জাতীয়
অবস্থা অপরিবর্তিত, হাদির দুই কিডনির কার্যক্ষমতা ফিরেছে: চিকিৎসক
দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদির অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে কার্যক্ষমতা বন্ধ হয়ে যাওয়া তাঁর দুই কিডনি আবার সচল হয়েছে। ফুসফুসের কার্যক্রমও অপরিবর্তিত রয়েছে।
আজ রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ঢাকা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক আবদুল আহাদ। এই হাসপাতালে ওসমান হাদির অস্ত্রোপচার দলে ছিলেন তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান হাদি এখন ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
চিকিৎসক আবদুল আহাদ বলেন, রবিবার দুপুরে ওসমান হাদির জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সভা হয়েছে। এর আগে ওসমান হাদির ‘রিপিট সিটি স্ক্যান’ করা হয়। পরে মেডিকেল বোর্ডের সভায় চিকিৎসকেরা এসব বিষয় জানান।
আবদুল আহাদ বলেন, ওসমান হাদির ব্রেইনের ক্ষত খুব গভীর। এখনো তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কামুক্ত নয়। লাইফ সাপোর্টের মাধ্যমে শরীরের অন্যান্য অঙ্গের কার্যকারতা চলছে।
এই চিকিৎসক ওসমান হাদির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
আবদুল আহাদ বলেন, ‘খুব এক্সপার্ট হ্যান্ডে তাঁকে (ওসমান হাদি) হেড শুট করা হয়েছে।…বুলেটটা রাইট সাইড দিয়ে ঢুকে বাঁ সাইড দিয়ে বের হয়ে গিয়েছে।’
আবদুল আহাদ জানান, ওসমান হাদির ব্রেইনের ভেতরে এখনো বুলেটের একটি অংশ থেকে গেছে। এই অংশের অবস্থান ব্রেইনের স্পর্শকাতর রক্তনালির সঙ্গে।
আবদুল আহাদ বলেন, ‘একটা অংশ বের হয়ে গেছে। অপারেশনের সময় বুলেটের একটি শেল (কাভার) অংশ ডাক্তাররা বের করেছেন। তবে আরও একটি ছোট অংশ এখনো ব্রেইনের ভেতরে থেকে গেছে। ঝুঁকি বিবেচনা করে ডাক্তাররা যদি প্রয়োজন মনে করেন, এই অংশ বের করা সম্ভব তাহলে সেটা করবেন।’
এই চিকিৎসক জানান, ওসমান হাদি এখনো নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। তবে তাঁর পরিবার বিদেশে চিকিৎসার জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা করছে; যদিও বিদেশে নেওয়ার বিষয়টি মেডিকেল বোর্ডের সম্মতি ও পরিবারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
গত শুক্রবার বেলা ২টা ২৪ মিনিটে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। পেছন থেকে অনুসরণ করে আসা একটি মোটরসাইকেল থেকে এক ব্যক্তি ব্যাটারিচালিত রিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করেন।
জাতীয়
ভোটের টানে বাড়ি ফেরার উৎসব: রেলস্টেশনে মানুষের ঢল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আর ২৪ ঘণ্টাও বাকি নেই। নিজের মত প্রকাশ ও সংসদে প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য ভোট দিতে নিজ এলাকায় ফিরতে দেশের প্রধান ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে নেমেছে মানুষের ঢল। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্টেশনের প্রতিটি প্ল্যাটফর্ম, প্রবেশপথ ও টিকিট কাউন্টারের সামনে ছিল মানুষের ঢল।
কোচের আসনের টিকিট আগেই শেষ হয়ে গেলেও যাত্রীচাপ কমেনি। অনেক ট্রেনে ভেতরে দাঁড়ানোরও জায়গা নেই। ঝুঁকি জেনেও অতিরিক্ত যাত্রীদের অনেকে ট্রেনের ছাদে উঠতে দেখা গেছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে দেখা যায়, সব টিকিট অনলাইনে বিক্রি হলেও কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন। শত শত মানুষ টিকিট না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। কেউ কেউ স্ট্যান্ডিং টিকিট পেলেও অনেকে সেটিও পাননি।
প্ল্যাটফর্মজুড়ে ছিল ভোট উপলক্ষ্যে ছুটির আনন্দ। কেউ একা, কেউ পরিবার-পরিজন নিয়ে, আবার কেউ বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করতে করতেই ট্রেনের অপেক্ষায়। ভিড় ও ভোগান্তির মধ্যেও অনেকের চোখেমুখে ছিল উৎসবের আমেজ।
স্টেশনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি)। প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের আগে যাত্রীদের ব্যাগ স্ক্যানিং, টিকিট এবং ডিজিটাল স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে স্টেশনে ঢোকানো হচ্ছে।
জামালপুর এক্সপ্রেসের যাত্রী রাশেদুল হাসান বলেন, আমি প্রথমবার ভোট দিতে যাচ্ছি। বিষয়টি আমার কাছে খুবই আনন্দের। আগে শুধু দেখেছি, এবার নিজে অংশ নিতে পারছি। তাই অনেক আগেই টিকিট কেটে রেখেছিলাম।
রংপুর এক্সপ্রেসের যাত্রী জুবায়ের রহমান বলেন, অনেক বছর পর ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। ভোট একটি উৎসবের মতো। এতদিন বঞ্চিত ছিলাম। আমরা পরিবর্তন ও দুর্নীতি-অপশাসনের বিরুদ্ধে ভোট দিতে চাই।
এদিকে সকালে সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস টঙ্গী পার হওয়ার সময় ইঞ্জিন থেকে শেষ কোচ পর্যন্ত ছাদে যাত্রী দেখা গেছে— এমন ছবি বিভিন্ন রেলওয়ে-সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপে দেখা গেছে। একই চিত্র দেখা গেছে চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেসেও।
যাত্রীচাপের বিষয়ে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপক সাজেদুল ইসলাম বলেন, গত তিনদিন ধরেই বাড়তি যাত্রীর চাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ভোট উপলক্ষ্যে দীর্ঘ ছুটি থাকায় যাত্রীসংখ্যা বেড়েছে কয়েকগুণ।
তিনি আরও বলেন, রাজশাহীগামী পদ্মা এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল করে গতকাল ও আজ ট্রেনটি চালানো হচ্ছে। আজ বুধবার ঢাকা থেকে ৪৩টি আন্তঃনগর এক্সপ্রেস এবং ২৬টি মেইল ও লোকাল কমিউটার ট্রেন চলাচল করছে।
এমএন
জাতীয়
রিটার্নিং কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছাল ৮ লাখ ৮৩ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট
আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এই নির্বাচনের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রবাসীদের জন্য চালু হওয়া পোস্টাল ব্যালট এবং অভ্যন্তরীণ পোস্টাল ভোটের একটি বিশাল অংশ ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনে পৌঁছেছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জানিয়েছেন, দেশ ও দেশের বাইরে থেকে আসা মোট ৮ লাখ ৮৩ হাজার ৩৮৭টি পোস্টাল ভোট এখন রিটার্নিং কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছেছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এতে বলা হয়েছে, প্রবাসীদের জন্য ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে ভোট দিয়ে দেশে পাঠানো হয়েছে ৪ লাখ ৮১ হাজার ১৮৫ জন। আর রিটার্নিং কর্মকর্তার হাতে পৌঁছেছে ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৪৩৬ জন।
এদিকে দেশের ভেতরে বিভিন্ন স্থানে ৭ লাখ ৬০ হাজার ৮৯৮ জনের কাছে ব্যালট পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে ভোট দিতে ব্যালট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন ৪ লাখ ৩৮ হাজার ৯৫১ জনের।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হাতে আসা ব্যালট পেপার গণনা করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
এমএন
জাতীয়
ইইউ পার্লামেন্ট প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বৈঠক
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একটি উচ্চপর্যায়ের পার্লামেন্ট প্রতিনিধিদল।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।
ইইউ মিশন জানায়, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পর্কে সরাসরি তথ্য গ্রহণের জন্য ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্যদের প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করছেন।
এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, নির্বাচনী প্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন কমিশনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
প্রসঙ্গত, জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন দীর্ঘমেয়াদি ও তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করছে। এই মিশনে ইইউ পার্লামেন্টের প্রতিনিধিরাও যুক্ত রয়েছেন।
এমএন
জাতীয়
নির্বাচনের মাঠে ৯ লাখ ১৯ হাজার ফোর্স, সেনা ১ লাখ
গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে রয়েছে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ ১৯ হাজার ৩৫০ জন সদস্য। এর মধ্যে ১ লাখ ৩ হাজার সশস্ত্র সদস্য রয়েছে সেনাবাহিনীর। এ ছাড়া ভোটের মাঠ পর্যবেক্ষণে সব বাহিনীর ড্রোন ব্যবহৃত হবে।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, ভোটে সেনাবাহিনীর ১ লাখ ৩ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নৌবাহিনীর উপকূলীয় পাঁচ জেলায় ১৭ আসনে ৫ হাজার এবং বিমান বাহিনীর ৩ হাজার ৫শ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
এ ছাড়া বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫ জন, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ৯ হাজার ৩৪৯ জন, আনসার ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৮ জন এবং বিএনসিসি’র ১ হাজার ৯২২ জন সদস্য দায়িত্বে রয়েছেন।
অন্যদিকে নির্বাচনী অপরাধের বিচার কার্যক্রম পরিচালনায় নিয়োজিত রয়েছেন ৬৫৭ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট, ১ হাজার ৪৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনী তদন্ত কমিটিতে ৩শ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। এ ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ধরনের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বিভিন্ন নির্বাচনী অপরাধে ইতোমধ্যে আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে ৪৬৮টি ঘটনায় ২৫৯টি মামলায় প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের মোট ৩২ লাখ ১৫ হাজার ৪৯০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনী তদন্ত কমিটি সংক্ষিপ্ত বিচারে আরও ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে।
ভোট পর্যবেক্ষণে নির্বাচন কমিশনের আমন্ত্রণে ৫৭ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক, স্বেচ্ছায় ৩৩৫ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং ১৫৬ জন বিদেশি সাংবাদিক ইতোমধ্যে দেশে এসেছেন। পাশাপাশি দেশীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে ৮০টি সংস্থার ৪৪ হাজার ৯৯৫ জন মাঠে থাকবেন।
এমএন
জাতীয়
নীলফামারীর চারটি আসনে ২৬৪ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ
নীলফামারীর চারটি সংসদীয় আসনে ৫৬২টি ভোটকেন্দ্রে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
এরমধ্যে ২৬৪টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বাকি কেন্দ্রগুলো সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রকে অধিকগুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে ভাগ করা হয়েছে।
এতে জেলায় অধিকগুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ৭১টি ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ১৯৩টি মিলে ২৬৪ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়। এসব কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সূত্র জানায়, ভোটার সংখ্যা বেশি, বিগত নির্বাচনের সময় অগ্নিসংযোগ বা ভাঙচুর, সীমানা প্রাচীর না থাকা, প্রার্থী বা রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাবশালী নেতার বাড়ি সংলগ্ন কেন্দ্র, দূরবর্তী ও জনবহুল এলাকাসহ বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে এসব কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ভারত সীমান্তবর্তী উত্তরাঞ্চলের নীলফামারী জেলাটি তিস্তা নদী বিধৌত ও অবাঙালি অধ্যুষিত এলাকা নিয়ে চারটি আসন রয়েছে।
এবারের নির্বাচনে এই জেলার আসনগুলোতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, খেলাফত মজলিস, জেপি, বাসদ (মার্কবাদী), বিএনএফ, ন্যাপ ও স্বতন্ত্রসহ মোট ২৭ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান জানিয়েছেন সার্বিকভাবে ভোটগ্রহণের সব প্রকার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সব বাহিনী দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব, আনসার বাহিনী কাজ করছে।
নতুন করে ২৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ পেয়েছি। চারটি জুডিসিয়াল তদন্ত টিম রয়েছে। এতে আটজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন।
তিনি জানান, অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণে প্রতিটি উপজেলায় যৌথবাহিনীর মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন ঘিরে প্রশাসনিকভাবে আমাদের সার্বিক পরিস্থিতি অনেক ভালো। যারা ভোটগ্রহণ করবেন সে সব কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
এমএন



