জাতীয়
দেশে প্রথমবারের মতো সমুদ্রপথে ফেরি চলাচল শুরু

দেশে প্রথমবারের মতো সমুদ্রপথে (চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ রুটে) ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। আজ সোমবার সকালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ঘাটে অন্তর্বর্তী সরকারের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন এই ফেরি চলাচলের উদ্বোধন করেন।
এ সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র মতে, বাঁশবাড়িয়া থেকে ফেরিতে করে উপদেষ্টারা সন্দ্বীপে যাবেন। সেখানে সুধী সমাবেশ করা হবে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।
প্রসঙ্গত, চার লাখ মানুষের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান হল এ ফেরি সেবার মধ্যে দিয়ে। সাগরবক্ষের এই দ্বীপের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের সরাসরি যোগাযোগের স্বপ্ন পূরণ হল।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়া থেকে সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া পর্যন্ত এই ফেরি চলাচল করবে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জাতীয়
স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশ ও ড. ইউনূসকে ট্রাম্পের শুভেচ্ছা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূসকে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্ট থেকে জানা গেছে এ তথ্য।
‘স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস ও বাংলাদেশের জনগণকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুভেচ্ছা’ শিরোনামে দেওয়া ওই পোস্টে ট্রাম্পের শুভেচ্ছাবার্তাটি নিম্নরূপে তুলে ধরা হয়-
প্রিয় জনাব প্রধান উপদেষ্টা: আমেরিকান জনগণের পক্ষ থেকে আমি আপনাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এই পরিবর্তনের সময় বাংলাদেশের জনগণের জন্য গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং বর্ধিত নিরাপত্তার জন্য সক্ষমতা তৈরির একটি সুযোগ এনে দিয়েছে। আসন্ন এই গুরুত্বপূর্ণ বছরে আমাদের অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উন্মুখ। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা আমাদের সম্পর্ক জোরদার করার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে পারব এবং ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে পারব। এই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে, দয়া করে আপনার এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন।
কাফি
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
ঈদে ফিরতি যাত্রায় ৬ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি হবে আজ

আসন্ন ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ের আন্তঃনগর ট্রেনের ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। এখন চলছে ঈদের পর ফিরতি যাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি। যারা আগামী ৬ এপ্রিলের ফিরতি যাত্রার জন্য ট্রেনের টিকিট কিনতে চান, তাদের আজ টিকিট ক্রয় করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সকাল ৮টায় চতুর্থ দিনের মতো ফিরতি যাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। অগ্রিম টিকিটের শতভাগই বিক্রি হচ্ছে অনলাইনে। তবে বিশেষ ব্যবস্থায় বিক্রি হওয়ায় কোনো টিকিট রিফান্ড করার সুযোগ থাকছে না।
এদিকে আজ সকাল ৮টা থেকে পাওয়া যাবে রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট। অন্যদিকে দুপুর ২টায় বিক্রি শুরু হবে পূর্বাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট।
এছাড়া ঈদের পর ফিরতি যাত্রায় ৭ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি করা হবে ২৮ মার্চ, ৮ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি করা হবে ২৯ মার্চ এবং ৯ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি করা হবে ৩০ মার্চ।
উল্লেখ্য, বিগত বছরগুলোতে ঈদযাত্রায় ৮ থেকে ১০ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালাতো বাংলাদেশ রেলওয়ে। কিন্তু এবার সেটি কমিয়ে ৫ জোড়া করা হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রুটে চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল ১ ও ২ নামে দুটি এক জোড়া ট্রেন চালানো হবে, ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা রুটে দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল ৩ ও ৪ নামে একজোড়া ট্রেন চালানো হবে, ভৈরববাজার-কিশোরগঞ্জ-ভৈরববাজার রুটে শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল ৫ ও ৬ নামে এক জোড়া ট্রেন চালানো হবে, ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ রুটে শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল ৭ ও ৮ নামে এক জোড়া ট্রেন চালানো হবে এবং জয়দেবপুর- পার্বতীপুর-জয়দেবপুর রুটে পাবর্তীপুর ঈদ স্পেশাল ৯ ও ১০ নামে এক জোড়া ট্রেন চালানো হবে।
কাফি
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
আজ বিএফএ সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া বার্ষিক সম্মেলন ২০২৫-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য রাখবেন। স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টায় বক্তব্য রাখবেন বলে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন।
লাওসের প্রধানমন্ত্রী সোনেক্সাই সিফানডোন, চীনের স্টেট কাউন্সিলের নির্বাহী উপ-প্রধানমন্ত্রী ডিং শুয়েশিয়াং, বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার চেয়ারম্যান বান কি-মুন এবং এর মহাসচিব ঝাং জুন হাইনানের বিএফএ আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠেয় এ অধিবেশনে বক্তৃতা করবেন।
খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) মহাপরিচালক কু দোংইউ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। অধ্যাপক ইউনূস এবং জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি-মুন একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।
এছাড়া রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
আজ দুপুরে চার দিনের সরকারি সফরে বাংলাদেশ থেকে রওনা দিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বিকেলে চীন পৌঁছেছেন। প্রধান উপদেষ্টাসহ তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী সাউদার্ন এয়ারলাইন্সে একটি বিশেষ ফ্লাইট বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে দেশটির হাইনানের কিয়োংহাই বোয়াও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম এবং হাইনান প্রদেশের ভাইস গভর্নর বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টাকে অভ্যর্থনা জানান।
বোয়াও ফোরামের পাশাপাশি, তিনি বিশ্বখ্যাত এবং চীনের বড় বড় কোম্পানির প্রধান নির্বাহীদের (সিইও) সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
অধ্যাপক ইউনূস এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে প্রথম দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ২৮ মার্চ বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
২৯ মার্চ অধ্যাপক ইউনূস পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিকেইউ) বক্তৃতা দেবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেবে।
তিনি চীনের হাসপাতাল চেইনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবেন, যাতে তারা যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশে ব্যবসার সম্ভাবনা অন্বেষণ এবং হাসপাতাল স্থাপনের জন্য উৎসাহিত হয়।
প্রধান উপদেষ্টার আগামী ২৯ মার্চ দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
এলডিসি উত্তরণের কর্মকৌশল বাস্তবায়নে ৬ সদস্যের কমিটি গঠন

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে (এলডিসি) উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মাধ্যমে রূপান্তর প্রক্রিয়াকে মসৃণ করার পরিকল্পনা বা স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজি (এসটিএস) বাস্তবায়নে ৬ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে সরকার। সম্প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে এ কমিটি গঠন করা হয়।
এদিকে এলডিসি উত্তরণকে মসৃণ ও টেকসই করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে এসটিএস কর্মকৌশল অনুমোদন ও প্রকাশ করা হয়েছে। এই কর্মকৌশল বাস্তবায়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দিয়ে সহায়তার জন্য এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ছয় সদস্যের বিশেষ কমিটির প্রধান করা হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী) আনিসুজ্জামান চৌধুরীকে। অপর পাঁচ সদস্য হলেন- বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক মঞ্জুর হোসেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি অনুবিভাগ) মো. আবদুর রহিম খান, গবেষণা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেসন ফর ডেভেলপমেন্টের (র্যাপিড) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক এবং বিআইডিএসের অর্থবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান কাজী ইকবাল।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে বলা হয়েছে, আগামীকাল উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ এই কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন কমিটির প্রধান আনিসুজ্জামান চৌধুরী।
কমিটির কার্যক্রম বিষয়ে সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এলডিসি উত্তরণে আমাদের সামনে খুবই কম সময় রয়েছে। এর ফলে স্বল্প সময়ে ঠিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। এ কারণে এসটিএস কীভাবে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, সেটি দেখভাল করবে এই কমিটি। এসটিএস বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে অনেকগুলো উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দায়িত্বও বণ্টন করা হয়েছে। ছয় সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি এসব উপকমিটিকে পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করবে।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এলডিসি থেকে উত্তরণের দিন ঠিক আছে ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর। ১৯৭৫ সালে এলডিসি তালিকায় যুক্ত হয় বাংলাদেশ। এলডিসিভুক্ত দেশ হওয়ার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য-সুবিধাসহ নানা সুবিধা পায় বাংলাদেশ। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর এই সুবিধা আর থাকবে না। তাই ব্যবসায়ী ও রপ্তানিকারকেরা এলডিসি থেকে উত্তরণের সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছিলেন। ব্যবসায়ীদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার শুরুতে সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করছিল। ১১ মার্চ প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে) আনিসুজ্জামান চৌধুরী সাংবাদিকদের এমন ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন।
তবে ১৩ মার্চ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় সময়সীমা না পিছিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এলডিসি থেকে উত্তরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
স্বাধীনতা দিবসে ৬ জাহাজ উন্মুক্ত করলো কোস্টগার্ড

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে জনসাধারণের জন্য ছয়টি জাহাজ উন্মুক্ত করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। বুধবার (২৬ মার্চ) বিকেলে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার মো. সিয়াম-উল-হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আজ ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। প্রতিবছর এ দিনটি বাঙালি জাতি বিশেষভাবে পালন করে থাকে। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ২৬ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ‘বিসিজিএস শেট গাং’ (মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাট, ঢাকা), ‘বিসিজিএস সৈয়দ নজরুল’ (১৫ নং ঘাট, পতেঙ্গা), ‘বিসিজিএস শ্যামল বাংলা’ (বিসিজি বেইস চট্টগ্রাম, ইছা নগর), ‘বিসিজিএস কামরুজ্জামান (দিগরাজ, মোংলা), ‘বিসিজিএস তৌহিদ’ (রুপসা, খুলনা) এবং ‘বিসিজিএস অপরাজেয় বাংলা’ (পায়রা পোর্ট, পটুয়াখালী) জাহাজগুলো সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখে।
স্বাধীনতা-দিবস, কোস্টগার্ড, মুক্তিযুদ্ধ, নৌবাহিনীস্বাধীনতা দিবসে ছয় জাহাজ উন্মুক্ত করলো কোস্টগার্ড
তিনি আরও বলেন, দুপুর ১২টা থেকে জাহাজ পরিদর্শন করতে ওই এলাকা এবং আশপাশের এলাকার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী-পুরুষ আগমন করেন। এতে সাধারণ মানুষের কোস্টগার্ডের জাহাজ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়।
এছাড়াও জাহাজগুলো সম্পর্কে মানুষের কৌতূহল এবং বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন দ্বায়িত্বশীল কর্মকর্তা এবং নাবিকরা। জাহাজের গভীর সমুদ্রে গমন ও উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলে টহল, উদ্ধার ও অনুসন্ধান কর্মকাণ্ড, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধ, জলদস্যুতা দমন, মৎস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা এবং যুদ্ধকৌশল সম্পর্কে জানতে পেরে জনসাধারণের মাঝে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সম্পর্কে ইতিবাচক দিক প্রকাশ পায়।