Connect with us

আন্তর্জাতিক

জেন-জি বিক্ষোভে আবারও উত্তাল ইরান

Published

on

ডিএসই

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই ইরানে ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে জেন-জি বিক্ষোভ। রাজধানী তেহরানে গতকাল রোববার দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মিছিল করেছেন ইরানের শিক্ষার্থী ও সাধারণ লোকজন।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) এএফপির বরাতে এমন খবর জানুইয়েছে আল আরাবিয়া ইংলিশ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ডিসেম্বর-জানুয়ারির বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে যারা নিহত হয়েছিলেন, সেই নিহতদের স্মরণ করে এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে শনিবার রাজধানী তেহরানে বিক্ষোভ শুরু করে দেশটির তরুণ প্রজন্মের সরকারবিরোধী অংশ। তাদের বিক্ষোভের পাল্টায় সরকারের পক্ষে মিছিল-সমাবেশের ডাক দেয় ক্ষমতাসীন সরকারের পক্ষে থাকা তরুণ-তরুণীরা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইরানের অনলাইন সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, তেহরানের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ, আর এই তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সরকারবিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে শরিফ বিশ্ববিদ্যালয়। গতকাল রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে শরিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ইরানের সাবেক শাহ মুহম্মদ রেজা শাহ পাহালভির সময়ে পতাকা হাতে নিয়ে মিছিল করছেন, সেই মিছিলে ব্যাপকভাবে দেওয়া হচ্ছে সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান।

দীর্ঘদিন ধরে চলা আর্থিক দুরবস্থার জেরে গত ডিসেম্বরে ইরানের রাজধানী তেহরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। দ্রুত তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং বড় ধরনের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়। নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর হাতে বিক্ষোভ দমন করে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, সরকারি বাহিনীর হাতে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

ইরান কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভে তিন হাজারের বেশি মানুষ নিহতের কথা স্বীকার করেছে। তবে তাদের দাবি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে এই সহিংসতা হয়েছে, যাদেরকে ইরানের শত্রুরা উসকে দিয়েছিল।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ-এর তথ্যমতে, সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী আন্দোলনে সাত হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের বেশির ভাগই বিক্ষোভকারী। তবে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এমএন

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

মোদি পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করতে চেয়ে ভারতকেই বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছেন

Published

on

ডিএসই

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে ভারত। তবে এই যুদ্ধবিরতিতে পাকিস্তান যে ভূমিকা পালন করেছে সে সম্পর্কে কোনো উল্লেখ করেনি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ভারতের তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে পাকিস্তানের নামও নেই।

বিশ্বের বিভিন্ন নেতারা যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতার করার জন্য পাকিস্তানের এই প্রচেষ্টার প্রশংসা করলেও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বিষয়টাকে শুধু উপেক্ষাই করেনি, ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়েও নীরব থেকেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমরা যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। আমরা আশা করি এটা পশ্চিম এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করবে। যেমনটা আমরা আগেও বলেছি, যুদ্ধবিরতি, সংলাপ এবং কূটনৈতিক পদক্ষেপ এই যুদ্ধ অবসানের জন্য অপরিহার্য। এই যুদ্ধের যে ধ্বংসাত্মক রূপ দেখা গিয়েছে, সে বিষয়েও ওই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পাশাপাশি বলা হয়েছে, এটা বিশ্বব্যাপী তেল ও জ্বালানি সরবরাহ এবং বাণিজ্য ব্যবস্থাকে ব্যাহত করেছে। আমরা আশা করি বাণিজ্যিক ও তেলবাহী জাহাজগুলো এবার স্বাধীনভাবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসতে পারবে।

এর আগে পাকিস্তান যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মাঝে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল, সেই সময় থেকেই দেশের ভেতরে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছিল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো এটাকে ভারতের জন্য এক জাতীয় ‘কূটনৈতিক আঘাত’ বলে আখ্যাও দিয়েছিল।

অন্যদিকে, বিরোধী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছিলেন ভারত ‘ব্রোকার নেশন’ (দালালি করে এমন দেশ বোঝাতে) বা মিডলম্যান হতে চায় না।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে এই যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকার কথা উল্লেখ না থাকলেও ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দল, সাংবাদিক ও বিশ্লেষকরা ভিন্ন মত পোষণ করেন। তাদের অনেকেই এই বিষয়ে পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা করছেন এবং নরেন্দ্র মোদির সরকারের কূটনীতির সমালোচনা করছেন।

কংগ্রেস নেতা রশিদ আলভি বলেছেন, পাকিস্তান যে ভূমিকা পালন করেছে, তা আসলে ভারতের করা উচিত ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদি যখন ইসরায়েলকে ‘পিতৃভূমি’ বলে অভিহিত করেন, তখন তিনি যুদ্ধবিরতির কথা কীভাবে বলবেন?

যুদ্ধবিরতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব নিরুপমা মেনন রাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ একটা দীর্ঘ পোস্ট করেছেন।

সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘‘(এক্ষেত্রে) পাকিস্তানের ভূমিকা আর্কিটেক্ট হিসেবে নয়, বরং মাধ্যম ও অনুঘটক হিসেবে উন্মোচিত হয়েছে। তারা এমন এক পথ তৈরি করে দিয়েছে যার মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান হয়েছে, ডেডলাইন (সময়সীমা) শিথিল করা হয়েছে এবং একটা সংকীর্ণ কূটনৈতিক সুযোগ তৈরি হয়েছে। এটা ঠিক চিরাচরিত অর্থে মধ্যস্থতা নয়, কিন্তু একে রসিকতা করে উড়িয়েও দেওয়া যায় না।’’

তিনি লিখেছেন, ‘‘আমরা এখন যা দেখছি সেটা সংঘাতের সমাধান নয়, বরং অবস্থানের পুনর্বিন্যাস। যুদ্ধ শেষ হয়নি। সেটা একটা ভিন্ন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে মাত্র, যেখানে এখন বলপ্রয়োগ এবং আলোচনা একসঙ্গে চলছে।’’

এই প্রসঙ্গে ভারতের ভূমিকা নিয়েও মত প্রকাশ করেছেন তিনি। ওই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, এর অন্তর্নিহিত অর্থ স্পষ্ট।

‘‘একে শুধু উত্তেজনা প্রশমন হিসেবে দেখলে হবে না। বিষয়টাকে চাপের পরিস্থিতিতে থাকা একটা ব্যবস্থা হিসেবে দেখতে হবে, যেখানে ফলাফল এখনো পরিবর্তনশীল’’, লিখেছেন নিরুপমা মেনন রাও। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, ভারতের নিজের অবস্থানের কথা স্পষ্ট করে দেওয়া দরকার।

‘‘ভারতের উচিত সুস্পষ্টভাবে নিজের অবস্থান জানানো। উত্তেজনা প্রশমনকে সমর্থন করা, সমুদ্রপথে নেভিগেশনকে রক্ষা করা এবং এই সংঘাতের কোনো একটা পক্ষের বয়ানের সঙ্গে একাত্ম হওয়া থেকে বিরত থাকা দরকার। এটা নীরব থাকার মুহূর্ত নয়। এটা পরিমিত কণ্ঠস্বর ব্যবহারের মুহূর্ত’’, লিখেছেন তিনি।

বিশ্লেষক অশোক সোয়াইন ‘পিস অ্যান্ড কনফ্লিক্ট’ নিয়ে গবেষণা করেছেন। তিনি এই যুদ্ধবিরতিকে ইরানের বিজয় এবং পাকিস্তানের জন্য সম্মানের বলে বর্ণনা করেছেন।

তার মতে, যুদ্ধবিরতি নিয়ে পাকিস্তানের সফল আলোচনা প্রমাণ করে যে তারা শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আস্থাভাজন নয়, তাদের প্রতি চীনেরও আস্থা রয়েছে। বিশ্বমঞ্চে মোদি পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু উল্টে তিনি ভারতকেই বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছেন।

এই প্রসঙ্গে অতীতেও পাকিস্তানের ভূমিকার বিষয়ে উল্লেখ করেছেন তিনি। তার কথায়, স্নায়ু যুদ্ধের সময় পাকিস্তানই যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে শান্তির পথ প্রশস্ত করেছিল এবং এখন স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী যুগে পাকিস্তানই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের কাজ করছে। জয়শঙ্কর যাই বলুন না কেন, এমন রেকর্ড কারো নেই।

যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, উপসাগরীয় দেশ এবং ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেছেন বিশ্লেষক অভিনব সিং।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ তিনি লিখেছেন, বর্তমানে পাকিস্তানই একমাত্র রাষ্ট্র যার তিন পরাশক্তি—যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া এবং আঞ্চলিক শক্তি উপসাগরীয় দেশসমূহ ও ইরান এই সবার সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।

‘‘সেই তুলনায় মোদির কাছে রয়েছে নেতানিয়াহুর কাছ থেকে পাওয়া পদক ও আলিঙ্গন এবং তাকে অধীন একজন হিসেবে মনে করেন ট্রাম্প’’।

গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স সাংবাদিক অঞ্জনা শঙ্করও পাকিস্তানের ভূমিকার বিষয়ে উল্লেখ করেছেন।

তিনি লিখেছেন, আমি বুঝতে পারছি না কেন কিছু মানুষ মধ্যস্থতা করার জন্য পাকিস্তানের ভূমিকাকে গুরুত্ব দিতে চান না। যুদ্ধ চরম অবস্থায় থাকাকালীনও পাকিস্তান কূটনৈতিক পথ বন্ধ হতে দেয়নি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে ইসলামাবাদ আলোচনার জন্য দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির বিষয়ে মধ্যস্থতা করতে সফল হয়। এই যুদ্ধ যেভাবে বিপজ্জনক মোড় নিচ্ছিল সেদিক থেকে এটা একটা বড় সাফল্য।

অমিত ভেরে নামে একজন লেখেন, ‘‘আপনারা বুঝতে পারছেন যে ভারতের এলপিজি ও পেট্রোল সমস্যার সমাধান আমাদের নেতা (মোদি) করেননি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এর সমাধান করেছেন? এটা অবিশ্বাস্য শোনালেও বিষয়টা চমকে দেওয়ার মতো। শাহবাজ শরিফ যুদ্ধ থামিয়ে দিয়েছেন।’’

এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল ও পরিশোধিত পণ্যের উপর থেকে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় সাত বছরের মধ্যে প্রথমবার ইরানের তেল ভারতে আসছে। চলতি সপ্তাহেই এসে পৌঁছাবে তেলের সেই ট্যাংক।

ক্যাপ্টেন নরেশ সিং নামে একজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘‘মোদিজির ব্যর্থ কূটনীতির ফলস্বরূপ পাকিস্তান বিশ্বগুরু হয়ে উঠেছে।’’

সাংবাদিক অঙ্কুর ভারদ্বাজের মতে, তুচ্ছ চিন্তাভাবনা ও তিক্ততা দেখানোর বদলে আমাদের স্বীকার করা উচিত যে এই যুদ্ধবিরতিতে পাকিস্তান যে ভূমিকা পালন করেছে এবং কূটনীতিতে আমরা কোথায় ভুল করেছি আর কেন ভুল করেছি তা নিয়ে গভীরভাবে আত্মসমীক্ষা করা এবং ভাবা উচিত।

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে মাইন ঝুঁকি এড়াতে নতুন রুট ঘোষণা ইরানের

Published

on

ডিএসই

হরমুজ প্রণালীতে মাইন ঝুঁকি এড়াতে জাহাজ চলাচলের জন্য নতুন রুট প্রকাশ করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) নৌ-মাইন এড়িয়ে চলার জন্য বিকল্প নৌপথ ব্যবহার করতে একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রকাশিত মানচিত্রে একটি বৃত্তাকার এলাকা ‘বিপজ্জনক অঞ্চল’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আইআরজিসি নৌবাহিনী জানিয়েছে, নৌ-মাইন ঝুঁকি এড়াতে জাহাজগুলোকে তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে চলতে হবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আইআরজিসি আরও জানায়, যেসব তেলবাহী জাহাজ আগে প্রণালীর দক্ষিণে ওমান উপকূলের কাছ দিয়ে যাতায়াত করত, সেগুলোকে এখন আরও উত্তরের দিকে, ইরানের উপকূলের কাছাকাছি পথ ব্যবহার করার নির্দেশ দেয়া হচ্ছে।

এদিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ চলাচল (জাহাজের) নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহ। ‘টুডে’ নামের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর আগ পর্যন্ত এই প্রণালী ‘হাজার হাজার বছর ধরে খোলা ছিল’।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘বাস্তবে এই আগ্রাসন থেকে সরে না এলে’ হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলা হবে না। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র ‘আগ্রাসন’ বন্ধ করলে হরমুজ প্রণালী খুলে দেয়া হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

খাতিবজাদেহ বলেন, ইরান ‘আন্তর্জাতিক রীতি ও আন্তর্জাতিক আইন’ মেনে চলবে। তবে তিনি এটিও বলেন যে, হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক জলসীমার অন্তর্ভুক্ত নয় এবং সেখানে নিরাপদ চলাচল ইরান ও ওমানের ‘সদিচ্ছার’ ওপর নির্ভর করে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

যুদ্ধবিরতির পরও লেবাননে দফায় দফায় ইসরায়েলের হামলা

Published

on

ডিএসই

যুদ্ধবিরতির পরও লেবাননে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) দেশটিতে কয়েক ধাপে হামলা চালানো হয়েছে। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের হারুফ শহরে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এরপর একই অঞ্চলের আরেকটি শহর আল-দুওয়াইর (খেরবেত এল-দুওয়াইর নামেও পরিচিত)-এ নতুন করে হামলার খবর পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে দক্ষিণ লেবাননের হাব্বুশ শহরেও হামলা চালানো হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে লেবাননজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ বিমান হামলায় অন্তত ২৫৪ জন নিহত হয়েছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বুধবার (৮ এপ্রিল) কোনো আগাম সতর্কবার্তা ছাড়াই বৈরুতসহ লেবাননের জনবহুল বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকাগুলোতে এই তণ্ডবলীলা চালানো হয়। লেবাননের সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, এই হামলায় ১,১৬৫ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। কাতার ভিত্তিক গণ্যমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাকান নাসেরুদ্দিন এই পরিস্থিতিকে একটি ‘বিপজ্জনক উস্কানি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, ইসরায়েল দেশজুড়ে ১০০টিরও বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে। বৈরুতের আকাশ বর্তমানে কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন এবং শহরজুড়ে আতঙ্কিত মানুষের আর্তনাদ শোনা যাচ্ছে।

লেবাননের রেড ক্রস জানিয়েছে, ১০০টি অ্যাম্বুলেন্স নিরবচ্ছিন্নভাবে হতাহতদের হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবিকতার তোয়াক্কা না করে সুপরিকল্পিতভাবে নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ এই অভিযানকে হিজবুল্লাহর কমান্ড সেন্টার লক্ষ্য করে চালানো ‘সবচেয়ে বড় এবং সমন্বিত আঘাত’ হিসেবে দাবি করেছেন। তার মতে, ‘অপারেশন বিপার্স’-এর পর এটিই হিজবুল্লাহর ওপর সবচেয়ে বড় আঘাত। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা হিজবুল্লাহর অবকাঠামো ধ্বংস করছে, যদিও অধিকাংশ লক্ষ্যবস্তু ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরান ঘিরে সেনা মোতায়েন থাকবে : ট্রাম্প

Published

on

ডিএসই

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের অবসান এবং দুই দেশের মধ্যকার উত্তেজনা স্থায়ীভাবে প্রশমনের জন্য পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আগামী ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে সংলাপ। আসন্ন এই সংলাপ নিয়ে ইরানকে নতুন হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তিনি বলেছেন, সংলাপ চলাকালেও ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বহাল থাকবে এবং ইরান যদি সমঝোতা চুক্তিতে না পৌঁছায়— তাহলে ফের সামরিক অভিযান শুরু করা হবে দেশটিতে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গতকাল বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, “সব মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান, সেনাসদস্য, গোলাবারুদ, অস্ত্রশস্ত্র…সবকিছু বর্তমানে যে জায়গায় আছে, সেখানেই থাকবে; অর্থাৎ ইরানকে ঘিরে থাকবে। যতদিন পর্যন্ত ইরান একটি সত্যিকার সমঝোতা চুক্তিতে না পৌঁছাচ্ছে— ততদিন এই অবস্থা থাকবে।”

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

“আর যদি কোনো কারণে ইরান চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, যে সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ— তাহলে ফের হামলা শুরু হবে এবং সেই হামলা এত ব্যাপক, শক্তিশালী এবং তীব্র হবে যা কেউ কোনোদিন দেখেনি।”

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনের ১৫ পয়েন্ট বিশিষ্ট যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব এবং ইরানের ১০ দফা দাবি সম্বলিত আরেকটি প্রস্তাব নিয়ে আগামী ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে সংলাপে বসতে যাচ্ছে মার্কিনি ও ইরানি প্রতিনিধি দল। এই সংলাপে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স, আর ইরানি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে আছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।

পাকিস্তানে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোঘাদাম জানিয়েছেন, আজ রাতেই ইসলামবাদের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন ইরানি প্রতিনিধি দল।

সূত্র : রয়টার্স

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

লেবাননে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া সতর্কবার্তা দিলেন আরাগচি

Published

on

ডিএসই

লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ আগ্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি অথবা ইসরায়েলের পক্ষে যুদ্ধ— যুক্তরাষ্ট্রকে এই দুই-এর মধ্যে যে কোনো একটিকে বেছে নিতে হবে।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগ এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় আরাগচি বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো পরিষ্কার এবং স্পষ্ট: যুক্তরাষ্ট্রকে এখন অবশ্যই বেছে নিতে হবে যে তারা যুদ্ধবিরতি চায়, না-কি ইসরায়েলের পক্ষে যুদ্ধ করতে চায়। কারণ, এই দু’টো একসঙ্গে চলতে পারবে না।”

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

“লেবাননে যে বিধ্বংসী হামলা, বেপরোয়া হত্যাকাণ্ড চলছে— পুরো পৃথিবী তার সাক্ষী। বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে। তারা তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করবে কিনা— তা বিশ্ব দেখছে।”

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গত ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার ১৫ দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এই যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ীভাবে যুদ্ধাবসানের দিকে পরিচালনা করা নিয়ে আলোচনা ও চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই গতকাল বুধবার লেবাননজুড়ে শতাধিক বিমান হামলা পরিচালনা করে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি বিমান হামলায় লেবাননে নিহত হয়েছেন মোট ২৫৪ জন এবং আহত হয়েছেন ১ হাজার ১০০ জনেরও বেশি। নিহত এবং আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে লেবাননের ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী বাহিনী।

মাত্র ১০ মিনিট চলেছে ইসরায়েলের বিমান অভিযান। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এ অভিযানে অংশ নিয়েছে ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর ৫০টি যুদ্ধবিমান এবং ১০ মিনিটে পুরো লেবাননে ১০০ বারেরও বেশি বোমাবর্ষণ করা হয়েছে।

অধিকাংশ বোমা ফেলা করা হয়েছে লেবাননের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে। ফলে ধ্বংস ও প্রাণহানি মাত্রা অনেক বেশি। এক প্রতিবেদনে এএফপি জানিয়েছে, নিহত-আহত এবং তাদের স্বজনদের ভিড়ে রীতিমতো হিমসিম খাচ্ছে বৈরুত ও লেবাননের অন্যান্য শহর-গ্রামের হাসপাতালগুলো। ধ্বংসস্তূপ আটকা পড়া নিহত এবং আহতদের উদ্ধারে বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকারী বাহিনীর সদস্যদেরও।

ইরানের সমর্থন ও মদতপুষ্ট বিশ্বের বৃহত্তম সশস্ত্র ইসলামি গোষ্ঠী হিজবুল্লা। লেবাননভিত্তিক এই গোষ্ঠীটির প্রতিষ্ঠা গত শতকের আশির দশকে এবং জন্মলগ্ন থেকেই হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের চরম শত্রু।

হিজবুল্লাকে পুরোপুরি দমন করতে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে লেবাননে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। পরে ২০২৫ সালের অক্টোবরে মাসে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে লেবাননের সরকারের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ বিমান হামলার মধ্যে দিয়ে শুরু হয় ইরান- যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ। এই যুদ্ধ বাঁধার দু’দিন পর অর্থাৎ ২ মার্চ থেকে যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। পরে মার্চের মাঝামাঝি বিমান অভিযানের সঙ্গে যুক্ত হয় স্থল অভিযানও।

লেবাইরানের সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দেশটির আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ইসরায়েল যদি লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখে— তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি থেকে বেরিয়ে যেতে পারে ইরান।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার16 hours ago

চীনা বিনিয়োগ বাড়াতে ডিএসই-সিইএবি বৈঠক, যৌথ সহযোগিতায় জোর

চীনা কোম্পানিগুলোর সংগঠন চাইনিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (সিইএবি)-এর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার18 hours ago

বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে জোর দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর গনি

আর্থিক খাতে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব এবং প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর গনি কূটনৈতিক যোগাযোগ শক্তিশালী করা, বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার20 hours ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ২৮ কোটি টাকার

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩৯টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ২৮ কোটি...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার21 hours ago

দরপতনের শীর্ষে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার21 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে বেঙ্গল উইন্ডসোর

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯০টি কোম্পানির মধ্যে ৭০টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার21 hours ago

লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে খান ব্রাদার্স পি.পি. ওভেন ব্যাগ...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার21 hours ago

সূচকের পতনে সপ্তাহ শেষ, কমেছে লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের নেতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষে হয়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনে...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
ডিএসই
অর্থনীতি3 minutes ago

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য বর্তমান সরকারের: অর্থমন্ত্রী

ডিএসই
আন্তর্জাতিক15 minutes ago

মোদি পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করতে চেয়ে ভারতকেই বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছেন

ডিএসই
রাজনীতি21 minutes ago

শেরপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন, যা জানালেন আমির

ডিএসই
পুঁজিবাজার16 hours ago

চীনা বিনিয়োগ বাড়াতে ডিএসই-সিইএবি বৈঠক, যৌথ সহযোগিতায় জোর

ডিএসই
জাতীয়17 hours ago

প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফর চূড়ান্ত হয়নি, গুজব না ছড়ানোর আহবান

ডিএসই
জাতীয়17 hours ago

শেরপুরের নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের অভিযোগ খতিয়ে দেখার নির্দেশ ইসি সচিবের

ডিএসই
কর্পোরেট সংবাদ17 hours ago

বিমানের নতুন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মইন উদ্দিন আহমেদ

ডিএসই
অন্যান্য17 hours ago

‘আসল চুক্তি’ না মানা পর্যন্ত মার্কিন বাহিনী ইরানের আশপাশে থাকবে: ট্রাম্প

ডিএসই
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার17 hours ago

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ

ডিএসই
জাতীয়17 hours ago

সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস

ডিএসই
অর্থনীতি3 minutes ago

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য বর্তমান সরকারের: অর্থমন্ত্রী

ডিএসই
আন্তর্জাতিক15 minutes ago

মোদি পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করতে চেয়ে ভারতকেই বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছেন

ডিএসই
রাজনীতি21 minutes ago

শেরপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন, যা জানালেন আমির

ডিএসই
পুঁজিবাজার16 hours ago

চীনা বিনিয়োগ বাড়াতে ডিএসই-সিইএবি বৈঠক, যৌথ সহযোগিতায় জোর

ডিএসই
জাতীয়17 hours ago

প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফর চূড়ান্ত হয়নি, গুজব না ছড়ানোর আহবান

ডিএসই
জাতীয়17 hours ago

শেরপুরের নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের অভিযোগ খতিয়ে দেখার নির্দেশ ইসি সচিবের

ডিএসই
কর্পোরেট সংবাদ17 hours ago

বিমানের নতুন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মইন উদ্দিন আহমেদ

ডিএসই
অন্যান্য17 hours ago

‘আসল চুক্তি’ না মানা পর্যন্ত মার্কিন বাহিনী ইরানের আশপাশে থাকবে: ট্রাম্প

ডিএসই
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার17 hours ago

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ

ডিএসই
জাতীয়17 hours ago

সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস

ডিএসই
অর্থনীতি3 minutes ago

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য বর্তমান সরকারের: অর্থমন্ত্রী

ডিএসই
আন্তর্জাতিক15 minutes ago

মোদি পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করতে চেয়ে ভারতকেই বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছেন

ডিএসই
রাজনীতি21 minutes ago

শেরপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন, যা জানালেন আমির

ডিএসই
পুঁজিবাজার16 hours ago

চীনা বিনিয়োগ বাড়াতে ডিএসই-সিইএবি বৈঠক, যৌথ সহযোগিতায় জোর

ডিএসই
জাতীয়17 hours ago

প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফর চূড়ান্ত হয়নি, গুজব না ছড়ানোর আহবান

ডিএসই
জাতীয়17 hours ago

শেরপুরের নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের অভিযোগ খতিয়ে দেখার নির্দেশ ইসি সচিবের

ডিএসই
কর্পোরেট সংবাদ17 hours ago

বিমানের নতুন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মইন উদ্দিন আহমেদ

ডিএসই
অন্যান্য17 hours ago

‘আসল চুক্তি’ না মানা পর্যন্ত মার্কিন বাহিনী ইরানের আশপাশে থাকবে: ট্রাম্প

ডিএসই
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার17 hours ago

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ

ডিএসই
জাতীয়17 hours ago

সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস