রাজনীতি
শহীদ জিয়ার কবরের পাশে খালেদা জিয়ার দাফনের প্রস্তুতি
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তার দাফনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার জানাজা আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার পর তার মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলের পাশে দাফন করা হবে।
খালেদা জিয়া মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
এমকে
রাজনীতি
জামায়াতকে কাদেরের হুমকি, নোংরামি করলে বরদাশত করব না
গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল কাদের বলেছেন, ‘গোলাম আজমকে ভাষা সৈনিক হিসেবে প্রচার করে জঘন্য মিথ্যাচার করছে জামায়াতে ইসলামী।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা সতর্ক করে বলেন, নোংরামি করলে বরদাশত করব না।
শহীদদের শুভেচ্ছা জানানোর বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবদুল কাদের লিখেছেন, বাধ্য হয়ে হোক আর যেমনেই হোক, জামায়াত-শিবির তাদের রাজনীতিতে পরিবর্তন আনতেছে, তাদেরকে স্বাগত জানাই। তবে তাদেরকে ইসরাইলি ইহুদিদের মতো মানসিকতা পরিহার করতে হবে। মানবিক আশ্রয়ের বিপরীতে জোরপূর্বক দখলদারিত্বের চিন্তাচেতনা তাদের মধ্যে পরিলক্ষিত। সেটা কাম্য নয়। আর আমরা হতেও দিব না।’
তিনি আরও লেখেন, ‘৫ই আগস্টের পরে এরকম অনেক ঘটনা ঘটানোর দুঃসাহস তারা করেছেন। আবরার ফাহাদ থেকে শুরু করে সব কিছুর ক্রেডিট নিজেদের হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পায়তারা করতেছেন। পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আপনাদেরকে এসব নোংরামি থেকেও বের হয়ে আসতে হবে।
সবশেষ তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এত বছর শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াকে নাজায়েজ হিসেবে প্রচার করে এখন নিজেরাও দিচ্ছেন। ভালো। বাট সেটাকে অতিরিক্ত জায়েজ করার জন্য গোলাম আজমকে ভাষা সৈনিক হিসেবে প্রচার করে এহেন জঘন্য মিথ্যাচার করার কোনো দরকার আছে?
আপনাদের সম্মানিত আমীরের ভাষায়-ই বলি-পরিবর্তন হচ্ছেন, হন; স্বাগত জানাবো। কিন্তু নোংরামি করবেন; বরদাশত করব না।’
রাজনীতি
গণভোট না মানলে, জনগণ সরকারকে মেনে নিবে না: জামায়াত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর (রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য) অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, ‘‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে গণবিরোধী সরকার গঠিত হয়েছে”।
তিনি বলেন, দেশে রক্ত প্রবাহিত না করে ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের রায় বাস্তবায়নে সরকার ও বিরোধী দলকে কাজ করতে হবে। গণভোটের রায় বাস্তবায়িত না করলে জনগণ সরকারকে মানবে না। ফলে আবারও মানুষ বিদ্রোহের পথ বেছে নেবে।
জনগণের কথা মেনে নেওয়ার নামই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৃটিশ-পাকিস্তান এবং পরবর্তীতে স্বাধীন দেশের বিগত সরকারে যারাই ছিল কেউ জনগণের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে ক্ষমতায় থাকতে পারেনি।
আগামীতেও কোনো সরকার জনগণের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। জামায়াতে ইসলামী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় চূড়ান্ত সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। জামায়াতে ইসলামী বিরোধীদল হিসেবে মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা করতেও প্রস্তুত।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহিদ দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে পরবর্তী সকল আন্দোলন সংগ্রাম ছিল শাসকগোষ্ঠীর জুলুমের বিরুদ্ধে।
জনগণের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে শাসকগোষ্ঠী রাষ্ট্র পরিচালনা করলে জনগণ বিদ্রোহী হয়ে উঠে এবং রাজপথে নেমে আসে। জনগণ রাজপথে নেমে আসলে কোনো ক্ষমতাধর ব্যক্তি আর ক্ষমতায় থাকতে পারে না। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধসহ সকল জেহাদের (আন্দোলন-সংগ্রামের) বিকৃত ও খণ্ডিত ইতিহাস নতুন করে লিখতে হবে।
যেই ইতিহাস প্রকৃত এবং সত্য তরুণ প্রজন্মকে সেই ইতিহাস জানাতে হবে। সর্বত্র বাংলা ভাষা ব্যবহারের বিধান থাকলেও কেন ব্যবহার হচ্ছে না প্রয়োজনে অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সর্বক্ষেত্রে অবশ্যই বাংলা ভাষার ব্যবহার হতে হবে। তবেই ভাষা সৈনিকদের আত্মদান ও ত্যাগের মূল্যায়ন হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গণতন্ত্র সুসংহত করতে হলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে।
জুলাই সনদ বাদ দিয়ে যারা গণতন্ত্র সুসংহতের কথা বলে তারা মূলত স্বৈরতন্ত্র কায়েমের পথে হাঁটছে। যেই গণতন্ত্র রক্তপাত ঝরায়, মানুষের অধিকার কেড়ে নেয় সেই গণতন্ত্র বাংলাদেশের মানুষ চায় না। মানুষের মৌলিক অধিকার রাষ্ট্র কর্তৃক নিশ্চিত করার গণতন্ত্র মানুষ চায়।
তিনি বলেন, একুশের চেতনা মানে দুর্নীতি নয়, চাঁদাবাজি নয়, স্বৈরতন্ত্র নয়। একুশের চেতনা থেকে জুলাই চেতনা প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রাম ছিল স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে। যদি জুলাই চেতনা সরকার বিনষ্টের চেষ্টা করে তবে আরেকটা জুলাই হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকিরের সভাপতিত্বে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) এর মাল্টিপারপাস হলেরুমে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য যথাক্রমে ড. মোবারক হোসাইন, আব্দুস সালাম, কামরুল আহসান হাসান, শাহীন আহমেদ খান প্রমুখ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা শরিফুল ইসলাম, মহানগরীর সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদু সাত্তার সুমন, সহকারী মিডিয়া সম্পাদক আশরাফুল আলম ইমন, সহকারী অফিস সম্পাদক মুজিবুর রহমানসহ মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।
সভাপতির বক্তব্যে আব্দুস সবুর ফকির বলেন, ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় একুশে ফেব্রুয়ারি আছে কিন্তু একুশের চেতনা নাই। আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা অতীত ভুলে যাই। যখন যারা ক্ষমতায় বসে তখন তারাই নিজেদের সব অবদান দাবি করে এবং ইতিহাস ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে। প্রকৃত অর্থে যাদের অবদান তাদেরকে ভুলে গিয়ে অবজ্ঞা করা হয়।
তিনি ইতিহাস বিকৃত করার পথ থেকে বেরিয়ে এসে প্রকৃত ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরার দাবি জানিয়ে বলেন, যারা জুলাই আন্দোলনে বলেছিল জুলাই আন্দোলনে তাদের সম্পৃক্ততা নেই।
তারা এখন সব অর্জন নিজেদের দাবি করে। জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার পরও তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চায় না। তাহলে কেন জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা হয়েছে বিএনপিকে জাতির সামনে স্পষ্ট করতে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মনে রাখবেন জনগণের বিরুদ্ধে গেলে পালিয়ে যেতে হবে।
রাজনীতি
চাঁদাবাজি ইস্যুতে সড়কমন্ত্রীর বক্তব্যের নিন্দা জামায়াতের
সড়কপরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের ‘সমঝোতার’ নামে চাঁদাবাজিকে কার্যত বৈধতা দিয়েছে দাবি তুলে তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, “সম্প্রতি সড়কপরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ‘সমঝোতার’ নামে চাঁদাবাজিকে কার্যত বৈধতা দিয়েছেন। আমি তার এই অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও অনৈতিক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও কঠোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।”
তিনি আরো বলেন, ‘চাঁদাবাজি একটি ফৌজদারি অপরাধ। এটি সমাজ, অর্থনীতি ও আইনের শাসনের জন্য মারাত্মক হুমকি। একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর বক্তব্যে যদি এমন কোনো বার্তা যায় যে, অবৈধ অর্থ আদায় বা অনৈতিক সমঝোতা গ্রহণযোগ্য—তবে তা রাষ্ট্রের জন্য কলঙ্ক। রাষ্ট্রের এমন বৈধতা দান অপরাধীকে চাঁদাবাজির মতো আরো অনেক অপরাধ করতে উৎসাহিত করবে।
এতে রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। জনগণ ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থেকে বঞ্চিত হবে।’
মিডিয়া বিভাগের এই প্রধান বলেন, “আমরা মনে করি, সরকারের দায়িত্ব হলো চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। কোনো অবস্থাতেই অপরাধকে ‘সমঝোতার’ নামে আড়াল করার কোনো সুযোগ নেই।
মাননীয় মন্ত্রীর এই বক্তব্য রাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।”
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান আপসহীন। আমরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলতে চাই, দুর্নীতির ছিটে-ফোঁটাও দেশবাসী বরদাস্ত করবে না। আমরা সরকারের নিকট দাবি জানাই, সড়কপরিবহণ, রেল ও নৌপরিবহণ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের উক্ত বক্তব্য প্রত্যাহার করে দেশবাসীর নিকট স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য পরিহার করতে হবে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি প্রতিরোধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘চাঁদাবাজি বন্ধ করে জনগণের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। এটা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সরকার ব্যর্থ হলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে এবং চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারকে বাধ্য করা হবে।’
সবশেষে তিনি বলেন, ‘আমরা দেশবাসীকে ন্যায় ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দাবিতে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’
রাজনীতি
ভাষাশহীদদের কবর জিয়ারত করলেন জামায়াত আমির
অমর একুশে ফেব্রুয়ারির রাতে রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে ভাষাশহীদদের কবর জিয়ারত করেছেন বিরোধীদলীয় প্রধান ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে তিনি আজিমপুর কবরস্থানে যান। সেখানে ভাষা আন্দোলনে শাহাদাত বরণকারী শহীদদের কবর জিয়ারত করেন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করেন।
এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আজকে স্মৃতিময় একুশে ফেব্রুয়ারি। এদিন যারা ভাষার জন্য শাহাদাত বরণ করেছেন তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই আজিমপুর গোরস্থানে তিনজন ভাষাসৈনিকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আমরা সেই তিন শহীদসহ এখানের সব মৃতের জন্য দোয়া করেছি।’
এর আগে, রাত ১২টা ১ মিনিটের দিকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছেন জামায়াত আমিরের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এরপর ১২টা ১০ মিনিটের দিকে শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ডা. শফিকুর রহমান।
উপস্থিত ছিলেন সংসদে বিরোধী দলের হুইপ নাহিদ ইসলাম, সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, এটিএম আজহারসহ জোটের অন্য নেতারা।
রাজনীতি
গণমাধ্যমের ওপর নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে : বিরোধীদলীয় নেতা
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছে, গণমাধ্যমের ওপর ‘নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ’ করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মিরপুরে এতিমদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
দলীয় কারণে কারো ওপর যেন জুলুম না হয় সেদিকে সরকারকে নজর রাখার আহ্বান জানান শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, সরকারি দল ও বিরোধী দল মিলেমিশে দেশ চালাবে। সরকার বিরোধী দলের পরামর্শ না মানলে সংসদে কঠোর প্রতিবাদ গড়ে তোলা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
তিনি বলেন, জামায়াত কোনোভাবে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর হুমকি মেনে নেবে না।
এমএন



