পুঁজিবাজার
সূচকের মিশ্র প্রবণতা, দেড় ঘণ্টায় লেনদেন ৩৬০ কোটি টাকা
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্র প্রবণতায় চলছে লেনদেন। এদিন লেনদেন শুরুর প্রথম দেড় ঘণ্টায় লেনদেন হয়েছে ৩৬০ কোটি টাকার বেশি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (১৩ এপ্রিল) ডিএসইর লেনদেন শুরুর দেড় ঘণ্টা পর অর্থাৎ বেলা ১১টা ৩৬ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক বা ‘ডিএসইএক্স’ ১৪ দশমিক ৩২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৫৭ পয়েন্টে।
প্রধান সূচকের সঙ্গে শরিয়াহ সূচক বা ‘ডিএসইএস’ দশমিক ৩২ পয়েন্ট বেড়ে ১০৬১ পয়েন্টে আর ‘ডিএস-৩০’ সূচক ১০ দশমিক ৫৫ পয়েন্ট কমে ১৯৯১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আলোচ্য সময়ে ডিএসইতে মোট ৩৬০ কোটি ৭৬ লাখ ৬৩ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৬টির, কমেছে ১৬১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬০ কোম্পানির শেয়ারদর।
এমএন
পুঁজিবাজার
মার্জিন রুলস বাস্তবায়নে আরও সময় চায় ডিবিএ, ৩ মাস বাড়ানোর আবেদন
দেশের পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় মার্জিন রুলস ২০২৫ বাস্তবায়নের সময়সীমা আরও তিন মাস বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। সংস্থাটি বলছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিধান কার্যকর করা ব্রোকারেজ হাউজগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা বাজারে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।
গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ডিবিএর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে সময়সীমা বৃদ্ধি চেয়ে একটি আবেদন পত্র দেওয়া হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) সংস্থাটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ১ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন মার্জিন রুলস ২০২৫ কার্যকর হয়েছে। এই রুলসে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগকারী সুরক্ষা এবং সামগ্রিক বাজার স্থিতিশীলতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিধান প্রবর্তন করা হয়েছে। তবে ছয় মাসের (৩০ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত) নির্ধারিত সময়সীমা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এতে বলা হয়, বোর্ড অনুমোদিত কনজারভেটিভ মার্জিন লোন পলিসি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ব্রোকারেজ হাউজগুলোর জন্য পর্যাপ্ত সময় প্রয়োজন। অভ্যন্তরীণ পরামর্শ, ঝুঁকি মূল্যায়ন, বোর্ড অনুমোদন এবং অপারেশনাল সিস্টেমে সংযোজন প্রক্রিয়া এখনও অনেক প্রতিষ্ঠানে চলমান রয়েছে। দক্ষ জনবল ও প্রযুক্তিগত সহায়তার সীমাবদ্ধতাও এ প্রক্রিয়াকে ধীর করেছে।
আরবিসিএ ২০১৯-এর সঙ্গে পূর্ণ সামঞ্জস্য নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সিস্টেম উন্নয়ন, জনবল প্রশিক্ষণ, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়ন অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ। তাড়াহুড়া করে বাস্তবায়ন করলে অপারেশনাল ত্রুটি বা মার্জিন সেবায় সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, বিদ্যমান মার্জিন ঋণ গ্রাহকদের নন-মার্জিনেবল সিকিউরিটিজ বিক্রয় সমন্বয় করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিপুল সংখ্যক হিসাবধারীর কাছে এসব সিকিউরিটিজ রয়েছে, ফলে স্বল্প সময়ে বাস্তবায়ন করলে বাধ্যতামূলক বিক্রয়, বাজারে অস্থিরতা, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি এবং তারল্যের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। এছাড়া সাম্প্রতিক যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের কারণে পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি এ নিয়ম বাস্তবায়নকে আরও কঠিন করে তুলেছে। এই প্রেক্ষাপটে সময়সীমা আরও তিন মাস বাড়িয়ে মোট নয় মাস (৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত) করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় সিস্টেম ও নীতিমালা উন্নয়ন সম্পন্ন করে বিদ্যমান গ্রাহকদের জন্য একটি মসৃণ ও বিঘ্নহীন রূপান্তর নিশ্চিত করতে পারবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুঁজিবাজার
রাইটের অর্থ ব্যবহারে বার্জার পেইন্টসে সময় বৃদ্ধি
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ ব্যবহারের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, কোম্পানিটি রাইট শেয়ার ইস্যু বাস্তবায়নের জন্য সময় বাড়ানোর বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে আবেদন করে।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি পর্যালোচনা করে বিএসইসি অর্থ ব্যবহারের সময়সীমা ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানোর অনুমোদন দেয়।
এমএন
পুঁজিবাজার
প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা
পুজিঁবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ২৭ শতাংশ নগদ ও ৩ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সর্বশেষ বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৩১ পয়সা।
গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে কোম্পানির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৫৭ টাকা ৩৬ পয়সা।
কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ১৮ জুন অনুষ্ঠিত হবে। লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ মে।
এমএন
পুঁজিবাজার
কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের কোম্পানি কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ২৩ এপ্রিল বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সভায় ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত কোম্পানির সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে কোম্পানিটি তা প্রকাশ করবে।
এমএন
পুঁজিবাজার
রূপালী ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যানসহ ১১ জনকে অর্থদণ্ড
সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে বীমা খাতের তালিকাভুক্ত রূপালী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বর্তমান চেয়ারম্যান মোস্তফা কামরুস সোবহানসহ ১০ পরিচালক ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে (সিইও) জরিমানা করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
গত মার্চ মাসে বিএসইসির এনফোর্সমেন্ট বিভাগ থেকে তাদের বিরুদ্ধে জরিমানার আদেশ জারি করা হয়েছে। আদেশে তাদের ৩০ দিনের মধ্যে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বিএসইসির আদেশে বলা হয়, ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল) কর্তৃক আরেকটি ক্রেডিট রেটিং কোম্পানি ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিং লিমিটেডের (এনসিআরএল) বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার এনফোর্সমেন্ট বিভাগের শুনানিতে রূপালী ইন্স্যুরেন্সে বেশকিছু সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের বিষয়টি উঠে আসে। ওই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বীমা কোম্পানিটির ১০ জন পরিচালককে ১ লাখ করে মোট ১০ লাখ এবং সাবেক সিইওকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
জানা গেছে, রূপালী ইন্স্যুরেন্সের সঙ্গে সিআরআইএসএলের একটি চুক্তি ছিল, যার অধীনে ২০১৮ সালের প্রাথমিক রেটিং এবং পরবর্তী তিন বছরের (২০১৯, ২০২০, ২০২১) নজরদারি (সার্ভিল্যান্স) রেটিং করার কথা ছিল। তবে রূপালী ইন্স্যুরেন্স সিআরআইএসএলের সঙ্গে চুক্তি থাকা সত্ত্বেও ২০২১ সালের রেটিং সম্পন্ন করার আগেই এনসিআরএলের সঙ্গে নতুন চুক্তি করে এবং রেটিং প্রকাশ করে।
বিএসইসির ক্রেডিট রেটিং কোম্পানিজ রুলস, ২০২২-এর ১০(১)(ই) বিধি অনুযায়ী, একটি চুক্তি হওয়ার পর প্রাথমিক রেটিং এবং টানা তিনটি নজরদারি রেটিং শেষ করার আগে তা বাতিল করা যায় না। কোনো কারণে চুক্তি বাতিল করতে হলে সেক্ষেত্রে বিএসইসির অনুমোদন নেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
বিএসইসিইর শুনানিতে রূপালী ইন্স্যুরেন্স আত্মপক্ষ সমর্থন করে জানায় যে তারা কোনো চুক্তি ‘বাতিল’ করেনি, বরং সিআরআইএসএলের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তারা এনসিআরএলের সঙ্গে চুক্তি করেছে। সিআরআইএসএল নির্দিষ্ট সময়ে রিপোর্ট দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তারা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এবং আইনি বাধ্যবাধকতায় নতুন চুক্তি করতে বাধ্য হয়। সিআরআইএসএল ও এনসিআরএলের মধ্যকার ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণে এ অভিযোগ তোলা হয়েছে বলে কোম্পানিটি দাবি করে।
কমিশন এ ব্যাখ্যা গ্রহণ করেনি এবং এক্ষেত্রে আইন লঙ্ঘনের বিষয়টিকে ইচ্ছাকৃত বলে গণ্য করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সিকিউরিটিজ আইন ও বিধিবিধান পরিপালনে ব্যর্থতার জন্য বিএসইসির পক্ষ থেকে রূপালী ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস, আলী আহমেদ, মোহাম্মদ ইউনুস, কাজী মনিরুজ্জামান, কেএম ফারুক, আবু হেনা, শাওন আহমেদ, মো. ওবাইদুল হক, মোস্তফা কামরুস সোবহান ও ফজলুতুন নেসা, সাবেক সিইও ফাওজিয়া কামরুন তানিয়াসহ প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এ অর্থদণ্ড ব্যক্তিগত দায় হিসেবে পরিশোধ করতে হবে এবং আদেশ জারির ৩০ দিনের মধ্যে ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে এ টাকা জমা দিতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।



