জাতীয়
পদোন্নতি পেয়ে যুগ্মসচিব হলেন ১৯২ কর্মকর্তা

১৯২ জন উপসচিবকে যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জামিলা শবনম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পদোন্নতির আদেশে উল্লিখিত কর্মস্থল হতে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর/কর্মস্থল ইতিমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম/ঠিকানা উল্লেখ করে তিনি যোগদানপত্র দাখিল করবেন। পরবর্তীতে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো বিরূপ/ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
এতে বলা হয়, যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ তাদের যোগদানপত্র সরাসরি সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বরাবর অথবা অনলাইনে ইমেইল (sa1@mopa.gov.bd) দাখিল করতে পারবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জাতীয়
২০২৮ সাল পর্যন্ত চীনে শুল্ক-কোটামুক্ত বাজার সুবিধা পাবে বাংলাদেশ

চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ডিং জুয়েশিয়াং বলেছেন, চীন ২০২৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশি পণ্যের জন্য শুল্ক ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা দেবে। যা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় স্থান পাওয়ার দুই বছর পর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে মুক্তবাণিজ্য চুক্তির আলোচনার বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) চীন সফররত প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা জানান তিনি। এশিয়ার ডেবোসখ্যাত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া বার্ষিক সম্মেলনের সাইডলাইনে তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার কথা জানিয়ে ডিং জুয়েশিয়াং বলেন, তারা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে পূর্ণ সমর্থন দেবে। দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে উভয় দেশ বিনিয়োগ, বাণিজ্য, সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ও জনগণের পারস্পরিক বিনিময় বাড়ানোর ব্যাপারে সম্মত হয়েছে।
উপ-প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং আপনার (ড. মুহাম্মদ ইউনূস) সফরকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন। চীন আশা করে অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও সমৃদ্ধ হবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা দেশের ‘এক-চীন নীতির প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি’ পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বলেন, বাংলাদেশ গর্বিত যে এটি দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে (বিআরআই) যোগ দিয়েছে।
মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও দাশেরকান্দি পয়োনিষ্কাশন প্রকল্পে চীন অর্থায়ন করবে জানিয়ে চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী বলেন, চীন গত বছর বাংলাদেশ থেকে আম আমদানির জন্য একটি প্রটোকল সই করেছে। এ গ্রীষ্মেই চীনে আম রপ্তানি শুরু হবে। যা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ভারসাম্য আনতে সহায়ক হবে।
এছাড়া রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সংলাপকে উৎসাহিত করতে চীন সহযোগিতা করবে বলে জানান তিনি।
চীনের এ সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আজকের বৈঠক বাংলাদেশ-চীন অংশীদারত্বকে আরও গভীর করার আরেকটি মাইলফলক। আসুন, আমরা একসঙ্গে কাজ করি—বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও অংশীদারত্বের এক নতুন যুগের সূচনা করি এবং আমাদের কৌশলগত সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করি।’
বৈঠকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, জ্বালানি, রেল ও সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা ফওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমান এবং বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
হাইনান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধান উপদেষ্টা

চীনের হাইনান প্রদেশ থেকে রাজধানী বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টায় বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান।
চীনে চারদিনের সরকারি সফরের প্রথম দিনে তিনি বোআও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে ভাষণ দেন এবং অন্তত আটটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন। যার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
‘আওয়ামী লিগ’ নামে নিবন্ধন চাওয়া সেই উজ্জ্বলের পরিচয় মিলেছে

নতুন রাজনৈতিক দল ‘আওয়ামী লিগ’ নামে নিবন্ধন চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করা হয়েছে। এর প্রতীক চাওয়া হয়েছে ‘নৌকা’ অথবা ‘ইলিশ’। গত ২৪ মার্চ দলটির নিবন্ধন চেয়ে উজ্জ্বল রায় (২৭) নামের এক ব্যক্তির পরিচয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে আবেদন করা হয়। এরপর বিষয়টি গণমাধ্যমে আসলে শুরু হয় আলোচনা। পরিচয় খোঁজা শুরু হয় উজ্জ্বল রায়ের। তিনি নিজেকে দলের প্রধান বলে দাবি করেছেন।
ইসিতে জমা দেওয়া আবেদন ফরমের তথ্য অনুযায়ী, ‘আওয়ামী লিগ’-এর প্রধান দাবি করা উজ্জ্বল রায়ের বাড়ি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায়। তিনি ওই উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা নরেশ চন্দ্র রায়ের ছেলে। তার মায়ের নাম পারুল রায়।
এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উজ্জ্বল রায় ছাড়াও নরেশ চন্দ্রের আরো এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার বড় ছেলে কনক চন্দ্র চাকরিজীবী এবং মেয়ের নাম প্রতীমা রাণী। উজ্জ্বল পার্শ্ববর্তী উপজেলার ফুলবাড়ী টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র।
‘আওয়ামী লিগ’-এর নিবন্ধন চেয়ে আলোচনায় আসার পর থেকে ‘আত্মগোপনে’ উজ্জ্বল রায়। বাড়িতে বা এলাকায় তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, উজ্জ্বল রায় দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক ভারসম্যহীন।
নিবন্ধন চেয়ে ইসি সচিবের কাছে করা আবেদনে উজ্জ্বল রায় উল্লেখ করেন, দলটির কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন হয়েছে গত ২৪ মার্চ, এই কমিটির মেয়াদ শেষ আগামী ২০ এপ্রিল। দলের প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানা বঙ্গবন্ধু এভিনিউ। তবে এতে কোনো সড়ক ও বাড়ির নম্বর উল্লেখ নেই।
ঘটনার পর থেকেই উজ্জল রায় পলাতক থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। কথা হয় তার বাবা নরেশ চন্দ্র ও মা পারুল রানীর সাথে। তাদের অভিযোগ, উজ্জ্বলকে ফাঁসানো হয়েছে।
নরেশ চন্দ্র বলেন, ‘উজ্জলের নাম ব্যবহার করে কেউ তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। সে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন।’ তবে ঘটনার পর থেকে উজ্জলের আত্মগোপনে থাকার কারণ সম্পর্কে কোনো উত্তর দেননি তিনি।
পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি আব্দুস ছালাম জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে থানা পুলিশ অবগত নয়।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
জনগণের আস্থা ফেরাতে সংস্কার করা হচ্ছে: প্রধান উপদেষ্টা

জনগণের আস্থা ফেরাতে সংস্কার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (বিএফএ) সম্মেলনে দেয়া বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
ড. ইউনূস বলেন, ‘ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। রোহিঙ্গাদের কারণে সামাজিক ও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।’ এসময় রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে এশিয়ার নেতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিশ্ব দেখছে বাংলাদেশের মানুষ দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক হয়েছে। নতুন বাংলাদেশ গড়তে কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তবে জনগণের আস্থা ফেরাতে সংস্কারকাজ করা হচ্ছে।
এ সময় জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে বৈশ্বিক যে ক্ষতি হচ্ছে তা তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, আমাদের সভ্যতা হুমকির মুখে। জলবায়ুর এই প্রভাব রোখে অনুদানভিত্তিক অর্থায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস।
গাজায় যা হচ্ছে তা শুধু মুসলিম বা আরব বিশ্বের নয়, এটি মানবতার বিষয় বলেও মন্তব্য করেন ড. ইউনূস।
এদিকে, স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করবেন দেশটির খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মহাপরিচালক কু দোংইউ। এ ছাড়া জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি-মুন ও রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীও সাক্ষাৎ করবেন প্রধান উপদেষ্টার সাথে।
অধ্যাপক ইউনূস বুধবার চার দিনের সরকারি সফরে চীনে পৌঁছেছেন। প্রধান উপদেষ্টাসহ তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী সাউদার্ন এয়ারলাইন্সে একটি বিশেষ ফ্লাইট বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে হাইনানের কিয়োংহাই বোয়াও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম এবং হাইনান প্রদেশের ভাইস গভর্নর বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টাকে অভ্যর্থনা জানান।
অধ্যাপক ইউনূস এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে প্রথম দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ২৮ মার্চ বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। ২৯ মার্চ অধ্যাপক ইউনূস পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিকেইউ) বক্তৃতা দেবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করবে।
সফরে প্রধান উপদেষ্টা চীনের হাসপাতাল চেইনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবেন। যাতে তারা যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশে ব্যবসার সম্ভাবনা অন্বেষণ এবং হাসপাতাল স্থাপনের জন্য উৎসাহিত হয়।
আগামী ২৯ মার্চ প্রধান উপদেষ্টার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
কাফি
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশ ও ড. ইউনূসকে ট্রাম্পের শুভেচ্ছা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূসকে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্ট থেকে জানা গেছে এ তথ্য।
‘স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস ও বাংলাদেশের জনগণকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুভেচ্ছা’ শিরোনামে দেওয়া ওই পোস্টে ট্রাম্পের শুভেচ্ছাবার্তাটি নিম্নরূপে তুলে ধরা হয়-
প্রিয় জনাব প্রধান উপদেষ্টা: আমেরিকান জনগণের পক্ষ থেকে আমি আপনাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এই পরিবর্তনের সময় বাংলাদেশের জনগণের জন্য গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং বর্ধিত নিরাপত্তার জন্য সক্ষমতা তৈরির একটি সুযোগ এনে দিয়েছে। আসন্ন এই গুরুত্বপূর্ণ বছরে আমাদের অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উন্মুখ। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা আমাদের সম্পর্ক জোরদার করার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে পারব এবং ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে পারব। এই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে, দয়া করে আপনার এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন।
কাফি