আন্তর্জাতিক
এক বছরে ভারতের রিজার্ভ বেড়েছে ৫৮ বিলিয়ন ডলার
বিদায়ী ২০২৩ সালে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ বেড়েছে ৫৮ বিলিয়ন ডলার। গত ২২ ডিসেম্বর যে সপ্তাহটি শেষ হয়েছে, সেই সপ্তাহেও রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে। সেই সপ্তাহে রিজার্ভ ৪ দশমিক ৪৭১ বিলিয়ন বেড়ে বৈদেশিক মুদ্রার মোট মজুত ৬২০ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়। এই মজুত গত ২১ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।
হিন্দুস্তান টাইমসের সংবাদে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ৫৪৯ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। তবে এই সপ্তাহেই ১০২ মিলিয়ন বা ১০ কোটি ২০ লাখ ডলার মূল্যমানের সোনা মজুত কমেছে ভারতের।
২০২৩ সালের ভারতের রিজার্ভ বাড়লেও ২০২২ সালে ৭১ বিলিয়ন ডলার কমেছিল। ২০২১ সালে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বকালের রেকর্ড উচ্চতায় ওঠে। তখন দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৬৪৫ বিলিয়ন ডলার, কিন্তু ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যায়।
আমদানি ব্যয় বাড়ার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমতে থাকে। এ ছাড়া ডলারের বিনিময়হার বেড়ে যাওয়ায় রুপির মান ধরে রাখতে আরবিআই বাজারে ডলার বিক্রি করে। চলতি বছরের এপ্রিল-নভেম্বর সময়ে ভারতের রপ্তানি কমলেও আরবিআইয়ের বিভিন্ন উদ্যোগের কারণে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। এ ব্যাপারে দুটো বিষয়ের কথা উল্লেখ করেন তাঁরা।
প্রথমত, ভারত আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে কম মূল্যে রাশিয়া ও ভেনেজুয়েলার মতো দেশ থেকে জ্বালানি তেল কিনছে। ভারতকে জ্বালানি চাহিদার ৮৫ ভাগই আমদানি করতে হয়, ফলে আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে কম মূল্যে তেল আমদানি করায় দেশটি বিপুল পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচাতে পেরেছে।
দ্বিতীয়ত, ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ২০২২ সাল থেকে রুপিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য করার তোড়জোড় শুরু করেছে, যদিও তার আগে থেকেই ভারত বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে রুপিতে বাণিজ্য করছে। আরও বেশি দেশের সঙ্গে রুপিতে বাণিজ্য করার কারণে মুদ্রা বিনিময়হারজনিত ক্ষতি তারা কমাতে পেরেছে।
বাংলাদেশসহ মোট ১৯টি দেশের সঙ্গে রুপিতে লেনদেন করছে ভারত। অন্য দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান, বাহরাইন, কিউবা, মিসর, ইরান, ইরাক, কুয়েত, ওমান, কাতার, রাশিয়া, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা, তানজানিয়া, উজবেকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, শ্রীলঙ্কা রয়েছে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

আন্তর্জাতিক
আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্ট বিশ্বসেরা, বাংলাদেশ ১৮১তম

শক্তিশালী পাসপোর্টের সূচকে বিশ্বের ২০০টি দেশের মধ্যে ১৮১তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট। আর এ তালিকায় শীর্ষ স্থানে রয়েছে উত্তরপশ্চিম ইউরোপের দ্বীপরাষ্ট্র আয়ারল্যান্ডের পাসপোর্ট। কর ও অভিবাসনবিষয়ক আন্তর্জাতিক পরামর্শক সংস্থা নোমাড ক্যাপিটালিস্টের হালনাগাদ সূচকে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
বিশ্বের ২০০টি দেশের ভিসা-মুক্ত ভ্রমণের সুবিধা, বিদেশে বসবাসরত বাসিন্দাদের ওপর নির্ধারিত কর, দ্বৈত নাগরিকত্বের সুযোগ এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতাসহ পাঁচটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে এই পাসপোর্ট সূচক তৈরি করেছে নোমাড ক্যাপিটালিস্ট।
নোমাড ক্যাপিটালিস্টের তালিকায় শীর্ষে থাকা আয়ারল্যান্ডের প্রাপ্ত স্কোর ১০৯। এ দেশের পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা বিশ্বের ১৭৬টি দেশে ভিসামুক্ত বা অন অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারবেন।
শুক্রবার পাসপোর্টের বৈশ্বিক মানের হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। সে তালিকায় ৩৮ স্কোর পেয়ে বাংলাদেশের পাসপোর্টের অবস্থান ১৮২তম স্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা ভিসামুক্ত অথবা অন-অ্যারাইভাল ভিসায় বিশ্বের ৫০টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন।
নোমাডের হালনাগাদ তালিকায় বাংলাদেশের ঠিক আগে আছে নেপাল (স্কোর ৩৯ দশমিক ৫) এবং পরে আছে মিয়ানমার (স্কোর ৩৭ দশমিক ৫)। অপর দুই প্রতিবেশী দেশ ভারতের অবস্থান সূচকে ১৪৮ তম (স্কোর ৪৭ দশমিক ৫) এবং পাকিস্তানের অবস্থান ১৯৫তম (স্কোর ৩২)।
এর আগে ২০২৩ সালের মার্চে নোমাডের পাসপোর্ট সূচকে সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তকমা পেয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। হালনাগাদ তালিকায় ১০৬ দশমিক ৫ স্কোর নিয়ে দশম স্থানে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের এ দেশটি। তবে দশম অবস্থানে থাকলেও আমিরাতের নাগরিকরা ১৭৯টি দেশে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারবেন; অর্থাৎ তালিকায় শীর্ষে থাকা আয়ারল্যান্ডের নাগরিকদের তুলনায় অতিরিক্ত ৩টি দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন আমিরাতের পাসপোর্টধারীরা।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
আন্তর্জাতিক
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানালো আমিরাত

ইসলামিক ক্যালেন্ডারের গুরুত্বপূর্ণ উৎসবগুলোর মধ্যে ঈদুল আজহা একটি। আমিরাতে আগামী ৬ জুন (শুক্রবার) ঈদুল আজহা শুরু হতে পারে। দেশটির অ্যাস্ট্রনোমি সোসাইটি এ তথ্য জানিয়েছে।
আশা করা হচ্ছে, জিলহজ মাসের চাঁদ আগামী ২৭ মে দেখা যাবে। তাই এই মাসের প্রথম দিন হবে ২৮ মে। সে অনুযায়ী ৫ জুন আরাফার দিবস পালিত হবে। এর একদিন পর অর্থাৎ ৬ জুন ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়।
যদি ২৭ মে সন্ধ্যায় জিলহজের চাঁদ না দেখা যায় তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে ঈদ উদযাপিত হবে ৭ জুন।
ঈদুল আজহাকে কোরবানির ঈদও বলা হয়। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নিজের ছেলে হযরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করার নিয়ত করেন হযরত ইব্রাহিম (আ.)। যা ছিল আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের একটি নির্দশন।
সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যেদিন চাঁদ দেখা যায় তার পরের দিন বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোতে চাঁদ দেখা যায়। সে হিসেবে যদি ৬ জুন মধ্যপ্রাচ্যে ঈদ হয়, তাহলে বাংলাদেশে পরদিন অর্থাৎ আগামী ৭ জুন (শনিবার) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
আন্তর্জাতিক
শিলিগুড়ি করিডোরে সমরাস্ত্র বাড়াল ভারত: রিপাবলিক ওয়ার্ল্ড

ভারত শিলিগুড়ি করিডোরে সামরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে জোরদার করেছে। দীর্ঘদিন ধরে যেটিকে ‘চোক পয়েন্ট’ বা দুর্বল অংশ হিসেবে দেখা হতো, সেটিকেই এখন পরিণত করা হয়েছে শক্ত ঘাঁটিতে।
এই ব্যবস্থার ফলে অঞ্চলটি এখন আর কেবল একটি দুর্বল সংযোগপথ নয়, বরং একটি সুরক্ষিত কৌশলগত দুর্গ। ভারতীয় গণমাধ্যম রিপাবলিক ওয়ার্ল্ড এক প্রতিবেদনে এমনটি জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতীয় সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও কৌশলগত কমান্ড ইউনিটগুলো শিলিগুড়ি করিডোর এলাকায় মোতায়েন করেছে রাফাল যুদ্ধবিমান, ব্রাহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এর মধ্য দিয়ে একটি সুস্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে— এই করিডোরকে যেন আর কেউ, চীন হোক বা পাকিস্তান, ভারতের দুর্বল অংশ হিসেবে দেখার সাহস না করে।
বেইজিং থেকে ঢাকার নতুন অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রচেষ্টার পরিপ্রেক্ষিতে— ভারতের এই কড়া প্রতিরক্ষা জোরদার অনেকটাই তাৎপর্যপূর্ণ। পরিস্থিতির এই দ্রুত রূপান্তর এক ধরনের কৌশলগত বার্তা বহন করে, যেখানে দিল্লি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিচ্ছে, তারা নিজের ভূরাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় আর কোনো ঝুঁকি নিতে রাজি নয়।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলো স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দিচ্ছে, চীনের আগ্রাসন নিয়ে দেরিতে প্রতিক্রিয়া জানানোর দিন শেষ— যেমনটা ডোকলামেও হয়েছিল। এখন ভারত আগেই প্রস্তুতি নিয়ে থাকে এবং চীনের যেকোনো পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়া দ্রুত ও কার্যকরীভাবে জানায়।
গত ২৮ মার্চ বেইজিংয়ের দ্য প্রেসিডেন্সিয়ালে চীনা ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে এক সংলাপে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশে ব্যবসার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশটির বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
তিনি এ সময় বঙ্গোপসাগর ঘিরে বাণিজ্য ও ব্যবসা সম্প্রসারণের প্রসঙ্গে বলেন, ভারতের সাতটি উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য, যা সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত, তা স্থলবেষ্টিত। তাদের সমুদ্রে কোনো অ্যাকসেস নেই। আমরাই এই গোটা অঞ্চলে সমুদ্রের একমাত্র অভিভাবক।
তিনি বলেন, এটা একটা বিপুল সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করে দিচ্ছে। এটা চীনের অর্থনীতির প্রসারের একটি ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে, যেখানে তারা পণ্য তৈরি করতে পারে, বিপণন করতে পারে। চীনে পণ্য নিয়ে এসে সারা বিশ্বে তা বেচতে পারে।
পরে বুধবার ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ প্রতিনিধি খলিলুর রহমান বলেন, অধ্যাপক ইউনূস যা বলেছেন, তা কানেক্টিভিটির পটভূমিতেই বলেছেন।
বিমসটেকের প্ল্যাটফর্ম থেকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর বৃহস্পতিবার বলেন, বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে দীর্ঘ উপকূলরেখা কিন্তু ভারতেরই। এমনকি প্রশান্ত মহাসাগরেও উত্তর-পূর্ব ভারতের অ্যাকসেসের পথ প্রশস্ত হতে চলেছে বলে তিনি দাবি করেন।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
আন্তর্জাতিক
এবার মার্কিন পণ্যে পাল্টা ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল চীন

এবার যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য আমদানির ওপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে চীন।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বেইজিং এ ঘোষণা এ দিয়েছে।
তারা বলেছে, এই নতুন শুল্ক আগামী ১০ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
আন্তর্জাতিক
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাস, বোর্ডে থাকবেন অমুসলিম সদস্য

ভারতের রাজ্যসভাতেও পাস হয়ে গেল ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল। বুধবার বিলটি লোকসভায় পাস হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংসদের উচ্চকক্ষেও তা পাস হয়ে যাওয়ায় বিলটির আইনে পরিণত হতে এখন শুধু রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সই করার অপেক্ষা।
১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা বিতর্কের পর ভোটাভুটি শেষে বৃহস্পতি বার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায় বিলের পক্ষে পড়েছে ১২৮টি ভোট। আর বিপক্ষে পড়েছে ৯৫টি ভোট। ৩৩ ভোটের ব্যবধানে ওয়াকফ বিল রাজ্যসভায় পাস হয়ে যায়।
নতুন আইনে ওয়াকফ বোর্ডে অমুসলিম সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে সংসদীয় বিষয়ক এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর বলেন, ওয়াকফ বোর্ড একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা। একটি বিধিবদ্ধ সংস্থায় শুধু মুসলিমরা থাকবেন, আর কেউ থাকতে পারবেন না, এটা কী ভাবে হবে? বিধিবদ্ধ সংস্থাকে ধর্মনিরপেক্ষ হতে হবে এবং সব ধর্মের প্রতিনিধিত্ব সেখানে থাকা উচিত। তিনি জানান, ২২ সদস্যের বোর্ডে সর্বোচ্চ চারজন অমুসলিম সদস্য থাকতে পারবেন।
ভারতীয় সংসদের বিরোধী দল গুলোর দাবি, ওয়াকফ আইনের এই সংশোধন ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতাকে বেনজির ভাবে খর্ব করে দিচ্ছে। তবে রিজিজুর দাবি ওয়াকফ সম্পত্তির অন্যতম লক্ষ্য হল সেই সম্পত্তির মাধ্যমে মুসলিম সমাজের গরিব, মহিলা ও অনাথ শিশুদের উন্নয়ন। নতুন আইনে বিপুল রাজস্ব আদায় হবে বলেও রিজিজু সংসদে দাবি করেন। তার অভিযোগ, রাজস্ব সংগ্রহ করতে ‘ব্যর্থ’ হয়েছে ওয়াকফ বোর্ডগুলি। ২০০৬ সালে সাচার কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী দেশে ৪.৯ লক্ষ ওয়াকফ সম্পত্তি ছিল। এখান থেকে আয় হওয়া উচিত ছিল ১২ হাজার কোটি টাকা। হয়েছে মাত্র ১৬৩ কোটি টাকা।