অর্থনীতি
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান
আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক অডার, ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১২৭)-এর ১০(৫) ধারা অনুযায়ী মো. মোস্তাকুর রহমানকে তাঁর যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে তাঁকে অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগ করতে হবে।
এতে আরও বলা হয়, গভর্নর পদে দায়িত্ব পালনকালে সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তিনি বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে গ্রহণ করবেন। নিয়োগের অন্যান্য বিষয়াদি চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বর্তমান গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
এর আগে হাসিনা সরকারের পতনের পর দায়িত্ব নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুরকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেয়। ড. মনসুর তৎকালীন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন।
মো. মোস্তাকুর রহমান ১৯৬৬ সালের ১২ মে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৯৮৭ সালে বি.কম (সম্মান) এবং ১৯৮৮ সালে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।
এরপর ১৯৯২ সালে ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) থেকে পেশাদার যোগ্যতা অর্জন করেন, বর্তমানে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের একজন ফেলো মেম্বার।
মোস্তাকুর রহমান কেবল একজন তাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞ নন, বরং মাঠপর্যায়ের উদ্যোক্তা এবং একজন জ্যেষ্ঠ ফাইন্যান্সিয়াল গভর্ন্যান্স বিশেষজ্ঞ। তার রয়েছে করপোরেট ফাইন্যান্স, রপ্তানি অর্থনীতি এবং আর্থিক ব্যবস্থা ব্যবস্থাপনায় ৩০ বছরেরও বেশি সময়ের নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা।
এছাড়া ম্যানুফ্যাকচারিং, রিয়েল এস্টেট, কৃষি-ভিত্তিক এন্টারপ্রাইজ এবং শিল্প উদ্যোগে বিনিয়োগ তদারকি ও আর্থিক পরিকল্পনার ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে মোস্তাকুর রহমানের।
বর্তমানে তিনি রপ্তানিমুখী সোয়েটার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ‘হেরা সোয়েটার্স লিমিটেড’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মোস্তাকুর রহমান বিভিন্ন সময়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং এন্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি বিজিএমইএ, রিহ্যাব, আটাব এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের সদস্য হিসেবে বিভিন্ন কমিটিতে কাজ করেছেন।
এমএন
অর্থনীতি
নতুন ব্যাংক লাইসেন্সের আবেদন সাহসের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করতে হবে: সালেহউদ্দিন আহমেদ
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য নতুন ব্যাংকের লাইসেন্সের আবেদন সাহসের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করার প্রস্তুতি রাখতে হবে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত এক সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ‘রিস্ক কনফারেন্স অন ব্যাংকিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স ২০২৬’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠান যৌথভাবে আয়োজন করে ব্যাংক ও আর্থিক খাতের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডিফিন ও ডিনেট।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, দায়িত্ব পালনকালে তিনি বেশ কয়েকবার নতুন ব্যাংক স্থাপনের প্রস্তাব পেয়েছেন। তবে সেগুলো তিনি প্রযুক্তিগত ও সতর্ক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিবেচনা করতেন। কোনো রাজনৈতিক প্রভাব সেখানে যুক্ত হতে দেননি।
তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক দুর্বল ব্যাংক থেকে আমানতকারীরা টাকা তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন—এ বাস্তবতা থেকেই বোঝা যায়, নতুন লাইসেন্স দেয়ার ক্ষেত্রে ‘না’ বলাটা কতটা জরুরি।
সালেহউদ্দিন আহমেদ অর্থনীতিতে অবদান রাখতে আগ্রহীদের জন্য আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ব্যাংকিং খাতে কমপ্লায়েন্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। অর্থনীতি দুর্বল হলে তার প্রভাব পুরো আর্থিক খাতেই পড়ে।
তিনি আরো বলেন, আমাদেরকে পুঁজিবাজারে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। দেশের পুরো আর্থিক ব্যবস্থা কখনো ব্যাংকনির্ভর থাকতে পারে না।
ঝুঁকি কমাতে ঋণ দেয়ার আগে গ্রাহকের আর্থিক জ্ঞান ও সক্ষমতা যাচাই করার জন্যও ব্যাংকারদের আহ্বান জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক এ গভর্নর। তিনি বলেন, শক্তিশালী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নীতি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করাই ব্যাংকিং খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।
অর্থনীতি
বাংলাদেশ ব্যাংক সংশোধনী বিল পাস, বয়সসীমার বাধা শেষ
জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক (সংশোধনী) বিল ২০২৬’, যার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৬৭ বছর বাতিল করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে বয়স নির্বিশেষে অভিজ্ঞ ও যোগ্য ব্যক্তিদের এ পদে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হলো।
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২ সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন পায়। নির্দিষ্ট ধারাগুলোর ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় বিলটি মূল আকারেই গৃহীত হয়।
নতুন আইনে গভর্নরের চার বছরের মেয়াদ এবং পুনর্নিয়োগের সুযোগ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে পূর্বের আইনে থাকা ৬৭ বছর বয়সসীমার বাধ্যবাধকতা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়েছে, যেখানে বলা ছিল ওই বয়স পূর্ণ হলে গভর্নর পদে থাকা যাবে না।
আগের বিধান অনুযায়ী, গভর্নর চার বছরের জন্য নিয়োগ পেলেও ৬৭ বছর বয়সে বাধ্যতামূলক অবসরে যেতে হতো। নতুন সংশোধনের ফলে এখন সরকার প্রয়োজন ও যোগ্যতার ভিত্তিতে গভর্নর নিয়োগ বা বহাল রাখতে পারবে।
বিলের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, ব্যাংক তদারকি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ে গভর্নরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্দিষ্ট বয়সসীমা অনেক সময় অভিজ্ঞ ও দক্ষ ব্যক্তিদের এ পদে নিয়োগে বাধা সৃষ্টি করে। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে নেপাল ও পাকিস্তান ছাড়া অধিকাংশ দেশেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের জন্য কোনো সর্বোচ্চ বয়সসীমা নেই, ফলে নতুন এই সংশোধন বৈশ্বিক চর্চার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অর্থনীতি
৩৪.৬৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছালো দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
দেশে এখন মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি ‘বিপিএম-৬’ অনুসারে দেশে রিজার্ভের পরিমাণ ২৯ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৈদেশিক লেনদেন, রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং আমদানি ব্যয়ের ওপর নির্ভর করে রিজার্ভের এই অবস্থান নির্ধারিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির ধারা রিজার্ভকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রিজার্ভের এই অবস্থান দেশের বৈদেশিক লেনদেন সক্ষমতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে আমদানি ব্যয় মেটানো এবং বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে এই রিজার্ভ একটি প্রধান নিরাপত্তা বেষ্টনী হিসেবে কাজ করে।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিপিএস-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ হিসাব করা হলে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের প্রকৃত চিত্র প্রতিফলিত হয়, যা অর্থনীতির স্থিতিশীলতা মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।
অর্থনীতি
দেশে আজ কত দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম। এবার ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকেই স্বর্ণের এ নতুন দাম কার্যকর হয়। আজ শুক্রবারও সারাদেশে একইদামে বিক্রি হবে স্বর্ণ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
স্বর্ণের দাম কমানোর সঙ্গে দেশের বাজারে কমানো হয়েছে রুপার দামও। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকায়।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৪৯৯ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
অর্থনীতি
গ্রামীণ ব্যাংক সংশোধন বিল সংসদে পাস
গ্রামীণ ব্যাংক আইন ২০১৩ সংশোধনের জন্য আনা গ্রামীণ ব্যাংক সংশোধন বিল ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টায় এ সংক্রান্ত প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সংসদে অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক আইন ২০১৩ সংশোধন কল্পে আনা একটি বিল গ্রামীণ ব্যাংক সংশোধন বিল ২০২৬ এই সংসদে উত্থাপনের জন্য অনুমতি প্রার্থনা করছি।
এরপর ডেপুটি স্পিকারের অনুমতি সাপেক্ষে অর্থমন্ত্রী গ্রামীণ ব্যাংক সংশোধন বিল ২০২৬ সংসদে উত্থাপন করে তা অবিলম্বে বিবেচনার প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
পরে ডেপুটি স্পিকার গ্রামীণ ব্যাংক সংশোধন বিল ২০২৬ অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করার ভোটে দেন। এরপর বিলটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। বিলটির দফা ওয়ারি কোনো সংশোধন না থাকায় তিনি বিলের দফাগুলো সংসদের সামনে পেশ করেন।



