Connect with us

টেলিকম ও প্রযুক্তি

এনইআইআরের মাধ্যমে অবৈধ-নকল মুঠোফোন নিয়ন্ত্রণ চান উৎপাদনকারীরা

Published

on

বিএসইসি

দেশে স্মার্টফোনের অবৈধ বাজার বা ‘গ্রে মার্কেট’-এর কারণে সরকার প্রতি বছর আনুমানিক ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে বলে দাবি করেছেন মোবাইল ফোন উৎপাদনকারীরা। এই বিশাল ক্ষতি রোধে এবং বিকাশমান দেশীয় মোবাইল শিল্প রক্ষায় অবিলম্বে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বা মোবাইল ফোন নিবন্ধন ব্যবস্থা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘এনইআইআর-এর মাধ্যমে নিরাপদ বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমআইওবি) এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ও এমআইওবির নির্বাহী সদস্য জিয়াউদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রবেশ করা স্মার্টফোনের প্রায় ২০ শতাংশই অবৈধ পথে বা গ্রে মার্কেটের মাধ্যমে আসছে। এর ফলে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ব্যবসায়িক লেনদেন আনুষ্ঠানিক খাতের বাইরে থেকে যাচ্ছে, যা সরকারকে বিপুল পরিমাণ কর ও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি আরও বলেন, ৩০ হাজার টাকার বেশি দামের ফোনের অফিশিয়াল বিক্রি কার্যত থমকে গেছে। দেশে উৎপাদন সক্ষমতা ও দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও ৪৩ শতাংশ কর ফাঁকি দেওয়া গ্রে মার্কেটের পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা সম্ভব হচ্ছে না। এনইআইআর বাস্তবায়ন হলে স্থানীয় উৎপাদন বাড়বে এবং ফোনের দামও সাধারণের নাগালের মধ্যে চলে আসবে।

অবৈধ ফোন বন্ধ হলে হাজার হাজার ব্যবসায়ী পথে বসবেন—সম্প্রতি মোবাইল ব্যবসায়ীদের একাংশের এমন দাবির জবাবে জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের গবেষণায় (ইনসাইট মেট্রিক্স লিমিটেড পরিচালিত) দেখা গেছে, বাংলাদেশে স্মার্টফোন বিক্রির খুচরা দোকান রয়েছে প্রায় ১৩ হাজার। এর মধ্যে ৯০ শতাংশ দোকানই বৈধ ও অফিশিয়াল পণ্য বিক্রি করে। মাত্র ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ দোকান একচেটিয়াভাবে ব্যবহৃত বা অননুমোদিত ফোন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাই ২০ হাজার দোকান বন্ধ বা ২০ লাখ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দাবিটি বানোয়াট এবং জনসমর্থন আদায়ের কৌশল মাত্র।’

সরকারের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যকে সমর্থন জানিয়েও আসন্ন বাজেটে স্মার্টফোনের ওপর বিদ্যমান ৪৩ শতাংশ কর পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান জিয়াউদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘স্মার্টফোনকে কেবল একবার কর আদায়ের বিলাসদ্রব্য হিসেবে দেখা ঠিক নয়। এটি এমএফএস, ডেটা ব্যবহার এবং ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বারবার রাজস্ব আয়ের একটি মাধ্যম। স্মার্টফোন সহজলভ্য হলে দেশের ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে এমআইওবির সভাপতি জাকারিয়া শহীদ বলেন, ‘অনেকের ভুল ধারণা রয়েছে যে আমরা কেবল বিদেশ থেকে যন্ত্রাংশ এনে জোড়া দিই বা “প্যাচ আপ” করি। আমাদের সদস্যরা এখন সাধারণ সংযোজন থেকে সরে এসে এসএমটি (সারফেস মাউন্ট টেকনোলজি) এবং পিসিবিএ (প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড অ্যাসেম্বলি)-এর মতো উন্নত উৎপাদন ধাপে চলে গেছেন।’

তিনি জানান, বর্তমানে স্থানীয় উৎপাদনে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ মূল্য সংযোজন (ভ্যালু অ্যাডিশন) হচ্ছে, যা প্রতিবেশী দেশগুলোর সমপর্যায়ের। এনইআইআর-এর মাধ্যমে একটি সুশৃঙ্খল বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে উচ্চমূল্যের ফোনগুলোও দেশে উৎপাদনের মাধ্যমে কম দামে গ্রাহকের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন:-

টেলিকম ও প্রযুক্তি

এনইআইআর পরীক্ষার জন্য সাময়িক বন্ধ হতে পারে মোবাইল সংযোগ

Published

on

বিএসইসি

মার্চ থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যকরের লক্ষ্যে আজ চলবে টেস্ট রান। এ কারণে আজ সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কিছু মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে বলে জানিয়েছে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটব।

সংগঠনটি বলছে, ‘আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিটিআরসি কর্তৃক এনইআইআর সিস্টেমের পরীক্ষামূলক টেস্ট রানের কারণে ডিরেজিস্ট্রেশন ব্যতীত সিম ব্যবহার করলে কিছু গ্রাহকের মোবাইল সংযোগ সাময়িকভাবে হ্যান্ডসেট থেকে নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হতে পারে। তবে পরীক্ষা শেষে বিচ্ছিন্ন হওয়া সংযোগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবার চালু হয়ে যাবে। এই অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গত ১ জানুয়ারি ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্ট্রার বা এনইআইআর পদ্ধতি চালু করেছে সরকার। তবে ইতোমধ্যে অবৈধ পথে আমদানি হওয়া মোবাইল ফোনগুলো ১৫ মার্চ পর্যন্ত বিক্রির সুযোগ পেয়েছেন ব্যবসায়ীরা। অর্থাৎ ১৫ মার্চ থেকে পুরোদমে কার্যকর হচ্ছে এই পদ্ধতি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এই ব্যবস্থা কার্যকরের ফলে দেশের নেটওয়ার্কে অনুমোদন ছাড়া অর্থাৎ ‘আনঅফিসিয়াল’ বলে বিক্রি হয়ে আসা ফোনগুলো আর যুক্ত হতে পারবে না।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

টেলিকম ও প্রযুক্তি

ফেসবুক ও জিমেইলের ১৪৯ মিলিয়নের বেশি তথ্য ফাঁস

Published

on

বিএসইসি

বিশ্বজুড়ে অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি ফেসবুক ও জিমেইলসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় অনলাইন সেবার ১৪৯ মিলিয়নের বেশি লগইন তথ্য একটি উন্মুক্ত অনলাইন ডাটাবেজে পাওয়া গেছে। এতে কোটি কোটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

তবে এটি গুগল বা মেটার সার্ভারে সরাসরি কোনো বড় হ্যাক নয়। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যবহারকারীদের ডিভাইসে ঢুকে পড়া ‘ইনফোস্টিলার’ ধরনের ম্যালওয়্যারের মাধ্যমে দীর্ঘ সময় ধরে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

যেভাবে ফাঁস হয় তথ্য

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সাইবার নিরাপত্তা গবেষক জেরেমায়া ফাওলার একটি প্রায় ৯৬ গিগাবাইট আকারের ডাটাবেজ শনাক্ত করেন, যা কোনো পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন ছাড়াই উন্মুক্ত অবস্থায় ছিল। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই যে কেউ এই ডাটাবেজে প্রবেশ করতে পারত।

ডাটাবেজটিতে ইমেইল ঠিকানা, ইউজারনেম, সরাসরি পাসওয়ার্ড এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের লগইন লিংক সংরক্ষিত ছিল—যা সাইবার অপরাধীদের জন্য কার্যত প্রস্তুত তালিকার মতো।

কোন কোন সেবার তথ্য বেশি

গবেষণায় দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি তথ্য ছিল ইমেইল অ্যাকাউন্টের। আনুমানিক হিসাবে, জিমেইল: ৪৮ মিলিয়ন, ফেসবুক: ১৭ মিলিয়ন, ইনস্টাগ্রাম: ৬.৫ মিলিয়ন, ইয়াহু মেইল: ৪ মিলিয়ন, নেটফ্লিক্স: ৩.৪ মিলিয়ন, আউটলুক: ১.৫ মিলিয়ন, আইক্লাউড মেইল: ৯ লাখ ও টিকটক: ৭.৮ লাখ।

কেন ইমেইল অ্যাকাউন্ট সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি ইমেইল অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ পেলে হ্যাকাররা সহজেই অন্যান্য অ্যাকাউন্টও দখল করতে পারে। কারণ ব্যাংকিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা স্বাস্থ্যসেবার মতো অধিকাংশ সেবার পাসওয়ার্ড রিসেট লিংক ইমেইলে পাঠানো হয়। ফলে ব্যক্তিগত নথি, বিল, ভ্রমণের তথ্যসহ সংবেদনশীল ডেটা ঝুঁকিতে পড়ে।

কীভাবে ছড়ায় ম্যালওয়্যার

এই তথ্য একদিনে চুরি হয়নি। ভুয়া সফটওয়্যার আপডেট, সন্দেহজনক ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট, ক্ষতিকর ব্রাউজার এক্সটেনশন কিংবা বিভ্রান্তিকর অনলাইন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ম্যালওয়্যার ডিভাইসে ঢুকে পড়ে। ব্যবহারকারী যখন পাসওয়ার্ড টাইপ করেন বা ব্রাউজারে সেভ করেন, তখনই তা চুরি হয়ে যায়।

গবেষক ডাটাবেজটির বিষয়ে হোস্টিং কোম্পানিকে জানালেও প্রায় এক মাস এটি উন্মুক্ত অবস্থায় ছিল।

বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় প্রযুক্তি কোম্পানির সার্ভার তুলনামূলকভাবে সুরক্ষিত হলেও ব্যবহারকারীর নিজস্ব ডিভাইস দুর্বল হলে ঝুঁকি থেকেই যায়। তাই ব্যক্তিগত সাইবার সচেতনতা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

টেলিকম ও প্রযুক্তি

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বড় সুখবর দিলেন ইলন মাস্ক

Published

on

বিএসইসি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট বানানো ক্রিয়েটরদের বড় সুখবর শুনিয়েছেন টেসলা ও স্পেসএক্স এর মালিক ইলন মাস্ক। তার নিয়ন্ত্রণে থাকা এক্স (সাবেক টুইটার) প্লাটফর্মে ক্রিয়েটরদের পারিশ্রমিক বাড়াতে যাচ্ছেন। ধারণা করা হচ্ছে, সেটি ইউটিউবের চেয়ে বেশি হতে পারে।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) মাস্ক একটি প্রস্তাবে সাড়া দেন, যেখানে বলা হয়েছিল—এক্সের উচিত প্রচলিত প্ল্যাটফর্মগুলো থেকে ক্রিয়েটরদের টানতে আরও বেশি আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া। মাস্ক অমন এক টুইটের জবাবে লেখেন, ‘ঠিক আছে, চলুন এটা করি।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মাস্ক জানিয়েছেন, সঠিক নিয়ম ও স্বচ্ছ মানিটাইজেশন ব্যবস্থা কার্যকর করা গেলে ক্রিয়েটরদের পেমেন্ট উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব। এক্স-এর প্রোডাক্ট হেড নিকিতা বিয়েরকে বিষয়টি দেখার নির্দেশও দিয়েছেন। তিনি নিকিতাকে জানান, ‘সিস্টেমে কোনো ধরনের গেমিং যেন কঠোরভাবে দমন করা হয়।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মাস্কের উদ্বেগের জবাবে নিকিতা জানান, সমাধান ইতোমধ্যেই তৈরির পথে। তিনি লেখেন, ‘কাজ চলছে। এক্স টিম এমন একটি ‘নতুন পদ্ধতি’ তৈরি করেছে যা ৯৯% প্রতারণা দূর করতে পারবে। অর্থাৎ নতুন সিস্টেমে কেবল প্রকৃত ও উচ্চমানের এনগেজমেন্টই পুরস্কৃত হবে।

মাস্ক জানিয়েছেন, শুধুমাত্র প্রকৃত ভিউ, আসল দর্শক এবং উচ্চ গুণমান সম্পন্ন কনটেন্টের উপর ভিত্তি করেই আয় নির্ধারিত হবে। এই শর্ত পূরণ হলে এক্স-এ ক্রিয়েটরদের আয় ইউটিউবের থেকেও বেশি হতে পারে বলে দাবি তার।

এর ফলে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য একাধিক সুবিধা তৈরি হতে পারে। এখন দেখার বিষয়, এক্স কবে এবং কীভাবে এই প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপ দেয়।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

টেলিকম ও প্রযুক্তি

১ জানুয়ারি থেকে বন্ধ হচ্ছে যেসব সিম কার্ড

Published

on

বিএসইসি

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সিম ব্যবহারে আরও কঠোর হচ্ছে সরকার। এক ব্যক্তির নামে থাকা মোবাইল সিম কার্ডের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ পাঁচটি নতুন সিম নিবন্ধন করতে পারবেন। বর্তমানে যাদের নামে ছয় থেকে ১০টি সিম রয়েছে, সেগুলোর সংখ্যাও ধাপে ধাপে কমিয়ে পাঁচে নামিয়ে আনা হবে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তে আগের মতোই আপত্তি জানিয়েছে মোবাইল ফোন অপারেটররা। তবে অনিয়ম ও অপব্যবহার রোধে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এদিকে সিম ব্যবহারের দিক থেকে বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন নবম। এ তালিকায় বাংলাদেশের পেছনে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের মতো দেশ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিটিআরসির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, রাস্তাঘাটে সিম কেনার সময় কিছু অসাধু বিক্রেতা গ্রাহকের অজান্তেই বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ করছে। এসব তথ্য ব্যবহার করে অবৈধভাবে অতিরিক্ত সিম নিবন্ধন করা হচ্ছে। পর্যালোচনায় আরও উঠে এসেছে, অনেক ক্ষেত্রে একজন গ্রাহক এক দিনেই দুইটির বেশি সিম কিনছেন, যা স্বাভাবিক নয় বলে মনে করছে সংস্থাটি।

বিটিআরসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের অক্টোবরে দেশে মোবাইল সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৮ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের গ্রাহক ৮ কোটি ৫৯ লাখ, রবির ৫ কোটি ৭৫ লাখ, বাংলালিংকের ৩ কোটি ৭৯ লাখ এবং টেলিটকের গ্রাহক ৬৬ লাখ ৭০ হাজার।

এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে দেশে সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ১৮ কোটি ৯৯ লাখ। ২০২৩ সালের অক্টোবরে ছিল ১৮ কোটি ৯৬ লাখ, ২০২২ সালে ১৮ কোটি ১৬ লাখ এবং ২০২১ সালে ১৮ কোটি ১৩ লাখ। গত এক দশকে দেশে সিম ব্যবহারকারী বেড়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি। ২০১৫ সালে যেখানে ব্যবহারকারী ছিল ১৩ কোটি ৩৭ লাখ, তা ২০২০ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ কোটিতে।

সিম ব্যবহারের অপব্যবহার ঠেকাতে সরকার ইতোমধ্যে একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে গত আগস্টে এক ব্যক্তির নামে ১০টির বেশি সিম থাকলে অতিরিক্ত সিম ৩০ অক্টোবরের মধ্যে বাতিল বা মালিকানা পরিবর্তনের নির্দেশ দেয় বিটিআরসি। সংস্থার তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে মোট নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা ২৬ কোটি ৬৩ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ১৯ কোটি সিম সক্রিয় এবং বাকি সিমগুলো নিবন্ধিত হলেও নিষ্ক্রিয় রয়েছে।

গত আগস্ট পর্যন্ত এক ব্যক্তির নামে ১০টির বেশি সক্রিয় সিম ছিল প্রায় ৬৭ লাখ। গত তিন মাসে এর মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ সিম গ্রাহক স্বেচ্ছায় বাতিল করেছেন। তবে এখনো প্রায় ৫০ থেকে ৫৩ লাখ সিম বাতিল হয়নি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব সিম বাতিল না করায় সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে বিটিআরসির সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, তিন মাস সময় দেওয়ার পরও যারা ডি-রেজিস্ট্রেশন করেননি, তাদের সক্রিয় সিম পর্যায়ক্রমে বাতিল করা হবে।

অন্যদিকে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) এমদাদ উল বারী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, পয়লা জানুয়ারি থেকে নতুন করে সিম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে একজন গ্রাহকের নামে পাঁচটির বেশি সিম রাখার সুযোগ আর থাকবে না।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

টেলিকম ও প্রযুক্তি

ফোন ও ল্যাপটপ রিস্টার্ট করা কেন জরুরি

Published

on

বিএসইসি

প্রতিদিন আমরা ফোন ও ল্যাপটপে অসংখ্য কাজ করি সোশ্যাল মিডিয়া, অফিসের কাজ, গেমিং, অনলাইন ক্লাস বা ভিডিও দেখাসহ নানা কিছু। দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করতে করতে ডিভাইসগুলো ধীরে ধীরে অতিরিক্ত লোডের শিকার হয়। অনেকেই ফোন বা ল্যাপটপ একটানা দিন-দুয়েক ব্যবহার করেন, কিন্তু রিস্টার্ট করেন না। অথচ নিয়মিত রিস্টার্ট করা ডিভাইসের পারফরম্যান্স, নিরাপত্তা এবং স্থায়িত্ব বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নিচে কেন ফোন ও ল্যাপটপ রিস্টার্ট করা প্রয়োজন তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

১) র‍্যাম পরিষ্কার করে ডিভাইস দ্রুত করে
ফোন বা ল্যাপটপে প্রতিবার কোনো অ্যাপ খোলা হলে তা কিছু অস্থায়ী ডাটা র‍্যামে জমা রাখে। একটানা ব্যবহার করলে সেই ডাটাগুলো জমতে জমতে র‍্যাম ভারী হয়ে যায়। ফলে ডিভাইস ধীর হয়ে যায়, অ্যাপ খুলতে সময় নেয় এবং মাঝে মাঝে ফ্রিজ বা হ্যাংয়ের মতো সমস্যাও দেখা দেয়। রিস্টার্ট করলে পুরো র‍্যাম রিফ্রেশ হয়ে যায় এবং ডিভাইস আবার নতুনের মতো দ্রুত কাজ করতে শুরু করে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

২) ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ ও লুকানো প্রসেস বন্ধ হয়
অনেক অ্যাপ সরাসরি বন্ধ করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে থেকে যায়। এগুলো নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে, ব্যাটারি খরচ করে এবং ডিভাইসের প্রসেসরের ওপর চাপ বাড়ায়। দীর্ঘক্ষণ এভাবে চলতে থাকলে ডিভাইস গরম হতে শুরু করে ও পারফরম্যান্স কমে যায়। রিস্টার্ট করলে এসব লুকানো প্রসেস সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, ফলে ডিভাইস আবার হালকা ও স্মুথ হয়ে ওঠে।

৩) ছোটখাটো বাগ ও গ্লিচ দূর হয়
হঠাৎ ওয়াই-ফাই কানেক্ট না হওয়া, ব্লুটুথ কাজ না করা, স্ক্রিন টাচে সমস্যা, অ্যাপ ক্র্যাশ হওয়া এসব সাধারণ সমস্যার কারণ থাকে সফটওয়্যারের ক্ষুদ্র বাগ। রিস্টার্ট একধরনের সিস্টেম রিফ্রেশ যা এসব ছোট বাগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঠিক করে। ফলে ডিভাইস আগের তুলনায় স্থিতিশীলভাবে কাজ করে।

৪) সিকিউরিটি আপডেট ও সিস্টেম প্যাচ কার্যকর হয়
নতুন সিকিউরিটি আপডেট বা সিস্টেম প্যাচ ডাউনলোড হলেও সেগুলো ডিভাইস রিস্টার্ট না করলে পুরোপুরি সক্রিয় হয় না। এতে নিরাপত্তা দুর্বল হয়ে যায় এবং সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। নিয়মিত রিস্টার্ট করলে আপডেটগুলো ঠিকভাবে কার্যকর হয় এবং ডিভাইস সুরক্ষিত থাকে।

৫) ক্যাশে পরিষ্কার হয়ে স্টোরেজ হালকা লাগে
অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে করতে প্রচুর ক্যাশে জমা হয়, যা সিস্টেমকে ধীর করে দেয়। রিস্টার্টের ফলে অনেক অস্থায়ী ক্যাশ নিজে থেকেই মুছে যায়। ফলে ফোন বা ল্যাপটপ কিছুটা হালকা হয় এবং স্টোরেজ ব্যবহারে স্বস্তি আসে।

৬) প্রসেসরকে রিফ্রেশ করে
ডিভাইস একটানা চালু থাকলে প্রসেসর সবসময় কাজ করে, যা তাকে অতিরিক্ত গরম করে এবং শক্তি খরচ বাড়ায়। এতে ব্যাটারি দ্রুত নষ্ট হয় এবং প্রসেসরের আয়ু কমতে থাকে। একটি রিস্টার্ট প্রসেসরকে বিরতি দেয়, তাপমাত্রা ঠিক রাখে এবং ডিভাইসকে দীর্ঘস্থায়ী করে।

৭) নেটওয়ার্ক সমস্যা সমাধান করে
মোবাইল ডেটা ধীর হয়ে যাওয়া, ওয়াই-ফাই সিগন্যাল দুর্বল হওয়া বা কানেকশন ড্রপের মতো সমস্যার মূল কারণ হয় সাময়িক নেটওয়ার্ক গ্লিচ। রিস্টার্ট নেটওয়ার্ক সেটিংস রিফ্রেশ করে এবং ফোন বা ল্যাপটপকে আবার স্থিতিশীল নেটওয়ার্কে ফিরিয়ে আনে।

৮) অ্যাপ ক্র্যাশ বা ফ্রিজ হওয়া কমায়
কিছু অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে আটকে থাকে অথবা সিস্টেমের সঙ্গে সংঘর্ষ তৈরি করে, তখন অ্যাপ বারবার ক্র্যাশ করতে থাকে। রিস্টার্ট করলে সেসব আটকে থাকা প্রসেস মুছে যায়। ফলে অ্যাপগুলো নতুনভাবে লোড হয়ে ঠিকভাবে কাজ করতে পারে।

৯) ডিভাইসের আয়ু বাড়ায়
নিয়মিত রিস্টার্ট করার মাধ্যমে প্রসেসরের চাপ কমে, মেমোরি পরিষ্কার হয়, ব্যাটারি হিটিং কমে এবং সফটওয়্যার ফাইলগুলো সঠিকভাবে কাজ করে। ফলে ফোন বা ল্যাপটপ দীর্ঘদিন ধরে স্থিতিশীল থাকে এবং এর আয়ুষ্কাল প্রকৃত অর্থেই বাড়ে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

মাহে রমজান

১৪৪৭ হিজরী

রোজার নিয়ত (সেহরী)
নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রমাদানাল মুবারাক...
(হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের রোজা রাখার নিয়ত করলাম...)
ইফতারের দোয়া
আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা আফতারতু।
(হে আল্লাহ! আমি তোমার জন্যই রোজা রেখেছি এবং তোমার দেওয়া রিযিক দিয়ে ইফতার করলাম।)
অপেক্ষা করুন...
00:00:00
সেহরী শেষ --:--
ইফতার --:--

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

বিএসইসি বিএসইসি
পুঁজিবাজার27 minutes ago

বিএসইসি পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা বিসিএমআইএ’র

পুঁজিবাজার রক্ষার্থে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অনতিবিলম্বে পুনর্গঠন এবং বিনিয়োগবান্ধব বাজার গঠনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর...

বিএসইসি বিএসইসি
পুঁজিবাজার2 hours ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, এক ঘণ্টায় বেড়েছে ৩৩৬ শেয়ারদর

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন প্রথম এক ঘণ্টায়...

বিএসইসি বিএসইসি
পুঁজিবাজার22 hours ago

ব্লক মার্কেটে ১৬ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ১৬...

বিএসইসি বিএসইসি
পুঁজিবাজার22 hours ago

দরপতনের শীর্ষে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড।...

বিএসইসি বিএসইসি
পুঁজিবাজার22 hours ago

দর বৃদ্ধির শীর্ষে সোনারগাঁও টেক্সটাইল

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৮ কোম্পানির মধ্যে ১২৩টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

বিএসইসি বিএসইসি
পুঁজিবাজার23 hours ago

পুঁজিবাজারে লেনদেনের শীর্ষে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। ঢাকা স্টক...

বিএসইসি বিএসইসি
পুঁজিবাজার23 hours ago

প্রথম কার্যদিবসে সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, লেনদেন ৫৬৮ কোটি

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
বিএসইসি
আইন-আদালত10 minutes ago

সরিয়ে দেওয়া হলো তাজুলকে, ট্রাইব্যুনালের নতুন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

বিএসইসি
পুঁজিবাজার27 minutes ago

বিএসইসি পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা বিসিএমআইএ’র

বিএসইসি
জাতীয়2 hours ago

ঢাকার উত্তর-দক্ষিণসহ ৬ সিটিতে নতুন প্রশাসক নিয়োগ

বিএসইসি
জাতীয়2 hours ago

৯ মন্ত্রী-উপদেষ্টা-প্রতিমন্ত্রীর এপিএস হলেন যারা

বিএসইসি
জাতীয়2 hours ago

‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়ন পাইলট প্রকল্প চূড়ান্ত

বিএসইসি
পুঁজিবাজার2 hours ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, এক ঘণ্টায় বেড়েছে ৩৩৬ শেয়ারদর

বিএসইসি
জাতীয়2 hours ago

বান্দরবানের লামা থেকে বিতরণ শুরু হবে ফ্যামিলি কার্ড

বিএসইসি
জাতীয়3 hours ago

পররাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ আজ

বিএসইসি
জাতীয়3 hours ago

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে ১২ মার্চ

বিএসইসি
অর্থনীতি3 hours ago

দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম, ভরি কত

বিএসইসি
আইন-আদালত10 minutes ago

সরিয়ে দেওয়া হলো তাজুলকে, ট্রাইব্যুনালের নতুন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

বিএসইসি
পুঁজিবাজার27 minutes ago

বিএসইসি পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা বিসিএমআইএ’র

বিএসইসি
জাতীয়2 hours ago

ঢাকার উত্তর-দক্ষিণসহ ৬ সিটিতে নতুন প্রশাসক নিয়োগ

বিএসইসি
জাতীয়2 hours ago

৯ মন্ত্রী-উপদেষ্টা-প্রতিমন্ত্রীর এপিএস হলেন যারা

বিএসইসি
জাতীয়2 hours ago

‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়ন পাইলট প্রকল্প চূড়ান্ত

বিএসইসি
পুঁজিবাজার2 hours ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, এক ঘণ্টায় বেড়েছে ৩৩৬ শেয়ারদর

বিএসইসি
জাতীয়2 hours ago

বান্দরবানের লামা থেকে বিতরণ শুরু হবে ফ্যামিলি কার্ড

বিএসইসি
জাতীয়3 hours ago

পররাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ আজ

বিএসইসি
জাতীয়3 hours ago

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে ১২ মার্চ

বিএসইসি
অর্থনীতি3 hours ago

দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম, ভরি কত

বিএসইসি
আইন-আদালত10 minutes ago

সরিয়ে দেওয়া হলো তাজুলকে, ট্রাইব্যুনালের নতুন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

বিএসইসি
পুঁজিবাজার27 minutes ago

বিএসইসি পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা বিসিএমআইএ’র

বিএসইসি
জাতীয়2 hours ago

ঢাকার উত্তর-দক্ষিণসহ ৬ সিটিতে নতুন প্রশাসক নিয়োগ

বিএসইসি
জাতীয়2 hours ago

৯ মন্ত্রী-উপদেষ্টা-প্রতিমন্ত্রীর এপিএস হলেন যারা

বিএসইসি
জাতীয়2 hours ago

‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়ন পাইলট প্রকল্প চূড়ান্ত

বিএসইসি
পুঁজিবাজার2 hours ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, এক ঘণ্টায় বেড়েছে ৩৩৬ শেয়ারদর

বিএসইসি
জাতীয়2 hours ago

বান্দরবানের লামা থেকে বিতরণ শুরু হবে ফ্যামিলি কার্ড

বিএসইসি
জাতীয়3 hours ago

পররাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ আজ

বিএসইসি
জাতীয়3 hours ago

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে ১২ মার্চ

বিএসইসি
অর্থনীতি3 hours ago

দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম, ভরি কত