অর্থনীতি
রেকর্ড চতুর্থ দফায় বাড়ছে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়
রেকর্ড চতুর্থ বারের মতো অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়াতে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই সময় বাড়ানোর সুপারিশ ইতিমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন এনবিআরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা।
এর আগে তৃতীয় দফায় অনলাইনে রিটার্ন জমার সময়সীমা বাড়িয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল। দ্বিতীয় দফায় ৩১ জানুয়ারি এবং প্রথম দফায় ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। আইন অনুযায়ী, আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ৩০ নভেম্বর।
এমএন
অর্থনীতি
এলপিজি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আরও ২ জাহাজ
ভারত ও মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে আরও দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। পাশাপাশি এলপিজি ও এলএনজি নিয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে আরও কমপক্ষে চারটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, শনিবার রাতে মালয়েশিয়া থেকে এলপিজিবাহী ‘ডিএল লিলি’ এবং ভারত থেকে ‘গ্যাস ক্যারেজ’ নামে দুটি জাহাজ বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছায়। জাহাজ দুটি বর্তমানে চার্লি ও ব্রাভো পয়েন্টে অবস্থান করছে।
তিনি আরও জানান, রোববার যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি নিয়ে ‘কংটং’ নামের আরও একটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। এরপর আগামীকাল মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে ‘পল’ নামের আরেকটি জাহাজ পৌঁছাবে।
এছাড়া, ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে ‘মারান গ্যাস হাইড্রা’ এবং ১৮ এপ্রিল ‘লবিটো’ নামের আরও একটি এলএনজিবাহী জাহাজ দেশে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে তেল ও গ্যাস আমদানি অব্যাহত রেখেছে।
অর্থনীতি
রাজধানীর ৭ পাম্প থেকে তেল নিতে ‘ফুয়েল পাস’ বাধ্যতামূলক
রাজধানীতে জ্বালানি তেল বিতরণে স্বচ্ছতা ও ভোগান্তি কমাতে কিউআর কোডভিত্তিক মোবাইল অ্যাপ ‘ফুয়েল পাস’-এর ব্যবহার সম্প্রসারণ করা হয়েছে। রবিবার (১২ এপ্রিল) থেকে ঢাকার ৭টি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য এই অ্যাপ ব্যবহার করে তেল নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানায়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর উদ্যোগে চালু হওয়া এই ডিজিটাল ব্যবস্থার লক্ষ্য হলো জ্বালানি বিতরণ প্রক্রিয়াকে স্বয়ংক্রিয় ও স্বচ্ছ করা। শুরুতে রাজধানীর দুটি স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলেও শনিবার (১১ এপ্রিল) আরো পাঁচটি স্টেশন যুক্ত হওয়ায় মোট সাতটিতে এই সুবিধা চালু হলো।
বর্তমানে রাজধানীর যেসব ফিলিং স্টেশনে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো হলো—তেজগাঁও এলাকার ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন, আসাদগেটের সোনার বাংলা ও তালুকদার ফিলিং স্টেশন, মহাখালীর গুলশান সার্ভিস স্টেশন, শাহবাগের মেঘনা মডেল পাম্প, নিকুঞ্জ এলাকার নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টার এবং কল্যাণপুরের খালেক সার্ভিস স্টেশন।
এসব পাম্পে বর্তমানে মোটরসাইকেল চালকরা শুধুমাত্র ফুয়েল পাস অ্যাপ ব্যবহার করেই পেট্রল ও অকটেন সংগ্রহ করতে পারছেন। পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা সারাদেশে সব ধরনের যানবাহনের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। রবিবার (১২ এপ্রিল) থেকে এসব পাম্পে মোটরসাইকেল চালকরা শুধু ফুয়েল পাস অ্যাপের মাধ্যমেই নিতে পারবেন পেট্রল-অকটেন।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, মূলত জ্বালানি বিতরণব্যবস্থায় মনুষ্যচালিত প্রক্রিয়ার কারণে বিলম্বসহ বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে।
আবার একই ব্যক্তি একাধিকবার এসে সারিতে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্বালানি তেল সংগ্রহ করছেন, যা জ্বালানির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তাবিত এই ডিজিটাল ব্যবস্থা জ্বালানির বিতরণ প্রক্রিয়াকে পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় করবে, তাৎক্ষণিক নজরদারির আওতায় নিয়ে আসবে।
এই অ্যাপের বিআরটিএ কেন্দ্রীয় ডেটাবেজের সঙ্গে সংযোগ থাকবে।
গ্রাহকদের কারো স্মার্টফোন না থাকলেও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন এবং কিউআর কোডটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন বলেও জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।
বলা হয়েছে, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ফিলিং স্টেশনের মালিকেরা ডিজিটাল মাধ্যমে এন্ট্রি করার পরই গ্রাহকদের জ্বালানি তেল বিতরণ করতে পারবেন। কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে একজন গ্রাহক জ্বালানি নিতে পারবেন। সেই সঙ্গে তার জন্য পূর্বনির্ধারিত বরাদ্দের পরিমাণ দেখতে পারবেন।
জ্বালানি বিভাগ আরো জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহ ও বিতরণের অবস্থা তাৎক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা যাবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বাড়বে, অনিয়ম ও অপচয় কমবে এবং সংকটকালীন সময়ে কার্যকরভাবে জ্বালানি ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব হবে।
এই সুবিধা পেতে গ্রাহককে গুগল প্লে স্টোর থেকে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। অ্যাপে নিবন্ধনের জন্য ফোন নম্বর যাচাইকরণের পাশাপাশি গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র, গাড়ির ব্লুবুক বা স্মার্ট কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রদান করতে হবে।
অর্থনীতি
নতুন ব্যাংক লাইসেন্সের আবেদন সাহসের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করতে হবে: সালেহউদ্দিন আহমেদ
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য নতুন ব্যাংকের লাইসেন্সের আবেদন সাহসের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করার প্রস্তুতি রাখতে হবে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত এক সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ‘রিস্ক কনফারেন্স অন ব্যাংকিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স ২০২৬’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠান যৌথভাবে আয়োজন করে ব্যাংক ও আর্থিক খাতের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডিফিন ও ডিনেট।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, দায়িত্ব পালনকালে তিনি বেশ কয়েকবার নতুন ব্যাংক স্থাপনের প্রস্তাব পেয়েছেন। তবে সেগুলো তিনি প্রযুক্তিগত ও সতর্ক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিবেচনা করতেন। কোনো রাজনৈতিক প্রভাব সেখানে যুক্ত হতে দেননি।
তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক দুর্বল ব্যাংক থেকে আমানতকারীরা টাকা তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন—এ বাস্তবতা থেকেই বোঝা যায়, নতুন লাইসেন্স দেয়ার ক্ষেত্রে ‘না’ বলাটা কতটা জরুরি।
সালেহউদ্দিন আহমেদ অর্থনীতিতে অবদান রাখতে আগ্রহীদের জন্য আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ব্যাংকিং খাতে কমপ্লায়েন্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। অর্থনীতি দুর্বল হলে তার প্রভাব পুরো আর্থিক খাতেই পড়ে।
তিনি আরো বলেন, আমাদেরকে পুঁজিবাজারে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। দেশের পুরো আর্থিক ব্যবস্থা কখনো ব্যাংকনির্ভর থাকতে পারে না।
ঝুঁকি কমাতে ঋণ দেয়ার আগে গ্রাহকের আর্থিক জ্ঞান ও সক্ষমতা যাচাই করার জন্যও ব্যাংকারদের আহ্বান জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক এ গভর্নর। তিনি বলেন, শক্তিশালী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নীতি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করাই ব্যাংকিং খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।
অর্থনীতি
বাংলাদেশ ব্যাংক সংশোধনী বিল পাস, বয়সসীমার বাধা শেষ
জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক (সংশোধনী) বিল ২০২৬’, যার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৬৭ বছর বাতিল করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে বয়স নির্বিশেষে অভিজ্ঞ ও যোগ্য ব্যক্তিদের এ পদে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হলো।
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২ সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন পায়। নির্দিষ্ট ধারাগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় বিলটি মূল আকারেই গৃহীত হয়।
নতুন আইনে গভর্নরের চার বছরের মেয়াদ এবং পুনর্নিয়োগের সুযোগ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে পূর্বের আইনে থাকা ৬৭ বছর বয়সসীমার বাধ্যবাধকতা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়েছে, যেখানে বলা ছিল ওই বয়স পূর্ণ হলে গভর্নর পদে থাকা যাবে না।
আগের বিধান অনুযায়ী, গভর্নর চার বছরের জন্য নিয়োগ পেলেও ৬৭ বছর বয়সে বাধ্যতামূলক অবসরে যেতে হতো। নতুন সংশোধনের ফলে এখন সরকার প্রয়োজন ও যোগ্যতার ভিত্তিতে গভর্নর নিয়োগ বা বহাল রাখতে পারবে।
বিলের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, ব্যাংক তদারকি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ে গভর্নরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্দিষ্ট বয়সসীমা অনেক সময় অভিজ্ঞ ও দক্ষ ব্যক্তিদের এ পদে নিয়োগে বাধা সৃষ্টি করে। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে নেপাল ও পাকিস্তান ছাড়া অধিকাংশ দেশেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের জন্য কোনো সর্বোচ্চ বয়সসীমা নেই, ফলে নতুন এই সংশোধন বৈশ্বিক চর্চার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অর্থনীতি
৩৪.৬৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছালো দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
দেশে এখন মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি ‘বিপিএম-৬’ অনুসারে দেশে রিজার্ভের পরিমাণ ২৯ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৈদেশিক লেনদেন, রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং আমদানি ব্যয়ের ওপর নির্ভর করে রিজার্ভের এই অবস্থান নির্ধারিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির ধারা রিজার্ভকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রিজার্ভের এই অবস্থান দেশের বৈদেশিক লেনদেন সক্ষমতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে আমদানি ব্যয় মেটানো এবং বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে এই রিজার্ভ একটি প্রধান নিরাপত্তা বেষ্টনী হিসেবে কাজ করে।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিপিএস-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ হিসাব করা হলে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের প্রকৃত চিত্র প্রতিফলিত হয়, যা অর্থনীতির স্থিতিশীলতা মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।



