Connect with us

আইন-আদালত

গরমে ড্রেসকোড পরিবর্তন চেয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন

Published

on

বাজার মূলধন

বাংলাদেশের তাপমাত্রা ক্রমে বেড়ে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে কালো কোটের কারণে আইনজীবীদের অসহনীয় গরম সহ্য করতে হয়। তাই উচ্চ তাপমাত্রার প্রেক্ষাপটে আইনজীবী ও বিচারকদের জন্য গ্রীষ্ম ও শীতকালীন ভিন্ন ড্রেসকোড নির্ধারণের জন্য প্রধান বিচারপতি বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) ই-মেইলের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব, অ্যাডভোকেট বায়েজীদ হোসাইন, অ্যাডভোকেট নাঈম সর্দার, ব্যারিস্টার সোলায়মান তুষার এবং ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পক্ষে এ আবেদন করা হয়।

আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ মূলত একটি গ্রীষ্মপ্রধান দেশ। বছরের প্রায় আট মাস উচ্চ তাপমাত্রা বিরাজমান থাকে। আদালতে আইনজীবীদের পরিধানের জন্য সিভিল রুলস অ্যান্ড অর্ডারস, ক্রিমিনাল রুলস অ্যান্ড অর্ডারস, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ রুলস ১৯৭৩ এবং আপিল বিভাগের রুলস ১৯৮৮-তে শীত ও গ্রীষ্মকালে একই ধরনের পোশাক পরিধানের কথা বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, বর্তমানে প্রচলিত আইনজীবীদের পোশাকটি মূলত ব্রিটিশ ভাবধারা এবং আবহাওয়া বিবেচনায় নির্ধারণ করা হয়েছিল। সময়ের পরিবর্তনে এ অঞ্চলের আবহাওয়ার ব্যাপক পরিবর্তন হওয়ায় বর্তমানে বাংলাদেশ একটি গ্রীষ্মপ্রধান দেশ হিসেবে পরিগণিত। কিন্তু আইনজীবীদের কল্যাণ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুবিবেচনায় পোশাকের কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।

আবেদনে আরও বলা হয়, এর ফলে সারাদেশের হাজার হাজার আইনজীবী প্রতি বছর মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত উচ্চমাত্রার গরমে অসহনীয়, অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে নিম্ন এবং উচ্চ আদালতের বিচারকরা একই ধরনের পোশাক পরায় অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করে যাচ্ছেন।

সেখানে বলা হয়, করোনা মহামারির সময় প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা অনুসারে ড্রেসকোড পরিবর্তন করা হয়েছিল এবং তাতে আদালতের বিচারকার্য বা আইনজীবীদের পেশাগত কোনো অসুবিধা হয়নি। বিষয়টি সুবিবেচনায় নিয়ে আইনজীবী এবং বিচারকদের জন্য গ্রীষ্ম ও শীতকালীন ভিন্ন ড্রেসকোড নির্ধারণের আবেদন জানানো হয়।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

আইন-আদালত

শপথ নিলেন পিএসসির সদস্য প্রদীপ কুমার পাণ্ডে

Published

on

বাজার মূলধন

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পাণ্ডে।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানী। শপথ অনুষ্ঠানে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, পিএসসির চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন, পিএসসির সদস্য, হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মুন্সি মশিয়ার রহমান, আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান, সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মো. মোয়াজ্জেম হোসাইনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ১৯ মার্চ বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্য হিসেবে নিয়োগ পান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পাণ্ডে।

রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ১৩৮ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে অধ্যাপক প্রদীপ কুমারকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তাকে পিএসসির সদস্য নিয়োগ দিয়েছেন বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ১৩৯ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে তিনি দায়িত্ব নেওয়ার তারিখ থেকে পাঁচ বছর বা তার বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়া- এর মধ্যে যেটি আগে হয়, সে সময় পর্যন্ত পিএসসির সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করবেন।

অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক পদে দায়িত্বরত। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রদীপ কুমার পাণ্ডে ১৯৮৯ সালে এসএসসি পাস করেন। ১৯৯১ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেন। ১৯৯৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক ও ১৯৯৫ সালে একই বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে তিনি প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

২০০০ সালে একই বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন প্রদীপ কুমার পাণ্ডে। এরপর ২০০৩ সালে সহকারী অধ্যাপক, ২০১১ সালে সহযোগী অধ্যাপক এবং ২০১৮ সালে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেন।

অধ্যাপক প্রদীপ পাণ্ডে ২০০৬ সালে নরওয়ে সরকারের বৃত্তির আওতায় অসলো বিশ্ববিদ্যালয়ে সামার কোর্সে অংশ নেন। ২০১০ সালে যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জার্নালিজম স্টাডিজে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি ২০১৫-২০১৮ সাল পর্যন্ত বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

অধ্যাপনার পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি), ইউনিসেফ, ইউএনডিপি, এশিয়া ফাউন্ডেশন, আর্টিকেল নাইনটিনের রিসোর্স পারসন ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন। বিভিন্ন জার্নালে তার অর্ধশতাধিক প্রকাশনা রয়েছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আইন-আদালত

ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিবেন দেশের ৫০ বিচারক

Published

on

বাজার মূলধন

বিচারিক আদালতের ৫০ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য ভারতে যাওয়ার অনুমতি আইন মন্ত্রণালয়। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে এই অনুমতি দেওয়া হয়। সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৩।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শের প্রেক্ষিতে আগামী ৬ থেকে ১৬ মে পর্যন্ত ভারতের ন্যাশনাল জুডিসিয়াল একাডেমি, ভূপাল ও একটি স্টেট জুডিসিয়াল একাডেমিতে অনুষ্ঠিতব্য প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের ৫০ জন বিচারককে অনুমতি দেওয়া হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রশিক্ষণের যাবতীয় ব্যয় ভারত সরকার বহন করবে। এতে বাংলাদেশ সরকারের কোনো আর্থিক সংশ্লিষ্টতা নেই। ২০১৭ সালের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে বাংলাদেশের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও সামর্থ্য বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট এবং ভারতের ন্যাশনাল জুডিসিয়াল একাডেমির মধ্যে। ওই চুক্তির পর একই বছরের ২৯ জুলাই এক অনুষ্ঠানে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, ‘পৃথিবীর প্রত্যেকটা দেশে উচ্চ আদালতের বিচারকদের জন্য ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা আছে। ভারতের প্রত্যেকটা রাজ্যে একটি জুডিসিয়ারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট আছে উচ্চ আদালতের বিচারকদের ট্রেনিংয়ের জন্য। ভূপালে তাদের জাতীয় জুডিসিয়ারি একাডেমি আছে। সেখানে আমাদের ১৫শ থেকে ১৬শ বিচারকের ট্রেনিংয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছি।’

প্রশিক্ষণের জন্য সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, যুগ্ম জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, জেলা ও দায়রা জজ এবং সমপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। বিচার বিভাগীয় এ কর্মকর্তারা আগামী ৬ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করবেন।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আইন-আদালত

মে মাসে ভারতে যাবেন আরও ৫০ বিচারক

Published

on

বাজার মূলধন

ভারতের ভূপালে অবস্থিত ন্যাশনাল জুডিসিয়াল একাডেমি ও একটি স্টেট একাডেমিতে প্রশিক্ষণের জন্য অধস্তন আদালতের ৫০ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শ করে আইন মন্ত্রণালয় এ অনুমতি দেয়।

প্রশিক্ষণের জন্য সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, যুগ্ম জেলা ও জজ, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, জেলা ও দায়রা জজ এবং সমপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এসব বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা আগামী ৬ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন।

সম্প্রতি এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৩ একটি বিজ্ঞপ্তি দেয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৬ থেকে ১৬ মে পর্যন্ত ভারতের ন্যাশনাল জুডিসিয়াল একাডেমি, ভূপাল ও একটি স্টেট জুডিসিয়াল একাডেমিতে অনুষ্ঠিতব্য প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের ৫০ বিচারককে অনুমতি দেওয়া হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রশিক্ষণের যাবতীয় ব্যয় ভারত সরকার বহন করবে। এতে বাংলাদেশ সরকারের কোনো আর্থিক সংশ্লেষ নেই।

২০১৭ সালের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে বাংলাদেশের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও সামর্থ্য বাড়ানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট এবং ভারতের ন্যাশনাল জুডিসিয়াল একাডেমির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

ওই সমঝোতা স্মারকের পর একই বছরের ২৯ জুলাই এক অনুষ্ঠানে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, ‘পৃথিবীর প্রত্যেকটা দেশে উচ্চ আদালতের বিচারকদের জন্য ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা আছে। ভারতের প্রত্যেকটা রাজ্যে একটি জুডিসিয়ারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট আছে উচ্চ আদালতের বিচারকদের ট্রেনিংয়ের জন্য। ভূপালে তাদের জাতীয় জুডিসিয়ারি একাডেমি আছে। সেখানে আমাদের ১৫-১৬ বিচারকের ট্রেনিংয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। ’

এরপর প্রথমবারের মতো ওই বছরের ১০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত প্রশিক্ষণ নিতে ভারতে যান বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা। পর্যায়ক্রমে ইতোমধ্যে অনেক বিচারক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আইন-আদালত

যৌথবাহিনীর অভিযানে কারাগারে কেএনএফের ৪ সহযোগী

Published

on

বাজার মূলধন

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় যৌথবাহিনীর অভিযানে সোনালী ব্যাংকে হামলা, টাকা ও অস্ত্র লুটের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় কেএনএফের সহযোগী হিসেবে আরও ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রুমা উপজেলার রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের জাদিপাই পাড়ার লাল রৌবত বম (২৭), বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়নের চিনলুং পাড়ার লাল লম থার বম (৩১), রুমা উপজেলা পাইন্দু ইউপির মুননুয়ামপাড়ার মিথুসেল বম (২৫), বান্দরবান সদর উপজেলার কানা পাড়ার লাল রুয়াত লিয়ান বম (৩৮)।

পুলিশ জানিয়েছে, গত ২এপ্রিল বান্দরবানের রুমা সোনালী ব্যাংকে হামলা, টাকা ও অস্ত্র লুটের ঘটনায় দায়েরকৃত পাঁচটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কেএনএফের সহযোগী হিসেবে যৌথবাহিনীর সদস্যরা তাদের ১৩ এপ্রিল (শনিবার) রাতে রুমা উপজেলা এবং বান্দরবানের সদর উপজেলার বিভিন্নস্থান থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে যাচাই বাচাই শেষে তাদের ১৪ এপ্রিল (রবিবার) দুপুরে বান্দরবান চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়।

পরে বান্দরবান চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এ এস এম এমরান এর আদালত আসামি চারজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বান্দরবান জেলা পুলিশের তথ্যমতে, বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে ঘটনার পর এই পর্যন্ত ৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে (রুমা ৫ ও থানচি ৪)এবং ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে এ পর্যন্ত সর্বমোট ৬২ জনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আইন-আদালত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

Published

on

বাজার মূলধন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি জন জি রবার্টসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। বুধবার সকালে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎ শেষে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তাতে সাড়া দিয়ে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফর করার কথা জানিয়েছেন আমেরিকার প্রধান বিচারপতি।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানে হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতির আদালতের কার্যপ্রণালি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ উপস্থিত ছিলেন। প্রায় ২০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান উভয় দেশের বিচারবিভাগের দ্বিপক্ষীয় ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতিও এতে সমর্থন জানান।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
বাজার মূলধন
আন্তর্জাতিক2 hours ago

চ্যালেঞ্জের মুখে ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল উৎপাদন ও রফতানি

বাজার মূলধন
খেলাধুলা2 hours ago

আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে ১১ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা

বাজার মূলধন
জাতীয়2 hours ago

পালিয়ে আসা ২৮৫ জনকে ফেরত নিচ্ছে মিয়ানমার

বাজার মূলধন
আবহাওয়া2 hours ago

দেশব্যাপী তিনদিনের হিট অ্যালার্ট জারি

বাজার মূলধন
পুঁজিবাজার2 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো সাড়ে ২১ হাজার কোটি টাকা

বাজার মূলধন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার2 hours ago

রোজা-ঈদের ছুটি শেষে রবিবার খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

বাজার মূলধন
জাতীয়3 hours ago

শিশু হাসপাতালে আগুনের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি

বাজার মূলধন
আন্তর্জাতিক3 hours ago

এশিয়ার মুদ্রা শক্তিশালী করতে সমন্বিত পদক্ষেপের ইঙ্গিত

বাজার মূলধন
আবহাওয়া4 hours ago

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়, হিট এলার্ট জারি 

বাজার মূলধন
জাতীয়4 hours ago

ভাষানটেক পুনর্বাসন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরুর তাগিদ

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০