ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
মানবতার ও মুসলিমের শত্রু ইসরায়েল: ইবি উপাচার্য

ইসরায়েল মানবতার শত্রু, তারা মুসলিমের শত্রু। মুমিনদের কাজ হলো সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়া, প্রতিবাদ করা বলে মন্তব্য করেছেন কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।
তিনি বলেন, আমরা আজ নির্বাক, আমরা হতবাক, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েল যেভাবে গণহত্যা চালাচ্ছে তাতে আমরা নির্বাক। এই হত্যায় ছাত্র সমাজ, সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করছে কিন্তু কোনো রাষ্ট্র নায়ক প্রতিবাদ করছে না। আমরা কনডেম করছি আরব বিশ্ব কোনো কথা বলছে না, ইসরায়েল মানবতার শত্রু, তারা মুসলিমের শত্রু। মুমিনদের কাজ হলো সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়া, প্রতিবাদ করা।
বুধবার (৯ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্বঘোষিত সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ক্রাক ডাউন ইসরায়েল। মানবতার শত্রু ইসরায়েলকে ক্রাস ডাউন করতে হবে। ফিলিস্তিনের ভূখন্ড ফিরিয়ে দিতে হবে এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সারাজীবন লড়াই করার জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।
বুধবার পূর্বঘোষিত নির্দেশনা অনুযায়ী দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক দোয়া মাহফিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, ক্রিয়াশীল সকল ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকল স্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। তারা একাত্মতা প্রকাশ করেন নির্যাতিত ফিলিস্তিনি জনগণের সাথে এবং অবিলম্বে গণহত্যা বন্ধে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান জানান।
শাট ডাউন কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ইসরায়েল যেভাবে নির্বিচারে গণহত্যা করছে আমরা তাদের জন্য বদদোয়া করবো, মনে মনে ঘৃণা করবো, নফল নামাজ পড়ে দোয়া করবো যেন আল্লাহ তাদের রক্ষা করে এবং ইসরায়েলকে ধ্বংস করে দেন।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড এম এয়াকুব আলী বলেন, ফিলিস্তিনের গাজায়, রাফায় ইহুদিবাদি ইসরায়েল যে নির্বিচার গণহত্যা চালাচ্ছে তার প্রতিবাদে মুসলিম এবং অমুসলিম দেশগুলোতে প্রতিবাদ হয়েছে। জেলা উপজেলা এবং গ্রামেও প্রতিবাদ হয়েছে। যদি আরব বিশ্বের শক্তিশালী নেতারা সক্রিয় হতো তাহলে গাজায় এভাবে গণহত্যা হতো না। ওআইসি, আরবলীগ সহ সকল আরব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এসব উগ্রবাদী, ইহুদিবাদী সরকার ধ্বংস করে দেওয়ার অনুরোধ জানান। আমরা শেষ রক্তবিন্দু অবধি ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলে যাবো।
অপরদিকে, সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন গ্রীন ফোরাম, ইউট্যাব, জিয়া পরিষদ’সহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেন।
অর্থসংবাদ/সাকিব/এসএম

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
চবি ক্যাম্পাস থমথমে, রোববারের সব পরীক্ষা স্থগিত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মধ্যরাতেই শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (৩১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টা থেকে ভোর ৩টা ২০ মিনিট পর্যন্ত চলা এ সংঘর্ষে অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ২১ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেইট সংলগ্ন একটি আবাসিক ভবনের ভাড়াটিয়া এক ছাত্রীর সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীর বাকবিতণ্ডা থেকে। রাত ১১টার দিকে বাসায় ফেরার সময় প্রহরীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির পর ছাত্রীকে মারধর করা হয়। সহপাঠীদের খবর পাওয়ার পর তারা সেখানে গেলে স্থানীয়রা নিরাপত্তারক্ষীর পাশে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর আক্রমণ চালায়। দুই পক্ষই ইট-পাটকেল ও লাঠি ব্যবহার করে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে ওঠে।
রাত সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মো. হায়দার আরিফ ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সবাইকে সতর্ক করেছেন। তিনি জানান, “দুই নম্বরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষে প্রচুর শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। সহকারী প্রক্টর কুরবান আলী, নাজমুল স্যার ও নিরাপত্তা প্রধান রহিম ভাই আহত হয়েছেন। নিরাপত্তা বাহিনীর অনেকেই আহত। প্রক্টোরিয়াল বডি, পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়ি ভায়চুর করা হয়েছে।”
উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন বলেন, “রাতে একটি আবাসিক ভবনের দারোয়ান আমাদের এক ছাত্রীর গায়ে হাত তোলে। শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলে গ্রামবাসী তাদের ওপর আক্রমণ চালায়। পর্যাপ্ত পুলিশ আমরা ঘটনাস্থলে পাইনি। র্যাবের সাথে যোগাযোগ করেও তারা উপস্থিত হননি। শেষ পর্যন্ত সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।”
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবু তৈয়ব জানান, “রাতে অন্তত ৬০ জন আহত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর অবস্থার শিক্ষার্থীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”
এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রোববারের সব পরীক্ষার কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছে। ক্যাম্পাসে শান্তি ফিরিয়ে আনতে প্রশাসন, প্রক্টোরিয়াল বডি ও সেনাবাহিনী একযোগে কাজ করছে। শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভের মাধ্যমে প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের এই সংঘর্ষ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, প্রশাসনিক তদারকি ও স্থানীয়দের সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছে।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
মধ্যরাতে চবি শিক্ষার্থী-স্থানীয়দের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) এক ছাত্রীকে হেনস্থার জেরে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় ঘটনার সূত্রপাত হয়।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী রাতে দেরিতে বাসায় ফেরায় দরজা বন্ধ রাখেন দারোয়ান। পরে বাসায় থাকা আরও কিছু ছাত্রী এসে দরজা খোলার জন্য জোর করলে দারোয়ানের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ওই ছাত্রীর গায়ে হাত তোলেন দারোয়ান।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, আমি রাত ১১টা ২০ মিনিটে বাসায় আসি, তখন গেট লাগানো ছিল। আমি অনেকক্ষণ ধরে ডাকছিলাম গেট খোলার জন্য। কিন্তু দারোয়ান গেট খুলছিলেন না। একপর্যায়ে যখন আমার রুমমেটরা দরজা খুলতে তাকে বাধ্য করলেন, তখন তিনি আমার ওপর চড়াও হন। আমাকে মারধর করেন, আমার গায়ে হাত তোলেন।
ঘটনা জানাজানি হলে শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে আসেন। দারোয়ানকে ধরতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা ধাওয়া করলে স্থানীয়রা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে ইট–পাটকেল মারতে শুরু করেন। পরে পরিস্থিতি সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নেয়। রাত ৩টার পরে ক্যাম্পাসে সেনাবাহিনী প্রবেশ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে।
চবি প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ বলেন, আমাদের দুইজন সহকারী প্রক্টরসহ নিরাপত্তা কর্মী এবং অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা নিচ্ছি আমরা।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ডাকসু নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করছে মোবাইল জার্নালিজম: উমামা

ডিজিটাল মোবাইল জার্নালিজম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) পুরো নির্বাচনের পরিবেশকে নষ্ট করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ডাকসু নির্বাচনের স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী (সহসভাপতি) উমামা ফাতেমা।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ অভিযোগ তোলেন।
উমামা ফাতেমা লিখেছেন, ক্যাম্পাসের ডাকসু নির্বাচনে ডিজিটাল মোবাইল জার্নালিজম পুরো নির্বাচনের পরিবেশকে নষ্ট করছে। প্রার্থীদের সঙ্গে ভোটারদের কথা বলার সহজ স্বাভাবিক প্রসেসকে কঠিন করে দিচ্ছে। প্রার্থীদের পেছনে প্রতিটা পদক্ষেপ ভিডিও করতে থাকা কতটা সমীচীন দেখায় সেটা আমার প্রশ্ন!
তিনি আরও লিখেছেন, বারবার নিষেধ করার পরও সাংবাদিকদের এ ধরনের নীতি বহির্ভূত কার্যক্রম থামানো যাচ্ছে না। ব্যক্তির কনসেন্টের বাইরে গিয়ে ভিডিও করা, ক্রপ করে ভিডিও ভিন্ন এঙ্গেলে প্রদর্শন করার কাজ থামানো যায় না।
সবশেষে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের এই ভিপি প্রার্থী লিখেছেন, সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ থাকবে আপনারা প্রার্থী ও ভোটারের প্রাইভেসি মেনে চলুন। ভোটার ও প্রার্থীর সম্মতির বাইরে অযাচিতভাবে ভিডিও করে ভোটের পরিবেশটা নষ্ট করবেন না।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি করেছে সরকার। এতে আগের কোটা পদ্ধতি বাতিল করে ৭ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে। এছাড়া নারীদের জন্য কোটাও বাতিল করা হয়েছে।
একই সঙ্গে সংগীত এবং শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। পাশাপাশি বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের জন্য ২০ শতাংশ এবং অন্যান্য বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের জন্য ৮০ শতাংশ পদ রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিধিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা।
এর আগের বিধিমালা অনুযায়ী- সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নারীদের জন্য ৬০ শতাংশ কোটা ছিল। বাকি ৪০ শতাংশের মধ্যে ২০ শতাংশ পোষ্য এবং ২০ শতাংশ পুরুষ কোটা ছিল।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ বিধিমালা ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ নামে অভিহিত হবে। বিধিমালার অধীনে সরাসরি ও পদোন্নতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করা যাবে।
বিধিমালার বিশেষ বিধান হিসেবে বলা হয়েছে, অন্য কোনো বিধি বা সরকারি সিদ্ধান্তে যা কিছুই উল্লেখ থাকুক না কেন, শিক্ষক নিয়োগ উপজেলা ও ক্ষেত্রবিশেষে থানাভিত্তিক হবে।
নতুন এ বিধিমালার অধীন সরাসরি নিয়োগযোগ্য ৯৩ শতাংশ পদ মেধাভিত্তিক এবং ৭ শতাংশ কোটা রাখা হবে। ৭ শতাংশ কোটার মধ্যে ৫ শতাংশ পদ বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
এছাড়া ১ শতাংশ পদ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রার্থী এবং ১ শতাংশ পদে শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হবে। তবে কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোতে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে।
নতুন বিধিমালায় বলা হয়েছে, অবিলম্বে এ বিধিমালা কার্যকর হবে। আর ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ কার্যকর হওয়ার পর আগের বিধিমালা, অর্থাৎ ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯’ রহিত বলে বিবেচিত হবে।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
দেশের সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা

তিন দফা দাবি আদায়ে আন্দোলনরত প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দেশের সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। তবে জনদুর্ভোগ এড়াতে শাহবাগ অবরোধ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।
বুধবার (২৭ আগস্ট) শিক্ষার্থীদের পক্ষে প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সাকিবুল হক লিপু এই কর্মসূচি ঘোষণা করে বলেন, আগামীকাল দেশের সকল প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা সব বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
জনদুর্ভোগ হয় এমন কর্মসূচি এড়িয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমাদের ৩ দফা দাবির কোনোটাই পূরণ হয়নি। পলিসি মেকার যারা বসে আছেন তারা কেউ আমাদের আন্দোলনের বিষয় সম্পর্কে কিছুই জানে না। এ সময় চার উপদেষ্টা ও ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটিতে শিক্ষার্থীদের মনোনীত সদস্য যোগ দেবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে, তিন দফা দাবিতে পূর্বঘোষিত ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেওয়া প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনার দিকে রওয়ানা হলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে সন্ধ্যায় প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন রেলপথ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
শিক্ষার্থীদের দাবি, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের নামের আগে প্রকৌশলী লিখতে না দেওয়া, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের কাউকে পদোন্নতি দিয়ে নবম গ্রেডে উন্নীত না করা এবং দশম গ্রেডের চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে স্নাতক প্রকৌশলীদের সুযোগ দেওয়া।