পুঁজিবাজার
দরপতনের শীর্ষে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ডিএসইতে সর্বোচ্চ আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির শেয়ার দর ৮ পয়সা বা ৫ দশমিক ০৬ শতাংশ কমেছে। এর ফলে কোম্পানিটি দরপতনের শীর্ষে অবস্থান করেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ২ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের শেয়ার দর ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ২.৫৬ শতাংশ, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ২.৫৪ শতাংশ, আইএফআইএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ডের ২.৫ শতাংশ, ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ২.৪৮ শতাংশ, আমান কটনের ২.২২ শতাংশ, ন্যাশনাল ব্যাংকের ২.২২ শতাংশ এবং ডিবিএইচ ফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ২.১২ শতাংশ কমেছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৩৫ কোটি টাকার
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩২টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৩৫ কোটি ৬৫ লাখ ৭১ হাজার টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) কোম্পানিগুলোর মোট ১ কোটি ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭ টি শেয়ার ৯৪ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৩৫ কোটি ৬৫ লাখ ৭১ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ১১ কোটি ০১ লাখ ২০ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের ৯ কোটি ০৮ লাখ ১৬ হাজার টাকার ও তৃতীয় স্থানে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ৪ কোটি ২১ লাখ ১২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধি শীর্ষে লাভেলো আইসক্রিম
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৩টি কোম্পানির মধ্যে ২৭৫টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ডিএসইতে সর্বোচ্চ তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসির শেয়ার দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৬ টাকা ৮ পয়সা বা ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ অটোকারস লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা একমি পেস্টিসাইড লিমিটেডের দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৯১ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- রানার অটোমোবাইলের ৯.৮১ শতাংশ, কেডিএস এক্সেসরিসের ৯.৩২ শতাংশ, বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়ামের ৮.৫৫ শতাংশ, বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ৭.৮৩ শতাংশ, লিগাসি ফুটওয়ারের ৭.২৫ শতাংশ, টেকনো ড্রাগ লিমিটেডের ৬.২৭ শতাংশ ও শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ৬.২৫ শতাংশ দর বেড়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
লেনদেনের শীর্ষে লাভেলো আইসক্রিম
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ডিএসইতে সবোর্চ্চ তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসির ৩০ কোটি ৬৮ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি লেনদেনের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে।
এদিন লেনদেনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল একমি পেস্টিসাইড লিমিটেড। কোম্পানিটির ২৬ কোটি ৩৭ লাখ ৫৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ২১ কোটি ৪২ লাখ ২২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে খান ব্রাদাস পি.পি. ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
এছাড়াও, ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- টেকনো ড্রাগ লিমিটেড, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড, কেডিএস এক্সেসরিস লিমিটেড, সামিট এলায়েন্স পোর্ট, বাংলাদেশ অটোকারস লিমিটেড এবং জি কিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
এমএন
পুঁজিবাজার
সূচকের উত্থানে লেনদেন ৫৯৭ কোটি টাকা
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৭৫টি কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। টাকার অংকে লেনদেনের পরিমান বেড়ে ৫৯৭ কোটি ছাড়িয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ৩৪ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ১৫৬ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ৫ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট বেড়ে ১০৪৫ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ১৬ দশমিক ৯২ পয়েন্ট বেড়ে ১৯৭১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ ডিএসইতে ৫৯৭ কোটি ০১ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৪৭০ কোটি ৭৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২৭৫টি কোম্পানির, বিপরীতে ৭০টি কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৪৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
রবি আজিয়াটার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে বিএসইসি
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা এবং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটার আর্থিক কার্যক্রম নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ জানিয়েছে, রবি আজিয়াটার সাম্প্রতিক আর্থিক রিপোর্ট, তথ্য প্রকাশের সঠিকতা এবং বিদ্যমান আইন-নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে।
২০২০-২১ ও ২০২১-২২ অর্থবছরে পরিচালন ব্যয়কে মূলধনি ব্যয় হিসেবে দেখানোর অভিযোগ তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। কমিশন যাচাই করবে, এতে প্রকৃত আর্থিক চিত্র লুকানো হয়েছে কি না, এবং এ ধরনের লেনদেন থেকে আর্থিক সুবিধা কারা পেয়েছে।
সিইও, সিএফও এবং অডিট কমিটির ভূমিকা পর্যালোচনার আওতায় আসবে। এর পাশাপাশি, রবি আজিয়াটার চেয়ারম্যান থায়াপারান এস সাংগারাপিল্লাইয়ের ইডটকো গ্রুপে দীর্ঘমেয়াদী পরিচালক পদ এবং রবি-ইডটকোর লেনদেনের স্বচ্ছতা ও স্বাধীনতা যাচাই করা হবে।
দুই স্বতন্ত্র পরিচালক আখতার সানজিদা কাশেম ও কামরান বকরের পদত্যাগের পেছনে ‘অযাচিত হস্তক্ষেপ’ এবং সাংগারাপিল্লাই নেতৃত্বে পরিচালিত অভ্যন্তরীণ তদন্তের নিরপেক্ষতাও অনুসন্ধানের অংশ। এছাড়া পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডার সুরক্ষা এবং করপোরেট সুশাসনের নীতি মেনে চলেছে কি না, তাও যাচাই হবে।
রবির ২০২১ ও ২০২২ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক তথ্য গোপন করা হয়েছে কি না, এবং শেয়ারহোল্ডারদের প্রশ্ন যেমন আইনি খরচ ও ফরেনসিক খরচের জবাব প্রদান করা হয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের অন্তর্ভুক্ত।
বিএসইসি জানিয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য যে কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট অন্য যেকোনো বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা হবে।



