জাতীয়
বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা আইন বাতিল

জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা আইন ২০০৯- বাতিলের সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। আইনটি বাতিল হলে বঙ্গবন্ধু পরিবারের কেউ আর বিশেষ নিরাপত্তা পাবেন না।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে তার কার্যালয় ‘যমুনায়’ অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হওয়ার প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে তথ্য এসব জানান পরিবেশ বন ও জলবায়ু উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাঠানো একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যগণের নিরাপত্তা প্রদান সংক্রান্ত বিধানসমূহ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় কার্যকর করা সম্ভব নয় বিধায় আইনের কতিপয় বিধান বিলোপসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা বিধানের বিষয়টি সংযোজনপূর্বক ‘বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৪’ উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, বিগত সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা আইন, ২০০৯’ (২০০৯ সালের ৬৩ নম্বর আইন) প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ১৫.০৫.২০১৫ তারিখে উক্ত আইন অনুসারে বিশেষ নিরাপত্তা এবং সুবিধাদি প্রদানের গেজেট জারি করা হয়। কেবল একটি পরিবারের সদস্যদের রাষ্ট্রীয় বিশেষ সুবিধা প্রদানের জন্য আইনটি করা হয়েছিল; যা একটি সুস্পষ্ট বৈষম্য।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সব বৈষম্য দূরীকরণে দৃঢ় প্রত্যয় গ্রহণ করেছে। বর্তমানে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়ায় এ বিষয়ে আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করে এই আইনটি রহিতকল্পে অধ্যাদেশ জারি করা প্রয়োজন। এ প্রেক্ষাপটে, উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠক কর্তৃক ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যদের নিরাপত্তা (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করা হয়।
এমআই
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জাতীয়
ভাগাড়ে কোনোভাবেই ময়লা পোড়ানো যাবে না: পরিবেশ উপদেষ্টা

ভাগাড়ে কোনোভাবেই ময়লা পোড়ানো যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
শনিবার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর মাতুয়াইলে স্যানিটারি ল্যান্ডফিল (ময়লার ভাগাড়) এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, একইসঙ্গে ভাগাড়ে ব্যাটারি পোড়ানো বা ব্যাটারির সিসাও আলাদা করা যাবে না।
মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিলের আশপাশের এলাকার মানুষের জীবনযাত্রা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শিগগিরই এই ময়লার ভাগাড় মাতুয়াইল থেকে পুরোপুরি সরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয় জানিয়ে তিনি আরও বলেন, পার্শ্ববর্তী দুটি স্টিলমিল বন্ধে নির্দেশ দেওয়া হবে।
ঢাকার বায়ুর মান উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে কমিটি গঠন করা হবে বলেও এ সময় জানান উপদেষ্টা।
প্রসঙ্গত, বায়ু দূষণ থেকে বাঁচতে মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিল (ময়লার ভাগার) দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয়রা। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ময়লা পোড়ানো বন্ধেও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি তাদের।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

যুক্তরাষ্ট্রেরে শুল্কারোপ ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এতে শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও কর্মকর্তারা যোগ দেবেন।
গত বুধবার (২ এপ্রিল) ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন করে
পারস্পরিক শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব বাণিজ্যিক অংশীদারদের ওপর বহুল আলোচিত পাল্টা শুল্কারোপ করেন তিনি।
ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশি পণ্যের শুল্ক বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ করা হয়েছে। এতদিন দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর গড়ে ১৫ শতাংশ করে শুল্ক ছিল।
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের একটি বড় অংশ রপ্তানি হয় যুক্তরাষ্ট্রে। যুক্তরাষ্ট্রে বছরে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি হয় প্রায় ৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন (৮৪০ কোটি) ডলার, যা প্রধানত তৈরি পোশাক।
গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি দাঁড়ায় ৭ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন (৭৩৪ কোটি) ডলারে। নতুন করে উচ্চ মাত্রার শুল্ক আরোপে বাংলাদেশের রপ্তানি, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
এক সপ্তাহে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ মানুষ, ফিরেছেন ৪৪ লাখ

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে এক সপ্তাহে ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী ঢাকা ত্যাগ করেছেন। বিপরীতে ৪৪ লাখ মোবাইল সিম ব্যবহারকারী ঢাকায় প্রবেশ করেছেন।
আজ শনিবার (৫ এপ্রিল) টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সংস্থাটি গত ২৮ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ‘ঢাকায় আগমন’ ও ‘ঢাকা ত্যাগ’ করা মোবাইল ফোন গ্রাহকদের তথ্যের ভিত্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
গত ২৮ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত সাত দিনে মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্ক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এ সময় ঢাকায় প্রবেশ করেছেন ৪৪ লাখ ৪০ হাজার ২৭৯ জন, অথচ ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭২ লাখ ৯ হাজার ১৫৫ জন।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রতিদিনই ঢাকায় আগত মানুষের চেয়ে বহুগুণে বেশি মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন। সবচেয়ে বেশি মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন ৩০ মার্চ। এ দিন ২৩ লাখ ৯৪ হাজার ৪৬১ জন ঢাকা ত্যাগ করেন। ওইদিন ঢাকায় এসেছেন মাত্র ৪ লাখ ৯১ হাজার ৮৮ জন।
অন্যদিকে, সবচেয়ে বেশি মানুষ ঢাকায় ফিরেছেন ৩ এপ্রিল। এ দিন ঢাকায় প্রবেশ করেছেন ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭৯ জন। কিন্তু একই দিনে ঢাকা ছেড়েছেন প্রায় ৮ লাখ।
নির্দিষ্ট অপারেটরভিত্তিক তথ্য বলছে, প্রতিদিনই গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকের গ্রাহকদের বড় একটি অংশ রাজধানী ত্যাগ করেছেন। ২৮ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত শুধুমাত্র গ্রামীণফোনের ৬৩ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি গ্রাহক ঢাকা ছেড়েছেন।
প্রসঙ্গত, এই তথ্য টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির সহায়তায় মোবাইল অপারেটরদের সাবস্ক্রাইবার লোকেশন ডেটা বিশ্লেষণ করে তৈরি করা হয়েছে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ড. ইউনূসের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা। তিনি শুক্রবার ব্যাংককের শাংগ্রি-লা হোটেলে সাক্ষাৎ করেন।
শনিবার (৫ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার উপ প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এক বার্তায় তা জানান। সাক্ষাৎকালে অধ্যাপক ইউনূস তার পুরোনো বন্ধু থাকসিনের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন।
২০০১ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী থাকসিন তার সহকর্মীদের সঙ্গে বাংলাদেশ এবং গ্রামীণ ব্যাংক পরিদর্শন করেন এবং গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির সাফল্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে থাইল্যান্ডের জন্য একটি ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির নকশা তৈরি করেন। সেই বছর জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অধ্যাপক ইউনূসকে মি. থাকসিন আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।
তারা চিয়াং মাই এবং চট্টগ্রামের মধ্যে বিমান রুটের সম্ভাব্য পুনঃপ্রবর্তন নিয়েও আলোচনা করেছিলেন, যার ফলে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে বিমানের সময় এক ঘণ্টায় নেমে এসেছিল। মি. থাকসিন উদ্বোধনী ফ্লাইটে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদ জিয়ার চট্টগ্রাম থেকে চিয়াং মাইতে একসঙ্গে উড়ানের কথা স্মরণ করেছিলেন।
অধ্যাপক ইউনূস এবং মি. থাকসিন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধান উপদেষ্টা আসিয়ান সদস্য হওয়ার জন্য বাংলাদেশের পরিকল্পনার জন্য থাকসিনের সমর্থন কামনা করেন।
অধ্যাপক ইউনূস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটির প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন থাই-বাংলাদেশ বাণিজ্য ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রচেষ্টার জন্য প্রাক্তন থাই প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক দৃঢ় করার জন্য এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে এবং সেই অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য তার মূল্যবান সহায়তা কামনা করেন।
বৈঠকে তারা বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য সমস্যা এবং থাইল্যান্ডে ক্ষুদ্রঋণ ও সামাজিক ব্যাবসা সম্প্রসারণ নিয়েও আলোচনা করেন। বাংলাদেশ সরকারের সিনিয়র সচিব এবং এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়কারী লামিয়া মোর্শেদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
ঈদের ছুটি শেষে স্বস্তিতে ঢাকায় ফিরছে মানুষ

রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষজন। তবে বিগত কয়েকদিনের থেকে আজ একটু বেশি মানুষ ফিরছেন। কারণ, আগামীকাল (৬ এপ্রিল) থেকে খুলবে সব সরকারি অফিস।
শনিবার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর সদরঘাট, বিভিন্ন বাস টার্মিনাল ও কমলাপুর রেলস্টেশন ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গাবতলী বাস টার্মিনালে একের পর এক প্রবেশ করছে দূরপাল্লার বাস, সেখান থেকে নামছেন যাত্রীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ভিড় আরও বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একইচিত্র যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদেও। তবে নেই তেমন কোনো অভিযোগ।
সপরিবারে সায়েদাবাদ জনপথ মোড়ে বাস থেকে নেমেছেন আল-আমিন। তিনি বলেন, গ্রামে বাবা-মায়ের সঙ্গে সপরিবারে ঈদ করতে গিয়েছিলাম। আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হিসাবরক্ষণ বিভাগে কাজ করি। আজ থেকে আমার অফিস খুলছে। চেয়েছিলাম পরশু রওনা করে কাল ঢাকায় এসে পৌঁছাবো। পরে ভাবলাম এবারের ঈদযাত্রা তো স্বস্তির। তাছাড়া এখন পর্যন্ত চোখে কোনো ভোগান্তির খবর চোখে পড়েনি। তাই গতকাল রাতে রওনা হয়ে ভোরে এসে নামলাম। আলহামদুলিল্লাহ।
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে লঞ্চে মানুষ ঢাকায় ফিরছেন। ভোর থেকেই যাত্রীবোঝাই যে সব লঞ্চ ঘাটে ভিড়েছে, সবগুলোতেই যাত্রীর চাপ রয়েছে।
যাত্রীরা জানান, এবারের ঈদযাত্রা ছিল ভোগান্তিহীন। এ ছাড়া ভাড়া নিয়েও তাদের কোনো অভিযোগ নেই।
কমলাপুর রেলস্টেশনে বিভিন্ন ট্রেন থেকে নামা যাত্রীরা জানান, এবারের ঈদযাত্রা স্বাচ্ছন্দ্যের হয়েছে। তাই বাড়ি ফেরার মতো কর্মস্থলে ফিরতেও তাদেরকে কোনো বেগ পোহাতে হয়নি।
এদিকে, দৌলতদিয়া ঘাটেও রয়েছে রাজধানীতে ফেরা মানুষের চাপ। তবে পাওয়া যায়নি কোনো ভোগান্তির খবর।
প্রসঙ্গত, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এবার টানা ৯ দিনের ছুটি পান। সে অনুযায়ী, ছুটি শেষে আগামী ৬ এপ্রিল খুলবে অফিস-আদালত।