জাতীয়
তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল
ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার মনোনয়পত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঢাকা জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম এ ঘোষণা দেন। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তাসনিম জারা নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।
দুইজন ভোটারের তথ্য যাচাইয়ে গরমিল পাওয়া গেছে জানিয়ে তাসনিম জারা বলেন, যে দুই জনের তথ্য গরমিল পেয়েছে, এদের মধ্যে একজনের জানার কোনো উপায় ছিল না যে তিনি ঢাকা-৯ আসনের ভোটা না। আরেকজন যার ব্যতিক্রম এসেছে, তার কাছে এসআইডির যে হার্ড কপি আছে সেখানকার ঠিকানা অনুযায়ী তিনি জানতেন ঢাকা-৯ আসনের ভোটার। তবে নির্বাচন কমিশনের কাছে তথ্য আছে তিনি এ আসনের ভোটার না।
গত ২৭ ডিসেম্বর এক ফেসবুক পোস্টে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের পর ঢাকা–৯ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন তাসনিম জারা। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী সমঝোতার প্রেক্ষাপটে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।
এমকে
জাতীয়
ভোরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোর ৪টা ৪৭ মিনিটের দিকে কয়েক সেকেন্ডের জন্য কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসাম রাজ্যের ধিং এলাকায়। এর কেন্দ্রস্থল ছিল মাটির ৩৫ কিলোমিটার গভীরে।
ভূকম্পনের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই পোস্ট করেন। সিলেট নগরী ও আশপাশে কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।
এর আগে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর মধ্যরাতে সিলেটে মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুইবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ওই দিন রাত ২টা ২০ মিনিট ৩১ সেকেন্ডে প্রথমবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এরপর ২টা ২৫ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে দ্বিতীয়বার ভূমিকম্প হয়।
জাতীয়
সারাদেশের বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করলো ইসি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই কার্যক্রম শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যাচাই শেষে প্রাথমিকভাবে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে জমা পড়া মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই শেষে মোট ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এ প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হয়। ইসি জানায়, এবারের নির্বাচনে মোট ৩ হাজার ৪০৬টি মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়েছিল। এসব মনোনয়নপত্রের মাধ্যমে ২ হাজার ৫৬৮ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, অঞ্চলভিত্তিক যাচাই-বাছাইয়ের ফলাফল নিম্নরূপ—
ঢাকা অঞ্চল: বৈধ মনোনয়ন ৩০৯টি, বাতিল ১৩৩টি
চট্টগ্রাম অঞ্চল: বৈধ ১৩৮টি, বাতিল ৫৬টি
রাজশাহী অঞ্চল: বৈধ ১৮৫টি, বাতিল ৭৪টি
খুলনা অঞ্চল: বৈধ ১৯৬টি, বাতিল ৭৯টি
বরিশাল অঞ্চল: বৈধ ১৩১টি, বাতিল ৩১টি
সিলেট অঞ্চল: বৈধ ১১০টি, বাতিল ৩৬টি
ময়মনসিংহ অঞ্চল: বৈধ ১৯৯টি, বাতিল ১১২টি
কুমিল্লা অঞ্চল: বৈধ ২৫৯টি, বাতিল ৯৭টি
রংপুর অঞ্চল: বৈধ ২১৯টি, বাতিল ৫৯টি
ফরিদপুর অঞ্চল: বৈধ ৯৬টি, বাতিল ৪৬টি
সব মিলিয়ে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় মোট ৭২৩টি মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
বিশেষ পরিস্থিতি
নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্যে আরও জানানো হয়, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত কারণে দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১—এই তিনটি আসনের মনোনয়নপত্র কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
আপিলের সুযোগ
ইসি জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে প্রকাশিত এই ফলাফলের বিরুদ্ধে কোনো প্রার্থীর আপত্তি থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। আপিল শুনানি শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে, ফলে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যায় পরিবর্তন আসতে পারে।
এমকে
জাতীয়
গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল: কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি। কমিশনের সদস্যরা জানিয়েছেন, বলপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল। তারা বলেন, আমরা যে ডেটা পেয়েছি তা দিয়ে প্রমাণিত যে এটি পলিটিক্যালি মোটিভেটেড ক্রাইম।
রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রতিবেদন জমা দেয় কমিশন।
এসময় কমিশনের সভাপতি বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, সদস্য বিচারপতি মো. ফরিদ আহমেদ শিবলী, নূর খান লিটন, নাবিলা ইদ্রিস ও সাজ্জাদ হোসেনসহ উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজউদ্দিন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান।
কমিশনের বরাত দিয়ে তিনি জানান, মোট ১ হাজার ৯১৩টি অভিযোগ গুম তদন্ত কমিশনে জমা পড়ে। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ১ হাজার ৫৬৯টি অভিযোগ সংজ্ঞা অনুযায়ী গুম হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এর মধ্যে ২৮৭টি অভিযোগ ‘মিসিং অ্যান্ড ডেড’ ক্যাটাগরিতে পড়েছে।
এখনো অনেকে অভিযোগ নিয়ে আসছেন জানিয়ে কমিশন সদস্য নাবিলা ইদ্রিস বলেন, ‘গুমের সংখ্যা চার থেকে ছয় হাজার হতে পারে। গুমের শিকার ব্যক্তিদের অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের মাধ্যমে আরও ভিকটিমের খোঁজ পাওয়া যায় যারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি, আমাদের সম্পর্কে জানেন না কিংবা অন্য দেশে চলে গেছেন। এমন অনেকেই আছে যাদের সঙ্গে আমরা নিজ থেকে যোগাযোগ করলেও তারা অনরেকর্ড কথা বলতে রাজি হননি।’
প্রতিবেদন থেকে কমিশন জানায়, গুমের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে যারা জীবিত ফিরেছেন তাদের মধ্যে ৭৫ শতাংশ জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী, ২২ শতাংশ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী। যারা এখনো নিখোঁজ তাদের মধ্যে ৬৮ শতাংশ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও ২২ শতাংশ জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী।
হাই প্রোফাইল গুমের ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সরাসরি সম্পৃক্ত ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই মামলার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, চৌধুরী আলম, জামায়াত নেতা সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী, ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম ও সাবেক রাষ্ট্রদূত মারুফ জামান।
কমিশনের সদস্যরা জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী নিজে অনেকগুলো গুমের ক্ষেত্রে সরাসরি নির্দেশদাতা। তাছাড়া গুমের শিকার ব্যক্তিদের ভারতে রেন্ডিশনের (আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই গোপনে হস্তান্তর) যে তথ্য পাওয়া গেছে তাতে এটি স্পষ্ট হয় যে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নির্দেশেই এগুলো হয়েছে।
অক্লান্ত পরিশ্রম ও দৃঢ় মনোবলের জন্য গুম তদন্ত কমিশনের সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক কাজ। জাতির পক্ষ থেকে আমি এই কমিশনের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনারা যে ঘটনা বর্ণনা করলেন, পৈশাচিক বলে যে শব্দ আছে বাংলায়, এককথায় বললে এ ঘটনাগুলোকে সেই শব্দ দিয়েই বর্ণনা করা যায়। এই নৃশংস ঘটনার মধ্যদিয়ে যারা গেছেন, আপনারাও তাদের সঙ্গে কথা বলার মধ্যদিয়ে, তাদের অভিজ্ঞতার মধ্যদিয়ে সেই নৃশংস ঘটনাগুলো দেখেছেন। দৃঢ় মনোবল ছাড়া এ কাজ সম্পন্ন করা যেতো না।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের সব প্রতিষ্ঠানকে দুমড়ে-মুচড়ে দিয়ে গণতন্ত্রের লেবাস পরে মানুষের ওপর কী পৈশাচিক আচরণ করা যেতে পারে সেটার ডকুমেন্টেশন এই রিপোর্ট। মানুষ কত নিচে নামতে পারে, কত পৈশাচিক হতে পারে, কত বিভৎস হতে পারে- এটা তার ডকুমেন্টেশন। যারা এই ভয়ংকর ঘটনা ঘটিয়েছে তারা আমাদের মতোই মানুষ। নৃশংসতম ঘটনা ঘটিয়ে তারা সমাজে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে। জাতি হিসেবে এ ধরনের নৃশংসতা থেকে আমাদের চিরতরে বের হয়ে আসতে হবে। এই নৃশংসতা যেন আর ফিরতে না পারে সেই প্রতিকারের পথ খুঁজে বের করতে হবে।
রিপোর্টগুলো সহজ ভাষায় মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। এছাড়া কমিশনকে প্রয়োজনীয় সুপারিশমালা ও ভবিষ্যতের করণীয় পেশ করার বিষয়েও নির্দেশ দেন তিনি।
এছাড়া আয়নাঘরের পাশাপাশি যেসব জায়গায় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও লাশ গুমের ঘটনা ঘটেছে সে জায়গাগুলো ম্যাপিং করতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
কমিশন জানায়, তদন্ত অনুযায়ী বরিশালের বলেশ্বর নদীতে সবচেয়ে বেশি হত্যাকাণ্ড ও লাশ গুমের ঘটনা ঘটেছে। শত শত গুমের শিকার ব্যক্তিকে হত্যা করে এই নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বুড়িগঙ্গা নদী ও মুন্সিগঞ্জেও লাশ গুম করে ফেলার প্রমাণ তদন্তে পাওয়া গেছে।
প্রধান উপদেষ্টাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান গুম তদন্ত কমিশনের সদস্যরা। প্রধান উপদেষ্টার দৃঢ় অবস্থান ছাড়া এ কাজ সম্পন্ন হতো না উল্লেখ করে তারা বলেন, আপনি দৃঢ় ছিলেন বলেই আমরা পেরেছি। আপনি সবসময় আমাদের যা কিছু প্রয়োজন ছিল সেই সহায়তা দিয়েছেন। আপনিই আমাদের মনোবল দৃঢ় করেছেন।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন পুনর্গঠন করে এ কাজগুলো এগিয়ে নিতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে আহ্বান জানান এবং ভিকটিমদের সুরক্ষা নিশ্চিতের ব্যাপারে সরকারকে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন।
এমকে
জাতীয়
ভোটের আগে ও পরে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সিল করে রাখা হবে: ইসি সানাউল্লাহ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরের কয়েকদিন কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো সিল করে রাখা হবে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়ে বলেন, ভোটের সময় রোহিঙ্গারা যেন কোনভাবেই মিছিল-মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করতে না পারে এবং তাদের যেন অপরাধে কেউ ব্যবহার করতে না পারে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ এটিএম জাফর আলম সম্মেলন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল’ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এ নির্বাচন ভালো করতে না পারলে তার পরিণতি সবাইকে ভোগ করতে হবে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখন থেকে যৌথবাহিনীর অপারেশন শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এ অভিযানের মূল লক্ষ্য হবে তিনটি- অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও নির্বাচনী আচরণবিধির বড় ধরনের ব্যতয় থাকলে সেটিকে এড্রেস করা।
মিন মিন করে নির্বাচন করা যাবে না উল্লেখ করে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, এই নির্বাচনে অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের কোনো সুযোগ নেই। কেউ ক্ষুব্ধ হলে তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন। গায়ের জোরে কিছু হবে না।
জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় কক্সবাজারে নিয়োজিত বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এমকে
জাতীয়
নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন একটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, যেখানে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তারা নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) রাজারবাগে ডিএমপি ট্রেনিং একাডেমিতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আয়োজিত ‘নির্বাচনী দায়িত্বে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দেন উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন একটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, যেখানে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নির্বাচনের সময় মাঠে অবস্থানরত প্রত্যেক পুলিশ সদস্যই হবে জনগণের আস্থার প্রতীক। পুলিশ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে দায়িত্বশীলতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ সময় তিনি নির্বাচনপূর্ব, নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে পুলিশের করণীয় বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেন।
এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত আইজিপি (ডেভেলপমেন্ট) সরদার নুরুল আমিন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. সরওয়ারসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, গত ৫ অক্টোবর থেকে তিন দিনব্যাপী এ কর্মশালা শুরু হয়। এ পর্যন্ত ২২টি ব্যাচের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে ১৮১৫০ জন কর্মকর্তা সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। ডিএমপির ১৯টি ভেন্যুতে ২৮টি ব্যাচে সম্ভাব্য সর্বমোট ২৪৩৪২ জনকে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
এমকে



