রাজনীতি
দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানালেন খালেদা জিয়া

লন্ডনে চার মাস চিকিৎসা নেওয়ার পর দেশে ফিরে দেশবাসীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
মঙ্গলবার (৬ মে) দুপুরে রাজধানীর গুলশানের বাসা ফিরোজায় পৌঁছার পর দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান তিনি। খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, চিকিৎসা পরবর্তী অবস্থায় অনেকটাই সুস্থ আছেন খালেদা জিয়া। দেশবাসীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
জাহিদ হোসেন আরও বলেন, শারীরিক এবং মানসিকভাবে অনেকটা সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন ম্যাডাম খালেদা জিয়া। যদিও শারীরিক অসুস্থতার কারণে দীর্ঘ জার্নি শেষে অসংখ্য মানুষের উচ্ছ্বাস কিছুটা কষ্টকর, কিন্তু জনগণের নেত্রী জনগণের পাশে থাকাকে পছন্দ করেছেন।
তিনি বলেন, জোবাইদা রহমান ফিরেছেন, তারেক রহমানও ফিরবেন। সেদিন খুব বেশি দূরে নয়। কিছুদিন পর জোবাইদা রহমান আবারও লন্ডনে যাবেন এবং খুব সহসাই তারেক রহমানসহ দেশে ফিরে আসবেন।
এর আগে, আজ সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে কাতারের আমিরের বিশেষ বিমানে (এয়ার অ্যাম্বুলেন্স) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন খালেদা জিয়া। এ সময় বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা তাকে অভ্যর্থনা জানান।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার দুই পুত্রবধূ— জোবাইদা রহমান ও সৈয়দা শামিলা রহমানও দেশে এসেছেন। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় আসেন খালেদা জিয়া। পথে পথে তাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
এর আগে, বাংলাদেশ সময় সোমবার (৫ মে) রাতে খালেদা জিয়াকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়। এ সময় বিমানবন্দরে দলের চেয়ারপারসনকে বিদায় জানাতে যুক্তরাজ্য শাখা বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছিল।
প্রসঙ্গত, উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৮ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তার শারীরিক অসুস্থতার কথা জেনে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দিয়েছিলেন। সেটিতে করেই তিনি লন্ডনে যান। একইভাবে কাতারের আমিরের দেওয়া এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী।
কাফি
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

রাজনীতি
আ.লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে নতুন জোটের আত্মপ্রকাশ

জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যা চালানো আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে ‘জুলাই ঐক্য’ নামের জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করা হয়।
জোটটিতে ঐক্যবদ্ধ সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ, ইনকিলাব মঞ্চ, এন্টি ফ্যাসিস্ট কোয়ালিয়েশন, এলায়েন্স ফর ডেমোক্রেসি, বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ, একতার বাংলাদেশ, রক্তিম জুলাই, স্টুডেন্ট রাইট ওয়াচ ইত্যাদি। এরকম মোট ৩৫টি সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এ জোটে সংহতি প্রকাশ করে জোটবদ্ধ হয়েছে বলে জানান জোটটির নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র পাঠ করেন ঢাবির বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। বিগত সাড়ে ১৫ বছরের সফল পীড়ন, দুর্নীতি, লুটপাট ও গণতন্ত্র হরণের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ জনতার অভূতপূর্ব এক জাগরণে সংগঠিত হয় ছাত্র জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থান। এই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ছাত্র, শ্রমিক, শিক্ষক, চিকিৎসক ও সাধারণ জনগণ সম্মিলিতভাবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দাবিতে রাস্তায় নেমে আসে। এই গণঅভ্যুত্থানে জীবন দিতে হয় দুই হাজারের বেশী মানুষকে। সেই সঙ্গে আহত ও পঙ্গু হন প্রায় ৩১,০০০ মানুষ।’
মোসাদ্দেক বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও আমরা দেখছি গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচার প্রক্রিয়া এখনো অনিশ্চিত। সব থেকে বড় উদ্বেগের বিষয় এই যে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও বেসরকারি মহলের কিছু অংশ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের পাঁয়তারা চালাচ্ছে। যা একদিকে শহীদ, আহত ও পঙ্গু জনগণের আত্মত্যাগের চূড়ান্ত অপমান। একই সঙ্গে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পূনর্বাসন দেশের স্বাভাবিক গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্বপ্নকে অঙ্কুরে বিনষ্ট করার শামিল। সেই সঙ্গে জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী বিপ্লবীদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা শংকিত। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সময়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসররা বিভিন্ন দাবি তুলে জুলাইয়ে অংশ নেওয়া বিপ্লবীদেরক বিতর্কিত করতে চায়। আমরা বিষয়টি নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। এই বাস্তবতা উপলব্ধি করেই, আমরা বিভিন্ন মতাদর্শের সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলো নিয়ে ‘জুলাই ঐক্য’ নামে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতীয় জোটের ঘোষণা করছি।’
‘জুলাই ঐক্য’ জোটের মূল ও একমাত্র দাবি হচ্ছে জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারীদের সাংবিধানিক নিরাপত্তা নিশ্চিত, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সব রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও ’২৪ এর গণহত্যা, শাপলা ট্রাজেডি, পিলখানা ট্রাজেডি, গুম, খুন, দূর্নীতিসহ বিগত সাড়ে ১৫ বছরে যে সব অপকর্ম সংঘঠিত হয়েছে তার সঙ্গে জড়িত সবার বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় ক্যাম্পেইন জারি রাখা। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে জুলাই বিপ্লবের স্পিরিট ধারণকারী সব শক্তিকে নিয়ে একতাবদ্ধভাবে কাজ করবে জোটটি।
সংবাদ সম্মেলনে ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের প্রতিনিধি রাফে সালমান রিফাত বলেন, জুলাইয়ে গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগকে মাঝে মাঝে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল করতে দেখা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হলে দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। আমরা দেশের ফ্যাসিবিরোধী সব সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করব।
সংবাদ সম্মেলনে পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী বিপ্লবীদের সাংবিধানিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে আগামী ৭ মে জাতীয় প্রেস ক্লাবে মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
কাফি
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
রাজনীতি
ফিরোজায় পৌঁছেছেন খালেদা জিয়া

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় পৌঁছেছেন। দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে সেখানে পৌঁছান তিনি।
এদিকে, খালেদা জিয়াকে বরণ করে নিতে সেখানে আগে থেকেই জড়ো হন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
এর আগে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজার পথে রওয়ানা হন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। বিশেষ নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্য দিয়ে তার গাড়িবহর রওয়ানা দেয়।
মঙ্গলবার (৬ মে) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে কাতারের আমিরের পাঠানো একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তিনি ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সঙ্গে পুত্রবধূ দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান, ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমানও এলেন দেশে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
রাজনীতি
দেশে ফিরেছেন খালেদা জিয়া

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে প্রায় চার মাস চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
মঙ্গলবার (৬ মে) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে খালেদা জিয়া ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিশেষ রাজকীয় বিমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেশে এসেছেন তার দুই পুত্রবধূ—জুবাইদা রহমান ও সৈয়দা শামিলা রহমান। বিগত বছরগুলোতে শামিলা রহমান বিভিন্ন সময় দেশে অবস্থান করলেও ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর দেশত্যাগের পর এই প্রথম দেশে ফিরতে পারলেন জুবাইদা রহমান।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দলের প্রধানকে স্বাগত জানাতে এদিন ভোর থেকে বিমানবন্দর এলাকায় সড়কের দুপাশের ফুটপাতে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিমানবন্দর সড়কে জড়ো হয়েছেন। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী তারা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বনানী, খিলক্ষেত ও বিমানবন্দরের সড়কের দুপাশে অবস্থান নেন।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজা পর্যন্ত সড়কের দুপাশে অবস্থান নিয়ে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রিয় নেত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
নেতাকর্মীর অবস্থান ঘিরে গুলশালে বাসভবনের সামনে, বনানী-খিলক্ষেত সড়কে ও বিমানবন্দর এলাকায় বিপুল সংখ্যক সেনা, পুলিশ, র্যাব, এপিবিএন ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (৬ মে) বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টা ৫ মিনিটে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির দেওয়া বিশেষ রাজকীয় বিমান (অত্যাধুনিক এয়ার অ্যাম্বুলেন্স) খালেদা জিয়া ও সফরসঙ্গীদের নিয়ে দোহা বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
বাংলাদেশ সময় গতকাল সোমবার রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে খালেদা জিয়া ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিশেষ বিমানটি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর ত্যাগ করে। ওইদিন লন্ডনের বাসা থেকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই গাড়ি চালিয়ে মাকে হিথ্রো বিমানবন্দরের পৌঁছে দেন। বিমানবন্দরে দলের চেয়ারপারসনকে বিদায় জানাতে যুক্তরাজ্য শাখা বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছিল।
এদিকে, দলের চেয়ারপারসনের আগমন ঘিরে গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসভবন ‘ফিরোজা’য় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সাজসজ্জা করা হয়েছে। তার স্বাস্থ্যের জটিলতা বিবেচনায় রেখে সেখানে বিশেষ মেডিকেলের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আধুনিক ও জরুরি চিকিৎসা সুবিধাসম্পন্ন কেন্দ্রে রূপান্তর করা হয়েছে বাসভবনটি, যেন কোনো ধরনের স্বাস্থ্য সংকটে দ্রুত সাড়া দেওয়া যায়।
উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৭ জানুয়ারি রাত ১১টা ৪৬ মিনিটে লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়েন খালেদা জিয়া। পরদিন বাংলাদেশ সময় বিকেল ২টা ৫৮ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে খালেদা জিয়াকে বহনকারী রয়েল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি।
এরপর তাকে সেখান থেকে সরাসরি ‘লন্ডন ক্লিনিকে’ নিয়ে ভর্তি করা হয়। ১৭ দিনের ক্লিনিক-পর্ব শেষে ছেলে তারেক রহমানের বাসায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয় তাকে। ১১৭ দিন লন্ডনে অবস্থান শেষে দেশে ফিরেছেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
রাজনীতি
‘ভাইয়ার দিকে খেয়াল রেখো’ বলে লন্ডন ছাড়লেন খালেদা জিয়া

উন্নত চিকিৎসা শেষে যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
সোমবার (০৫ মে) হিথ্রো বিমানবন্দরে তাঁকে বিদায় জানান তাঁর বড় ছেলে তারেক রহমান এবং তাঁদের স্বজন ও দলের নেতারা। এ সময় বিদায় নিতে গিয়ে সবার উদ্দেশে প্রিয় পুত্র তারেক রহমানের দিকে খেয়াল রাখার জন্য বলেন বেগম খালেদা জিয়া।
সোমবার লন্ডন সময় বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৫ মিনিট) কাতারের আমিরের দেওয়া বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন বেগম খালেদা জিয়া। বিমানবন্দরে বিদায়বেলার আবেগঘন মুহূর্তের একটি ভিডিও ক্লিপ বিএনপি মিডিয়া সেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করেছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, বেগম খালেদা জিয়া হুইল চেয়ারে বসে আছেন। তাঁর পাশেই রয়েছেন ছেলে তারেক রহমান, পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান ও নাতনি জাইমা রহমান। এর পেছনেই আছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতারা।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, বিমানবন্দরে বিদায়বেলায় তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে কথা বলছেন। একপর্যায়ে খালেদা জিয়ার এক প্রশ্নের (কতদিন তাহলে তুমি থাকতেছো) জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি? তুমি ওঠে গেলে জাইমা চলে এলে আমি চলে যাব, বাপ-বেটি।’ এরপর খালেদা জিয়া সবাইকে আল্লাহ হাফেজ বলেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভালো থাকবে তোমরা। ভাইয়ার খেয়াল রেখো।’ পরে তিনি আবারও বলেন, ‘ভাইয়ার খেয়াল রেখো।’
এরপর ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন তারেক রহমানের সঙ্গে আলিঙ্গন করে বিদায় নেন এবং বেগম খালেদা জিয়াকে হুইল চেয়ারে করে বিমানবন্দরে প্রবেশ করেন।
কাফি
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
রাজনীতি
দেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন খালেদা জিয়া

চার মাস চিকিৎসা শেষে লন্ডন থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার সঙ্গে রয়েছেন দুই পুত্রবধূ জুবাইদা রহমান ও সৈয়দা শামিলা রহমান।
সোমবার (৫ মে) যুক্তরাজ্য স্থানীয় সময় বিকাল ৪টা ১০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ৯টা ১০ মিনিট) খালেদা জিয়াকে বহনকারী কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির দেওয়া বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সেটি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে।
পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী বিএনপি চেয়ারপারসনকে বিদায় জানাতে হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভিড় করে।
কাতারে অল্প সময়ের যাত্রাবিরতি শেষে মঙ্গলবার (৬ মে) সকাল দশটার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় উঠবেন তিনি।
এর আগে, সোমবার (৫ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে তারেক রহমান নিজ বাসা থেকে বিমানবন্দরের উদ্দেশে মা খালেদা জিয়াকে নিয়ে বের হন। যুক্তরাজ্য সময় বিকেল ৪টা ১০ মিনিট এবং বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ১০ মিনিটে কাতারের আমিরের দেওয়া বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। সঙ্গে থাকবেন দুই পুত্রবধূ ও মেডিকেল বোর্ডের সদস্যসহ ৯ জন।
গত ৮ জানুয়ারি কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পাঠানো রাজকীয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। চার মাস পরে আবার সেই বাহনেই দেশে ফিরছেন তিনি।
এদিকে তার আগমন উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বিএনপি। দলীয় নেতাকর্মীদের সুশৃঙ্খলভাবে বিএনপি নেত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
কাফি