আইন-আদালত
আদালত থেকে নামানোর সময় সিঁড়িতে পড়ে গেলেন শিরীন শারমিন
মামলার শুনানি শেষে আদালত থেকে নামানোর সময় হুড়াহুড়ির মধ্যে সিঁড়িতে পড়ে গেলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ সময় কয়েকজন নারী পুলিশ সদস্যও পড়ে যান।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৬০ বছর বয়সী শিরীন শারমিন ব্যথায় চিৎকার দিলে তাকে দ্রুত টেনে তোলা হয়।
এদিন ভোরে ধানমণ্ডির বাসা থেকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শিরীন শারমিনকে গ্রেপ্তার করেন ডিবি পুলিশ। রাজধানীর লালবাগ থানার এক হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রাপ্তার করা হয়।
দুপুরে তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের লালবাগ জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর মোহসীন উদ্দীন তার দুই দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। পরে রিমান্ড ও জামিন উভয়ই নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
মামলার শুনানিতে তিনি ২০ মিনিট কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় তাকে বিষণ্ণ চেহারায় নিশ্চুপ থাকতে দেখা গেছে।
হত্যাচেষ্টা মামলার সূত্রে জানা গেছে, জুলাই আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই লালবাগ থানার আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে মিছিল করছিলেন ভুক্তভোগী মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম। এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার আদেশে ও বিপ্লব বড়ুয়া, ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামালের পরিকল্পনা ও নির্দেশে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা বৈষম্যবিরোধী শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর দেশীয় ও বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে হত্যাযজ্ঞ চালায়।
এ সময় মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিমের বাঁ চোখ ভেদ করে চোখের রেটিনার পেছনে একটি গুলিবিদ্ধ হয়, যা বিশেষজ্ঞ চিকিৎস বের করতে পারেননি।
এ ছাড়া মাথায় দুটি, কপালে দুটি, মুখের ডান চিবুকে একটি ও ডান হাতের কনুইতে প্রায় ১২০-১৪০টি গুলি বিদ্ধ হন। এতে ভুক্তভোগী আশরাফুল ঘটনাস্থলেই ঢলে পড়েন। পরে আন্দোলনকারী কয়েকজন তাকে ধরে নিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান এবং ভর্তি করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে অপারেশন করেন এবং জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে রেফার করেন।
সেখানে বাম চোখের অপারেশন করেন। আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য সিএমএইচ এ যান, সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অপারেশন করে গুলি বের করেন। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় ভুক্তভোগী আশরাফুল বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।
আইন-আদালত
৩ মাসের মধ্যে বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ
তিন মাসের মধ্যে দেশের বিচার বিভাগের জন্য স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এই রায়টি প্রকাশ করা হয়। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ১৮৫ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করেন।
রায়ে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষের প্রস্তাব অনুযায়ী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জন্য একটি স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় আদেশের তারিখ হতে ৩ (তিন) মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
গত বছরের ৩০ নভেম্বর আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ- ২০২৫ জারি করা হয়। অধ্যাদেশে বলা হয় এর মাধ্যমে নির্বাহী বিভাগ থেকে পুরোপুরি পৃথক হলো বিচার বিভাগ।
গত ২০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ- ২০২৫ এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
আইন-আদালত
সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী কারাগারে
বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাসে অন্যতম দীর্ঘকালীন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর ভাগ্যে যুক্ত হলো নতুন এক অধ্যায়। রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়েরকৃত একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় আদালত তার রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
গত কয়েক ঘণ্টার নাটকীয়তা, মধ্যরাতের অভিযান এবং আদালত প্রাঙ্গণের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটল এক সময়ের ক্ষমতাধর এই ব্যক্তিত্বের মুক্ত অবস্থানের।
ঘটনার সূত্রপাত সোমবার দিবাগত গভীর রাতে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জানা গেছে, ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সেখানে তার চাচাতো ভাই আরিফ মাসুদ চৌধুরীর বাসায় অবস্থান করছিলেন।
রাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে তাকে ওই বাসা থেকে আটক করা হয়। আটকের পর তাকে সরাসরি রাজধানীর মিন্টো রোডে অবস্থিত ডিবি (গোয়েন্দা) কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে আনা হয়। তাকে হাজতখানায় রাখার সময় থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে তার অনুসারী ও আইনজীবীদের ভিড় বাড়তে থাকে।
শুনানি শুরু হলে এজলাসের ভেতরেই শুরু হয় চরম হট্টগোল। শিরীন শারমিনের পক্ষের আইনজীবীরা মামলার আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং পুলিশের রিমান্ড আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করেন। পরিস্থিতির সামাল দিতে আদালতকে বেশ বেগ পেতে হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেন, মূল মামলায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর সরাসরি কোনো সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ নেই। রিমান্ড আবেদনে কোথাও উল্লেখ করা হয়নি যে তিনি নিজে গুলি করেছেন বা সরাসরি কোনো সহিংসতায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। তারা এটিকে একটি ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ‘মামলা হিসেবে অভিহিত করে তার জামিন প্রার্থনা করেন।
উভয় পক্ষের দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত পুলিশের করা রিমান্ড আবেদনটি নাকচ করে দেন। তবে একই সাথে জামিন আবেদনও তাৎক্ষণিকভাবে গ্রহণ না করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই আদেশের পরপরই তাকে প্রিজন ভ্যানে করে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর পতন ও বর্তমান পরিস্থিতি অনেকের কাছেই অপ্রত্যাশিত। দেশের প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে তিনি দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে জাতীয় সংসদের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল তিনি প্রথমবারের মতো স্পিকার নির্বাচিত হন। ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনগুলোর পরও তিনি টানা এই সম্মানজনক পদে বহাল ছিলেন। তিনি রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে আসছিলেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশজুড়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়, তার ধারাবাহিকতায় তিনিও স্পিকারের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে উঠে এসেছে যে, ৫ আগস্ট সরকার পতনের চূড়ান্ত মুহূর্তে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগের অন্তত ১২ জন প্রভাবশালী নেতা সংসদ ভবনের ভেতরে আত্মগোপন করেছিলেন। সেখান থেকে পরবর্তী সময়ে তিনি নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেলেও শেষ পর্যন্ত আইনের হাত থেকে রক্ষা পাননি।
লালবাগ থানার এই হত্যাচেষ্টা মামলায় আরও অনেক হেভিওয়েট নেতার নাম জড়িয়েছে। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর মাধ্যমে মামলাটি এখন নতুন দিকে মোড় নিতে পারে। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আগামীতে আরও তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।
বর্তমানে তিনি কেন্দ্রীয় কারাগারে সাধারণ বন্দি হিসেবে থাকবেন নাকি বিশেষ কোনো সুবিধা পাবেন, তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তবে একজন সাবেক স্পিকার হিসেবে জেল কোড অনুযায়ী তিনি কিছু সুযোগ-সুবিধা পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দেশের সর্বোচ্চ আইনসভার অভিভাবক থেকে আজ আদালতের কাঠগড়ায় ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এই পরিবর্তন বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক বড় বার্তা বহন করছে। আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়ায় এই মামলার গতিপ্রকৃতি কোন দিকে যায়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
এমএন
আইন-আদালত
দুপুরে আদালতে তোলা হবে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে
রাজধানীর ধানমণ্ডি থেকে আটক জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে দুপুরে আদালতে তোলা হবে। তবে কোন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
এর আগে আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধানমণ্ডির ৮/এ রোডের নিজ বাসা থেকে শিরীন শারমিনকে চৌধুরীকে আটক করে ডিবি। এরপর ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে উত্তরা ও বনানী থানায় দুটি মামলা আছে। এর যেকোনো একটিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে। এরপর দুপুরে তাকে আদালতে তোলা হবে।
২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর স্পিকার নির্বাচিত হন আবদুল হামিদ। তাকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করা হলে ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল স্পিকার নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন। এরপর থেকে টানা তিনি এ দায়িত্বে ছিলেন।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ২৭ দিনের মাথায় ২ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের অনেক নেতা বিদেশে পালিয়ে গেলেও অনেকে দেশেই আত্মগোপনে থাকেন। এর মধ্যে অনেকে গ্রেপ্তার হন। সর্বশেষ এই তালিকায় যুক্ত হলেন শিরীন শারমিন।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সহিংসতার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা আছে। শিরীন শারমিন চৌধুরী রংপুর-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন।
আইন-আদালত
ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ
বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের কাছে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশে অভিযোগ করা হয়, হামের টিকাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তুলে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। একইসঙ্গে নোটিশে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।
আইনি নোটিশের বিষয়টি নিজে ফেসবুকে পোস্ট করে জানিয়েছেন আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘হামের মতো টিকাকরণের ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে প্রাইভেট খাতে দেওয়ার অশুভ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করেছি।’
আইন-আদালত
অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নতুন সময়সূচি প্রকাশ
দেশের অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালগুলোর আদালত ও অফিসের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছেন সুপ্রিম কোর্ট। এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
প্রধান বিচারপতির নির্দেশে হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার (বিচার) মুহাম্মদ শফিকুর রহমান এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেন।
নতুন সূচি অনুযায়ী সপ্তাহের রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত কোর্ট চলবে। আর আদালত সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
এর মধ্যে দুপুর ১টা থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জোহরের নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের জন্য বিরতি থাকবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই বিজ্ঞপ্তি কার্যকর থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটি পূর্বের মতো শুক্র ও শনিবার থাকছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।



