Connect with us

লাইফস্টাইল

ইফতারে জিরা পানির জাদুকরী উপকারিতা

Published

on

ডিএসইর

রমজানে সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরকে সতেজ রাখতে ইফতারে অনেকেই জিরা পানি পান করেন। রান্নাঘরের পরিচিত মসলা জিরা শুধু স্বাদই বাড়ায় না, পানিতে ভিজিয়ে বা ফুটিয়ে খেলে শরীরের নানা উপকারও করে।

চলুন দেখে নেয়া যাক ইফতারে জিরা পানির উপকারিতা—

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

১. হজম শক্তি বাড়ায়: জিরায় থাকা প্রাকৃতিক এনজাইম হজম প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে। সারাদিন না খেয়ে থাকার পর ইফতারে ভারী খাবার খেলে বদহজমের ঝুঁকি থাকে। জিরা পানি পেটের গ্যাস, অম্বল ও ফাঁপাভাব কমাতে সাহায্য করে।
২. গ্যাস ও অ্যাসিডিটি কমায়: রমজানে অনেকেই ভাজাপোড়া খান। এতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়তে পারে। জিরা পানি পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
৩. শরীর ঠান্ডা রাখে: জিরা শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। গরমের দিনে রোজার পর এটি শরীরকে কিছুটা প্রশান্তি দেয়।
৪. পানিশূন্যতা দূর করে: সারাদিন রোজার কারণে শরীরে পানির ঘাটতি হয়। জিরা মিশ্রিত পানি শরীরে দ্রুত জলীয় অংশের ঘাটতি পূরণে সহায়ক।
৫. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: নিয়মিত জিরা পানি পান করলে বিপাকক্রিয়া (মেটাবলিজম) কিছুটা সক্রিয় হয়, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।
৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: জিরায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান রয়েছে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কীভাবে তৈরি করবেন জিরা পানি?
১. এক গ্লাস পানিতে ১ চা চামচ জিরা সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে তা হালকা গরম করে ছেঁকে নিন।
২. এক চা চামচ জিরা ২ কাপ পানিতে ফুটিয়ে অর্ধেক হলে নামিয়ে ছেঁকে ঠান্ডা করে ইফতারে পান করুন।

সতর্কতা-
যাদের আলসার, অতিরিক্ত লো ব্লাড প্রেসার বা বিশেষ কোনো শারীরিক সমস্যা আছে, তারা নিয়মিত খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এমএন

শেয়ার করুন:-

লাইফস্টাইল

থানকুনি পাতার ভেষজ গুণে শরীর ও সৌন্দর্য চর্চায় উপকার

Published

on

ডিএসইর

ভেষজ গুণে ভরপুর থানকুনি পাতা বহু প্রাচীনকাল থেকেই উপকারী ওষুধি গাছ হিসেবে পরিচিত। এতে রয়েছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নানা খনিজ উপাদান ও ভিটামিন।

প্রতিদিন থানকুনি পাতার রস পান করলে শরীর ও সৌন্দর্যের নানা সমস্যার সহজ সমাধান মেলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত সেবনে এটি যেমন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে, তেমনি ত্বক ও চুলের জন্যও উপকারী।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

থানকুনি পাতার উল্লেখযোগ্য কিছু উপকারিতা:

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×
  • ত্বকের উজ্জ্বলতা ও সতেজতা বাড়াতে সাহায্য করে।
  • জ্বর ও আমাশয় প্রতিরোধে কার্যকর।
  • মুখে ঘা হলে থানকুনি সেদ্ধ পানি দিয়ে কুলকুচি করলে উপশম হয়।
  • চুল পড়া কমাতে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দিনে কয়েক ফোঁটা করে পান করলে ধীরে ধীরে উপকার পাওয়া যায়।
  • শিশুর কথা জড়িয়ে যাওয়া সমস্যায় প্রতিদিন এক চামচ করে গরম করা থানকুনি পাতার রস খাওয়ালে ধীরে ধীরে স্পষ্টতা আসে।
  • ঠান্ডা-কাশিতে আধা চা চামচ থানকুনি পাতার রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে উপকার মেলে।

এই সহজলভ্য গাছটি কাঁচাবাজারে পাওয়া যায়। চাইলে বাড়ির ছাদ বা বারান্দার একটি টবেই সহজে চাষ করা যায় থানকুনি গাছ।

প্রাকৃতিক ও ভেষজ চিকিৎসায় আগ্রহীদের জন্য থানকুনি হতে পারে একটি কার্যকর ও সাশ্রয়ী সমাধান। তবে যেকোনো ভেষজ পদ্ধতি গ্রহণের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া ভালো।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ইফতারে পেঁপে খাবেন না যারা

Published

on

ডিএসইর

ইফতারের টেবিলে নানা ধরনের খাবারের সমারোহ থাকে। ভাজাপোড়া, শরবত, ফল-সব মিলিয়ে জমজমাট আয়োজন। এই তালিকায় অনেকেই রাখেন পাকা পেঁপে। পেঁপে একটি পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য ফল, যা ভিটামিন এ, সি, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।

রোজার পর দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে হজম প্রক্রিয়া কিছুটা ধীর হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে পরিমিত পেঁপে হজমে সহায়তা করতে পারে। তবে সবার জন্য পেঁপে সমান উপকারী নয়,কিছু ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিকরও হতে পারে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গর্ভবতী নারীদের জন্য সতর্কতা
গর্ভাবস্থায় সম্পূর্ণ পাকা পেঁপে সীমিত পরিমাণে নিরাপদ বলে ধরা হয়। তবে কাঁচা বা আধা পাকা পেঁপে একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত। কাঁচা পেঁপেতে থাকা ল্যাটেক্স ও প্যাপেইন এনজাইম জরায়ুতে সংকোচন সৃষ্টি করতে পারে, যা গর্ভপাত বা অকাল প্রসবের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই গর্ভবতী নারীদের অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পেঁপে খাওয়া উচিত।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অ্যালার্জি ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি
যাদের ল্যাটেক্স বা রাবারে অ্যালার্জি আছে, তাদের ক্ষেত্রে পেঁপে খেলে ‘ওরাল অ্যালার্জি সিনড্রোম’ হতে পারে। এতে ঠোঁট বা মুখ ফুলে যাওয়া, চুলকানি, ত্বকে ফুসকুড়ি, এমনকি শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে অ্যানাফাইল্যাকটিক শকের মতো বিপজ্জনক অবস্থাও তৈরি হতে পারে। তাই এ ধরনের অ্যালার্জি থাকলে পেঁপে খাওয়ার আগে সতর্ক থাকা জরুরি।

ডায়াবেটিস ও রক্ত পাতলা হওয়ার বিষয়
পেঁপে স্বাভাবিকভাবে খুব বেশি মিষ্টি না হলেও অতিরিক্ত খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের প্রতিদিন আধা কাপ বা ছোট একটি বাটির বেশি না খাওয়াই ভালো।

এছাড়া যারা ওয়ারফারিনের মতো রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করেন, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পেঁপে রক্তকে আরো পাতলা করে দিতে পারে, ফলে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে।

হজমের সমস্যা হতে পারে
পেঁপে হজমে সহায়ক এনজাইমসমৃদ্ধ হলেও অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে উল্টো পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে দুধ, দই, লেবুজাতীয় ফল বা উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে গ্যাস, পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া বা অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে।

ইফতারে যদি ভাজাপোড়া ও ঝাল মসলাদার খাবার বেশি খাওয়া হয়, তবে পেঁপে না খাওয়াই ভালো। ঝাল খাবার নিজেই হজমের গোলযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তার সঙ্গে পেঁপে যুক্ত হলে সমস্যা আরও প্রকট হতে পারে, বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হজমের সমস্যা রয়েছে।

কতটুকু খাবেন?
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ১০০-১৫০ গ্রাম বা আধা কাপ পাকা পেঁপে যথেষ্ট। এর বেশি খাওয়ার প্রয়োজন নেই। যাদের থাইরয়েড সমস্যা, কিডনিতে পাথর বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা আছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পেঁপে খাওয়া উচিত নয়।

পেঁপে নিঃসন্দেহে উপকারী ফল। তবে সঠিক পরিমাণ ও সঠিক পরিস্থিতিতে খাওয়া জরুরি। ইফতারের টেবিলে পাকা পেঁপে রাখতে পারেন, কিন্তু অতিরিক্ত নয়। সুস্থ থাকতে সচেতন খাদ্যাভ্যাসই সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

রোজা শেষে স্বস্তি পেতে ইফতারে রাখুন ৫ মৌসুমি ফল

Published

on

ডিএসইর

রোজার দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতারে মৌসুমি ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ভাজাপোড়া জাতীয় জিনিস খেলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। পুষ্টিবিদরা বলেন, মৌসুমি ফল রাখুন প্রথম সারিতে। কারণ মৌসুমি ফল শুধু টাটকাই নয়, এগুলো সহজপাচ্য, পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং শরীর দ্রুত গ্রহণ করতে পারে।

ইফতারের টেবিলে এক বাটি মৌসুমি ফল রাখতে পারলেই মিলবে স্বস্তি, পুষ্টি ও সতেজতা—তিনটিই একসঙ্গে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

দেশের বাজারে উঠতে শুরু করেছে গ্রীষ্মের আগাম ফল। এ সময়ের সহজলভ্য কিছু ফল ইফতারের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তরমুজ

প্রায় ৯০ শতাংশ পানি সমৃদ্ধ তরমুজ সারা দিনের পানিশূন্যতা কাটাতে কার্যকর।
এতে থাকা লাইকোপিন ও ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। ইফতারে ১-২ টুকরো তরমুজ শরীরকে দ্রুত রিহাইড্রেট করে এবং সতেজ অনুভূতি দেয়।

কলা

সহজলভ্য ও শক্তিদায়ক ফল কলা। এতে উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম থাকে, যা শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে এবং পেশির দুর্বলতা কমায়। একটি মাঝারি আকারের কলা ইফতারে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়।

পেঁপে

হজমে সহায়ক এনজাইমসমৃদ্ধ পেঁপে দীর্ঘ সময় না খাওয়ার পর পেটের জন্য আরামদায়ক। এটি হালকা, সহজপাচ্য এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও সহায়ক।

আনারস

ভিটামিন সি ও ব্রোমেলিন এনজাইমে সমৃদ্ধ আনারস হজমে সাহায্য করে। তবে যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে, তারা পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো।

ডাবের পানি ও মাল্টা

ডাবের পানি প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইটের উৎস, যা শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে কার্যকর। মাল্টা বা কমলালেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

বুকে জ্বালাপোড়া? জেনে নিন ঘরোয়া প্রতিকার

Published

on

ডিএসইর

বুকে জ্বালাপোড়ার সমস্যা এখন খুব পরিচিত। এর পেছনে নানা কারণ দায়ী থাকতে পারে। সবচেয়ে বড় কারণ হতে পারে আমাদের খাদ্যাভ্যাস। কারণ ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত মসলাদার খাবার কিংবা ফাস্টফুড জাতীয় খাবার খাওয়ার পরে অ্যাসিডিটির সমস্যা অনেকটা বেড়ে যেতে পারে। সেখান থেকে দেখা দেয় বুকে জ্বালাপোড়া। এক্ষেত্রে ঘরে থাকা কিছু খাবার আপনাকে জ্বালাপোড়া প্রশমিত করতে সাহায্য করতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. আদা

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আদা (অ্যাসিডিটি এবং গ্যাসের সমস্যার জন্য একটি সুপরিচিত ঘরোয়া প্রতিকার। এর মধ্যে রয়েছে অন্ত্রের গ্যাস এবং পেট ফাঁপা কমানো, পেটের আস্তরণকে প্রশমিত করা এবং অ্যাসিড উৎপাদন কমানো। আদার সক্রিয় যৌগ জিঞ্জেরলের প্রাকৃতিক প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা হজমে সহায়তা করে এবং পেটে উৎপাদিত অ্যাসিডের পরিমাণ কমায়, যার ফলে অ্যাসিডিটির সঙ্গে সম্পর্কিত অস্বস্তি দূর হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

২. তুলসি পাতা

তুলসি পাতার রয়েছে প্রচুর ঔষধি উপকারিতা, বিশেষ করে অ্যাসিডিটির বিরুদ্ধে লড়াই করার এবং পেটের অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা। এই পাতায় ইউজেনল এবং কার্মিনেটিভের মতো শক্তিশালী যৌগ রয়েছে, যা প্রদাহ-বিরোধী এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যের জন্য বিখ্যাত।

ইউজেনল কার্যকরভাবে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টের প্রদাহ প্রশমিত করে, অন্যদিকে কার্মিনেটিভস হজমে সহায়তা করে এবং পেটে অতিরিক্ত গ্যাস জমা হওয়া রোধ করে। আপনার দৈনন্দিন খাবার রুটিনে তুলসি পাতা যোগ করুন। যা কার্যকরভাবে পেটের আস্তরণকে প্রশমিত করতে পারে, অ্যাসিড রিফ্লাক্স কমায়। সেইসঙ্গে বুকজ্বালা এবং অন্যান্য অ্যাসিডিটি-সম্পর্কিত সমস্যা দূর করে।

৩. অ্যালোভেরার জুস

অ্যালোভেরার পাচনতন্ত্রের ওপর প্রশান্তিদায়ক প্রভাব ফেলে, অ্যাসিড উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ এবং পেটে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। অ্যালোভেরায় এমন যৌগ রয়েছে যা পেট এবং খাদ্যনালীর জ্বালা কমায়। এটি পেটের আস্তরণ নিরাময়ে সাহায্য করে এবং অ্যাসিডিটির সঙ্গে সম্পর্কিত জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে। খাবারের আগে প্রায় ১/৪ কাপ অ্যালোভেরার জুস পান করুন। এটি পাচনতন্ত্রকে প্রশমিত করতে এবং অ্যাসিডিটি কমাতে কাজ করবে।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

স্ক্রিন টাইমে চোখের ক্লান্তি, তিন ব্যায়ামে মিলবে স্বস্তি

Published

on

ডিএসইর

সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সব কাজেই এখন ব্যবহৃত হচ্ছে মোবাইল এবং ল্যাপটপ। অফিসের কাজ থেকে বিনোদন সবটা জুড়েই এখন স্ক্রিন টাইম। স্নানঘরে যেতে গিয়েও কেউ দেখছেন ওয়েব সিরিজ়, কেউ বুঁদ হয়ে যাচ্ছেন গেমের নেশায়। এর প্রভাব পড়ে চোখে।

দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার কারণে বাড়ছে চোখের সমস্যা। কারও চোখ জ্বালা করছে, কারও চোখ ব্যথা করছে। কারও আবার চোখের জল শুকিয়ে যাচ্ছে। চোখের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হতে পারেন সহজ কয়েকটি ব্যায়ামে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

চক্ষু চিকিৎসকেরা বলছেন, এই ধরনের ব্যায়াম চোখের পেশি, স্নায়ুগুলিকে শিথিল হতে সাহায্য করে। চোখের উপর চাপ কমায়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রথম ব্যায়াম
দুই হাতের তালু ঘষে একটু গরম করে নিতে হবে। মেরুদণ্ড সোজা করে বসে, ঘর্ষণের ফলে গরম হয়ে যাওয়া তালু দু’টি আলতো করে বন্ধ চোখের ওপর রাখতে হবে।

চোখের মণির উপর সরাসরি যেন চাপ না পড়ে। লম্বা লম্বা শ্বাস নিতে হবে এবং ছাড়তে হবে। ২ মিনিট পর হাত সরিয়ে নিন এবং আস্তে আস্তে চোখ মেলুন।

দ্বিতীয় ব্যায়াম
কাছে এবং দূরে তাকানোও একটি সহজ অথচ কার্যকরি ব্যায়াম। হাতের বুড়ো আঙুলটি চোখের সামনে প্রায় ১০ ইঞ্চি দূরে ধরে, মনোযোগ দিয়ে সেই দিকেই তাকাতে হবে।

কয়েক সেকেন্ড পরে আঙুলের উপর থেকে দৃষ্টি সরিয়ে প্রায় ১০-২০ ফুট দূরে থাকা কোনও বস্তুর দিকে তাকাতে হবে। এই ভাবে পর্যায়ক্রমে অন্তত ৫-৬ বার ব্যায়ামটি করতে হবে।

তৃতীয় ব্যায়াম
এই জন্য দরকার একটি পেন্সিল বা পেন।নাকের সামনে এক হাত দূরত্বে সেটি ধরে, সেই দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থকতে হবে।মাথা স্থির রেখে পেন্সিলটিকে ধীরে ধীরে ডানে এবং বামে সরাতে হবে। পেন্সিল লক্ষ্য করে দৃষ্টিও সরবে। একই ভাবে পেন্সিলটিকে উপরে এবং নীচে সরান। পেন্সিলটিকে ধীরে ধীরে আপনার নাকের কাছে আনুন এবং আবার দূরে সরিয়ে নিন। সব সময় পেন্সিলের শিসে লক্ষ্য স্থির রাখুন। এতেও চোখের ক্লান্তি কমবে।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

বিজ্ঞাপন

মাহে রমজান

১৪৪৭ হিজরী

🔕
রোজার নিয়ত (সেহরী)
নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রমাদানাল মুবারাক...
(হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের রোজা রাখার নিয়ত করলাম...)
ইফতারের দোয়া
আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা আফতারতু।
(হে আল্লাহ! আমি তোমার জন্যই রোজা রেখেছি এবং তোমার দেওয়া রিযিক দিয়ে ইফতার করলাম।)
অপেক্ষা করুন...
00:00:00
সেহরী শেষ --:--
ইফতার --:--
পূর্ণ তালিকা দেখুন
Advertisement Banner

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ডিএসইর ডিএসইর
পুঁজিবাজার2 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো ৮ হাজার ৯৬১ কোটি টাকা

দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে। এতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই)...

ডিএসইর ডিএসইর
পুঁজিবাজার1 day ago

ব্লক মার্কেটে ৪৪ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৪৪...

ডিএসইর ডিএসইর
পুঁজিবাজার1 day ago

দরপতনের শীর্ষে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স...

ডিএসইর ডিএসইর
পুঁজিবাজার1 day ago

দর বৃদ্ধির শীর্ষে বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯০ কোম্পানির মধ্যে ৩০৮টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

ডিএসইর ডিএসইর
পুঁজিবাজার1 day ago

শেয়ারবাজারে লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি। ঢাকা স্টক...

ডিএসইর ডিএসইর
পুঁজিবাজার1 day ago

শেষ কার্যদিবসে সূচকের উত্থানে লেনদেন ৫৯১ কোটি টাকা

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া...

ডিএসইর ডিএসইর
পুঁজিবাজার1 day ago

সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় এক ঘণ্টায় লেনদেন ১৩৫ কোটি টাকা

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় চলছে লেনদেন। এদিন লেনদেন শুরুর প্রথম এক...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
ডিএসইর
অন্যান্য1 hour ago

ঝিনাইদহে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত একাধিক

ডিএসইর
আন্তর্জাতিক2 hours ago

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাল সেন্টকম

ডিএসইর
পুঁজিবাজার2 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো ৮ হাজার ৯৬১ কোটি টাকা

ডিএসইর
আন্তর্জাতিক2 hours ago

‘মাত্র তো শুরু’, লেবাননে সেতু উড়িয়ে দিয়ে বললেন ইসরাইলি মন্ত্রী

ডিএসইর
রাজনীতি2 hours ago

আপাতত সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না মির্জা আব্বাসকে

ডিএসইর
সারাদেশ2 hours ago

রামপাল সড়ক দুর্ঘটনা: জানাজা শেষে একই পরিবারের ৯ সদস্যের দাফন সম্পন্ন

ডিএসইর
সারাদেশ2 hours ago

রামপালে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বিয়ে করে ফেরার পথে বর-কনেসহ নিহত ১৩

ডিএসইর
আন্তর্জাতিক3 hours ago

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটি ছাড়ল হাজারো মার্কিন সেনা, আত্মগোপন হোটেল-বাসাবাড়িতে

ডিএসইর
রাজনীতি4 hours ago

মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

ডিএসইর
জাতীয়4 hours ago

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন শনিবার, কে পাবেন কত?

ডিএসইর
অন্যান্য1 hour ago

ঝিনাইদহে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত একাধিক

ডিএসইর
আন্তর্জাতিক2 hours ago

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাল সেন্টকম

ডিএসইর
পুঁজিবাজার2 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো ৮ হাজার ৯৬১ কোটি টাকা

ডিএসইর
আন্তর্জাতিক2 hours ago

‘মাত্র তো শুরু’, লেবাননে সেতু উড়িয়ে দিয়ে বললেন ইসরাইলি মন্ত্রী

ডিএসইর
রাজনীতি2 hours ago

আপাতত সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না মির্জা আব্বাসকে

ডিএসইর
সারাদেশ2 hours ago

রামপাল সড়ক দুর্ঘটনা: জানাজা শেষে একই পরিবারের ৯ সদস্যের দাফন সম্পন্ন

ডিএসইর
সারাদেশ2 hours ago

রামপালে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বিয়ে করে ফেরার পথে বর-কনেসহ নিহত ১৩

ডিএসইর
আন্তর্জাতিক3 hours ago

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটি ছাড়ল হাজারো মার্কিন সেনা, আত্মগোপন হোটেল-বাসাবাড়িতে

ডিএসইর
রাজনীতি4 hours ago

মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

ডিএসইর
জাতীয়4 hours ago

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন শনিবার, কে পাবেন কত?

ডিএসইর
অন্যান্য1 hour ago

ঝিনাইদহে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত একাধিক

ডিএসইর
আন্তর্জাতিক2 hours ago

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাল সেন্টকম

ডিএসইর
পুঁজিবাজার2 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো ৮ হাজার ৯৬১ কোটি টাকা

ডিএসইর
আন্তর্জাতিক2 hours ago

‘মাত্র তো শুরু’, লেবাননে সেতু উড়িয়ে দিয়ে বললেন ইসরাইলি মন্ত্রী

ডিএসইর
রাজনীতি2 hours ago

আপাতত সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না মির্জা আব্বাসকে

ডিএসইর
সারাদেশ2 hours ago

রামপাল সড়ক দুর্ঘটনা: জানাজা শেষে একই পরিবারের ৯ সদস্যের দাফন সম্পন্ন

ডিএসইর
সারাদেশ2 hours ago

রামপালে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বিয়ে করে ফেরার পথে বর-কনেসহ নিহত ১৩

ডিএসইর
আন্তর্জাতিক3 hours ago

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটি ছাড়ল হাজারো মার্কিন সেনা, আত্মগোপন হোটেল-বাসাবাড়িতে

ডিএসইর
রাজনীতি4 hours ago

মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

ডিএসইর
জাতীয়4 hours ago

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন শনিবার, কে পাবেন কত?