ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
রুয়েটে চারজন আজীবন, হল থেকে স্থায়ী বহিষ্কার ৪২

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ চারজনের ছাত্রত্ব আজীবনের জন্য বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে আরও ৪৮ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তাদের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া এবং পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করার দায়ে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এসএম আব্দুর রাজ্জাক।
আজীবন বহিষ্কৃতরা হলেন- নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রুয়েটের সভাপতি ও পুরকৌশল বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী ফাহমিদ লতিফ লিয়ন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও সিএসই বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী সৌমিক সাহা, যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০১৯-২০২০ সেশনের শিক্ষার্থী শাশ্বত সাহা সাগর এবং পুরকৌশল বিভাগের ২০১৯-২০২০ সেশনের শিক্ষার্থী মৃন্ময় কান্তি বিশ্বাস।
এ ছাড়াও রুয়েটের প্রকৌশল শাখার সহকারী প্রকৌশলী নাঈম রহমান নিবিড়, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ডাটা প্রসেসর মো. মহিদুল ইসলাম, শিক্ষা শাখার সাব-এসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রামার এ.কে.এম. আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রুয়েটের সংশ্লিষ্ট ফোরামে অনুরোধ করা হয়েছে।
গত বছরের ১৯ আগস্ট এ অভিযানের প্রেক্ষিতে প্রাপ্ত রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে হলের বিভিন্ন কক্ষে অস্ত্র ও মাদকসহ নিষিদ্ধ দ্রব্যাদি রাখার দায়ে আপাতত আবাসিক হল থেকে বহিষ্কার ও তদন্ত কমিটি গঠনপূর্বক পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। অপরদিকে, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় দুই শিক্ষার্থীকে চার সেমিস্টার বা দুই শিক্ষাবর্ষের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
রুয়েটের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক ও ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রুয়েট প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করে। এসব অভিযোগ যাচাই করে দেখা যায়, অভিযুক্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত যে অর্ডিন্যান্স রয়েছে তার ধারা লঙ্ঘন করেছেন। এজন্য ৪ শিক্ষার্থীকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও দুইজনকে চার সেমিস্টার বা দুই শিক্ষাবর্ষের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এর বাইরে গত বছরের ১৯ আগস্ট অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাপ্ত রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে ৪২ জনকে আবাসিক হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ইবিতে ফিটনেসবিহীন পরিবহন অপসরনের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পরিবহন পুল থেকে ফিটনেসবিহীন সব বাস অপসারণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়নে নতুন বাস, দক্ষ চালক এবং কুষ্টিয়া খুলনা মহাসড়ক সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি শাখা।
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইবি সমন্বয়ক এস এম সুইটের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে সমবেত হন প্রায় অর্ধ-শতাধিক শিক্ষার্থীবৃন্দ।
এসময় ইবি সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, এই আন্দোলন এবার প্রথম না, ২০১৯ সালে যখন আমরা আন্দোলন করি তখন প্রধান ফটক থেকে ইবি থানার এবং পাশের ফাঁড়ির পুলিশ স্পট থেকে তুলে নিয়ে যাবার চেষ্টা করে। এই কুষ্টিয়া মহাসড়ক বারবার সংস্কার হয় কিন্তু টেকসই কোনো ফলাফল নাই। ক্যাম্পাসের প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষার্থী ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে, সড়কের সমস্যার পাশাপাশি ক্যাম্পাসের ভাড়ায় চালিত বাসের অনেক সমস্যা আছে। বিগত ১৬ বছরে বাসচালক সহ প্রায় সমস্ত সেক্টরে আওয়ামী অদক্ষ কর্মচারী নিয়োগ পেয়েছে। সমস্যা সমাধানে দুইটি বিষয় গুরুত্ব দিতে হবে। প্রথমত অন্তত সপ্তাহে দুই দিন বাসচালক সহ সকল বাস তদারকি করতে হবে দ্বিতীয়ত ভাড়ায় চালিত বাস ব্যতিরেকে ইবির স্থায়ী বাসের ব্যবস্থা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের পরিবহন ফি কমে আসবে। ইবির বাজেটের প্রায় অধিকাংশ অংশই ভাড়াই চালিত বাসের পিছনে ব্যয় হয় এসব বন্ধ করতে হবে। এছাড়া জুলাই পরবর্তী শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ার যে লক্ষ্য ছিলো সেটা অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে। যদিও বিগত ৬ মাসে সেটা তেমন লক্ষ্য করা যায়নি। এছাড়া প্রশাসনিক ক্ষেত্রে দক্ষ প্রশাসক নিয়োগ দিতে হবে। এছাড়া যারা বিগত ১৬ বছরে মেধাকে পাশ কাটিয়ে দলিও পরিচয়ে নিয়োগ এবং পদন্নোতি পেয়েছে তাদের শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে।
অপরদিকে দুর্ঘটনায় আহত সমাজকল্যাণ বিভাগের ২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সালেকীন ইমাম বলেন, আমরা যে ২২ কিলোমিটার পথ কুষ্টিয়া বা ঝিনাইদহ থেকে যাতায়াত করি, এখানে যেন কোন ফিটনেসবিহীন গাড়ি ব্যবহার না করা হয় এবং গাড়ির ড্রাইভার যেন সঠিকভাবে গাড়ি চালায়। পরবর্তীতে যেন এরকম পরিস্থিতিতে আর কাউকে পড়তে না হয়।
অর্থসংবাদ/সাকিব/এসএম
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ইবির ফিটনেসবিহীন পরিবহন বাতিলের দাবি দুর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের

কুষ্টিয়া শহর থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগামী শিক্ষার্থী বহনকারী ভাড়াকৃত সুহাইল নামের একটি বাস বাস মাঝপথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিত্তিপাড়ায় উল্টে যায়। এসময় আনুমানিক ১৩ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হলেও হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের শিক্ষার্থী সাগর ও সমাজ কল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থী সালেকীন ইমাম গুরুতর আহত হন। এর মধ্য সাগরকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মোট ১১জন শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি ছিলো। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুইজন গুরুতর আহত শিক্ষার্থী হসপিটালাইজ আর বাকীদের রিলিজ দেয়া হয়েছে। আর ঢাকায় পাঠানো শিক্ষার্থীর জ্ঞান ফিরেছে ও ঢাকা মেডিকেলে সাগরকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সাগরের অবস্থা পূর্বের থেকে কিছুটা ভালো। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যও তাকে দেখতে যাবেন বলে জানা গেছে।
এসময় সমাজকল্যাণ বিভাগের ২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সালেকীন ইমাম বলেন, ১০ টার বাসে ক্যাম্পাসে যাচ্ছিলাম হঠাৎ ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং বাম পাশ থেকে ডানপাশে খালের মধ্যে গাড়ি পড়ে যায়। আমি সবার সামনে ছিলাম, মনে হলো মৃত্যুকে কাছ থেকে দেখলাম। গাড়ি পড়ে যাওয়ার পরে প্রথমে কিছু বুঝতে পারিনি। পরে আমার ডান হাত দেখি রক্তে ভিজে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন আমাদের প্রাথমিক চিকিৎসার খরচ এবং উন্নত চিকিৎসার আশ্বাস দিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি করে তিনি বলেন, আমরা যে ২২ কিলোমিটার পথ কুষ্টিয়া বা ঝিনাইদহ থেকে যাতায়াত করি, এখানে যেন কোন ফিটনেসবিহীন গাড়ি ব্যবহার না করা হয় এবং গাড়ির ড্রাইভার যেন সঠিকভাবে গাড়ি চালায়। পরবর্তীতে যেন এরকম পরিস্থিতিতে আর কাউকে পড়তে না হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর শাহিনুজ্জামান স্যার বলেন, আহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন রিলিজ নিয়ে চলে গেছে আরেকজনকে আমরা চিকিৎসার জন্য ঢাকাতে পাঠিয়েছি। ডাক্তাররা তাকে সাজেস্ট করেছে নিউরোসায়েন্স অথবা ডিএমসিতে যাওয়ার জন্য। যতটা ক্রিটিকাল মনে করেছিলাম আল্লাহর রহমতে ঢাকায় পৌঁছানোর এক ঘন্টা আগেই তার জ্ঞান ফিরেছে। সে সবাইকে চিনতে পারছে এবং কথা বলছে। এখানে বর্তমানে যে পেসেন্ট গুলো আছে তারা মোটামুটি স্বাভাবিক আছে। এরমধ্যে পাঁচজনকে সিটিস্ক্যান করা হয়েছে এবং তাদের তিনজনের রিপোর্ট ভালো আর বাকি দুই জনের রিপোর্ট এখনো আসেনি। আর কয়েকজন আছে বিভিন্ন ধরনের ইনজুর যাদের কেটে গেছে, কারো কাচ ঢুকে গেছে, এদেরকে ওটিতে নিয়ে ড্রেসিং করে সেলাই দেয়া হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে আমাদের শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসার জন্য যা যা করা দরকার তা যেন তারা করে।
অর্থসংবাদ/সাকিব/এসএম
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
শিক্ষার মানের ভয়াবহ অবনতি ঘটেছে: শিক্ষা উপদেষ্টা

শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটলেও মানের ভয়াবহ অবনতি ঘটেছে এবং ঘটছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
তিনি বলেন, দেশের শিক্ষায় অনেক কিছুই হয়েছে। অনেক প্রসার ঘটেছে। রমরমা অনেক বাণিজ্যও দেখা যাচ্ছে। তবে শিক্ষার মানের ভয়াবহ অবনতি ঘটেছে এবং ঘটছে। এটা আশঙ্কাজনক। এখন প্রযুক্তির যুগ…সভ্যতার পথ ধরে এগোতে গেলে প্রযুক্তি তো লাগবেই। তবে নৈতিকতা ছাড়া সভ্য হওয়া যাবে না।
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, তোমরা যারা কর্মজীবনে প্রবেশ করছো, ক্যারিয়ারের প্রতি যত্নবান হবে। সমাজের জন্যও কিছু করতে হবে। সমাজের জন্য কিছু করা অর্থ কী? আমরা যে যা-ই করি না কেন, আমরা যদি সবক্ষেত্রেই নিজের দায়িত্ব ঠিকমতো, দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সৎভাবে পালন করি, তবেই সেটা সমাজের জন্য কিছু করা হবে।
ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, আর্থিক বিবেচনায় আপনারা পেশা বেছে নেবেন না। বরং আপনার যে কাজটি করতে ভালো লাগে, সেরকম পেশা বেছে নেওয়া উচিত। আমরা এমন সমাজে বাঁচতে চাই, যেখানে সৎভাবে বুক উঁচু করে বাঁচা যায়। সে পথে সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে।
গণঅভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশের স্বার্থে জীবনবাজি রেখে লড়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেকের ধারণা ছিল যে প্রাইভেট ভার্সিটির শিক্ষার্থীরা শুধু নিজেদের ক্যারিয়ার নিয়েই চিন্তা করে, তাদের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা কাজ করে না। তবে আমরা সাম্প্রতিক যে গণঅভ্যুত্থান দেখেছি, সেখানে ব্র্যাকসহ বেশ কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেভাবে জীবনবাজি রেখে এগিয়ে এসেছিলেন, তাতে সবার ভুল ভেঙে গেছে।
সমাবর্তন বক্তা ছিলেন অস্কার জয়ী চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সাংবাদিক শারমিন ওবায়েদ চিনয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপারসন তামারা হাসান আবেদ ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার।
সমাবর্তনে ভেলিডিক্টোরিয়ান বক্তব্য দেন চ্যান্সেলর স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী শিহাব মুহতাসিম ও সমাপনী বক্তব্য দেন সমাবর্তন কমিটির কো-চেয়ার ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারপারসন ড. সাদিয়া হামিদ কাজী।
এবারের সমাবর্তনে চার হাজার ৮২৯ জন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দুজনকে চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক এবং ২৮ জনকে ভাইস-চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক দেওয়া হয়।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ইবিতে পিআরএম বিষয়ক অবহিতকরণ সভা

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের বার্ষিক তুলনামূলক ক্রম-উন্নতিভিত্তিক ফলপ্রকাশ পদ্ধতি (পিআরএম) বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ৩ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন ভবনের অর্থনীতি হল কক্ষে সেফ দ্য ভিলেজ উদ্যোগে এ সভা আয়োজন করা হয়।
এসময় অর্থনীতি বিভাগ সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক ড. পার্থ সারথি লস্কর, অধ্যাপক ড. কাজী মোস্তফা আরিফ, অধ্যাপক ড. মোঃ আবু রায়হান, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক ফারহা তানজিম তিতলী, সরকারি অধ্যাপক মিথিলা তানজিল, সহকারী অধ্যাপক হুমায়ুন কবির’সহ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৯৬-৯৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও যুক্তরাজ্যের বাথ স্পা ইউনিভার্সিটি অধ্যাপক ড. আহমেদ খন্দকার ফরিদ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক মোট ১১ জন ও মাধ্যমিক পর্যায়ের (মাগুরা জেলা) ১০ স্কুলের মোট ১১৪ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল।
এসময় অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্স (২২-২৩) শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইজাজ মাহমুদ অনিক বলেন, নিজের তুলনায় নিজেকে ছাপিয়ে যাবার যে অনন্য প্রণোদনা মাধ্যমিক শিক্ষা পর্যায়ে পিআরএম টিম সরবরাহ করছে তা নি:সন্দেহে প্রশংসার দাবীদার। এতে করে শিক্ষার্থীদের মনে যে উদ্দীপনার সঞ্চার হচ্ছে বা হবে তাদের অনাগত আগামীর সফলতায় তা সোপান হিসেবে কাজ করবে বলে আমি দৃঢ় বিশ্বাসী।
এসময় অধ্যাপক ড. আহমেদ খন্দকার ফরিদ বলেন, আকাশে ওড়ার স্বপ্ন মানুষের হাজার বছর ধরে। ব্যর্থ হচ্ছিলো। যখন বুঝলো, বিমানের ভেতর থেকে শক্তি দরকার, তখনই ভেতরে ইঞ্জিন প্রতিস্থাপন করলো। তখন মানুষ সাফল্য পেলো। আকাশে উড়তে শুরু করলো। আমরা আমাদের নতুন প্রজন্মের মধ্যে একটা করে ইঞ্জিন প্রতিস্থাপনের চেষ্টা করছি মাত্র। সেই ইঞ্জিনের নাম ‘প্রোগ্রেসিভ রেজাল্ট মেথড’। এই প্রচেষ্টা চলতেই থাকবে।
অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. পার্থ সারথি লষ্কর বলেন, সেভ দ্য ভিলেজ এর তত্বাবধানে অনুষ্ঠিতব্য পিআরএম মেথড শীর্ষক আজকের এ আলোচনা সভাটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বলে আমার মনে হয়। সভায় উপস্থিত অর্থনীতি বিভাগের সম্মানিত শিক্ষকদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য ও দিক নির্দেশনা কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ চলার পথ সুগম ও সাফল্যমন্ডিত করে তুলবে বলে আমি আশাবাদী। এ জাতীয় মহৎ প্রোগ্রামের অংশীদার হতে পেরে অর্থনীতি পরিবার গর্বিত।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ইবি জিয়া পরিষদের নেতৃত্বে ফারুকুজ্জামান ও রফিকুল

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বিএনপি পন্থি শিক্ষক সংগঠন জিয়া পরিষদের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী এক বছরের জন্য এ কমিটির সভাপতি হিসেবে কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খান ও আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. মো. আবুল কাশেম তালুকদার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি ড. মো. শফিকুল ইসলাম, ড. মোহা. আব্দুস সামাদ, ড. নূরুন নাহার, মো. আব্দুস শাহীদ মিয়া, ড. এ. এস. এম. আয়নুল হক আকন্দ। যুগ্ম-সম্পাদক ড. মো. রশিদুজ্জামান, মো. ফকরুল ইসলাম।
এছাড়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ড. মো. হাফিজুর রহমান, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক,ড. মুহা. শরিফুল ইসলাম দপ্তর সম্পাদক, ড. মো. জালাল উদ্দিন,সহ-দপ্তর সম্পাদক ড. মো. নাসির উদ্দিন খান, কোষাধ্যক্ষ ড. শেখ মোহাম্মদ আবদুর রউফ, প্রচার সম্পাদক ড. মোঃ শাহীনুজ্জামান, সহ-প্রচার সম্পাদক এস.এম. আব্দুর রাজ্জাক, সংগ্রহ ও প্রকাশক সম্পাদক ড. এ.কে.এম রাশেদুজ্জামান সাহিত্য সংস্কৃতি ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ড. মো. জাহিদুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ড. খোদেজা খাতুন, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ড. মো. মিজানুর রহমান, ড. মো. নজিবুল হক।
নব নির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক ড. ফারুকুজ্জামান খান বলেন, জুলাইয়ের ছাত্র-গনআন্দোলনের চেতনা অনুযায়ী নতুন করে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও সার্বিক কার্যক্রমে দুর্নীতি ও ফ্যাসিবাদ মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টিতে সাধ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ।
অর্থসংবাদ/সাকিব/এসএম