জাতীয়
এবার বান্দরবানেও পর্যটক ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

দীর্ঘ ২৯ দিন অপেক্ষার পর পর্যটক ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে বান্দরবান জেলা প্রশাসন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে বান্দরবানের পর্যটন কেন্দ্রগুলো। ফলে পর্যটকদের বরণের অপেক্ষায় প্রস্তুত নৈসর্গিক লীলাভূমি পার্বত্য জেলাটি। তবে নানা জটিলতার কারণে রোয়াংছড়ি, রুমা ও থানচিসহ তিন উপজেলায় পর্যটক ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করেছে প্রশাসন।
বুধবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান জেলা প্রশাসক শাহ মোহাজিদ উদ্দিন। তিনি বলেন, রোয়াংছড়ি, রুমা ও থানচিসহ তিন উপজেলার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিবেচনা করে সব উপজেলা খুলে দেওয়া হবে।
শাহ মোহাজিদ উদ্দিন বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে বৃহস্পতিবার থেকে পর্যটন খুলে দিয়েছে। পর্যটকদের আগমনে ও উৎসাহিত করতে সবার সহযোগিতার প্রয়োজন। এছাড়া তিন উপজেলা ব্যাতিত বান্দরবান সদর, লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি নিশ্চিন্তে পর্যটক ঘুরে বেড়াতে পারবে। তাছাড়া পর্যটক ভ্রমণের জন্য পর্যটন স্পটগুলো নতুন আঙ্গিকে ঢেলে সাজানো হয়েছে যাতে পর্যটকদের কাছে বিমোহিত হয়। আর পর্যটকদের নিরাপত্তা জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠ পর্যায়ে থাকবে।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) থেকে খুলে দেওয়া হয়েছে খাগড়াছড়ি ও সাজেকের পর্যটন কেন্দ্রগুলো। ইতোমধ্যে সেখানে পর্যটকেরা অবস্থান নিয়েছে।
এমআই
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জাতীয়
যেসব এলাকায় ৪৮ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) অফ-ট্রান্সমিসন পয়েন্টে জরুরি টাই-ইন কাজের জন্য মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) সকাল থেকে ২৪ ঘণ্টা দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।
সোমবার (৩১ মার্চ) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস।
বার্তায় বলা হয়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট ২৪ (চব্বিশ) ঘণ্টা তিতাস গ্যাস অধিভুক্ত জয়দেবপুর, টঙ্গী, চন্দ্রা, কোনাবাড়ী, আশুলিয়া, সাভার, ধামরাই, মানিকগঞ্জ এলাকা এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে।
গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাস গ্যাস আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
বায়তুল মোকাররমে ঈদের ৫ জামাত অনুষ্ঠিত

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকাল ৭, ৮, ৯, ১০টা ও ১০টা ৪৫ মিনিটে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩১ মার্চ) দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। ঈদের নামাজ পড়তে প্রথম কয়েকটি জামাতে মুসল্লিদের ঢল নেমেছিল বায়তুল মোকাররম মসজিদে।
প্রতি জামাতে বয়ানের পর দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ হয়, এরপর খুতবা দেন ইমাম, শেষে হয় মোনাজাত। প্রতিটি জামাত শেষ হতে ৩০ মিনিটের মত সময় লেগেছে।
ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ পড়তে ফজরের নামাজের পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসল্লিরা বায়তুল মোকাররমে আসতে শুরু করেন। সকাল ৭টা বাজার আগেই মসজিদ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
ঈদ জামাত উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম ঘিরে নেওয়া হয়েছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রবেশ গেটগুলোতে বসানো হয়েছে আর্চওয়ে। গেটগুলোতে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর ছিল।
ঠিক সকাল ৭টায় প্রথম জামাত শুরু হয়। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ, খুতবা ও মোনাজাতসহ প্রথম জামাত শেষ হয় সকাল সাড়ে ৭টায়। দ্বিতীয় জামাত শেষ হয় ৮টা ২৫ মিনিটে। এরপর পর্যায়ক্রমে তিনটি জামাত হয়।
প্রথম জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মুহিববুল্লাহিল বাকী। মুকাব্বির ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত মুয়াজ্জিন হাফেজ মো. আতাউর রহমান।
প্রথম জামাতের শুরুতে ইমাম তিন তাকবীর না দিয়েই কেরাত পাঠ করতে থাকেন। এ সময় মুসল্লিরা লোকমা দিতে থাকলে ইমাম নামাজ ছেড়ে দিয়ে ফের নিয়ত বাধতে বলেন।
সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মিজানুর রহমান দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন। মুকাব্বির হিসেবে ছিলেন প্রধান খাদেম মো. নাসির উল্লাহ।
তৃতীয় জামাতে ইমাম হিসেবে ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুহাদ্দিস ড. মাওলানা মুফতি ওয়ালিউর রহমান খান। সকাল ৯টায় এ জামাত শুরু হয়। এ জামাতে মুকাব্বিরের দায়িত্বে ছিলেন মসজিদের খাদেম মো. আব্দুল হাদী।
চতুর্থ জামাত হয় সকাল ১০টায়। এ জামাতের ইমাম ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অনুবাদ ও সংকলন বিভাগের সম্পাদক ড. মুশতাক আহমদ এবং মুকাব্বির ছিলেন খাদেম মো. আলাউদ্দীন।
পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত হয় সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মো. আব্দুল্লাহ এ জামাতে ইমামতি করেন। তার সঙ্গে মুকাব্বির ছিলেন মসজিদের খাদেম মো. রুহুল আমিন।
প্রায় প্রতিটি মোনাজাতে গুনাহ মাফের জন্য মহান আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানানো হয়। মুসল্লিরা অনেকেই চোখের জলে আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করেন। আল্লাহর কাছে মৃত প্রিয়জনের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।
মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়। বর্তমান সরকারের জন্য দোয়া করা হয়। একই সঙ্গে মোনাজাতে ফিলিস্তিনের নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য আল্লাহর রহমত কামনা করেন মুসল্লিরা।
জামাতগুলো শেষে মুসল্লিদের একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। মসজিদ চত্বরে মুসল্লিদের সেলফিতে মেতে উঠতে দেখা গেছে। নারী এবং শিশুরাও বায়তুল মোকাররমের ঈদ জামাতে অংশ নিয়েছেন।
জাতীয় মসজিদে ঈদ জামাতের ছবি তুলতে অনেক বিদেশি আলোকচিত্রীকে দেখা গেছে। জামাত উপলক্ষে বায়তুল মোকাররমের প্রবেশ এবং বের হওয়ার গেটে বিপুল সংখ্যক ভিক্ষুক ছিল। অনেক ভিক্ষুক মসজিদের মধ্যে প্রবেশ করে ভিক্ষা করছিলেন।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
মোঘল আমলের কায়দায় ঢাকায় ঈদ আনন্দ মিছিল

ঢাকায় সুলতানি মোঘল আমলের কায়দায় ঈদ আনন্দ মিছিল হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই আনন্দ মিছিলে অংশ নেন অসংখ্য মানুষ, যারা একত্রিত হয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
সোমবার (৩১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় ঢাকার শেরে বাংলা নগরের পুরনো বাণিজ্যমেলার মাঠে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাত শেষে সকাল ৯টায় সেখান থেকেই শুরু হয় বর্ণাঢ্য ঈদ আনন্দ মিছিল।মিছিলটি আগারগাঁওয়ের পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠের সামনে থেকে শুরু হয়ে প্রধান সড়ক ধরে খামারবাড়ি মোড় হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে গিয়ে শেষ হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদের জামাত শেষ হতেই মিছিলের মধ্যে শুরু হয় ব্যান্ডপার্টির বাজনা, এবং বাজতে থাকে জনপ্রিয় ঈদ গান ‘ও মোর রমজানের ওই রোজার শেষে’। এতে হাজার হাজার মানুষ একত্রিত হয়ে ঈদের আনন্দে মেতে ওঠেন।
মিছিলে ছিল সুসজ্জিত পাঁচটি শাহী ঘোড়া, ১৫টি ঘোড়ার গাড়ি, ব্যান্ড পার্টি ও বাদ্যযন্ত্র। ঘোড়ার গাড়িগুলোর শোভায় মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেন। এছাড়া, সুলতানি-মোঘল আমলের ইতিহাসচিত্র সম্বলিত পাপেট শো আয়োজন করা হয়, যা অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বাড়তি আনন্দ যোগ করে। মিছিল শেষে অংশগ্রহণকারীদের সেমাই ও মিষ্টি খাওয়ানো হয়। পরে সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে এই আয়োজন শেষ করা হয়।
অংশগ্রহণকারীরা জানিয়েছেন, এমন আয়োজন যদি প্রতিবছর হয়, তাহলে ঈদের আনন্দ আরো বহুগুণ বেড়ে যাবে।
মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী তুষার আহমেদ বলেন, “এমন একটি আয়োজনে অংশ নিতে পেরে সত্যিই দারুণ লাগছে। আমাদের পুরনো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে এমন আয়োজন বারবার হওয়া উচিত।”
মিছিলে অংশ নেওয়া ইফতিয়াক আশিক নামের অপর একজন বলেন, ঢাকায় অনেক বছর পর এভাবে ঈদ উদযাপিত হচ্ছে, খুবই ভালো লাগছে। আমি পুরো মিছিলজুড়েই ছিলাম।
ঈদের এই আয়োজনকে ঘিরে পুরো এলাকায় ছিল নিরাপত্তার কড়াকড়ি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন তৎপর।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য ঢাকার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যগুলোও ফিরিয়ে আনা। এই ঈদ আনন্দ মিছিল তারই একটি অংশ। ভবিষ্যতে আরো বড় পরিসরে এই আয়োজন করা হবে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
জাতীয় ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

মানুষের মধ্যে যে ঐক্য তৈরি হয়েছে, সব প্রতিকূলতার সত্ত্বেও সেই ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের আত্মত্যাগের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশকে আমরা পেয়েছি, তা ধরে রাখতে সবার মধ্যে আরও কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।
রবিবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজের পর দেওয়ার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়তে যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আহত হয়ে যারা স্বাভাবিক জীবন হারিয়েছে তাদের জন্য দোয়া করব। তাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য গড়ে হবে। আমরা যেন স্থায়ী একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে সামনে এগিয়ে যেতে পারি সেজন্য কাজ করতে হবে। যারা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে নিজেদের আত্মাহুতি দিয়েছেন আমরা অবশ্যই তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করব। যত বাধাই আসুক ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলব।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আজ বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে, প্রতিটি বাজারে, প্রতিটি গঞ্জে প্রতিটি শহরে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জাতির পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদ মোবারক জানাচ্ছি। যারা ঈদের জামাতে শরিক হওয়ার সুযোগ পাননি তাদেরকেও ঈদ মোবারক। মা বোন যার ঘরে আছে জাতির পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক। প্রবাসী ভাইয়েরা যারা বিদেশে আছে আজ হয়তো অনেকেই ঈদের জামাতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন না তাদের ঈদ মোবারক। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে যারা আছেন আমরা তাদের ভুলে যাইনি। তাদেরও ঈদ মোবারক। যারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন জামাতে আসতে পারেননি তাদেরকে ঈদ মোবারক।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ঈদ নৈকট্য আদায়ের দিন, ভালোবাসার দিন। এই দিনটি যেন আমরা ভালোভাবে আদায় করতে পারি, আমরা যেন সবার কাছে পৌঁছে যেতে পারি সেই আহ্বান রইল। আজ একটা অটুট ঐক্য গড়ে তোলার দিন। স্থায়ীভাবে এই ঐক্য গড়ে তুলতে চাই। ঈদের জামাতে আমাদের এই কামনা। আজ মোনাজাতে তাদেরকে স্মরণ করব দোয়া করব, যারা নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। সবাই যেন তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করি।
তিনি বলেন, যারা আহত হয়ে স্বাভাবিক জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন তারা যেন স্বাভাবিক জীবনে ফেরতে আসতে পারেন সে দোয়া করব।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়েন প্রধান উপদেষ্টা। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক ইমাম হিসেবে এ জামাতে দায়িত্ব পালন করেন এবং ক্বারী হিসেবে ছিলেন বায়তুল মোকাররমের মুয়াজ্জিন মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
জামাত শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহসহ দেশ ও জাতির কল্যাণ, সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
জাতীয়
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় এ জামাত শুরু হয়।
এবার ঈদের প্রধান জামাতে দেশবরেণ্য ইসলামী আইন বিশেষজ্ঞ ও হাদিস বিশারদ বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ঈদ জামাতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বিভিন্ন সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের হাজারো মানুষ নামাজ আদায় করেন।
নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। এর আগে আলোচনায় দেশ ও মুসলিম জাতির কল্যাণে দোয়া করেন তিনি।
এদিন ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিতে ভোর থেকেই জাতীয় ঈদগাহ মাঠে মুসল্লিদের যেতে দেখা যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঈদগাহ মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। জামাত শুরু হলে নামাজের কাতার কদম ফোয়ারা ও প্রেস ক্লাব এলাকা ছাড়িয়ে যায়।
ঈদের প্রধান জামাতের আয়োজনে ছিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগ জানায়, ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার আয়তনের মূল প্যান্ডেলে একসঙ্গে ৩৫ হাজার মুসল্লি ঈদের জামাত আদায় করেছেন। সেখানে নারীদের জন্য আলাদা নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা ছিল। বাবা-মায়ের হাত ধরে আসে ছোট শিশুরাও।
মুসল্লিদের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় পুলিশ, র্যাব ও অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেছেন।