অর্থনীতি
ডিম ও মুরগির দাম বেঁধে দিলো সরকার

উৎপাদক, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ডিম, সোনালি মুরগি ও ব্রয়লার মুরগির দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।
ডিম খুচরা পর্যায়ে ১১ টাকা ৮৭ পয়সা, সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ২৬৯ টাকা ৬৪ পয়সা এবং ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৭৯ টাকা ৫৯ পয়সা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে সংশ্লিষ্টদের এ দাম বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ডা. মোহাম্মদ রেয়াজুল হকের সই করা চিঠিতে জানানো হয়, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তদর এবং পোলট্রি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের নেতাদের সমন্বয়ে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠিত হয়েছে।
গ্রুপের মতামতের ভিত্তিতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ২০২৪ সালের মুরগি (সোনালি ও ব্রয়লার) ও ডিমের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করেছে।
কৃষি মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে মুরগি (সোনালি ও ব্রয়লার) ও ডিমের দাম নির্ধারণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্ধারণ করা যৌক্তিক মূল্য সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে চিঠিতে ২০২৪ সালের মুরগি (সোনালি ও ব্রয়লার) ও ডিমের নির্ধারিত যৌক্তিক মূল্য (উৎপাদক, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে) সঠিকভাবে বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে চিঠিতে।
ডিমের মূল্য উৎপাদক পর্যায়ে ১০ টাকা ৫৮ পয়সা, পাইকারি পর্যায়ে ১১টা ০১ পয়সা এবং খুচরা পর্যায়ে ১১টাকা ৮৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
কেজিপ্রতি সোনালি মুরগি উৎপাদক পর্যায়ে ২৬০ টাকা ৭৮ পয়সা, পাইকারি পর্যায়ে ২৬৪ টাকা ৫৭ পয়সা এবং খুচরা পর্যায়ে ২৬৯ টাকা ৬৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
কেজিপ্রতি ব্রয়লার মুরগি উৎপাদক পর্যায়ে ১৬৮ টাকা ৯১ পয়সা, পাইকারি পর্যায়ে ১৭২ টাকা ৬১ পয়সা এবং খুচরা পর্যায়ে ১৭৯ টাকা ৫৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সব বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ছাড়া বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন, ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, ব্রিডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল, বাংলাদেশ পোলট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ, অ্যানিমেল হেলথ কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশসন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ অ্যাগ্রো ফিড ইনগ্রেডিয়েটস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড টেডিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি
ছুটি শেষে বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু

ঈদ উপলক্ষে টানা আট দিনের ছুটি শেষে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে শুরু হয়েছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। শনিবার (৫ এপ্রিল) সকালে থেকে দেশের অন্যতম এই স্থলবন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।
ছুটি চলাকালীন ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিল।
বেনাপোল স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি আলহাজ মহসিন মিলন জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৮ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশের বেনাপোল ও ভারতের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল। আজ দুপুর থেকেই শুরু হয় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য। ফলে বন্দর এলাকায় দেখা দিয়েছে যানজট। বেনাপোলের মতোই পেট্রাপোল বন্দরেও যানজট রয়েছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি ইব্রাহিম আহম্মেদ জানান, ঈদে টানা আটদিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক ছিল। ভারত-বাংলাদেশ ভিসা কার্যক্রম সীমিত থাকায় এ সময় যাত্রীদের চাপ ছিল না। যাতায়াতকৃত যাত্রীদের যেন দুর্ভোগ পোহাতে না হয় সেজন্য ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছিল।
আমদানি-রপ্তানি শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার। তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৮ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত এই স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। আজ সকাল থেকে পুনরায় এ স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয়েছে আমদানি-রপ্তানি।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
অর্থনীতি
ঈদের ছুটি শেষে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

ঈদের কেন্দ্রে করে আট দিন বন্ধ থাকার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হয়েছে। ছুটি শেষে বন্দরের ব্যবসায়ী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদচারণায় কর্মচাঞ্চল আখাউড়া স্থলবন্দর।
শনিবার (৫ এপ্রিল) সকালে আখাউড়া স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, সকাল ১০টার দিকে ৫টি গাড়িতে করে প্রায় ২৫ মেট্রিক টন মাছ রপ্তানির মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে। ঈদুল ফিতরের ছুটিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য কার্যক্রম আট দিন বন্ধ ছিল। আজ সকালে বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে।
আখাউড়া স্থলবন্দরের মাছ রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক মিয়া জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৮ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত টানা আট দিন বন্দরে ব্যবসায়ী কার্যক্রম বন্ধ ছিল। শনিবার সকাল থেকে সব ধরনের বাণিজ্য কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে।
আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে টানা আট দিন দুই দেশের বাণিজ্য বন্ধ থাকে। তবে ভারত-বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক ছিল।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
অর্থনীতি
কমেছে মাংসের দাম, স্বস্তি নেই মাছ-সবজির বাজারে

ঈদুল আজহার পর এখনো জমে ওঠেনি রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলো। বেশির ভাগ দোকানপাট এখনো খোলেনি। আজ সকালে কাওরান বাজারে গিয়ে দেখা যায় নেই সেই চিরচেনা ভিড়। তবে শুধু কাওরান বাজারই নয়, রাজধানীর শান্তিনগর, নিউ মার্কেটসহ অন্য কাঁচাবাজারগুলোর প্রায় একই চিত্র।
হঠাৎ বেড়েছে সবজির বাজার। বাড়তি মাছের দামও। পরিস্থিতি এমন- এক কেজি পাঙাশ কিনতে ক্রেতার ২০০-২২০ টাকা গুনতে হচ্ছে, যা ঈদের আগেও ১৮০-১৯০ টাকা ছিল। তবে কিছুটা কমেছে মুরগি ও গরুর মাংসের দাম।
শনিবার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর কাওরান বাজার, নিউ মার্কেট ও শান্তিনগর বাজারে খোঁজ নিয়ে ঈদের পরের নিত্যপণ্যের বাজারের এ চিত্র দেখা যায়।
ব্যবসায়ীরা বলেছেন, পবিত্র ঈদুল ফিতরের বন্ধের কারণে অনেক মানুষ এখনো রাজধানীতে ফেরেননি। আবার অনেক ব্যবসায়ীও ঈদ করতে গ্রামের বাড়ি গেছেন। সবমিলিয়ে বাজারে কেনাবেচা কম। তবে ঈদের ছুটি শেষে এ সপ্তাহেই বাজার জমে উঠবে বলে তারা আশা করছেন।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, সবজির সরবরাহ কিছুটা কম। তাই দাম তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে কাঁচা মরিচ, পেঁপে, টমেটোর দাম বেড়েছে। ঈদের আগে প্রতি কেজি টমেটো ২০ থেকে ২৫ টাকার মধ্যে পাওয়া গেলেও শনিবার তা ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। কাঁচামরিচের কেজিতেও ২০ টাকা বেড়ে তা ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঈদের পর চাহিদা কমলেও এখনো লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা।
প্রতিটি লাউ আকার ভেদে ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া, পেঁপে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, দেশি শসার কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা ও হাইব্রিড শসা ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কাওরান বাজারের সবজি বিক্রেতা লোকমান হোসেন জানান, ঈদের পর বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি কম। কিন্তু একই সঙ্গে বাজারে সবজির সরবরাহ কমেছে। ফলে দামটা একটু বাড়তি। তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহে বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়লে দামটাও কমে আসবে বলে আশা করছি।
বাজারে সবজির দাম কিছুটা বাড়লেও মুরগি ও গরুর মাংসের দাম কমেছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০ থেকে ২১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। যা ঈদের আগে ২৪০ টাকায় উঠেছিল। ব্রয়লারের পাশাপাশি সোনালি মুরগির দামও কমেছে। কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা কমে তা ২৮০ থেকে ৩১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঈদের আগে চাহিদা বাড়ায় গরুর মাংসের দাম বাড়লেও এখন তা কমেছে। রাজধানীর খুচরাবাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। অথচ ঈদের আগে চাঁদ রাতে প্রতি কেজি গরুর মাংস রাজধানীর কোনো কোনো বাজারে ৮৫০ টাকায়ও বিক্রি হয়েছে।
কাওরান বাজারের মাংস বিক্রেতা জিল্লুর রহমান জানান, বাজারে এখন মুরগির চাহিদা নেই বললেই চলে। যে কারণে পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা কমেছে। কম দামে আনায় আমরা খুচরা বিক্রেতারাও কম দামেই বিক্রি করছি। মনে হচ্ছে, দু-একদিনে দাম আরও কমে আসবে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের ছুটির কারণে রাজধানীর বাজারে চাষের মাছের সরবরাহ কমায় এই দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। শনিবার বাজারে বিভিন্ন ধরনের মাছের মধ্যে প্রতি কেজি পাঙাশ ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা, শিং ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা, কই ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই, কাতল আকার ভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, চিংড়ি ৬৫০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, কোরাল ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা, ট্যাংরা ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা, শোল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব মাছ ঈদের আগের তুলনায় কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন।
কাফি
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
অর্থনীতি
আইএমএফের প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে আজ

ঋণ কর্মসূচির আওতায় ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থছাড়ের আগে বিভিন্ন শর্ত পর্যালোচনা করতে আজ ঢাকায় আসছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধি দল।
সফরের দ্বিতীয় দিন রোববার (৬ এপ্রিল) সকালে অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক করবে প্রতিনিধিদলটি।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঋণের চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তির অর্থছাড়ের আগে বিভিন্ন শর্ত পালনের অগ্রগতি পর্যালোচনায় আইএমএফের একটি দল আজ ঢাকায় আসছে। দলটি ৬ এপ্রিল থেকে টানা দুই সপ্তাহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করবে।
এ সফরে আইএমএফের দলটির সঙ্গে অর্থ বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি), জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
বৈঠক শেষে ১৭ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলন করবে সফররত আইএমএফের দল। তবে সংবাদ সম্মেলনের আগে দলটি ১৭ এপ্রিল অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে আরও একটি বৈঠক করবে বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি ঋণ কর্মসূচি চালু হওয়ার পর আইএমএফ থেকে তিন কিস্তিতে ২৩১ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। বাকি আছে ঋণের ২৩৯ কোটি ডলার। বিপত্তি দেখা দেয় চতুর্থ কিস্তির অর্থছাড়ের আগে। যদিও সরকার আশা করছে চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তির অর্থ একসঙ্গে পাওয়া যাবে আগামী জুনে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
অর্থনীতি
ভারত থেকে এলো ১০ হাজার ৮৫০ মেট্রিক টন চাল

আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র চুক্তির আওতায় (প্যাকেজ-৮) ভারত থেকে ১০ হাজার ৮৫০ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল নিয়ে এমভি এইচটি ইউনাইট জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।
আজ বৃহস্পতিবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উন্মুক্ত দরপত্র চুক্তির আওতায় ভারত থেকে মোট ৫ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৯টি প্যাকেজে মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। ইতোমধ্যে চুক্তি অনুসারে ৩ লাখ ৬ হাজার ৭৬৯ মেট্রিক টন চাল দেশে পৌঁছেছে।
জাহাজে রক্ষিত চালের নমুনা পরীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং চাল খালাসের কার্যক্রম দ্রুত শুরু হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।