঝি সময়েই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মুনির হায়দারও দেখা করেছেন। আলী রীয়াজ জুলাই সনদ চূড়ান্ত করার বিষয়ে কি কি অগ্রগতি হচ্ছে, সে বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবগত করেছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে কি মতামত দিয়েছে, সেটা নিয়েও আলোচিত আলোচনা হয়েছে।
এ ছাড়া বৈঠকে জাতীয় পার্টির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, বিষয়টি নিয়ে একেকজন একেক রকম মতামত দিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা সেটি বিস্তারিত শুনেছেন।
বৈঠকে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নেতারা ছাড়াও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে আদিলুর রহমান খান, ড. আসিফ নজরুল, ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, ড. খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয়
পলিথিন ব্যবহারে আর কোনো ছাড় নয়: পরিবেশ উপদেষ্টা

পলিথিন শপিং ব্যাগের পরিবর্তে সাশ্রয়ী মূল্যের পাটের ব্যাগ ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় ভর্তুকি মূল্যে পাটের ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরপরও পলিথিন পাওয়া গেলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না, জব্দসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ লক্ষ্যে নিয়মিত বাজার পরিদর্শন করা হবে।
রবিবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ঢাকা শহরের ভোক্তাদের মধ্যে সাশ্রয়ী মূল্যে পরিবেশবান্ধব পাটের ব্যাগ বাজারজাতকরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, পলিথিনের বহুল ব্যবহারে মাটি, পানি ও জীববৈচিত্র্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি তৈরি করছে। বিপরীতে পাটের তৈরি ব্যাগ টেকসই, পুনঃব্যবহারযোগ্য এবং পরিবেশবান্ধব। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে গৃহীত এ প্রকল্পের আওতায় টিসিবির ডিলার ও বাজারের বণিক সমিতির মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে পাটের ব্যাগ বিক্রি করা হবে।
প্রকল্পের মাধ্যমে জনসাধারণকে পাটের ব্যাগ ব্যবহার ও পুনঃব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদনকারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন, মার্কেটিং, মান নিয়ন্ত্রণ ও উৎপাদন খরচ কমানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বণিক সমিতি ও টিসিবি ডিলারদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি সভা, সেমিনার, কর্মশালা, সিম্পোজিয়াম ও গণমাধ্যমে প্রচারণার মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। সভাপতিত্ব করেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রউফ। অন্যদের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফাহমিদা খানম, পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা এবং কারওয়ান বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, টিসিবির নির্ধারিত ডিলারদের ভর্তুকি মূল্যে এসব ব্যাগ বিক্রির জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে নির্ধারিত দোকান থেকে ব্যাগ পাওয়া যাবে। ব্যাগের মান ও সাইজ অনুযায়ী ২০ টাকা, ২৫ টাকা, ৩০ টাকা, ৩৫ টাকা, ৭০ টাকা এবং ৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
জাতীয়
পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়-মাদ্রাসায় বাংলাদেশিদের বৃত্তি দেওয়ার আহ্বান

পাকিস্তানের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ও বড় মাদ্রাসাগুলোতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।
রবিবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে পাকিস্তানের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার ইমরান হায়দার সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ আহ্বান জানান।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, পাকিস্তানের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ও বৃহৎ মাদ্রাসাগুলোতে এদেশের শিক্ষার্থীদেরকে বৃত্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হলে তারা উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাবে। কুরআন শিক্ষা, হাদিস শিক্ষা, ফিকহ, উসুলে ফিকহ, আকিদা, আখলাক, তথ্যপ্রযুক্তি প্রভৃতি বিষয়ে এদেশের শিক্ষার্থীদেরকে বৃত্তি দেওয়া এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। এতে দু-দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক দৃঢ় ও শক্তিশালী হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান এদুটি বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের মধ্যে শিক্ষা, বাণিজ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, মানব সম্পদ উন্নয়ন প্রভৃতি বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ, ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষা ও দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এদুটি দেশ একত্রে কাজ করতে পারে।
তবে পারস্পরিক সম্মান, মর্যাদা ও সৌহার্দ্যের ভিত্তিতেই এসব বিষয়কে এগিয়ে নিতে হবে বলেও মনে করেন তিনি।
এর আগে উপদেষ্টা পাকিস্তানের নতুন হাইকমিশনারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং বাংলাদেশে দায়িত্ব পাওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান।
এ সময় ধর্ম সচিব একেএম আফতাব হোসেন প্রামানিক উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয়
ভোটকেন্দ্র মেরামত-সংস্কারে লাগবে ১১০ কোটি টাকা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহার অনুপযোগী ভোটকেন্দ্র মেরামত ও সংস্কারে ১১০ কোটি টাকা লাগবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর।
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে ভোটকেন্দ্র সংস্কার করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিলে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এমন তথ্য জানিয়েছে।
অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলতাফ হোসেনের তৈরি করা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ভোটকেন্দ্র হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেরামত ও সংস্কার কাজ করা প্রয়োজন এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৪৯০টি এবং ওই ভোটকেন্দ্রগুলো মেরামতের জন্য মাঠ পর্যায় থেকে প্রাপ্ত চাহিদার পরিমাণ ৩৩৭৮.৭৮ লাখ টাকা। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ প্রয়োজন সে ধরনের ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৫৫৯টি। এসব সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য মাঠ পর্যায় থেকে প্রাপ্ত চাহিদার পরিমাণ ৭৬৪৮.৪৯০ লাখ টাকা।
অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলতাফ হোসেন সম্প্রতি এক চিঠিতে ওই পরিমাণ বরাদ্দ দিতে শিক্ষা সচিবকে চিঠিও দিয়েছেন, যার অনুলিপি নির্বাচন কমিশনকেও দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ব্যবহার উপযোগী করতে নিজ খরচে সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্র মেরামত করতে মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছিল ইসি।
জাতীয়
দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৬৩ লাখ: ইসি সচিব

দেশে মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৬৩ লাখ ৭০ হাজার ৫০৪ জনে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪১ লাখ ৪৫৫ জন। নারী ভোটার ৬ কোটি ২২ লাখ ৫ হাজার ৮১৯ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৩০ জন।
এই সংখ্যক ভোটারকে তালিকাভুক্ত করে হালনাগাদ সম্পূরক ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এই তালিকা প্রকাশ করলো সাংবিধানিক এই সংস্থাটি।
ররিবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, এর আগে গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত হালনাগাদ ভোটার তালিকার খসড়ায় মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৬১ লাখ ৭০ হাজার ৯০০ জন। এরপর নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬৪২ জন। প্রকাশিত তালিকা থেকে মৃত ভোটার কর্তন হয়েছে ১ হাজার ৩৮ জন। অর্থাৎ খসড়া তালিকা থেকে মোট ভোটার বেড়েছে ১ লাখ ৩৬ আর ৬০৪ জন।
ইসি সচিব জানান, এছাড়া আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তারাও ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। ওই দিন আরেকটি তালিকা প্রকাশ করা হবে।
এক প্রশ্নের জবাব তিনি বলেন, এই মুহূর্তে প্রতিবন্ধী ভোটার কতজন, সেই তালিকা তাদের হাতে নেই। তবে ভোটার তালিকার বিশ্লেষণ করে তথ্য উপাত্ত জানানো হবে। দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের ভোট দানের বিষয়ে বাস্তব পদক্ষেপ নেবেন তারা।
তিনি বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) এবং সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ চূড়ান্ত করার বিষয়ে ইসি কাজ করছে। এ বিষয়ে পরে সাংবাদিকদের অবহিত করা হবে।