পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে ২৯ কোটি টাকার লেনদেন
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ২৯ কোটি ৪৯ লাখ ৩২ হাজার টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানিগুলোর মোট ৬৭ লাখ ৫৬ হাজার ৯০১টি শেয়ার ৯৩ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ২৯ কোটি ৪৯ লাখ ৩২ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে গ্রামীণফোন লিমিটেডের ৬ কোটি ৩৫ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে ফাইন ফুডসের ৫ কোটি ৬৯ লাখ ৮২ হাজার টাকার এবং তৃতীয় স্থানে জিকিউ বল পেন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ৩ কোটি ১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
সিটি ব্যাংকের রেকর্ড মুনাফা ১,৩২৪ কোটি টাকা, প্রবৃদ্ধি ৩১%
চ্যালেঞ্জপূর্ণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও ২০২৫ সালে সিটি ব্যাংক পিএলসি তাদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করেছে। বছর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১,৩২৪ কোটি টাকা, যা আগের বছরের ১,০১৪ কোটি টাকার তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি। এককভাবে ব্যাংকের মুনাফা হয়েছে ১,৩০৬ কোটি টাকা, আর সহযোগী চারটি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে যোগ করেছে আরও ১৮ কোটি টাকা।
এই প্রবৃদ্ধির পেছনে রয়েছে আয়ের শক্তিশালী বৃদ্ধি, নিয়ন্ত্রিত ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা। ২০২৫ সালে ঋণ থেকে সুদ আয় ২৪ শতাংশ বেড়ে ৪,৪০৩ কোটি টাকা থেকে ৫,৪৫২ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। একই সঙ্গে সম্পদের গুণগত মানও উন্নত হয়েছে—শ্রেণীকৃত ঋণের হার (এনপিএল) কমে দাঁড়িয়েছে ২.৫ শতাংশে, যা আগের বছর ছিল ৩.৭ শতাংশ।
মুদ্রাস্ফীতির চাপ থাকা সত্ত্বেও ব্যাংকটি আমানতের খরচ ৫.৫ শতাংশে ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। তহবিল ব্যয় বাড়লেও সরকারি সিকিউরিটিজে কৌশলগত বিনিয়োগের মাধ্যমে সেই চাপ সামাল দেওয়া হয়েছে। ফলে মোট ৪,৮৮৮ কোটি টাকার পরিচালন আয়ের মধ্যে ২৬ শতাংশ এসেছে এসব বিনিয়োগ থেকে। তহবিল ব্যয় সমন্বয়ের পর নিট বিনিয়োগ আয় দাঁড়িয়েছে ১,২৭৪ কোটি টাকা।
২০২৫ সালে দেশীয় ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ৮.০১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ট্রেড পরিচালনা করে ব্যাংকটি। এর ফলে ট্রেড সার্ভিস থেকে কমিশন ও ফি আয় হয়েছে ৫২৬ কোটি টাকা এবং রিটেইল ব্যাংকিং ও কার্ড ব্যবসা থেকে এসেছে ৪৭১ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ফি ও কমিশন আয় দাঁড়িয়েছে ৯৯৭ কোটি টাকা, যা মোট পরিচালন আয়ের ২১ শতাংশ।
ব্যয় নিয়ন্ত্রণেও সাফল্য দেখিয়েছে ব্যাংকটি। নতুন বেতন কাঠামো ও মূল্যস্ফীতির প্রভাব থাকা সত্ত্বেও কস্ট-টু-ইনকাম অনুপাত ৪৪ শতাংশে সীমিত রাখা হয়েছে। ৪,৮৮৮ কোটি টাকার আয়ের বিপরীতে মোট ব্যয় হয়েছে ২,১৬০ কোটি টাকা।
অন্যদিকে, ঋণের বিপরীতে প্রভিশন ব্যয় বাড়িয়ে ৮১৫ কোটি টাকায় উন্নীত করেছে ব্যাংকটি, যা আগের বছর ছিল ৬২৮ কোটি টাকা। এর ফলে প্রভিশন কভারেজ অনুপাত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৮ শতাংশে।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন বলেন, অতিরিক্ত প্রভিশন ব্যয়ের কারণে নিট মুনাফা ১,৫০০ কোটি টাকায় পৌঁছায়নি। তবে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, ব্যাংকের সব মূল খাত থেকেই শক্তিশালী আয় আসছে। বিশেষ করে রিটেইল ব্যাংকিং ও কার্ড ব্যবসা কর্পোরেট ব্যাংকিংকে ছাড়িয়ে গেছে, যেখানে আয় বেড়েছে ৩৩ শতাংশ।
তিনি আরও বলেন, স্মল বিজনেস, ন্যানো লোন, রিটেইল ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড পোর্টফোলিওর মান অত্যন্ত ভালো। এলসি ব্যবসায় নেতৃত্ব এবং আমানতের খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখার সক্ষমতা ব্যাংকের বড় শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। তবে সামষ্টিক অর্থনীতি ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের কারণে কর্পোরেট ও মাঝারি খাতের ঋণ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে।
উপসংহারে তিনি বলেন, প্রায় ৮ হাজার কর্মীর একটি বড় ব্যাংক হিসেবে কস্ট-টু-ইনকাম অনুপাত ৪৫ শতাংশের নিচে ধরে রাখতে পারা ব্যাংকের অন্যতম বড় অর্জন।
পুঁজিবাজার
ন্যাশনাল টিউবসের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ন্যাশনাল টিউবস লিমিটেড গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে আলোচিত প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।
কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ১ টাকা ০২ পয়সা লোকসান হয়েছে। গত বছরও একই সময়ে শেয়ার প্রতি ৬৪ পয়সা লোকসান হয়েছিল।
চলতি হিসাববছরের ৯ মাসে (জুলাই’২৫-মার্চ’২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ২ টাকা ৪০ পয়সা লোকসান হয়েছে। গত বছরও একই সময়ে শেয়ার প্রতি ১ টাকা ৬৩ পয়সা লোকসান হয়েছিল।
গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৮ টাকা ৯২ পয়সা।
পুঁজিবাজার
সিটি ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি সিটি ব্যাংক পিএলসি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটি আলোচিত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ, বাকী ১৫ শতাংশ বোনাস। আগের বছর ব্যাংকটি ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল, এর মধ্যে ছিল ১২.৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ, বাকী ১২.৫০ শতাংশ বোনাস।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত সিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশ সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
বিদায়ী বছরে সিটি ব্যাংকের নীট মুনাফা ও শেয়ার প্রতি আয়ে বড় ধরণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫ সালে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি ৮ টাকা ৭১ পয়সা আয় (ইপিএস) হয়েছে। আগের বছর শেয়ার প্রতি ৬ টাকা ৬৭ পয়সা আয় হয়েছিল। তার আগের বছর ইপিএস ছিল ৪ টাকা ৭৪ পয়সা।
বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির ইপিএস বেড়েছে প্রায় ৩১ শতাংশ।
সর্বশেষ বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৪৭ টাকা, যা আগের বছর ৫৮ টাকা ৮৪ পয়সা ছিল।
গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৪০ টাকা ৬৭ পয়সা।
আগামী ৭ জুন, রোববার বিকাল ৩ টায় ব্যাংকটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমে যোগ দেওয়া ও লভ্যাংশ প্রাপ্তির যোগ্যতা নির্ধারণে আগামী ৩ মে রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পুঁজিবাজার
চীনা বিনিয়োগ বাড়াতে ডিএসই-সিইএবি বৈঠক, যৌথ সহযোগিতায় জোর
চীনা কোম্পানিগুলোর সংগঠন চাইনিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (সিইএবি)-এর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল ২০২৬) অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সিইএবি’র ১৯ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মা বেন। বৈঠকের শুরুতে ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান এবং দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে চলমান উদ্যোগ তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে এবং চীনা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততার মাধ্যমে যৌথ লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বাজারকে আরও বিনিয়োগবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
নুজহাত আনোয়ার আশা প্রকাশ করেন, নিয়মিত সংলাপের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এবং আগামী পাঁচ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনায় চীন একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও জানান, আগ্রহী কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্তি ও বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় ডিএসই সরাসরি সহায়তা দেবে।
এ বৈঠককে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হিসেবে উল্লেখ করে সিইএবি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মা বেন বলেন, এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও গভীর সহযোগিতার পথ উন্মুক্ত হবে। তিনি জানান, বর্তমানে সিইএবি’র সদস্য সংখ্যা ২৫০-এর বেশি এবং তারা বাণিজ্য, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি, জ্বালানি ও লজিস্টিকসসহ বিভিন্ন খাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
তিনি বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সেতু, টানেল, এক্সপ্রেসওয়ে এবং যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে চীনা কোম্পানিগুলোর অবদানের কথাও তুলে ধরেন। পাশাপাশি ২০২৬ সালে বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে ডিএসই’র বিভিন্ন কার্যক্রম উপস্থাপন করেন সহকারী জেনারেল ম্যানেজার কামরুন নাহার। এছাড়া ডিএসই’র পক্ষে প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুর রহমান, প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা ড. মো. আসিফুর রহমান, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মো. আদিব হোসেন খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে সিইএবি’র প্রতিনিধিদলে হুয়াওয়ে, চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, চায়না রেলওয়ে ফার্স্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো, ভিভোসহ বিভিন্ন খাতের শীর্ষ চীনা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
বৈঠক শেষে প্রতিনিধিদল ডিএসই টাওয়ারের মাল্টিপারপাস হল ও ট্রেনিং একাডেমি পরিদর্শন করেন।
পুঁজিবাজার
বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে জোর দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর গনি
আর্থিক খাতে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব এবং প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর গনি কূটনৈতিক যোগাযোগ শক্তিশালী করা, বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক পুঁজিবাজারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা গভীর করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার এ অগ্রাধিকারমূলক পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। সম্প্রতি তিনি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
পুঁজিবাজার, বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা ও কৌশলগত পরামর্শে তানভীর গনির রয়েছে বিস্তৃত আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা। বর্তমানে তিনি হংকং-ভিত্তিক উদীয়মান বাজারভিত্তিক বিনিয়োগ ও পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান ‘দ্য ওসিরিস গ্রুপ’-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি টাইবোর্ন ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টে প্রেসিডেন্ট ও চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) হিসেবে কাজ করেছেন। তার নেতৃত্বে এশিয়া, হংকং ও সান ফ্রান্সিসকোসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক বাজারে প্রযুক্তি, ফিনটেক, স্বাস্থ্যসেবা ও বায়োটেক খাতে বিনিয়োগ কৌশলে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়।
নতুন দায়িত্বে তানভীর গনি বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সংযোগ আরও জোরদার করতে কাজ করবেন। তিনি বেসরকারি খাতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগকারীদের আস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেবেন।
তার কর্মপরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশকে উচ্চমানের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই)-এর জন্য প্রতিযোগিতামূলক গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। এ লক্ষ্যে তিনি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)সহ সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবেন।
বাংলাদেশ যখন একটি উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন তানভীর গনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে অর্থনৈতিক যোগাযোগকে আরও পেশাদার ও কার্যকর করার ওপর জোর দেবেন। পাশাপাশি প্রথাগত খাতের বাইরে বিনিয়োগের ক্ষেত্র সম্প্রসারণ, নিয়ন্ত্রণ কাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং পুঁজিবাজারকে আরও গভীর করার লক্ষ্যে বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।
নিয়োগ প্রসঙ্গে তানভীর গনি বলেন, “বাংলাদেশ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অবস্থান করছে। বৈশ্বিক ‘ব্রেকআউট নেশন’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক আস্থা অর্জন অপরিহার্য।” তিনি আরও বলেন, “স্বচ্ছতা, ধারাবাহিক নীতি বাস্তবায়ন এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সক্রিয় যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চাই, যা টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে।”



