কর্পোরেট সংবাদ
বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়
কঠোর অভিবাসন নীতি ও বাড়তি ভিসা প্রত্যাখ্যানের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশ থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থী ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একাধিক ব্রিটিশ গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, নতুন ভিসা নিয়মে উচ্চ প্রত্যাখ্যানের হার থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্পনসর লাইসেন্স ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এর ফলে প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতা এড়াতে কিছু প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে শিক্ষার্থী নিয়োগ সাময়িকভাবে স্থগিত বা সীমিত করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নয়, বরং হোম অফিসের কঠোর কমপ্লায়েন্স ও নজরদারির কারণে এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হচ্ছে তারা। তবে শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষা খাতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব জোগান দিয়ে থাকেন। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই এই আয়ের ওপর নির্ভরশীল।
সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, ভিসানীতির এই কঠোরতা দীর্ঘ মেয়াদে যুক্তরাজ্যের বৈশ্বিক শিক্ষাগন্তব্য হিসেবে সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে।
এ বিষয়ে ব্রিটিশ সরকার বলছে, শিক্ষার্থী ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার ঠেকাতেই এই সংস্কার। সরকারের দাবি, প্রকৃত শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হচ্ছে।
কর্পোরেট সংবাদ
অর্থনীতির সবুজ রূপান্তর এগিয়ে নিচ্ছে বিকাশ
জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ঠ বা এসডিজি-তে পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম গ্রিনহাউজ গ্যাস বিশেষত কার্বন ডাই অক্সাইডের নিঃসরণ কমানো। ‘নেট জিরো’ বা ‘শুন্য কার্বন’ একটি বৈশ্বিক এজেন্ডা, যা বাংলাদেশও বাস্তবায়ন করতে চায়। কারণ বেশি মাত্রায় কার্বন নির্গমন হলে তা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বাড়িয়ে নানা ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি করে। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের বেশি ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মাঝে অন্যতম।
এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক চর্চা অনেক আগেই শুরু হয়েছে, আর এই সবুজ রূপান্তরের অন্যতম অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা বা এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলো। বাংলাদেশে বিকাশ–এর মতো এমএফএস প্রতিষ্ঠান ক্যাশবিহীন ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তারা নিত্যনতুন উদ্ভাবনী পণ্য ও সেবা আনছে, যা পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক রূপান্তরে সহায়তা করছে।
প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই শীর্ষ এমএফএস প্রতিষ্ঠান বিকাশ দেশের ব্যাংক লেনেদেন সম্পৃক্ত না থাকা এবং পর্যাপ্ত ব্যাংকিং সুবিধা থেকে বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে মনোনিবেশ করেছে, যাতে তারা প্রয়োজনীয় আর্থিক সেবা খুব সহজে পেতে পারেন। এমনকি খুব সাধারণ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ঘরে বসেই আর্থিক সেবা নেওয়ার সুবিধা এনে বিকাশ কার্যকরভাবে ক্যাশ টাকা ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে এনেছে, যা দৈনন্দিন লেনদেনে কার্বন নিঃসরণ কমাতে সহায়ক হয়েছে।
গত কয়েক বছরে বিকাশ–এর মতো প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের মধ্যে ‘ক্যাশলেস’ জীবনের দিকে একটি আচরণগত পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে। তারা নিরাপদ, সুবিধাজনক এবং ব্যবহারবান্ধব পণ্য ও সেবা এনেছে। ঘরে বসে সহজেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে আর্থিক সেবা নেওয়ার সুযোগের কারণে মানুষের যাতায়াত অনেকাংশে কমানো সম্ভব হয়েছে। কেননা মানুষের ‘মোবিলিটি’ চলাচল জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বাড়ায়। এমএফএস-এ লেনদেন কাগজের ব্যবহার কমাতেও সহায়ক হয়েছে। সার্বিকভাবে তাদের সেবার পদ্ধতি কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে এনেছে।
ডিজিটাল লেনদেনে এমএফএস খাতের অংশগ্রহণের পরিসংখ্যান থেকে এর পরিবেশবান্ধব প্রভাবের একটি ধারণা পাওয়া যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২৫-এর আগষ্ট মাসে ‘ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি’ পর্যায়ে এমএফএসের মাধ্যমে ১০ কোটিরও বেশি লেনদেন হয়েছে। লেনদেন হওয়া অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। একই মাসে প্রায় ৩ কোটি ৫৮ লাখ ব্যবসায়িক লেনদেন (মার্চেন্ট পেমেন্ট) হয়েছে, যার সঙ্গে জড়িত টাকার পরিমাণ ৬ হাজার ৪২৭ কোটি টাকা। একই মাসে এমএফএস-এর মাধ্যমে ৬০ লাখ মানুষের বেতন দেওয়া হয়েছে, যেখানে পরিশোধ করা হয়েছে ৪ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা। ওই মাসে ২ কোটি ৪০ লাখ সংখ্যক বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানির মতো ইউটিলিটি বিল পরিশোধ করা হয় এমএফএসের মাধ্যমে, যাতে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের জন্য এমএফএস মাধ্যমে ১২ লাখের বেশি লেনদেন হয়েছে একই সময়ে। আর এখানে টাকার পরিমাণ ১১০০ কোটি টাকা। এসব লেনদেনের উল্লেখযোগ্য অংশ হয়েছে বিকাশ–এর মাধ্যমে।
বিশ্বব্যাপী ফিনটেক প্রতিষ্ঠানগুলো পরিবেশের জন্য ইতিবাচক অবদান রাখছে। ইউরোপিয়ান ডিজিটাল পেমেন্ট ইন্ডাষ্ট্রি অ্যালায়েন্সের পক্ষে ‘অক্সফোর্ড ইকোনমিক্স’ পরিবেশের ওপর ডিজিটাল পেমেন্টের প্রভাব নিয়ে একটি গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করে গত জুন মাসে। এতে দেখা যায়, ইউরোপে ২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ক্যাশবিহীন পেমেন্টের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে এবং এই অগ্রগতি বিভিন্ন দেশে কার্বন নিঃসরণ কমাতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, যে দেশ যত বেশি ডিজিটাল অবকাঠামোতে এগিয়ে যাবে, সেই দেশ পরিবেশের জন্য তত বেশি উপকার বয়ে আনতে পারবে।
যেভাবে ‘কার্বন ফুটপ্রিন্ট’ কমাতে ভূমিকা রাখছে বিকাশ
‘কার্বন ফুটপ্রিন্ট’ বলতে কোনো ব্যক্তি, ব্যবসা অথবা পণ্যের মাধ্যমে যে পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ হয়, তার পরিমাণকে বুঝায়। বিকাশ–এর মতো শীর্ষস্থানীয় ফিনটেক প্রতিষ্ঠান তিন ক্ষেত্রেই ডিজিটাল সমাধান দিচ্ছে। ফলে এর ব্যবসার ধরণই ‘কার্বন ফুটপ্রিন্ট’ কমাতে ভূমিকা রাখছে। গ্রাহকরাও সবুজ প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছেন। দিন যত যাচ্ছে, ততই সবুজ এবং টেকসই পরিবর্তনের দিকে মনোযোগ বাড়াচ্ছে বিকাশ।
সবুজ রূপান্তর বলতে এমন নীতি ও কৌশল প্রয়োগকে বোঝানো হয়, যা পরিবেশ, সমাজ এবং অর্থনীতিকে টেকসই অগ্রগতির দিকে নিয়ে যায়। এর ফলে জ্বালানি ব্যবহারে দক্ষতা বাড়ে, কার্বন নির্গমন কমে, সম্পদের সংরক্ষণ হয় এবং একই সাথে সার্বিকভাবে পরিবেশের অবক্ষয় কমে ও সমাজে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। বিকাশ বাণিজ্যিক ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইউটিলিটি সেবা প্রদানকারী সংস্থা, টেলিকম অপারেটরসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে ডিজিটাল লেনদেনের ইকোসিস্টেম তৈরি করছে। এই ইকোসিস্টেম দেশের আর্থিক খাতের সবুজ রূপান্তর ত্বরান্বিত করছে। কারণ বিকাশ–এর বিভিন্ন সেবা গ্রহণের জন্য ভ্রমণ এবং কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়না।
বিকাশ নিজস্ব পণ্য ও সেবা ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সেবাদাতার আর্থিক পণ্য ও সেবা এক প্ল্যাটফর্মে সমন্বিত করে গ্রাহকদের ডিজিটাল জীবনধারার সঙ্গে পরিচিত করেছে। বৈশ্বিক ‘নেট জিরো’ এজেন্ডার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিকাশের পুরো কার্যক্রমে ‘কার্বন ফুটপ্রিন্ট’ কমাতে সহায়ক। বিকাশ অ্যাপে ডিজিটাল ঋণ, পে লেটার এবং সাপ্তাহিক ও মাসিক ডিপিএস–এর মতো আর্থিক পণ্য চালু করেছে, যে সেবা নিতে কোনো কাগজপত্র প্রয়োজন হয় না। ক্যাশ টাকা পরিবহণের কোনো ঝামেলা নেই। এ ধরণের লেনদেন দ্রুত, সাশ্রয়ী এবং স্বচ্ছ, যা গ্রাহকদের পরিবেশ সংরক্ষণে অংশ নিতে সক্ষম করে। প্রতি লেনদেনের জন্য গ্রাহকরা কাগজের রসিদের পরিবর্তে ডিজিটাল রসিদ পেয়ে যাচ্ছেন।
ডিজিটাল পেমেন্ট ধারণাকে টেকসই করার জন্য বিকাশ দেশজুড়ে প্রায় ১০ লাখ ব্যবসায়িক স্থানে কিউআর কোড স্ক্যান ও এনএফসি ট্যাপ-এর মাধ্যমে কাগজবিহীন এবং যোগাযোগহীন (কন্ট্যাক্টলেস) পেমেন্ট গ্রহণের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে, যা ডিজিটাল পেমেন্ট খাতের সবুজ রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করছে। একই সাথে বিকাশ-এর আছে দেশজুড়ে ৩ লাখ ৫০ হাজার এজেন্টের বিশাল নেটওয়ার্ক। ক্যাশ টাকার দরকার হলে বা বিকাশ অ্যাকাউন্টে টাকা নিতে হলে খুব সহজেই হাঁটা দুরত্বে অবস্থিত এজেন্ট পয়েন্ট থেকে গ্রাহকরা ‘ক্যাশ ইন’ বা ‘ক্যাশ আউট’ করতে পারছেন।
একই সাথে, বাংলাদেশে ইস্যু করা ভিসা, অ্যামেক্স বা মাস্টারকার্ড থেকে বিকাশ-এর ৮ কোটি ২০ লাখ গ্রাহক কোনো চার্জ ছাড়াই তাদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে যেকোনো সময় দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে টাকা আনতে পারছেন ‘অ্যাড মানি’ সেবার মাধ্যমে। কার্ড থেকে বিকাশে তাৎক্ষণিক টাকা এনে সেন্ড মানি, মোবাইল রিচার্জ, ইউটিলিটি বিল, কেনাকাটার পেমেন্ট, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনুদান দেওয়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি দেওয়া, বাস-ট্রেন-বিমান-এর টিকেট কাটা, বিভিন্ন ধরণের সরকারি ফি পরিশোধ, সঞ্চয়, বীমাসহ বহু সেবা খুব সহজেই নেয়া যাচ্ছে।
সবশেষে বলা যায়, বিকাশ–এর মতো ফিনটেক প্রতিষ্ঠান দৈনন্দিন কার্যক্রমে সবুজ ও টেকসই পদ্ধতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার বৈশ্বিক লক্ষ্যে সহযোগী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। উদ্ভাবনী আর্থিক সমাধান প্রদান, টেকসই ব্যবহার উৎসাহিত করা, এবং উন্নত দক্ষতার মাধ্যমে এধরণের প্রতিষ্ঠান একটি টেকসই এবং পরিবেশ-বান্ধব ভবিষ্যত নির্মাণে আরও অবদান রাখতে পারে।
কর্পোরেট সংবাদ
২৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংকের ‘তারা উদ্যোক্তা মেলা ২০২৬’
নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত দেশীয় পণ্যের প্রসার ও বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে চতুর্থবারের মতো শুরু হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘তারা উদ্যোক্তা মেলা ২০২৬’। ব্র্যাক ব্যাংকের আয়োজনে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর গুলশানে ‘আলোকি কনভেনশন সেন্টারে’ এই মেলার পর্দা উঠবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এই প্রদর্শনী, যা চলবে ১ মার্চ পর্যন্ত।
মেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৮৮ জন নারী উদ্যোক্তা তাঁদের তৈরি দেশীয় পণ্য নিয়ে এই এ অংশ নেবে। এই মেলায় অংশগ্রহণকারী বেশিরভাগ নারী উদ্যোক্তা উৎপাদন খাতে জড়িত, যারা দেশের ঐতিহ্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। প্রতিবারের মতো এবছরও নারী উদ্যোক্তাদের এই মেলায় অংশ নিতে নিজেদের কোনো খরচ হচ্ছে না, মেলার সব খরচ বহন করবে ব্র্যাক ব্যাংক।
মেলায় সম্ভাবনাময় নারী উদ্যোক্তারা বুটিক, হাতে সেলাই করা পোশাক, হাতে তৈরি কারুশিল্প, মাটি ও পাটের তৈরি পণ্য, প্রক্রিয়াজাত চামড়া-পণ্য, জামদানি ও মসলিনের পোশাক, খাদ্যপণ্য, অর্গানিক স্কিনকেয়ার আইটেম এবং বাঁশ ও বেতের তৈরি পণ্যসহ স্থানীয়ভাবে তৈরি বিভিন্ন ধরনের পণ্যের সমাহার নিয়ে হাজির হবেন। এছাড়াও মেলায় আগতদের জন্য থাকবে বায়োস্কোপ, ইফতার ও ডিনার ফুড কোর্ট, হাওয়াই মিঠাইসহ অন্যান্য স্টল।
নারী উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে নিয়ে এসে ক্যাশলেস পেমেন্ট সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে মেলায় ব্র্যাক ব্যাংক কিউআর এবং কার্ড পেমেন্ট-সক্ষম প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে। মেলায় কিউআর কোড ব্যবহার করে পেমেন্ট করলে ক্রেতারা কেনাকাটায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করতে পারবেন।
এই প্রদর্শনীটি নারী উদ্যোক্তাদের পণ্যের প্রচার এবং দেশের ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ন রেখে পণ্য উদ্ভাবনের মাধ্যমে নিজেদের সৃজনশীলতা প্রকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। আয়োজনটি নারী উদ্যোক্তাদের পণ্যের বিক্রি বাড়াতে এবং চলমান ঈদ কেনাকাটার আবহে আরও বেশি গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে সহায়তা করবে।
আয়োজনটি সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, উন্নয়নের সম-অংশীদার হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক নারী উদ্যোক্তাদের তাঁদের পূর্ণ সম্ভাবনার বিকাশে সহায়তা করে। এই তারা উদ্যোক্তা মেলার মাধ্যমে উদ্যোক্তারা দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে মিশে থাকা দেশীয় পণ্যের প্রচার ও প্রসারের সুযোগ পাচ্ছেন। নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন ও তাঁদের পণ্যের প্রসারে প্রতিবছরই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এরকম আরও অনেক মেলার আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর পরিচালনা পরিষদের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় পরিচালনা পরিষদের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন, এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক মোঃ আবদুল জলিল, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ ওমর ফারুক খাঁন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মোঃ হাবিবুর রহমান।
সূত্রে মতে, সভায় ব্যাংকের সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমের বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় ব্যাংকের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গ্রাহক সেবা উন্নত করার লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক ও নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
কেনাকাটায় হেলিকপ্টার ভ্রমণের সুযোগ নিয়ে এলো নগদ
দেশের অন্যতম শীর্ষ মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান নগদ পবিত্র রমজান উপলক্ষে গ্রাহকদের জন্য নিয়ে এসেছে বিশেষ ‘হেলিকপ্টার অফার’। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় কেনাকাটা করে পেমেন্ট করলেই গ্রাহকরা পাচ্ছেন এক স্মরণীয় হেলিকপ্টার ভ্রমণের সুযোগ এবং আকর্ষণীয় ক্যাশব্যাক রিওয়ার্ড।
এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে গ্রাহকদের জুতা, পোশাক, অনলাইন শপিং, ইলেকট্রনিক্স, সুপারস্টোর এবং রেস্টুরেন্টসহ নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির মার্চেন্টদের নগদ অ্যাপ বা ইউএসএসডি (*১৬৭#) ডায়াল করে পেমেন্ট করতে হবে। মার্চেন্ট ক্যাটাগরি অনুযায়ী সর্বোচ্চ পেমেন্টের ভিত্তিতে পয়েন্ট তালিকার মাধ্যমে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হবে। পুরো ক্যাম্পেইন চলাকালীন একজন গ্রাহক একবারই এই অফারের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন।
মূল পুরস্কারের পাশাপাশি নগদ গ্রাহকরা বিভিন্ন মার্চেন্ট পেমেন্টে ২,০০০ টাকারও বেশি ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন। শীর্ষস্থানীয় জুতার ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে এপেক্স, বাটা, বে এম্পোরিয়াম ও ওরিয়ন। পোশাকের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে ইনফিনিটি মেগা মল, লুবনান, রিচম্যান, রাইজ, জেন্টল পার্ক, টুয়েলভ ক্লোথিং, আর্টিসান আউটফিটার্স, সারা লাইফস্টাইল, র নেশন, মেনস ওয়ার্ল্ড, বি-টু, স্বদেশ পল্লী, তাহুর ও অঞ্জন’স অন্যতম। অনলাইন মার্চেন্টগুলো মধ্যে রয়েছে দারাজ, ফুডি, অথবা ডটকম ও অন্যান্য। ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইন পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত চলবে।
এ প্রসঙ্গে নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার মো. ইমরান হায়দার বলেন, হেলিকাপ্টার ভ্রমন অনেকের জন্যই খুব সাধারণ কোনো ঘটনা নয়। হরহামেশা উড়োজাহাজে ভ্রমণ করলেও হেলিকাপ্টার নানান কারণেই অধরা থেকেই যায়। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের জন্যে এমন একটি আনন্দ উপলক্ষ্য তৈরী করতে চেষ্টা করেছি যা তার জীবনের একটা বিশেষ ঘটনা হয়ে থাকবে। আর হেলিকাপ্টার রাইড অফারের পাশাপাশি দুই হাজার টাকারও বেশি ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ তো সকলের জন্যে থাকছেই।
উল্লেখ্য, এই অফারের জন্য গ্রাহকের নগদ অ্যাকাউন্টটি অবশ্যই সচল এবং পূর্ণাঙ্গ প্রোফাইলভুক্ত হতে হবে। বিজয়ীদের নগদের অফিসিয়াল কাস্টমার সার্ভিস নম্বর (১৬১৬৭ বা ০৯৬০৯৬১৬১৬৭) থেকে কল করে জানানো হবে। প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের পিন বা ওটিপি কারো সাথে শেয়ার না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
‘মাতৃভূমি হার্ট কেয়ার’ ও ‘মাতৃভূমি ট্যুরসের’ এমডি হলেন জহিরুল
‘মাতৃভূমি হার্ট কেয়ার’ ও ‘মাতৃভূমি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস লিমিটেডের’ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, বর্তমানে যিনি মাতৃভূমি গ্রুপের মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস বিভাগের পরিচালক।
মাতৃভূমি গ্রুপ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন, রিয়েল এস্টেট, আতিথেয়তা, উৎপাদন ও বিনিয়োগ খাতে তারা ‘শক্ত অবস্থান’ তৈরি করে ফেলেছে। বর্তমানে তাদের ছয়টি কোম্পানি রয়েছে।
সেগুলো হল- মাতৃভূমি হার্ট কেয়ার, মাতৃভূমি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস লিমিটেড, মাতৃভূমি হোল্ডিংস লিমিটেড, বাংলাদেশ লাক্সারি হ্যান্ডিক্রাফটস লিমিটেড, মাতৃভূমি সিটি এবং মাতৃভূমি গ্র্যান্ড রিসোর্ট অ্যান্ড হোটেল।



