Connect with us

লাইফস্টাইল

গরমে পানিশূন্যতা রোধে যে ১০ সবজি খাবেন

Published

on

ডিএসই

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে মাত্রাতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর আশঙ্কাজনক হারে পানি হারাতে শুরু করে। পরিণতিতে দেখা দেয় পানিশূন্যতা, যার দীর্ঘস্থায়ীত্ব স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। মানবদেহের এই ভারসাম্যহীনতা মাথা ঘোরা, ক্লান্তি ও শুষ্ক মুখমণ্ডলের মতো উপসর্গের মাধ্যমে প্রকাশ পেতে শুরু করে।

অসহনীয় খরতাপের সময়টাকে মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে উচ্চ পানীয় উপাদান সমৃদ্ধ শাকসবজি। এই খাবারগুলো শরীরের হারানো পানি পুনরায় ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি দেহের রোগমুক্তিতেও সাহায্য করে। চলুন, তীব্র গরমে পানিশূন্যতা দূর করতে সেই শাকসবজিগুলোর ব্যাপারে জেনে নেওয়া যাক। যে সবজিগুলো তীব্র গরমে শরীরে পানির ঘাটতি মেটাতে সক্ষম-

শসা

প্রায় ৯৫ শতাংশ পানিতে পরিপূর্ণ শসা গরমের জন্য উপযোগী সবজিগুলোর মধ্যে অন্যতম। এছাড়াও এতে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে সহায়তা করে। শসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে বিটা ক্যারোটিন। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো শরীরের ফ্রি র‍্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। ফ্রি র‍্যাডিকেল হলো জোড়াহীন ইলেকট্রন, যা কোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং বিভিন্ন ধরনের রোগের কারণ হতে পারে।

রোদের তীব্র রশ্মির কারণে ত্বকে রোদে পোড়া ব্যথা, ফোলাভাব এবং ত্বকের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই অবস্থা থেকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় সাহায্য করতে পারে শসা। চোখের নিচে এক বা দুই টুকরো শসা রাখলে চোখের কালো দাগ ও ফোলাভাব কমে আসে।

টমেটো

বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও পটাশিয়ামের আধার টমেটোতে পানির পরিমাণ প্রায় ৯৫ শতাংশ। লাইকোপিন নামক পদার্থ টমেটোর উজ্জ্বল লাল রঙের কারণ। শুধু তাই নয়, এই উপাদানের মধ্যে রয়েছে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টিকারী বৈশিষ্ট্য। তাই এই ফলের রয়েছে মানবদেহের কোষকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করার ক্ষমতা।

এই একই কারণে টমেটো ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। লাইকোপিনের পাশাপাশি অন্যান্য উদ্ভিদ যৌগ রোদে পোড়া থেকে রক্ষার কাজে অংশ নেয়। স্মার্টফোন এবং কম্পিউটারের মতো ডিজিটাল ডিভাইস থেকে এক ধরনের নীল আলো নির্গত হয়, যা চোখের জন্য ক্ষতিকর। টমেটোতে থাকা লুটেইন এবং জিক্সানথিন নামক পদার্থ এই নীল আলোর বিরুদ্ধে চোখের সুরক্ষায় কাজে লাগে। উপরন্তু, এগুলো চোখের ক্লান্তি এবং চোখের উপর চাপ জনিত কারণে মাথাব্যথা উপশমে সাহায্য করতে পারে।

পালং শাক

তাজা, হিমায়িত, বাষ্প বা দ্রুত সিদ্ধ যে কোনো অবস্থায়ই পালং শাক বেশ পুষ্টিকর একটি খাবার। কাঁচা পালং শাকে রয়েছে ৯১ শতাংশ পানি, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন ও ফোলেট। এই শাকে থাকা লুটিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বার্ধক্যজনিত কারণে চোখের রোগ ও ছানি পড়া থেকে রক্ষা করে।

এছাড়া লুটেইন চোখের লেন্সের উপর সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির নেতিবাচক প্রভাব প্রতিরোধ করতে সক্ষম। শরীরের ত্বকসহ নানা ধরনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের টিস্যু বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন এ অপরিহার্য, যা পালং শাকের অন্যতম উপাদান। শুধু তাই নয়, ভিটামিন এ ত্বকের পানিশূন্যতা দূর করতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। এর ফলে মুখে সূক্ষ্ম রেখা এবং বলিরেখা কমে যায়।

মূলা

মাঝারি পরিমাণ ভিটামিন সি সম্পন্ন কাঁচা মূলায় পানির অংশ ৯৫ শতাংশ। তবে এর পাতায় থাকে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, অ্যাসকরবিক অ্যাসিড। শিকড়ের চেয়ে পাতায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্যাটিচিন, পাইরোগালল, ভ্যানিলিক অ্যাসিড এবং অন্যান্য ফেনোলিক যৌগ। এগুলো সম্মিলিতভাবে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে শরীরকে রীতিমতো একটি প্রতিরক্ষা দূর্গে পরিণত করে।

এছাড়াও মূলায় রয়েছে কিডনি বিশোধনের ক্ষমতা। এটি পাকস্থলির বিভিন্ন এনজাইমকে সক্রিয়করণে সাহায্য করে। এই এনজাইমগুলো নানা ধরনের বিষক্রিয়া থেকে কিডনিসহ আভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাকে মুক্ত রাখে।

ফুলকপি

৯২ শতাংশ পানি সম্পন্ন এই মৌসুমি সবজিটি সুপার ফুড নামে পরিচিত। শরীরের প্রয়োজনীয় পানির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই সবজি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ক্রুসিফেরাস সবজি হিসেবে ফুলকপি ফাইবারের একটি চমৎকার উৎস। ফাইবার স্বাস্থ্যকর হজম বজায় রেখে বিভিন্ন হজমজনিত রোগের ঝুঁকি কমায়। ফুলকপিতে থাকা উপাদানগুলো অন্ত্রে উপকারি ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে অংশগ্রহণ করে। এই ব্যাকটেরিয়াগুলোর কারণে শরীরের প্রদাহ, হৃদরোগ, ডিমেনশিয়া ও স্থূলতার ঝুঁকি কমে।

ফুলকপি হলো কোলিনের অন্যতম সেরা উৎস। মেজাজ নিয়ন্ত্রণ, স্মৃতিশক্তি ও পেশী নিয়ন্ত্রণসহ অনেক স্বাস্থ্যকর স্নায়ুতন্ত্রের ক্রিয়াকলাপের জন্য কোলিন অপরিহার্য। শরীরে অভ্যন্তরে এই পুষ্টির প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে বয়স-সম্পর্কিত জ্ঞানীয় রোগ, কিডনির সমস্যা এবং হার্টের রোগের ঝুঁকি কমতে থাকে।

গাজর

ভিটামিন এ সমৃদ্ধ গাজরে প্রায় ৮৬ থেকে ৯৫ শতাংশ পানি থাকে। গাজরের বিটা ক্যারোটিন নামক রঞ্জকটি মূলত শরীরের অভ্যন্তরে ভিটামিন এ-তে পরিবর্তিত হয়। স্বাস্থ্যকর ত্বক বজায় রাখার জন্য বহুল পরিচিত পুষ্টিগুণ ভিটামিন এ। চামড়ার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে বিটা ক্যারোটিন ত্বককে রোদে পোড়া থেকে রক্ষা করে।

এছাড়া স্থূলতা, পানিশূন্যতা, বার্ধক্য জনিত বলিরেখাসহ নানা সমস্যা নিরসনে গাজরের অবদান অপরিসীম। গাজরে থাকা ভিটামিন সি শরীরকে কোলাজেন তৈরি করতে সহায়তা করে। কোলাজেন এমন একটি প্রোটিন যা ত্বকের গঠন, স্থিতিস্থাপকতা, শক্তি এবং কোষের পুনঃবৃদ্ধিতে অংশগ্রহণ করে। এছাড়া এর সূর্যের অতি-বেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রয়েছে।

পুদিনাপাতা

ভিটামিন এ এবং সি-এর পাশাপাশি ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন এবং ফসফরাসের একটি সমৃদ্ধ উৎস পুদিনাপাতা। সতেজ পুদিনা পাতায় পানির পরিমাণ ৮৩.৮৫ শতাংশ। এই সবজির রয়েছে হালকা অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট বৈশিষ্ট্য, যা ত্বকের সুস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এটি মৃত ত্বকের কোষগুলোকে পরিষ্কার করে ত্বককে যে কোনো সংক্রমণ থেকে দূরে রাখে।

এছাড়াও পুদিনাপাতা ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং ত্বককে নরম রেখে প্রয়োজনীয় পানির চাহিদা পূরণ করে। এর ব্যাকটেরিয়া বিরোধী বৈশিষ্ট্য ত্বককে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে দূরে রাখে। ফলশ্রুতিতে মুখে ব্রণ ওঠা ও কালো দাগ দেখা দেওয়া ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে।

পেঁয়াজকলি

গ্রীষ্মের খরতাপে শরীরের প্রয়োজনীয় পানির চাহিদা মেটানোর উৎকৃষ্ট সবজি পেঁয়াজকলি, যার প্রায় ৮৯ ভাগ পানি। এতে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড স্বাস্থ্যকর ত্বকের কোষ তৈরি করতে সাহায্য করে। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে ত্বকে যে কোনো লালভাব এবং ফোলাভাব দমন হয়। পেঁয়াজকলিতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিক্যালে বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য ব্রণ, কালো দাগ এবং ত্বকের জ্বালা কমাতে সহায়তা করে।

ভিটামিন সি-এর এই প্রাকৃতিক উৎস প্রদাহ-বিরোধী ক্ষমতার অধিকারী। এছাড়াও এটি মলমূত্রতন্ত্রের স্বাস্থ্যকর কোষগুলোর অম্লত্ব দূরীকরণে অংশ নেয়। এর ফলে শরীর থেকে বর্জ্য এবং অপ্রয়োজনীয় খাদ্যের অবশিষ্টাংশগুলো সঠিকভাবে নির্মূল হয়।

ঢেঁড়শ

ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কাঁচা ঢেঁড়শে পানির পরিমাণ ৯০ শতাংশ। এই সবজি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এতে থাকা পটাসিয়ামের রয়েছে শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষমতা।

শরীরের অভ্যন্তরে বিষক্রিয়া নির্মূলে ঢেঁড়শের পানি বেশ কার্যকরী। এর উচ্চ ফাইবার সামগ্রী অন্ত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার সুবিধা দেয়। ফাইবার হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী। এছাড়াও এটি পরিপাকতন্ত্রে কোলেস্টেরলের সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে রক্ত প্রবাহে কোলেস্টেরলের শোষণ প্রতিরোধ করে। এতে করে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে আসে।

লাউ

প্রচুর পরিমাণে ফাইবার সমৃদ্ধ আরও একটি সবজি লাউ, যার ৯৬.১ শতাংশ পানি। পানিশূন্যতা নিরসণের পাশাপাশি এটি হজম এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য বেশ উপযোগী। লাউ একটি প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক। সেই সঙ্গে মূত্রনালীর রোগের চিকিৎসায় লাউয়ের ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে। এছাড়াও কিডনির প্রদাহ নিরাময়, জন্ডিসের চিকিৎসা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে লাউ বেশ কার্যকর।

ভিটামিন সি এবং জিঙ্কের একটি ভালো উৎস হওয়ায় এই সবজি ত্বকের জন্য যথেষ্ট উপকারী। বিশেষ করে ভিটামিন সি অতিবেগুনি বিকিরণ দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে পারে। তাছাড়া লাউ ত্বকের বার্ধক্যের লক্ষণগুলো দূর করতেও যথেষ্ট কার্যকর।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

লাইফস্টাইল

গরমে খেজুর খাওয়া কি উপকারী?

Published

on

ডিএসই

খেজুরকে বলা হয় প্রাকৃতিক মিষ্টি। এর সুস্বাদু স্বাদের পাশাপাশি, খেজুর প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থে ভরপুর যা একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা দেয়। তবে অনেকে মনে করে যে খেজুর শীতের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত, তাদের ধারণা এটি তাপ উৎপন্ন করে এবং শরীরকে উষ্ণ করে। কিন্তু এটা কি সত্য?

খেজুর কি শরীরের ওপর উষ্ণতার প্রভাব ফেলে?

আসলে তা নয়। খেজুর আসলে প্রকৃতিতে শীতল, যা গ্রীষ্মের খাবারের জন্য এটি একটি দুর্দান্ত সংযোজন। এটি ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, আয়রন, ভিটামিন বি৬ এবং ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা সাপ্লিমেন্টের প্রয়োজন ছাড়াই পুষ্টির বৃদ্ধি করে। খেজুর খাওয়ার পরে যদি কেউ উষ্ণতা অনুভব করে তা এর শুষ্ক, ডিহাইড্রেটেড প্রকৃতির কারণে।

খেজুর খাওয়ার পরে ডিহাইড্রেশন কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন

খেজুর খাওয়ার পরে যদি আপনি তৃষ্ণার্ত বা ডিহাইড্রেশন অনুভব করেন, তাহলে মাখনের সঙ্গে এটি মিশিয়ে খেতে পারেন। খেজুর কেটে সামান্য মাখন যোগ করে খাবেন। এই মিশ্রণটি বাত এবং পিত্তের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা অতিরিক্ত রক্তপাত, অর্শ এবং তৃষ্ণার মতো সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

গরমে খেজুর খাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় কী?

মাল্টার রসের সঙ্গে খেজুর খেতে পারেন। মাল্টার ভিটামিন সি এবং খেজুরের আয়রনের মিশ্রণ পুষ্টির শোষণ বাড়াতে কাজ করবে। উষ্ণ আবহাওয়ায় খেজুর উপভোগ করার আরেকটি উপায় হলো কয়েক ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে সকালে প্রথমে খাওয়া।

খেজুরের প্রাকৃতিক মিষ্টিতার কারণে এটি দিয়ে সহজেই শেক তৈরি করা যায়। স্বাস্থ্যকর, চিনি-মুক্ত পানীয় তৈরি করতে আপনার প্রিয় ফলের সঙ্গে মিশিয়ে খেজুরের শেক তৈরি করে খান। এতে গরমে পানিশূন্যতাও অনেকটা দূর হবে।

খেজুর কেক, রুটি, কুকিজ এবং পাইতে প্রাকৃতিক মিষ্টি যোগ করে। বেক করার আগে এগুলো কেটে নিন এবং আপনার ব্যাটারে মিশিয়ে নিন। এতে খেতে যেমন সুস্বাদু হবে তেমনই বাড়তি পুষ্টিও যোগ হবে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায়

Published

on

ডিএসই

গ্রীষ্মকাল মানেই আম, আইসক্রিম এবং সতেজ পানীয়। তবে এটি এমন একটি ঋতু যখন অ্যাসিডিটির সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। অসহ্য তাপ, একাধিক কাপ চা এবং লোভনীয় মসলাদার খাবার আপনার বুকে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে। গরম আবহাওয়ায় অ্যাসিডিটি বেড়ে যায়। কারণ ডিহাইড্রেশন, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এবং ভারী খাবার হজমের ওপর প্রভাব ফেলে। অ্যান্টাসিড দ্রুত উপশম দিতে পারে, তবে এটি দীর্ঘমেয়াদী সমাধান নয়। অ্যাসিডিটি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে-

১. ঘন ঘন খাবার খান
সারাদিন ছোট অংশে ঘন ঘন খাবার খেলে তা অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। এই অভ্যাস অতিরিক্ত পেটের অ্যাসিড উৎপাদন রোধ করে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার সম্ভাবনা কমায়, যা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের কারণ হতে পারে।

২. ভাজা খাবার এড়িয়ে চলুন
ভাজা খাবার হজমের ওপর ভারী প্রভাব ফেলতে পারে এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্সের ঝুঁকি বাড়ায়। এ ধরনের খাবার এড়িয়ে চললে অস্বস্তি রোধ করা যায়, এতে খাবারের পরে পেট ফাঁপা কম হয়।

৩. মসলাদার খাবার সীমিত করুন
যদি ঘন ঘন অ্যাসিডিটি হয় তাহলে মসলাদার খাবার খাওয়া কমাতে হবে। বিশেষজ্ঞের মতে, মসলাদার খাবার পেটের আস্তরণ এবং খাদ্যনালীতে জ্বালাপোড়া করতে পারে, যা উভয়ই অ্যাসিডিটিতে অবদান রাখে। খাদ্যতালিকা থেকে এ ধরনের খাবার বাদ দিলে এই সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে।

৪. খাবারের পরে সোজা থাকুন
খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে অ্যাসিডটি আরও বেড়ে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা খাওয়ার পর সোজা থাকার পরামর্শ দেন যাতে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পেটের অ্যাসিডকে সঠিক স্থানে রাখতে পারে, যা অ্যাসিডিটির সম্ভাবনা হ্রাস করে।

৫. ৮০ শতাংশ পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত খান
অতিরিক্ত খাওয়ার পরিবর্তে, ৮০ শতাংশ পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত খাওয়ার চেষ্টা করুন। এই অভ্যাস গ্যাস্ট্রিকের চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং অ্যাসিডটি কমায়।

৬. খাবারের পরপরই পানি পান করা এড়িয়ে চলুন
খাওয়ার পরপরই পানি পান করলে পাকস্থলীর অ্যাসিড পাতলা হতে পারে, যা হজমে প্রভাব ফেলে। পানি পান করার আগে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে তা সঠিক হজমের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যাসিড ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ঈদে বেশি খেয়ে অস্বস্তি হলে করনীয়

Published

on

ডিএসই

স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে উৎসব-আয়োজনে খাবার বেশি খাওয়া হয়। তবে খাবার অতিরিক্ত খাওয়া হলেই পোহাতে হয় ভোগান্তি। অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। যেমন- পেট ফুলে থাকা, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, পেটে ব্যথাসহ বিভিন্ন সমস্যা ইত্যাদি। তাই ঈদে অতিরিক্ত খেলে ফেললেও কয়েকটি কাজের মাধ্যমে আপনি শারীরিক সমস্যা এড়াতে পারবেন-

>> বেশি খেয়ে ফেললে ঠান্ডা জায়গায় থাকার চেষ্টা করুন। এরপর আস্তে আস্তে হাঁটহাঁটি করুন। এতে আপনার পাচনক্রিয়া দ্রুত কাজ করবে।

>> অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে অস্বস্তির সঙ্গে অ্যাসিডিটি বা পেটে গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন, তবে খাওয়ার আধঘণ্টা পর একটি গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে নিতে পারেন।

>> একটু পর পর অল্প অল্প করে পানি পান করুন। এতে খাবারের মাধ্যমে শরীরে জমা হওয়া অতিরিক্ত লবণের মাত্রা কমবে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন ও শরীর আর্দ্র থাকবে।

>> অতিরিক্ত খাওয়ার পর কখনো কোমল পানীয় পান করবেন না। এর ফলে গ্যাস্ট্রিক আরও বেড়ে যাবে। ফলে পেট আরও ভরা ভরা ও অস্বস্তি লাগবে।

>> অনেকেরই অতিরিক্ত খাওয়ার পর বমি বমি ভাবসহ নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। এমন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ডায়াবেটিসের যে ৫ লক্ষণ অজানা

Published

on

ডিএসই

ডায়াবেটিসের কথা ভাবলেই যে লক্ষণগুলো মনে আসে তা হলো ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, অতিরিক্ত তৃষ্ণা এবং রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি। কিন্তু যদি বলি যে ডায়াবেটিস এমনভাবে দেখা দিতে পারে যা আপনি কখনও আশা করেননি? কিছু লক্ষণ এতটাই সূক্ষ্ম যে বেশিরভাগ মানুষ সেগুলোকে ছোটখাটো অস্বস্তি বলে উড়িয়ে দেয়- যতক্ষণ না অবস্থা গুরুতর হয়ে ওঠে। চলুন জেনে নেওয়া ডায়াবেটিসের কম পরিচিত কিছু লক্ষণ সম্পর্কে-

১. শুষ্ক, চুলকানিযুক্ত ত্বক
আপনার ত্বক কি ক্রমাগত শুষ্ক, খসখসে বা চুলকানিযুক্ত হয়ে উঠছে? ক্রমাগত শুষ্কতা রক্তে উচ্চ শর্করার লক্ষণ হতে পারে। রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পেলে শরীর দ্রুত তরল হারায়, যার ফলে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। যার প্রভাব পড়ে ত্বকেও। ডায়াবেটিসের কারণে দুর্বল রক্ত ​​সঞ্চালন ত্বকের জন্য আর্দ্রতা বজায় রাখা কঠিন করে তুলতে পারে।

২. কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া
হঠাৎ করেই কয়েক কেজি ওজন কমে গেলে এবং বিশেষ করে যদি আপনি সবসময় ক্লান্ত বোধ করেন, তাহলে ডায়াবেটিসের পরীক্ষা করানো জরুরি। খাদ্যাভ্যাস বা ব্যায়ামের রুটিন পরিবর্তন না করে ওজন কমানো স্বপ্নের মতো শোনাতে পারে। কিন্তু বাস্তবে এটি ডায়াবেটিসের একটি সতর্কতামূলক লক্ষণ হতে পারে। শরীর গ্লুকোজ থেকে শক্তি পেতে ইনসুলিন সঠিকভাবে ব্যবহার করতে না পারলে চর্বি এবং পেশী পোড়াতে শুরু করে। এর ফলে দ্রুত ওজন হ্রাস পেতে পারে।

৩. ক্রমাগত ক্লান্তি
যদি আপনার শক্তির মাত্রা কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই নিম্নগামী হয়, তাহলে এর পেছনে ডায়াবেটিস লুকিয়ে থাকতে পারে। সারাদিন কাজের পরে ক্লান্ত বোধ করা স্বাভাবিক। কিন্তু সারারাত ঘুমানোর পরেও যদি ক্রমাগত ক্লান্ত থাকেন, তাহলে ডায়াবেটিস এর কারণ হতে পারে। রক্তে উচ্চ শর্করার কারণে শরীরের জন্য গ্লুকোজকে শক্তিতে রূপান্তর করা কঠিন হয়ে পড়ে, যার ফলে আপনি ক্লান্ত বোধ করেন। অন্যদিকে, যদি রক্তে শর্করার পরিমাণ খুব কম হয়ে যায়, তাহলে দুর্বল এবং মাথা ঘোরাও অনুভব করতে পারেন।

৪. ঝাপসা দৃষ্টি
যদি আপনার দৃষ্টিশক্তি হঠাৎ করে পরিবর্তিত হতে থাকে, তাহলে কেবল স্ক্রিন টাইমকে দোষারোপ করবেন না- রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করুন। আপনি কি কখনও লক্ষ্য করেছেন যে আপনার দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে, তারপর আবার পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে? রক্তে শর্করার মাত্রা ওঠানামা করার ফলে চোখের ভেতর এবং বাইরে তরল চলাচল করতে পারে, যা সাময়িকভাবে দৃষ্টিশক্তিকে প্রভাবিত করে। অনেকেই এই লক্ষণকে উপেক্ষা করেন, ভাবেন যে তাদের কেবল চশমা প্রয়োজন, তবে এটি ডায়াবেটিসের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।

৫. খাওয়ার পরেও ক্ষুধার্ত বোধ করা
পেট ভরে খাওয়ার পরেও ক্ষুধা পেয়ে গেলে তার পেছনে ডায়াবেটিস ভূমিকা পালন করতে পারে। এটি একটি লক্ষণ হতে পারে যে আপনার শরীর সঠিকভাবে গ্লুকোজ প্রক্রিয়াজাত করছে না। যেহেতু আপনার কোষগুলো পর্যাপ্ত শক্তি পাচ্ছে না, তাই তারা সংকেত পাঠাতে থাকে যে তাদের আরও খাবারের প্রয়োজন, যার ফলে ক্রমাগত ক্ষুধা লাগে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

যেসব খাবার একসঙ্গে খেলে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়

Published

on

ডিএসই

খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের সকলেরই কিছু নির্দিষ্ট পছন্দ থাকে। সেটি আপনার প্রিয় পানীয় হতে পারে অথবা এমন কোনো নির্দিষ্ট খাবার যা অন্য কোনো খাবারের সঙ্গে খেতে পছন্দ করেন। যদিও খাবারের কিছু সংমিশ্রণ বা জুটি ক্ষতিকর নয়, তবে কিছু খাবার আছে যেগুলো একটি অপরটির সঙ্গে খেলে তা উপকারের চেয়ে বেশি ক্ষতি করতে পারে। খাওয়ার সময় তৃপ্তি এবং আনন্দের অনুভূতি অনুভব করলেও তা হরমোনের স্বাস্থ্যের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এই খাবারের সংমিশ্রণগুলো কী, তা জানতে আগ্রহী? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

দুধ + ফল

আমাদের অনেকেই সকালের নাস্তায় এক গ্লাস দুধের সঙ্গে ফল খায়। যদি আপনিও এমনটা করেন, তাহলে এখনই থামার সময়। ফলের সঙ্গে দুধ, বিশেষ করে কলা বা সাইট্রাস ফল মিশিয়ে খেলে পেট ফাঁপা হতে পারে এবং হজমের গতি কমে যেতে পারে। শুধু তাই নয়, এগুলো একসঙ্গে খেলে ইনসুলিনের মাত্রা বৃদ্ধি এবং অন্ত্রের প্রদাহও হতে পারে। তাই দুধ ও ফল সবসময় আলাদাভাবে খান।

চা/কফি + আয়রন সমৃদ্ধ খাবার

আয়রন সমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে চা বা কফির মিশ্রণ এড়িয়ে চলা উচিত। এর মধ্যে রয়েছে মসুর ডাল বা গাঢ় সবুজ শাক-সবজির মতো খাবার। এই মিশ্রণটি এত খারাপ কেন? এর কারণ চা এবং কফিতে ট্যানিন নামক একটি যৌগ থাকে। এটি আয়রনের শোষণকে ব্যাহত করতে পারে, যার ফলে শক্তি কমে যায়, ক্লান্তি আসে এবং হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়।

দুগ্ধজাত খাবার + উচ্চ চিনিযুক্ত খাবার

দুগ্ধজাত খাবার এবং চিনিযুক্ত খাবারের মিশ্রণও এড়িয়ে চলা উচিত। দইয়ের বাটিতে স্ট্রবেরি বা কলা যোগ করা লোভনীয় হতে পারে, তবে এটি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য সেরা নয়। এই মিশ্রণ ইনসুলিনের মাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে, পিসিওএস এবং বিপাকীয় সমস্যাগুলোকে আরও খারাপ করতে পারে।

গমের রুটি + চিনি

আপনার কি রুটির সঙ্গে গুড় খাওয়ার অভ্যাস আছে অথবা খাবার খাওয়ার সময় আমের কয়েকটি টুকরা খাওয়ার অভ্যাস আছে? এটা বন্ধ করুন! চিনির সঙ্গে গম মিশিয়ে খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। এর ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যেতে পারে, খাবারের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যেতে পারে এবং মেজাজের পরিবর্তন হতে পারে। তাছাড়া, এটি অপ্রয়োজনীয় চর্বি জমার কারণও হতে পারে।

দই + পরোটা/পোলাও

গরম পরোটা বা পোলাওয়ের সঙ্গে দই মিশিয়ে খেতে আমরা অনেকেই পছন্দ করি, তাই না? কিন্তু আপনি কি জানেন যে এটি আপনার হজমের গতিও কমিয়ে দিতে পারে? আমরা সবাই জানি যে দুগ্ধজাত পণ্য হজমের জন্য দুর্দান্ত, কিন্তু যখন এটি কার্বোহাইড্রেটের সঙ্গে মিশ্রিত হয় তখন একইভাবে কাজ করে না। এই দুই খাবার একসঙ্গে খেলে পেট ফাঁপা, গ্যাস এবং অন্যান্য পেট সম্পর্কিত সমস্যা হতে পারে। এটি অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্যহীনতাও সৃষ্টি করে, যা সরাসরি হরমোনের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার4 days ago

কলম্বো ও পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে ডিএসইর সমঝোতা

অর্থসংবাদ whatsapp চ্যানেল ফলো করুন দক্ষিণ এশিয়ার এক্সচেঞ্জগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার জন্য একটি কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে ঢাকা স্টক...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার6 days ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড

অর্থসংবাদ whatsapp চ্যানেল ফলো করুন বিদায়ী সপ্তাহে (২৩ মার্চ-২৮ মার্চ) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার6 days ago

সাপ্তাহিক দরবৃদ্ধির শীর্ষে এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড

অর্থসংবাদ whatsapp চ্যানেল ফলো করুন বিদায়ী সপ্তাহে (২৩ মার্চ-২৭ মার্চ) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেয়া...

Orion Infusion Orion Infusion
পুঁজিবাজার6 days ago

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন

অর্থসংবাদ whatsapp চ্যানেল ফলো করুন বিদায়ী সপ্তাহে (২৩ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে...

ডিএসই ডিএসই
অন্যান্য6 days ago

বাজার মূলধন বেড়েছে ২৩৪৯ কোটি টাকা, কমেছে লেনদেন

অর্থসংবাদ whatsapp চ্যানেল ফলো করুন বিদায়ী সপ্তাহে (২৩ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার1 week ago

গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

অর্থসংবাদ whatsapp চ্যানেল ফলো করুন গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ৩৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা আজ বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনলাইন...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার1 week ago

আইপিও অনুমোদনের প্রাথমিক ক্ষমতা স্টক এক্সচেঞ্জকে দেওয়ার সুপারিশ

অর্থসংবাদ whatsapp চ্যানেল ফলো করুন পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি আসার ক্ষেত্রে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও অনুমোদনের প্রাথমিক ক্ষমতা স্টক এক্সচেঞ্জের হাতে...

Advertisement
Advertisement

Advertisement

সোশ্যাল মিডিয়া

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  
ডিএসই
মত দ্বিমত32 minutes ago

বাংলাদেশ: বিদেশি গোয়েন্দা প্রভাব, দুর্নীতি ও আসন্ন বিপর্যয়

ডিএসই
জাতীয়7 hours ago

পরিবর্তন আনতে চাইলে পদ্ধতি বদলাতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

ডিএসই
আবহাওয়া8 hours ago

মাসজুড়ে শিলাবৃষ্টিসহ কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কা

ডিএসই
খেলাধুলা8 hours ago

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ডিএসই
জাতীয়8 hours ago

চাঁদাবাজদের ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ডিএসই
আন্তর্জাতিক9 hours ago

দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন টিউলিপ

ডিএসই
জাতীয়9 hours ago

বিমসটেক সমুদ্র পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি সই

ডিএসই
অর্থনীতি10 hours ago

ভারত থেকে এলো ১০ হাজার ৮৫০ মেট্রিক টন চাল

ডিএসই
আইন-আদালত10 hours ago

বিচার বানচালে মোটা অংকের অর্থ বিনিয়োগের প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর

ডিএসই
আন্তর্জাতিক10 hours ago

বাংলাদেশ ছাড়াও যেসব দেশের ওপর শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প

ডিএসই
মত দ্বিমত32 minutes ago

বাংলাদেশ: বিদেশি গোয়েন্দা প্রভাব, দুর্নীতি ও আসন্ন বিপর্যয়

ডিএসই
জাতীয়7 hours ago

পরিবর্তন আনতে চাইলে পদ্ধতি বদলাতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

ডিএসই
আবহাওয়া8 hours ago

মাসজুড়ে শিলাবৃষ্টিসহ কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কা

ডিএসই
খেলাধুলা8 hours ago

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ডিএসই
জাতীয়8 hours ago

চাঁদাবাজদের ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ডিএসই
আন্তর্জাতিক9 hours ago

দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন টিউলিপ

ডিএসই
জাতীয়9 hours ago

বিমসটেক সমুদ্র পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি সই

ডিএসই
অর্থনীতি10 hours ago

ভারত থেকে এলো ১০ হাজার ৮৫০ মেট্রিক টন চাল

ডিএসই
আইন-আদালত10 hours ago

বিচার বানচালে মোটা অংকের অর্থ বিনিয়োগের প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর

ডিএসই
আন্তর্জাতিক10 hours ago

বাংলাদেশ ছাড়াও যেসব দেশের ওপর শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প

ডিএসই
মত দ্বিমত32 minutes ago

বাংলাদেশ: বিদেশি গোয়েন্দা প্রভাব, দুর্নীতি ও আসন্ন বিপর্যয়

ডিএসই
জাতীয়7 hours ago

পরিবর্তন আনতে চাইলে পদ্ধতি বদলাতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

ডিএসই
আবহাওয়া8 hours ago

মাসজুড়ে শিলাবৃষ্টিসহ কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কা

ডিএসই
খেলাধুলা8 hours ago

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ডিএসই
জাতীয়8 hours ago

চাঁদাবাজদের ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ডিএসই
আন্তর্জাতিক9 hours ago

দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন টিউলিপ

ডিএসই
জাতীয়9 hours ago

বিমসটেক সমুদ্র পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি সই

ডিএসই
অর্থনীতি10 hours ago

ভারত থেকে এলো ১০ হাজার ৮৫০ মেট্রিক টন চাল

ডিএসই
আইন-আদালত10 hours ago

বিচার বানচালে মোটা অংকের অর্থ বিনিয়োগের প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর

ডিএসই
আন্তর্জাতিক10 hours ago

বাংলাদেশ ছাড়াও যেসব দেশের ওপর শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প