কর্পোরেট সংবাদ
প্রয়াত সাংবাদিকদের সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি দিলো এনআরবিসি ব্যাংক-ডিআরইউ

প্রয়াত সাংবাদিকদের সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য শিক্ষাবৃত্তি দিয়েছে এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। ডিআরইউয়ের প্রয়াত ৩০ সদস্যের সন্তানদের পরিবার প্রতি মাসিক ৩ হাজার টাকা হারে বার্ষিক
৩৬ হাজার টাকা বৃত্তি প্রদান করা হবে।
শনিবার (২৩ নভেম্বর) ডিআরইউ মিলনায়তনে বৃত্তি প্রাপ্তদের মাঝে বৃত্তির চেক হস্তান্তর করেন প্রধান অতিথি বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
এসময় এনআরবিসি ব্যাংকের পরিচালক ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান একেএম মোস্তাফিজুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. রবিউল ইসলাম, ডিআরইউ সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, সাধারণ সম্পাদক মহি উদ্দিন, কল্যাণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান (মিজান রহমান) প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, আসন্ন রমজান উপলক্ষে খাদ্যদ্রব্যসহ জিনিসপত্রের দাম সর্বোচ্চ সহনীয় করার চেষ্টা করব আমরা। আমি জানি আপনারা অনেক কষ্টে আছেন। তবে এটাও বলতে চাই যে-আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে পেঁয়াজ, চিনি এবং তেলের দাম কিছুটা কমে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের জাতীয় মসজিদের খতিব পালিয়ে গেছেন, এমন একটি পরিস্থিতিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আজকের এই সরকার গঠিত হয়েছে। আমাদের উদ্দেশ্য একটি মর্যাদাপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসির পরিচালক ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান একেএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ব্যাংকিং খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম শক্তি। সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে দেশের ব্যাংকিং খাত তথা পুরো অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে। এনআরবিসি ব্যাংক আপনাদের সামগ্রিক সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কাজে সার্বক্ষনিকভাবে পাশে থাকবে।
এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও ( চলতি দায়িত্ব) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, প্রথাগত ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক অনেক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে এনআরবিসি ব্যাংক। ডিআরইউ’র এ ধরণের বৃত্তিমূলক কাজে সবসময় আমরা পাশে থাকবো। এ বছর আমরা ৩০জনকে সর্বমোট প্রায় ১১ লাখ টাকা বৃত্তি প্রদান করছি। প্রতিমাসে তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এই অর্থ প্রদান করা হবে।
এসএম

কর্পোরেট সংবাদ
বিকাশ-বিজ্ঞানচিন্তার আয়োজনে বিজ্ঞান উৎসবের ৩য় আসর শুরু

সারাদেশের স্কুল শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান চর্চা ও গবেষণায় উৎসাহী করতে বিকাশ এবং বিজ্ঞান ভিত্তিক মাসিক পত্রিকা বিজ্ঞানচিন্তার আয়োজনে শুরু হলো দেশব্যাপী ‘বিকাশ-বিজ্ঞানচিন্তা বিজ্ঞান উৎসব’-এর তৃতীয় আসর।
রাজধানীর মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে ঢাকার প্রায় ১২০টির ও বেশি স্কুলের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ও গবেষণাধর্মী প্রকল্প প্রদর্শন, কুইজ ও আলোচনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদ্বোধন হলো এবারের বিজ্ঞান উৎসব। রোবট ‘ওয়াল.ই’-এর উদ্বোধন ঘোষণার মাধ্যমে শুরু হয় এবারের আয়োজন।
পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেট বিভাগে আঞ্চলিক পর্ব শেষে ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে চূড়ান্ত পর্বের আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিজ্ঞান উৎসব।
ছোটবেলা থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানমনষ্কতা তৈরি করে বিশ্বের জ্ঞান ও প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলার উপযোগী করার লক্ষ্যেই এ উৎসবের আয়োজন। দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত গত দুই উৎসবে ৮৫০ টি স্কুলের ২০ হাজারের বেশি প্রতিযোগী ৬০০ টি বিজ্ঞান বিষয়ক উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে। এছাড়া প্রায় ৪৩০০ শিক্ষার্থী কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। পাশাপাশি, বিপুল সংখ্যক অভিভাবক, শিক্ষক ও দর্শনার্থীরা এই আয়োজনগুলোতে স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
গতকাল (শনিবার) সকালে এই উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ, বিকাশের চিফ এক্সটার্নাল অ্যান্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মেজর জেনারেল শেখ মো. মনিরুল ইসলাম (অবঃ), মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফারজানা শাকিল, বিজ্ঞান চিন্তার সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম, কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক, ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ফিজিক্যাল সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক আরশাদ মোমেন, রম্য লেখক ও কার্টুনিস্ট আহসান হাবিব, বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার, বিজ্ঞান বক্তা আসিফ, বিকাশের ইভিপি ও হেড অব রেগুলেটরি অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স হুমায়ুন কবির ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট সায়মা আহসান, বিজ্ঞানচিন্তার নির্বাহী সম্পাদক আবুল বাসার সহ অনেকে।
শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান শিক্ষা ও চর্চায় আগ্রহী করার লক্ষ্যে আয়েজিত এই উৎসবের উদ্বোধনী পর্বে ঢাকার প্রায় ১২০টির ও বেশি স্কুলের শিক্ষার্থীরা দলগতভাবে ‘অ্যাডভান্স মার্স রোভার, ‘সাসটেইনেবল ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন’, ‘অ্যাকুয়াফ্লাক্স’, ‘লাইফাই’ এর মতো ১৫০টির বেশি প্রকল্প উপস্থাপন করে। প্রকল্প উপস্থাপনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা কুইজ পর্বেও অংশগ্রহণ করে। বিজ্ঞান প্রকল্পের সেরা ১৭টি প্রকল্পকে পুরস্কৃত করা হয়। পাশাপাশি, কুইজে অংশগ্রহণকারী নিম্ন মাধ্যমিকে সেরা ১৭ বিজয়ী ও মাধ্যমিকে সেরা ১৫ বিজয়ীকে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরিবেশ-বান্ধব অ্যাপ বানানোর প্রকল্প বানিয়ে সেরা হন সেন্ট জোসেফ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র রাইয়িন আল রাদ।
বিভাগীয় পর্যায়ে বিজ্ঞান প্রকল্পে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের নিয়ে পরবর্তীতে ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে চূড়ান্ত বিজ্ঞান উৎসব আয়োজন করা হবে। সারাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে চূড়ান্ত পর্বে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাড়তি চমক হিসেবে ছিলো বিজ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন স্টল, রোবটিক্স প্রদর্শনী, বিজ্ঞান ম্যাজিক, লেখক, গণিতবিদ, বিজ্ঞান বক্তাদের বক্তব্য ও শিক্ষার্থীদের প্রশ্নোত্তর পর্ব, সংগীতানুষ্ঠান এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
কর্পোরেট সংবাদ
হজযাত্রীদের সেবায় ইউসিবির হজ এজেন্সি সম্মেলন

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) হজ এজেন্সি সম্মেলনের আয়োজন করেছে। হজযাত্রীদের আরও উন্নত ও সহজসাধ্য সেবা নিশ্চিত করতে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সম্প্রতি সিলেটের একটি হোটেলে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউসিবির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল আলম ফেরদৌস।
এসময় তিনি বলেন, হজযাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী উদ্ভাবনী আর্থিক সমাধান ও সর্বোত্তম সেবা প্রদানে ইউসিবি সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন হজ এজেন্সীজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সিলেট জোনাল কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল হক, সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল কাদিরসহ ইউসিবি ও হাব-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সিলেট অঞ্চলসহ ইউসিবির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্থানীয় শীর্ষস্থানীয় হজ এজেন্সিগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণে এই সম্মেলন পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়। অংশগ্রহণকারীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে হজযাত্রীরা আরও উন্নত, নিরাপদ ও মানসম্মত সেবা পাবেন।
কর্পোরেট সংবাদ
‘দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক’ পেলো পরিবেশযোদ্ধা ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিবেশ শিক্ষা এবং পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখায় চারজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক ২০২৪’ প্রদানের মাধ্যমে সম্মাননা দিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। সহযোগিতায় ছিলো পরিবেশবাদী সংগঠন ‘তরুপল্লব’।
গত ৩০ আগস্ট বাংলা একাডেমিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নূরুন নাহার।
খ্যাতনামা প্রকৃতিবিদ ও উদ্ভিদবিজ্ঞানী অধ্যাপক দ্বিজেন শর্মা, যাঁর জীবন ও কাজ অসংখ্য মানুষকে প্রকৃতি রক্ষায় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে, তাঁর স্মৃতিতে সম্মান জানিয়ে এই পদক চালু করা হয়েছে।
বাংলা একাডেমির জীবন সদস্য ও নটরডেম কলেজের সাবেক শিক্ষক মিজানুর রহমান ভূঁইয়াকে সম্মাননা জানানো হয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও পরিবেশ শিক্ষায় তাঁর চার দশকেরও বেশি সময় ধরে করা কাজের জন্য। পরিবেশ রক্ষায় তিনি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি পরিবেশবিষয়ক পত্রিকা প্রকাশ করেছেন এবং হাজারো শিক্ষার্থীকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, যারা বর্তমানে পরিবেশ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
সূচিশিল্পী ও উদ্যানপ্রেমী মো. আমিনুল ইসলাম, ১৫ বিঘা জমি জুড়ে ‘গাছবাড়ি’ উদ্যান গড়ে তোলার জন্য ‘বৃক্ষসখা’ সম্মাননা পেয়েছেন। তাঁর গড়ে তোলা উদ্যানে প্রায় ১০ হাজার গাছপালার পাশাপাশি ২৫০ প্রজাতির দুর্লভ ও অনন্য গড়ন ও গঠনের গাছ রয়েছে। তিনি শিক্ষার সঙ্গে বাগানবিদ্যা ও বন্যপ্রাণী পরিচর্যার সমন্বয় ঘটিয়েছেন।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের মস্তাননগরে অবস্থিত ‘প্রজেক্ট সোনাপাহাড়’-কে সম্মাননা দেওয়া হয় বাংলাদেশের প্রথম প্রাইভেট ‘মিয়াওয়াকি’ বন গড়ে তোলার জন্য। জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের প্রভাব মোকাবেলায় এই বন অনন্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
এছাড়াও, রাঙামাটিতে কমিউনিটি-ভিত্তিক পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করার জন্য পদক জিতেছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা। তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে ৮৭,৫০০টিরও বেশি পাখিবান্ধব চারা বিতরণের পাশাপাশি সড়কের পাশে হাজারো বৃক্ষ রোপণ করেছেন। সওজ লেক ভিউ গার্ডেনসহ বিভিন্ন পরিবেশবান্ধব পর্যটন উদ্যোগও তাঁরই নেওয়া।
ব্র্যাক ব্যাংক ও তরুবপল্লব-এর এমন উদ্যোগ নিয়ে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আজকের অনুষ্ঠানে সম্মাননাজয়ী প্রত্যেক ব্যক্তি তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। তাঁদের কাজ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় বন, নদী, বন্যপ্রাণী তথা পরিবেশ রক্ষা কারো একক দায়িত্ব নয়, বরং এই পৃথিবীতে টিকে থাকার লড়াইয়ে এটি আমাদের সকলেরই দায়িত্ব। এই অনুকরণীয় ব্যক্তিদের দেওয়া সম্মাননা টেকসই উন্নয়নযাত্রায় পরিবেশ রক্ষাই যে মূল শক্তি, তার-ই উদাহরণ।
বিশেষ অতিথি নূরুন নাহার বলেন, এই পরিবেশ হিরোরা দেখিয়েছেন, টেকসই উন্নয়নের শুরু আসলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ব্যক্তির হাত ধরেই। তাঁদের কর্মকাণ্ড এমন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখাচ্ছে, যেখানে উন্নয়ন আর প্রকৃতি থাকবে পাশাপাশি।
ব্র্যাক ব্যাংকের ভাইস-চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন বলেন, এই পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিরা বাংলাদেশকে ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক তাঁদের নিরলস কাজের এক অসামান্য স্বীকৃতি এবং সমাজে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে আমার বিশ্বাস।
তরুপল্লব-এর সাধারণ সম্পাদক মোকারম হোসেন ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, প্রকৃতি সংরক্ষণের প্রচেষ্টায় আমাদের আরও সহযোগিতা দরকার। একসঙ্গে কাজ করতে পারলে আমরা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে পারবো, যা আরও অনেক মানুষকে এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগে যুক্ত হতে অনুপ্রাণিত করবে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও (কারেন্ট চার্জ) তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ব্র্যাক ব্যাংক সবসময় বিশ্বাস করে, প্রকৃত উন্নয়ন পরিবেশের উন্নয়নের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। এই পদক তাঁদের জন্য, যাঁরা প্রকৃতি রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁদের সম্মাননা জানানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার পথে সবসময় নির্ভরযোগ্য সহযোগী হয়ে থাকার ব্যাপারে আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছি।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ টেকসই ব্যাংক রেটিং এবং ব্লুমবার্গের ইএসজি রেটিংয়ে ব্র্যাক ব্যাংককে দেশের অন্যতম শীর্ষ টেকসই ব্যাংক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এই স্বীকৃতি ব্র্যাক ব্যাংকের দায়িত্বশীল ব্যাংকিং চর্চা ও সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ব্যাপারে দেওয়া অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
কর্পোরেট সংবাদ
সিটি ব্যাংকের উদ্যোগে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা

সিটি ব্যাংকের উদ্যোগে বরিশালে ‘মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ এবং আইএসএস রিপোর্টিং’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় ব্যাংকের রিটেইল ও অপারেশনস ডিভিশনের মোট ৪৩ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের বরিশাল অফিসের পরিচালক ইমতিয়াজ আহমদ মাসুম। কর্মসূচির শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএফও মো. মাহবুবুর রহমান।
এছাড়াও, উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ফাইন্যান্স বিভাগের প্রধান মো. রাকিব উদ্দিন আহমেদ ও জাহেদুল ইসলাম, ডেপুটি কেমেলকো।
এই কর্মশালার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ, সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ এবং আইএসএস রিপোর্টিং সংক্রান্ত বিধি-বিধান সম্পর্কে তাদের জ্ঞান ও সচেতনতা বৃদ্ধি করেন। সিটি ব্যাংক নিয়মিত এ ধরনের সক্ষমতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করে আসছে।
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংক অফিসার কল্যাণ সমিতির দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা ও অভিষেক

ইসলামী ব্যাংক অফিসার কল্যাণ সমিতির দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা ও অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান। ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ব্যাংকের অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম। উপদেষ্টা ম-লীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন ও মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার।
ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর এবং সমিতির সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবুল বাশার ও মো. মোশাররফ হোসাইন, সমিতির সদ্য বিদায়ী সভাপতি এ.কে.এম মাহবুব মোরশেদ ও সাধারণ সম্পাদক এ.এস.এম. রেজাউল করিম ও সহ-সভাপতি মো. মাহবুব-এ-আলম, নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল লাইছ মোহাম্মদ খালেদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মজুনজ্জামান, ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব আলম, মুহাম্মাদ সাঈদ উল্লাহ, ড. এম কামাল উদ্দীন জসীম ও মো. মাকসুদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এসময় রচনা প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর পুরস্কার বিতরণ ও ’বন্ধন’ ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের শপথ পাঠ করান ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন। অনুষ্ঠানে কার্যনিবাহী পরিষদের সাবেক ও নবনির্বাচিত প্রতিনিধিগণ, প্রধান কার্যালয় ও বিভিন্ন শাখার ঊর্ধ্বতন নির্বাহী এবং কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান বলেন, ইসলামী ব্যাংকের সুনাম পুনরুদ্ধারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মানুষের অপরিসীম আস্থা এবং বিশ্বাসের অটুট মেলবন্ধনে এ ব্যাংক সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, এ ব্যাংকের একটি সুন্দর অতীত ছিল এবং ভবিষ্যতও সুন্দর হবে বলে আমি আশা করি। ব্যাংকের একঝাঁক সৎ এবং পরিশ্রমী কর্মী ব্যাংকের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করছে। তিনি অফিসার কল্যাণ সমিতির নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মেধা ও প্রজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে ব্যাংকের কল্যাণে কাজ করার আহবান জানান।