জাতীয়
রূপনগরে আগুনে ৯ জন নিহত
রাজধানীর মিরপুরের রূপনগরে গার্মেন্টস ও কেমিক্যাল গোডাউনে লাগা আগুনে নয়জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি দগ্ধ রয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আগুনের ঘটনায় নয়জন নিহত হয়েছেন। সদর দপ্তর থেকে একটি সার্চিং টিম পাঠানো হয়েছে ঘটনাস্থলে সার্চ করার জন্য। এই বিষয়ে এই মুহূর্তে আর বিস্তারিত তথ্য আমাদের কাছে নেই। পরে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, আগুন লাগা গার্মেন্টসের দ্বিতীয় তলা থেকে ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট বর্তমানে কাজ করছে।
এর আগে মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের কাছে আগুনের সংবাদ আসে। সংবাদ পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট ১১টা ৫৬ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
জাতীয়
সম্মানী ভাতার ফাঁদ: নিবাচর্নী কর্মকর্তাদের সতর্ক করল ইসি
আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তাদের সম্মানী ভাতার প্রলোভন দেখিয়ে একটি প্রতারক চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এই চক্রের পাতা ফাঁদে পা না দিতে সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তাকে বিশেষভাবে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সম্প্রতি ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যেভাবে চলছে প্রতারণা
ইসি জানায়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, একটি প্রতারক চক্র নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্বাচনকালীন সম্মানী দেওয়ার কথা বলে তাদের মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ/নগদ) নম্বর সংগ্রহের চেষ্টা করছে। প্রতারকরা মূলত ০১৩৪২০৪৬২৩২ ও ০১৬১২৬৭৭০৭৪ নম্বরগুলো ব্যবহার করে এসব প্রতারণামূলক ফোনকল করছে।
সংস্থাটি জানায়, ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং অফিসারদের মাধ্যমে স্ব-স্ব কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সব কর্মকর্তাকে বিধি অনুযায়ী সরাসরি নির্বাচনকালীন সম্মানী প্রদান করা হবে। এই পেমেন্ট প্রক্রিয়ার জন্য কোনো ব্যক্তি বা আলাদা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের প্রয়োজন নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা যেন এই প্রতারক চক্রের কোনো প্রলোভন বা ফোনকলে সাড়া না দেন। সরকারি পেমেন্ট প্রক্রিয়ার জন্য কোনো ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং তথ্য বা পিন (PIN) নম্বর চাওয়ার সুযোগ নেই। যদি কেউ ইসির পরিচয় দিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য চায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর পরামর্শ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এমএন
জাতীয়
ভোট পর্যবেক্ষণে ঢাকায় বিদেশি ৩৯৪ পর্যবেক্ষক ও ১৯৭ সাংবাদিক
আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে অভূতপূর্ব আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই জোড়া নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ইতোমধ্যে ঢাকা পৌঁছেছেন ৩৯৪ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং ১৯৭ জন বিদেশি সাংবাদিক।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ বিগত এক দশকের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি, যা বর্তমান সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের ওপর বিশ্ব সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, পর্যবেক্ষকদের মধ্যে ৮০ জন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি। দ্বিপক্ষীয় দেশগুলো থেকে ২৪০ জন এসেছেন, যার মধ্যে স্বতন্ত্র ইউরোপীয় পর্যবেক্ষকরাও রয়েছেন। এছাড়া ৫১ ব্যক্তি বিভিন্ন বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হয়ে নিজস্ব সক্ষমতায় ভোট পর্যবেক্ষণ করবেন।
আসন্ন নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২০২৪ সালের বিতর্কিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এর আগে একাদশ, দ্বাদশ ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা যথাক্রমে ১৫৮, ১২৫ এবং মাত্র ৪ জন ছিল।
প্রধান পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে— এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (এএনএফরেল) ২৮ জন, কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট ২৭ জন, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) ১৯ জন এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) একজন। এছাড়া ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) ও ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিজ (আইসিএপিপি) থেকে দুজন করে এবং ইউরোপিয়ান এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিস থেকে একজন প্রতিনিধি এসেছেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়াও ২১টি দেশ থেকে পর্যবেক্ষকরা এসেছেন। এর মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনস, মালয়েশিয়া, জর্ডান, তুরস্ক, ইরান, জর্জিয়া, রাশিয়া, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নাইজেরিয়া।
এছাড়া ভয়েস ফর জাস্টিস, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল, এসএনএএস আফ্রিকা, সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন ও পোলিশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের প্রতিনিধিরা ব্যক্তিগত উদ্যোগে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সমন্বয় কার্যক্রমে সহায়তাকারী জ্যেষ্ঠ সচিব ও এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ বলেন, “বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার ইতিবাচক সাড়া আমাদের উৎসাহিত করেছে। এটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থার প্রতিফলন।”
উচ্চপর্যায়ের অতিথিদের মধ্যে রয়েছেন- ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আদ্দো দানকওয়া আকুফো-আদ্দো, ভুটানের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ডেকি পেমা, বাংলাদেশে সাবেক তুর্কি রাষ্ট্রদূত মেহমেত ভাকুর এরকুল, যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসের সাবেক গভর্নমেন্ট ডেপুটি চিফ হুইপ লর্ড রিচার্ড নিউবি, মালয়েশিয়ার নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা রামলান বির হারুন এবং ইরানের পার্লামেন্ট সদস্য বেহনাম সাঈদি।
এদিকে ৫০টির বেশি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ দুই হাজারেরও বেশি প্রার্থী সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
এমএন
জাতীয়
স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ভোটগ্রহণ ও গণনা কার্যক্রম পরিচালিত হবে : সিইসি
আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ভোটগ্রহণ এবং গণনা কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন উপহার দেবে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের এক ব্রিফিংয়ে সিইসি এসব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, ১৬০ জন আন্তর্জাতিক সাংবাদিক নির্বাচন পর্যবেক্ষক করবেন। স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বরাবরই নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন অনুসারে পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করবেন। আর আপনাদের রিপোর্ট এবং প্রতিবেদন নির্বাচনের আসল তথ্য তুলে ধরবে এমনটা প্রত্যাশা।
নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করবে জানিয়ে তিনি বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ভোটগ্রহণ এবং গণনা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আর নির্বাচন কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন উপহার দেবে।
এমএন
জাতীয়
প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্য উপদেষ্টারা কে কোথায় ভোট দেবেন?
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বলে মনে করছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামীকাল (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদের ওপর অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে তার ভোট প্রদান করবেন।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদয়ন হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। একই এলাকায় অবস্থিত ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেবেন শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সিআর আবরার।
সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ রাজধানীর মিরপুর-১২ নম্বর এলাকার ই ব্লকের একটি কেন্দ্রে ভোট দেবেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার শ্যামলী শিশু মেলার কাছের একটি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন মহাখালী ডিওএইচএস এলাকার একটি স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেবেন। ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টর প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম চট্টগ্রাম মহানগরীর মেহেদীবাগ এলাকায় নিজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। তবে ধর্ম উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেন, যিনি চট্টগ্রামের ভোটার, জরুরি কাজের কারণে ঢাকায় অবস্থান করায় এবার ভোটকেন্দ্রে যেতে নাও পারেন বলে জানিয়েছেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান গুলশান-২ এর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। আর বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ধানমন্ডির একটি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারা দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
এমএন
জাতীয়
উৎস বৈধ হলে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই: ইসি সচিব
নির্বাচনকালীন সময়ে নগদ অর্থ বহনে কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, অর্থের উৎস বৈধ হলে এবং যথাযথ প্রমাণ থাকলে ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও কোনো আইনি বাধা নেই।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আখতার আহমেদ বলেন, অর্থ বৈধ হলে এবং তার উৎস ও ব্যবহার যথাযথভাবে প্রমাণ করা গেলে যত খুশি টাকা বহন করা যাবে। সোর্স ও বৈধ খাত দেখাতে পারলে ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই।
তিনি বলেন, যদি কোনো অর্থ ভোটারদের প্রভাবিত করতে ব্যবহার করা হয়, তাহলে বিষয়টি ‘নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি’ তদন্ত করবে। আর অর্থের উৎস অবৈধ হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিনকে বিপুল টাকাসহ আটক করা হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করে প্রশাসন।
নীলফামারীর পুলিশ সুপার (এসপি) শেখ জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জব্দ টাকা মেশিনে গণনা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, আটকের সময় বেলাল উদ্দিনের কাছে নগদ অর্থসহ বেশকিছু নথিপত্রও পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই চলছে।
জানা গেছে, বুধবার সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে সৈয়দপুর যান এ জামায়াত নেতা। তার সঙ্গে থাকা ব্যাগে ৫০ লাখের বেশি টাকা ছিল।
আটক করার সময় একটি ভিডিওতে বেলাল উদ্দিনকে বলতে শোনা যায়, তার বাড়ি ঠাকুরগাঁও শহরের হাজিপাড়ায়। ওই এলাকার দবিরুল ইসলামের ছেলে তিনি। এ ছাড়া ঠাকুরগাঁও শালন্দা কলেজের শিক্ষক তিনি। লাগেজে কত টাকা আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেখানে ৫০ লাখের বেশি টাকা রয়েছে। এগুলো তার গার্মেন্টস ব্যবসার টাকা।
এমএন



