অর্থনীতি
প্রকৃত রিজার্ভ ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো

বাংলাদেশ ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার মোট মজুত বা রিজার্ভ ২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ৪১ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৭৪১ কোটি ডলার। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, রিজার্ভ বেড়ে হয়েছে ২২ দশমিক শূন্য ৪ বিলিয়ন ডলার বা ২ হাজার ২০৪ কোটি ডলার। আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এর আগে ২০২৩ সালের আগস্টে রিজার্ভ এখন যে রিজার্ভ আছে, এর সমান ছিল।
২০২৪ সালের ৩১ জুলাই আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সপ্তাহে মোট রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার। তখন বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। ফলে মোট রিজার্ভ ও নিট রিজার্ভ—উভয়ই বাড়ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, এর আগে ১৪ এপ্রিল রিজার্ভ বেড়ে হয় ২৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৬৩৯ কোটি ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, রিজার্ভ বেড়ে হয় ২১ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার বা ২ হাজার ১১১ কোটি ডলার।
প্রবাসীদের পাঠানো আয় আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বাড়ছে। গত মার্চ মাসে ৩২৯ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় আসে; এক মাসের হিসাবে যেকোনো সময়ের চেয়ে এটি বেশি। আর চলতি মাসের ২৬ দিনে এসেছে ২২৭ কোটি ডলার। ফলে ব্যাংকগুলো উদ্বৃত্ত ডলার বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বিক্রি করছে। ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনলে আর বিদেশি ঋণ ও অনুদান এলেই রিজার্ভ বাড়ে। এতে বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।
রিজার্ভ বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈদেশিক লেনদেনের ওপর চাপ কমেছে। ডলারের দাম না বেড়ে ১২২ টাকায় অনেক দিন ধরে স্থির আছে। পাশাপাশি অনেক ব্যাংক এখন গ্রাহকদের চাহিদামতো ঋণপত্র খুলতে পারছে। ফলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক।
২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে ডলার নিয়ে দুশ্চিন্তা শুরু হয়। ৮৫ টাকার ডলার বেড়ে ১২৮ টাকা পর্যন্ত ওঠে। সরকার পরিবর্তনের পর নানা উদ্যোগের কারণে প্রবাসী আয় বেড়েছে। পাশাপাশি ডলারের দাম বাড়ছে না। এতে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অনেকটা স্বস্তি ফিরেছে। ২০২২ সালের আগের পরিস্থিতিতে ফিরে গেছে অনেক ব্যাংক।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি
এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ আজ

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম মে মাসে বাড়ছে নাকি কমছে, তা জানা যাবে আজ। রবিবার (৪ মে) বিকেলে এক মাসের জন্য এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করা হবে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সৌদি আরামকো ঘোষিত মে (২০২৫) মাসের সৌদি সিপি অনুযায়ী এই মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির মূল্য সমন্বয় সম্পর্কে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের নির্দেশনা রোববার বিকেল ৪টায় ঘোষণা করা হবে।
এর আগে গত ৬ এপ্রিল দেশে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রেখে নির্দেশনা জারি করে বিইআরসি। আর গত ৩ মার্চ সেই মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৮ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া ফেব্রুয়ারিতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৯ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৪৭৮ টাকা।
আর জানুয়ারি মাসের শুরুতে সেই মাসের জন্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল এলপিজির দাম। তবে গত ১৪ জানুয়ারি এই মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৫৯ টাকা পুনঃনির্ধারণ করা হয়।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
অর্থনীতি
সোনার দাম আরও কমল ৩ হাজার ৫৭০ টাকা

স্বর্ণালঙ্কার কিনতে আগ্রহী ক্রেতাদের জন্য ফের সুখবর! বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম আরেক দফায় কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
শনিবার (৩ মে) সন্ধ্যায় বাজুস এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ৩ হাজার ৫৭০ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৯৭৬ টাকা। এই নতুন মূল্য রবিবার (৪ মে) থেকে কার্যকর হবে।
বাজুস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সোনার এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে, গত ২৩ এপ্রিল বাজুস সোনার দাম ভরিতে ৫ হাজার ৩৪২ টাকা কমিয়েছিল। সেই সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ টাকা।
সোনার দামের এই ধারাবাহিক পতনে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
অর্থনীতি
শর্তের বেড়াজালে বন্দী নয় বাংলাদেশ: আইএমএফকে আনিসুজ্জামানের

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) যদি ঋণের কিস্তি ছাড় করতে অতিরিক্ত শর্ত আরোপ করে, তবে বাংলাদেশ সেই পথ থেকে সরে আসতে দ্বিধা করবে না। শনিবার (৩ মে) রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে বাজেট বিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আইএমএফ ঋণের অর্থ ছাড় করতে বেশি শর্ত দিলে বাংলাদেশ সরে আসবে। কারণ সংস্থাটির সব শর্ত মানলে অর্থনীতি আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।” অর্থাৎ, দেশের অর্থনীতির স্বার্থে, কোনো আপস নয়।
বাংলাদেশের সামনে এখন এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। আগামী বছরই স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের চূড়ান্ত স্বীকৃতি লাভ করবে দেশটি। এই প্রেক্ষাপটে, কৃষি অর্থনীতিবিদরা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে কৃষিতে বরাদ্দ বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন। পোল্ট্রি ফিড তৈরির কাঁচামাল আমদানিতে ভ্যাট শুল্ক কমানো এবং খামারিদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও প্রণোদনার সুপারিশও তাদের বক্তব্যে উঠে এসেছে।
উল্লেখ্য, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমতে থাকায় ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফের সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি করে বাংলাদেশ। এরপর তিনটি কিস্তিতে কিছু অর্থ ছাড়ও করা হয়েছে। তবে, চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
আনিসুজ্জামানের এই মন্তব্য, আইএমএফের শর্তের বেড়াজালে আবদ্ধ না হয়ে, নিজেদের অর্থনীতির স্বার্থে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থানের প্রতিফলন ঘটায়।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
অর্থনীতি
পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরানোর উদ্যোগ নিন: পলি

পুঁজিবাজারের ওপর আস্থা ফেরাতে উদ্যোগ গ্রহণে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রংপুর উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আনোয়ারা ফেরদৌসী পলি।
বুধবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এফবিসিসিআইয়ের পরামর্শক কমিটির ৪৫তম সভায় এই আহ্বান জানান তিনি।
আনোয়ারা ফেরদৌসী পলি বলেন, উদ্যোক্তাদের যাতে মূলধন সংগ্রহের জন্য শুধু ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে না হয়, সে জন্য পুঁজিবাজারের ওপর আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় নীতি-সহায়তা দিন। এ বিষয়ে প্রস্তাব রাখছি।
তিনি আরো বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগে এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে হলে সুদের হার স্থিতিশীল রাখতে হবে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
অর্থনীতি
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড়পতন

বিশ্ববাজারে সোনার দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বড় উত্থানের পর বড় দরপতন দেখা যাচ্ছে। হু হু করে দাম বেড়ে গত ২২ এপ্রিল বিশ্ববাজারে প্রথমবার প্রতি আউন্স সোনার দাম ৩ হাজার ৪৯৪ ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করে। সর্বোচ্চ দামের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়। এই বড় উত্থানের পর এখন সোনার বড় দরপতন দেখা যাচ্ছে। গত ৯ দিনে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ৩০০ ডলার কমে গেছে।
ট্রাম্প প্রতিটি দেশের জন্য পৃথক শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেবেন এমন আশঙ্কায় কয়েক দফায় বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে মার্চের শেষের দিকে প্রথমবার প্রতি আউন্স সোনার দাম ৩ হাজার ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। তবে ট্রাম্প শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিলে সোনার দামে বড় পতন হয়।
এরপর চীন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করলে যুক্তরাষ্ট্র চীনের ওপর শুল্ক আরও বাড়ায়। দুই দেশের এই শুল্ক যুদ্ধের মধ্যে আবারও হু হু করে বাড়ে সোনার দাম। ১১ এপ্রিল প্রথমবার প্রতি আউন্স সোনার দাম ৩ হাজার ২০০ ডলারের স্পর্শ করে। অবশ্য এখানেই থেমে থাকেনি সোনার দাম বাড়ার প্রবণতা। দফায় দফায় দাম বেড়ে ২২ এপ্রিল প্রতি আউন্স সোনার দাম ৩ হাজার ৪৯৪ ডলারে উঠে যায়। এটাই বিশ্ববাজারে এখনো পর্যন্ত সোনার সর্বোচ্চ দাম।
এই রেকর্ড দাম হওয়ার পরই পতনের মধ্যে পড়ে সোনা। একদিনের মধ্যে প্রতি আউন্স সোনার দাম ২০০ ডলার পর্যন্ত কমে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর কয়েক দফা সোনার দাম বাড়ার ইঙ্গিত দিলেও শেষ পর্যন্ত পতন প্রবণতায় দেখা যায়। ২২ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া সোনার দাম কমার প্রবণতা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
এ প্রতিবেদন লেখার সময় (বাংলাদেশ সময় ১ মে, বিকেল ৬টা) প্রতি আউন্স সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২০৭ ডলার। এতে আজই প্রতি আউন্স সোনার দাম ৬৫ ডলার কমে গেছে। আর ২২ এপ্রিলের রেকর্ড দামের সঙ্গে তুলনা করলে ৯ দিনের ব্যবধানে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমেছে ২৯০ ডলার।
এদিকে বিশ্ববাজারে সোনার দামে অস্থিরতা দেখা দেওয়ায় সম্প্রতি দেশের বাজারেও কয়েক দফায় সোনার দাম বাড়ানো এবং কমানোর ঘটনা ঘটেছে। দেশের বাজারে সোনার সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণের ১৬ ঘণ্টার পর ২৩ এপ্রিল দেশের বাজারে সোনার দাম কিছুটা কমানো হয়।
বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৩ এপ্রিল বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৫ হাজার ৩৪২ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ১০৯ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৪১ হাজার ১৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৩ হাজার ৭৩২ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৮০ টাকা। বর্তমানে দেশের বাজারে এই দামেই সোনা বিক্রি হচ্ছে।
এর আগে ২২ এপ্রিল ঘোষণা দিয়ে ২৩ এপ্রিল থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৫ হাজার ৩৪২ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৮৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ১০৯ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৩ হাজার ৭৩২ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ২০ হাজার ৫১২ টাকা। এটি এখনো পর্যন্ত দেশের বাজারে সোনার সর্বোচ্চ দাম। শুধু ২৩ এপ্রিল সকাল থেকে বিকাল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।
এদিকে দেশের বাজার সর্বশেষ সোনার দাম নির্ধারণের পর বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ১০০ ডলারের ওপরে কমে গেছে। ফলে দেশের বাজারে যে কোনো সময় আবারও সোনার দাম কমতে পারে।
এবিষয়ে বাজুসের এক সদস্য বলেন, সোনার দাম এখন অনুমান করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে সোনার দাম হুট হাট বাড়ছে এবং কমছে। সোনার দামে এতো অস্থিরতা সাধারণত দেখা যায়। ৯ দিনের মধ্যে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম তিন’শ ডলারের মতো কমে গেছে। বিশ্ববাজারে দাম কমায় দেশের বাজারেও দাম কমানো হয়েছে। তবে গত দুই দিনে প্রতি আউন্স সোনার দাম দেড়’শ ডলারের মতো কমেছে। ফলে দেশের বাজারেও যে কোনো সময় সোনার দাম কমতে পারে।