জাতীয়
ঈদে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত ৫৫ হাজার আনসার

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত, দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে সম্পূর্ণ প্রস্তুত বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।
পার্বত্য অঞ্চলে ১৬টি আনসার ব্যাটালিয়নসহ সারা দেশে মোট ৪২টি ব্যাটালিয়নের প্রতিটিতে ১ প্লাটুন করে ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তৎপর থাকবে ৫৫ হাজার অঙ্গীভূত আনসার। প্রস্তুত রাখা হয়েছে এজিবি সদস্যদের।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপপরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকউজ্জামান জানান, দীর্ঘদিন ধরে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। সম্প্রতি, বাহিনীটি দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় করতে তাদের কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করেছে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলে ১৬টি আনসার ব্যাটালিয়নসহ সারাদেশে মোট ৪২টি ব্যাটালিয়নের প্রতিটিতে ১ প্লাটুন করে ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এ বাহিনী আনসার-ভিডিপি সদর দপ্তরের নির্দেশনায় যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।
সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে দেশের প্রায় ৫ হাজার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় ৫৫ হাজার অঙ্গীভূত আনসার সদস্যকে অধিকতর সতর্ক অবস্থায় দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নদীপথে যাত্রীদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৬ মার্চ থেকে ঈদ পরবর্তী দুই দিন পর্যন্ত প্রতিটি লঞ্চে চারজন সাধারণ আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি, ২৫ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত রেলপথে যাত্রীদের নিরাপত্তায় ৬৫০ জন সাধারণ আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিশেষায়িত ইউনিট আনসার গার্ড ব্যাটালিয়ন (এজিবি) সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এছাড়া তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে ভিডিপি সদস্যদের সক্রিয় রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে এমন কোনো কর্মকাণ্ড সংঘটিত হলে তারা দ্রুততম সময়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশ ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জাতীয়
ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি ঠেকাতে চলছে অভিযান

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ভ্রমণ নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্য রেলের টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধে তৎপর রয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। একাধিক স্থানে একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে টিকিট কালোবাজারি ও এ-সংক্রান্ত বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধে একাধিক অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে ও রেলপথ মন্ত্রণালয়। এসব অভিযান ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে টিকেট কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে রাকিব মিয়া (২৪) নামের একজন পেশাদার টিকিট কালোবাজারিকে গ্রেফতার করা হয় জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তিনি ঈদ পরবর্তী কিশোরগঞ্জ টু ঢাকা রুটের অনলাইনভিত্তিক টিকিট কালোবাজারির প্রস্তুতিসহ ফেসবুকে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। ঢাকা রেলওয়ে থানায় এ বিষয়ে একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।
টিকিটবিহীন দুইজন যাত্রী ট্রেনে ওঠানোর অভিযোগে রাজশাহী ক্যারেজ ডিপো পরিচর্যক আশরাফুল ইসলামকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনের অ্যাটেনডেন্ট আশরাফুল ইসলাম বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনে দুজন যাত্রী তুলে ১০০০ টাকা নেন। পরে বিষয়টি গার্ড ও টিটির সামনে বিষয়টি প্রমাণ হয়।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
টেলিটকের ডাটা প্যাকেজের দাম কমছে ১০ শতাংশ

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড ডাটা প্যাকেজের দাম ১০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা আসন্ন ঈদুল ফিতরের দিন কার্যকর করা হবে।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
তিনি জানান, সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন কোম্পানি লিমিটেড তাদের ব্যান্ডউইথ ভাড়া ১০ শতাংশ কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। এই ভাড়া কমানোর সুবিধা গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার জন্য টেলিটক তার বর্তমান অধিকাংশ ডাটা প্যাকেজের দাম ১০ শতাংশ কমিয়েছে। যা ঈদের দিন হতে কার্যকর করা হবে এবং তা পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত চলমান থাকবে।
ডাটা ট্যারিফ কমানোর ফলে মোবাইল ডাটা গ্রাহক সংখ্যা আগের তুলনায় বাড়বে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
টেলিটকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে টেলিযোগাযোগ সেবা পৌঁছানোর জন্য হাওড় ও দ্বীপাঞ্চলে টেলিটক নেটওয়ার্ক বিস্তার করেছে। দেশে ৪জি প্রযুক্তির বিস্তার এবং ৫জি প্রযুক্তি চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।
এছাড়া, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ই-গভর্ন্যান্স ও ই-কমার্স খাতে টেলিটকের অবদান ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সম্প্রতি সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি ব্যান্ডউইথ খরচ হ্রাস করার ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হবে বলেও মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর, যা ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করে। এটি মূলত, সরকারি ও শিক্ষার্থীসহ নির্দিষ্ট গ্রাহক গোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সুবিধা দিয়ে থাকে। এছাড়া, সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল সেবায়ও টেলিটকের বিশেষ অবদান রয়েছে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ৯ চুক্তি সই

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার বিষয়ে একটি চুক্তি এবং আটটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার চারদিনের চীন সফরের আজ (২৮ মার্চ) তৃতীয় দিনে দুদেশের মধ্যে এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও স্মারকগুলো স্বাক্ষরিত হয়।
সমঝোতা স্মারকগুলোর মধ্যে রয়েছে- দুদেশের কালজয়ী সাহিত্য ও শিল্পকর্মের অনুবাদ ও সৃজন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও খবর আদান-প্রদান, গণমাধ্যম, ক্রীড়া এবং স্বাস্থ্য খাতে বিনিময় সহযোগিতা।
এর পাশাপাশি, প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপাক্ষিক চীন সফরে দুদেশের মধ্যে পাঁচ বিষয়ে সহযোগিতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়েছে।
এগুলো হলো- বিনিয়োগ আলোচনা শুরু করা, চীনের বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু, মোংলা বন্দরের আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণ, একটি রোবট ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণ এবং একটি কার্ডিয়াক সার্জারি গাড়ি অনুদান।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জুলাই অভ্যুত্থান অধিদপ্তর গঠন

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিফ্রিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
মীর স্নিগ্ধ জানান, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জুলাই আগস্ট অভ্যুত্থান নিয়ে একটি অধিদপ্তর করা হয়েছে। আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি সেই অধিদপ্তরের নাম ‘জুলাই অভ্যুত্থান অধিদপ্তর’। সেই অধিদপ্তরটি ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে। এ অধিদপ্তরের কাজ হলো সরকারিভাবে জুলাই এবং আগস্ট যারা শহীদ হয়েছে এবং আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসনসহ পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করা।
সিগ্ধ আরও জানান, জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম শুরু হয় সেপ্টেম্বরের ১০ তারিখে। আজকে পর্যন্ত ৭৪৫ জন শহীদ পরিবারকে ৩৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা সহায়তা করতে পেরেছি। গেজেটভুক্ত শহীদ পরিবারের মধ্যে ৮৭.১৩ শতাংশ পরিবারের কাছে আমরা পৌঁছাতে পেরেছি। আহতদের মধ্যে ৫ হাজার ৫৯৬ জনকে ৫৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা সহায়তা করতে পেরেছি। তালিকাভুক্ত মোট আহতের ৩৮.৩৯ শতাংশের কাছে আমরা পৌঁছাতে পেরেছি। এখন পর্যন্ত সর্বমোট ৬ হাজার ৩৪১ জনকে ৯৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা আমাদের ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প

ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ মার্চ) দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে ভূকম্পন অনুভূত হয়। তবে কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই ভূমিকম্পে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানায়, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭। এর উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশের পাশের দেশ মিয়ানমারের মান্দালয়। ঢাকা থেকে উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব ৫৯৭ কিলোমিটার। ৭ মাত্রার এই ভূমিকম্প বড় ধরনের বলে গণ্য করা হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুবাইয়াত কবীর প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বলছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৭। এর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের সাগাইং থেকে ১৬ কিলোমিটার উত্তর–উত্তরপশ্চিমে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ১০ কিলোমিটার গভীরে।