পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে এপিএসসিএল বন্ড
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ার দর পতনের শীর্ষে উঠে এসেছে এপিএসসিএল বন্ড।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে ফান্ডটির দর কমেছে ১৮ দশমিক ৫১ শতাংশ। ফান্ডটির সমাপনী মূল্য ছিল ১,৯৩৫.৫০ টাকা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার দর কমেছে ১২ দশমিক ২৮ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৪৫.৭০ টাকা।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের শেয়ার দর কমেছে ১০ দশমিক ৭১ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ২.৫০ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে-মাইডাস ফাইন্যান্সের ৯.৩৮ শতাংশ, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ৯.০৯ শতাংশ, ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ৮.৮৯ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৮.৫৩ শতাংশ, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ৭.৮৯ শতাংশ, ফিনিক্স ফাইন্যান্সের ৭.৫০ শতাংশ এবং এসজেএলবি পারপেচ্যুয়াল বন্ডের ৭.৩৫ শতাংশ দর কমেছে।
পুঁজিবাজার
ডিএসইতে পিই রেশিও বেড়েছে দশমিক ২০ শতাংশ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) দশমিক ২০ শতাংশ বেড়েছে।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে ৯.৯২ পয়েন্টে আর সপ্তাহ শেষে পিই রেশিও অবস্থান করছে ৯.৯৪ পয়েন্টে। অর্থ্যাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও ০.০২ পয়েন্ট বা ০.২০ শতাংশ বেড়েছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে ন্যাশনাল ব্যাংক
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ার দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি ।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, গত সপ্তাহে কোম্পানির দর বেড়েছে ২৯ দশমিক ২৭ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৫.৩০ টাকা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা বিআইএফসির শেয়ার দর বেড়েছে ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৩.৬০ টাকা।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলের শেয়ার দর বেড়েছে ২৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ১৫.৩০ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে– ফারইস্ট ফাইন্যান্সের ২৭.২৭ শতাংশ, প্রিমিয়ার লিজিংয়ের ২৭.২৭ শতাংশ, প্রাইম ফাইন্যান্সের ২২.৭৩ শতাংশ, ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের ২২.০০ শতাংশ, ফ্যামিলি টেক্সর ২০.০০ শতাংশ, তুং-হাই টেক্সটাইলের ২০.০০ শতাংশ ও সুহৃয়ের ১৯.৬১ শতাংশ শেয়ার দর বেড়েছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে স্কয়ার ফার্মা
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে স্কয়ার ফার্মা পিএলসি।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৪১ কোটি ৬৮ লাখ টাকার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩.৯৭ শতাংশ।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা সিটি ব্যাংকের ৩৭ কোটি ২৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৩.৫৫ শতাংশ।
তৃতীয় স্থানে থাকা ঢাকা ব্যাংকের ২৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ২.৮০ শতাংশ।
লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- ব্র্যাক ব্যাংকের ২৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা , এশিয়াটিক ল্যাবেরিটরিজের ১৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা , রবি আজিয়াটার ১৮ কোটি ৮ লাখ টাকা , মুন্নু ফেব্রিক্সের ১৭ কোটি ৯২ লাখ টাকা , ওরিয়ন ইনফিউশনের ১৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা , বিএসসির ১৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং কে অ্যান্ড কিউ’র ১৫ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
পুঁজিবাজার
মুনাফা বেড়েছে রবি আজিয়াটার
তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি রবি আজিয়াটা পিএলসির সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে মুনাফা বেড়েছে ৩৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
আলোচ্য হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছে টেলিযোগাযোগ খাতের কোম্পানিটি।
তথ্যানুসারে, সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে রবি আজিয়াটার শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৩৪ পয়সায়।
এদিকে ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নেয়া জন্য আগামী ২২ এপ্রিল বার্ষিক সাধারণ সভা আহ্বান করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ মার্চ।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রবি আজিয়াটার ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৮ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রবি আজিয়াটার ইপিএস ৬১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৭৬ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রবি আজিয়াটার ইপিএস হয়েছে ৩৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৮২ পয়সায়।
রবি আজিয়াটার সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি ওয়ান’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।
২০২০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রবি আজিয়াটার অনুমোদিত মূলধন ৬ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৫ হাজার ২৩৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৬২২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৫২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৩২ হাজার ৮৯৫। এর ৯০ শতাংশই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২ দশমিক ৫০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
পুঁজিবাজার
ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো ১ হাজার ৬০ কোটি টাকা
দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে । এতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন বেড়েছে ১ হাজার ৬০ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)
সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ বা ১ হাজার ৬০ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ১০ হাজার ৩৭ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধন ছিল ৭ লাখ ৮ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা।
চলতি সপ্তাহে ডিএসইতে একটি বাদে বেড়েছে সব কয়টি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৬৫.৯৯ পয়েন্ট বা ১.২২ শতাংশ। ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ৩৮.৯৩ পয়েন্ট বা ১.৮৯ শতাংশ। তবে ডিএসইএস সূচক কমেছে ১.৮৭ পয়েন্ট বা ০.১৭ শতাংশ।
ডিএসইতে বড় ব্যবধানে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ২৫০ কোটি ২১ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৯১৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ৩ হাজার ৩৩৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
আর প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৪১১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বা ৬৪.৫১ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫০ কোটি ৪ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৬৩৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২০৩টি কোম্পানির, কমেছে ১৫৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)
এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ২.০৯ শতাংশ ও ১.৬৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৩৪৯.০৯ পয়েন্টে ও ৯৪২৯.৫৩ পয়েন্টে।
এছাড়া সিএসই-৫০ সূচক বেড়েছে ১.৪২ শতাংশ। সূচকটি অবস্থান করছে ১১৮২.৭২ পয়েন্টে। আর সিএসই-৩০ সূচক ২.৪৯ শতাংশ ও সিএসআই সূচক ০.৭৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৩৯০৫.৭১ পয়েন্টে ও ৯২৬.৩৭ পয়েন্টে।
চলতি সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৯৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ২৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। সপ্তাহ ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ৬৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩২২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩৫টির, কমেছে ৭০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টির কোম্পানির শেয়ার দর।
এমএন



